ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কদমতলীতে ফুলের দোকানের কর্মচারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার


কদমতলীতে ফুলের দোকানের কর্মচারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর কদমতলী থানার দক্ষিণ দনিয়া পাটের বাগ এলাকার একটি বাসা থেকে মো. রানা (৪০) নামের এক ফুলের দোকানের কর্মচারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) বিকেলে নিজ বাসার শয়নকক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে নাইলনের রশি পেঁচানো অবস্থায় তাকে দেখতে পান স্বজনরা। খবর পেয়ে সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রানা শাহবাগ এলাকার একটি ফুলের দোকানে কাজ করতেন। তার বাবার নাম মৃত মোকছেদ আলী। পরিবারে বিভিন্ন বিষয়ে কলহ চলছিল বলে স্বজনদের দাবি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এসব কারণেই তিনি গলায় ফাঁস দিয়েছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, রানা মাদকাসক্ত ছিলেন।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ

 

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিবন্ধী শিশুর পাশে দীঘিনালা জোন, উপহার মিলল হুইলচেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৬ পি.এম


প্রতিবন্ধী শিশুর পাশে দীঘিনালা জোন, উপহার মিলল হুইলচেয়ার

মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় এক প্রতিবন্ধী শিশুকে হুইলচেয়ার উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন। এতে দীর্ঘদিনের চলাচলের কষ্ট থেকে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে শিশুটি ও তার পরিবার।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের উত্তর রশিদনগর এলাকায় বসবাসরত প্রতিবন্ধী শিশু মোহাম্মদ শামিমের হাতে হুইলচেয়ারটি তুলে দেওয়া হয়। শামিমের বাবা আব্দুল কাইয়ুম এবং মা শরিফা বেগম।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে শামিমের জন্য একটি হুইলচেয়ার কেনা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রতিদিন চলাফেরায় তাকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হতো। বিষয়টি জানতে পেরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন শিশুটির জন্য একটি হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করে।

হুইলচেয়ার পেয়ে শামিমের মা শরিফা বেগম বলেন, "আমাদের ছেলের জন্য হুইলচেয়ার কেনার সামর্থ্য ছিল না। সেনাবাহিনীর এই সহযোগিতা আমাদের পরিবারের জন্য অনেক বড় উপহার। আমরা তাদের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।"

স্থানীয়রা জানান, দীঘিনালা জোন দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবিক সহায়তা এবং অসহায় মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। প্রতিবন্ধী শিশুর পাশে দাঁড়িয়ে হুইলচেয়ার প্রদান সেই মানবিক উদ্যোগেরই আরেকটি দৃষ্টান্ত।

এ উদ্যোগে শামিম ও তার পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফুটেছে। স্থানীয়রাও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার অংশে সংস্কারকাজের ধীরগতির ফলে এবং টানা বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট খানাখন্দের ফলে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। হাজারো যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশ দিন-রাত কাজ করে চলেছে, তবে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালেও আমতলী এলাকাকে কেন্দ্র করে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সকাল থেকে কুমিল্লা সদর উপজেলার আলেখারচর এলাকা থেকে সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী পর্যন্ত ঢাকা মুখী লেনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্তও যানজট পুরোপুরি নিরসন হয়নি। বরং ধীরগতিতে চলাচল করা যানবাহনের সারি আরও দীর্ঘ হতে থাকে।

হাইওয়ে পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার ময়নামতি সেনানিবাস সংলগ্ন আমতলী এলাকায় প্রায় আধা কিলোমিটার সড়কের কংক্রিট ঢালাইয়ের কাজ গত তিন মাস ধরে চলছে। কাজের সুবিধার্থে এক পাশ বন্ধ রেখে অপর পাশ দিয়ে যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে, কিন্তু টানা বৃষ্টিতে আক্রান্ত বিকল্প লেনও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, এবং সেখান থেকে কাদা-পানি ছড়িয়ে পাশের ভালো সড়কও নষ্ট হচ্ছে। ফলে যানবাহন বাধ্য হয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে, যা প্রতিদিন দীর্ঘ যানজটের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা থেকে এড়াতে কিছু চালক উল্টো পথে চলাচলের চেষ্টা করেন, যা যানজটকে আরও বাড়িয়ে তোলে এবং উভয় দিকেই যান চলাচল ব্যাহত হয়। শুক্রবার সকালেও আলেখারচর থেকে সুয়াগাজী পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার জুড়ে যানজট ছড়িয়ে পড়েছে, হাজারো যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

যানজট নিয়ন্ত্রণে ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার একাধিক মোবাইল টিম এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কার না হওয়ায় পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নতি হয়নি।

ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান বলেন, 'গত তিন মাস ধরে এই অংশে সংস্কারকাজ চলছে। এরই মধ্যে আশপাশের অংশও ভেঙে যাচ্ছে। যানবাহনের তীব্র চাপ ও দীর্ঘ যানজট নিয়ন্ত্রণে গত তিন দিন ধরে আমাদের সদস্যরা দিন-রাত দায়িত্ব পালন করছেন। দ্রুত সড়ক সংস্কার না হলে জনভোগান্তি আরও বাড়বে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামতের জন্য সওজ বিভাগকে বারবার অবহিত করা হলেও এখনও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।'

হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কীর্তিমান চাকমা বলেন, 'বৃষ্টি হলেই আমতলী এলাকার ভোগান্তি প্রতিদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। গত তিন থেকে চার সপ্তাহের টানা বৃষ্টির ফলে মহাসড়কের এই অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মূল সড়কের পাশাপাশি বিকল্প লেনেও বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। গত দুই দিনে শুধু এই স্থানেই অন্তত চারটি মালবাহী ট্রাক গর্তে আটকে যায়। পরে রেকার দিয়ে সেগুলো সরিয়ে নিতে হয়, ফলে দীর্ঘ সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'বিষয়টি একাধিকবার সড়ক ও জনপথ বিভাগকে জানানো হলেও খুব বেশি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এর ফলে, প্রতিদিনই যানজট বাড়ছে এবং জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করছে।'

যানজটে আটকে থাকা কয়েকজন ট্রাক ও বাসাচালক জানান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই স্থানে অপেক্ষা করা হচ্ছে। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় গন্তব্যে পৌঁছাতে কয়েক ঘণ্টা বেশি সময় লাগছে। এটা জ্বালানি অপচয়ের পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও বাড়াচ্ছে।

যাত্রীরা জানান, বর্ষা মৌসুম এলেই আমতলী এলাকায় একই ধরনের দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি ঘটে। দীর্ঘ সময় যানবাহনে আটকে থাকায় নারী, শিশু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার করে মহাসড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে জানতে কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা এবং আমতলী অংশের সংস্কারকাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। ফলে, এ বিষয়ে তাদের পক্ষে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদালত থেকে পালিয়ে ডিবি কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকের অভিযোগ, সাংবাদিককে ফাঁসানোর চক্রান্তের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৩১ পি.এম


আদালত থেকে পালিয়ে ডিবি কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকের অভিযোগ, সাংবাদিককে ফাঁসানোর চক্রান্তের দাবি

আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পারোয়ানাভুক্ত আসামি গাঁজা রফিক রহস্যজনকভাবে সটকে পড়ার ঘটনা এবং এরপর নগরীর শহীদ মিনার সার্কিট হাউজে একটি গোপন স্থানে দাঁড়িয়ে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাথে তার গোপনে কথা বলার বিষয়টি বরিশাল নগরজুড়ে চরম চাঞ্চল্য ও সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে যে, একাধিক গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং দ্রুত বিচার আইনের মামলার অন্তর্ভুক্ত আসামি, চিহ্নিত মাদক কারবারি ও অপরাধী ‘গাঁজা রফিক’ অনুসন্ধানী টিমের কর্মকর্তাদের পেছনে লাগিয়ে তুলে একটি নীল নকশা বাস্তবায়নে তৎপরতা চালাচ্ছে। সম্প্রতি তালাশ বিডির অনুসন্ধানী টিমের সেই গোপন বৈঠকের দৃশ্য ধরা পড়েছে।

অনুসন্ধানী সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে যে, গত ৬ই আগস্ট বরিশাল মহানগর ৩য় যুগ্ম জেলা জজ আদালতে একাধিক মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি ‘গাঁজা রফিক’ আত্মসমর্পণ করতে আসেন। তবে দশা অজানা কোনো কারণে রফিক আদালতে আত্মসমর্পণ না করে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে তড়িঘড়ি মোটরসাইকেলে স্থান ত্যাগ করে।

বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তালাশ বিডির একটি অনুসন্ধানী টিম তার পিছু নিয়ে নজর রাখা শুরু করে। একপর্যায়ে দেখা যায়, নগরীর শহীদ মিনার সার্কিট হাউজের একটি গোপন সংলগ্ন এলাকায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ডিবি পুলিশের একটি টিমের সঙ্গে গোপনে দীর্ঘক্ষণ কথা বলছে গাঁজা রফিক। তবে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে যায় সে এবং পরে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

ডিবি পুলিশের এক সদস্যের কাছে এই আলোচনার বিষয়ে জানার চেষ্টা করলে তিনি প্রাথমিকভাবে তথ্য এড়িয়ে যেতে চান। তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কী কথা হয়েছে তা তাঁর জানা নেই। তবে পরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অবস্থায় তিনি স্বীকার করেন যে, রফিক ঠিকই তালাশ বিডির সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলাম সম্পর্কে কথাবার্তা বলছিল।

অনুসন্ধানে আরো বেরিয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট ডিবির ওই কর্মকর্তা এর আগে কোতোয়ালি থানায় দীর্ঘদিন সাব-ইনস্পেক্টর (এসআই) হিসেবে কর্মরত সময় থেকেই আসামি গাঁজা রফিকের সঙ্গে তার গভীর সখ্য গড়ে উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, সাংবাদিককে জব্দ করতে এবং অনৈতিক সুবিধা পেতে কাজেই ওই কর্মকর্তার শরণাপন্ন হয় রফিক। এখন সচেতন মহলের প্রশ্ন—পুলিশের সেই কর্মকর্তা কি একজন চিহ্নিত অপরাধীর অন্যায় আবদারকে প্রশ্রয় দিয়ে বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করবেন, নাকি তাঁকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন?

সম্প্রতি গাঁজা রফিকের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছেন কোতোয়ালি থানার এসআই রাজিব দাস সনেট। এরপরেই রফিকের স্ত্রী এবং চিহ্নিত মাদক কারবারি অনু বেগম সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামকে মুঠোফোনে মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি দেয়। মামলা না তুললে তাকে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, অনু বেগম কিছুদিন আগেই বিপুল পরিমাণ মাদকসহ কোতোয়ালি মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার নাসিম খানের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল।

হুমকি সংক্রান্ত একটি অডিও কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নগরজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি ফলে। বর্তমানে জামিনে বের হয়ে অনু বেগম নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে পুনরায় অবাধে মাদক কারবার পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, গোপনে পুলিশের কিছু অসাধু সদস্যকে মাসোহারা দিয়ে এই মাদক সাম্রাজ্য পরিচালনা করা হচ্ছে। এর আগে আসামি গাঁজা রফিক নিজেও একইভাবে সাংবাদিক মাছুদুরকে মুঠোফোনের মাধ্যমে হুমকি দিয়েছিল।

একাধিক পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও কোতোয়ালি থানায় মাদক মামলা থাকা সত্ত্বেও প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়ার পরও কোতোয়ালি থানা পুলিশ কিংবা ডিবি পুলিশ আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান আইনি ব্যবস্থা না গ্রহণ করায় বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন পেশাদার অনুসন্ধানী সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলাম এবং তার পরিবার।

এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তালাশ বিডির সম্পাদক রনি সিকদার বলেন, মাছুদুর রহমান আসলাম দীর্ঘ ১১ বছর ধরে বরিশালে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে বস্তুনিষ্ঠ ও আপসহীন সাংবাদিকতা করে আসছেন। তিনি ধূমপানও করেন না। আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও পুলিশ চিহ্নিত আসামি গাঁজা রফিককে গ্রেফতার না করতে পারা বিএমপি পুলিশের একটি ব্যর্থতা মনে করছে রিফিউজি কলোনির বাসিন্দারা। আসামিকে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ দেওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও খতিয়ে দেখার মতো বিষয়। এছাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নাক কাটা রুবেল’ এবং তার বাহিনীর সদস্যরা এখনও অধরা রয়েছে। আমরা বিএমপির নবনিযুক্ত পুলিশ কমিশনারকে আকুল আহ্বান জানাচ্ছি—অবিলম্বে সচল এসব চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারীদের গ্রেফতার করে নগরবাসীর মনে স্বস্তি ফিরিয়ে দিন। অন্যথায় বরিশাল নগরীতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তার দায়ভার নিতে হবে।

এদিকে, পুরো ঘটনার সুরাহা করতে এবং রহস্য উন্মোচনে তালাশ বিডির সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলাম খুব শিগগিরই ওই ডিবি কর্মকর্তার মুখোমুখি হবেন এবং অপরাধীর সঙ্গে এমন সখ্যতার প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা করবেন বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জোরারগঞ্জে পুলিশের অভিযান: ২০ বছরের সাজাপ্রাপ্তসহ ২ আসামি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাকিব চৌধুরী(চট্টগ্রাম)

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


জোরারগঞ্জে পুলিশের অভিযান: ২০ বছরের সাজাপ্রাপ্তসহ ২ আসামি গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ২০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিসহ মোট দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার রাতে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে এএসআই (নিঃ) মোঃ আব্দুল মমিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (০৭ আগস্ট) ভোর রাত ৪টা ২০ মিনিটের দিকে পশ্চিম অলিনগর এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় পটিয়া থানার একটি মাদক মামলায় (দায়রা-৩৩০/২৩, জিআর-২৯৬/২২) আদালতের রায় মূলে ২০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ও ৪০ হাজার টাকা জরিমানাপ্রাপ্ত আসামি সাফায়েত হোসেন নয়নকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়। নয়ন ১নং করেরহাট ইউনিয়নের পশ্চিম অলিনগর গ্রামের ছালেহ আহমদের ছেলে।
অন্যদিকে, গত বুধবার (০৬ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে এসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক উদ্দিনের নেতৃত্বে অপর এক অভিযানে সিআর-২৩৭/২৬ মামলার পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় পরোয়ানাভুক্ত আসামি শাহরীয়ার হোসেন তারেককে গ্রেপ্তার করা হয়। তারেক বারইয়ারহাট এলাকার সিরাজদ্দৌল্লার ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপরাধ দমন ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%