ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুষ্টিয়ায় ২৯ লাখ টাকার মাদক ও মালামাল জব্দ


কুষ্টিয়ায় ২৯ লাখ টাকার মাদক ও মালামাল জব্দ

কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৯ লাখ টাকার ভারতীয় মাদক ও চোরাচালানি মালামাল উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শনিবার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি।

বিজিবি জানায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৮ আগস্ট ) ও শনিবার (২৯ আগস্ট) কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় মাদক ও চোরাচালানি মালামাল উদ্ধার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে কাথুলী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ কাঠালতলা মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় দুই বোতল মদ ও দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। 

আরও পড়ুন: নওগাঁয়ে ঘরে মাটির নিচে ২৪৫ কেজির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার, আটক ১

অন্যদিকে,শনিবার রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ঠোটারপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ পাকুরিয়া মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় এক হাজার পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট, ৫৫০ পিস সাইপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট, চার বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ ও এক বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়।

একই দিন রাত সাড়ে ৩টার দিকে কাজিপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ কাজিপুর নওপাড়া সুইচ গেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪০০ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ ও ৭ হাজার ৬০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। 

এছাড়াও শনিবার সকাল ৬টার দিকে প্রাগপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ গুরের পাড়া জামে মসজিদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভারতীয় এক হাজার ৭১০ প্যাকেট পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত এসব মাদক ও মালামালের আনুমানিক বাজার মুল্য ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৪৫০ টাকা বলেও জানিয়েছেন বিজিবি।

আরও পড়ুন: দিনাজপুর বোর্ডের ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ

বিজিবি আরও জানিয়েছে, সীমান্তে মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষা এবং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতিকে প্রশিক্ষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


কুমিল্লায় শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতিকে প্রশিক্ষণ

শিক্ষার মানোন্নয়নে কুমিল্লায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির সভাপতিদের নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) ময়নামতি অডিটোরিয়ামে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন কুমিল্লা-১০ আসনের এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। এই আয়োজন করে সিটিজেন ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (সিডিএস)। প্রশিক্ষণে নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলার শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের দায়িত্ব, নেতৃত্ব, জবাবদিহি, ক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দক্ষতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি হওয়া শুধু একটি পদ বা সামাজিক মর্যাদার বিষয় নয়। একজন সভাপতিকে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমস্যা, শৃঙ্খলা, জবাবদিহি এবং সামগ্রিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

কর্মশালায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি, গভর্নিং বডি এবং সভাপতির দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে প্রশিক্ষণ দেন সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, চট্টগ্রামের সহকারী অধ্যাপক ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ও ড. শামসুদ্দীন শিশির। শিক্ষায় সভাপতির ভূমিকা, অংশীজনের দায়বদ্ধতা এবং ক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করেন লালমাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহ।

বিশেষ সেশনে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. জামাল নাছের শিক্ষার মানোন্নয়নে সভাপতির ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য দেন। প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা উন্নয়নের জন্য পরিবর্তন পরিচালন দক্ষতা অর্জনের কৌশল বিষয়ে বক্তব্য দেন অর্গানাইজেশন ডেভেলপমেন্ট কনসালট্যান্টের কর্মকর্তা সৈয়দ মোহাম্মদ নুরুল আফসার।

পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে ট্র্যাকিং সিস্টেম নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন নিশ্চিন্তপুর আব্দুল গফুর ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি শাহ নেওয়াজ নিজাম। কর্মশালায় চলতি বছেরের ফলাফল পর্যালোচনা, পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শনাক্তকরণ, সভাপতিদের করণীয়, প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় পরিবর্তন ব্যবস্থাপনা এবং বাস্তব সমস্যা নিয়ে দলগত কাজ ও উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রায়হান এবং লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস দাশ। সভাপতিত্ব করেন সিডিএস চেয়ারম্যান আফসানা ভূঁইয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন সিডিএস পরিচালক ও নাঙ্গলকোট-লালমাই উপজেলা শিক্ষা কমিটির সদস্য সামছুদ্দিন ইলিয়াস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ব্লাড মুন’ দেখল বিশ্বের বহু দেশ, বাংলাদেশে কেন দেখা গেল না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ পি.এম


‘ব্লাড মুন’ দেখল বিশ্বের বহু দেশ, বাংলাদেশে কেন দেখা গেল না

সম্প্রতি রাতের আকাশে বিরল এক দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল। ২৭–২৮ আগস্টের আংশিক চন্দ্রগ্রহণে চাঁদের ৯৬ দশমিক ২ শতাংশ পৃথিবীর গাঢ় ছায়ায় ঢেকে যায়। আলোয় ছিল কেবল একটি সরু অংশ। ফলে চাঁদের বড় অংশ তামাটে-লাল আভা ধারণ করে, যা অনেকটা ‘ব্লাড মুন’ বা রক্তচাঁদের মতো দেখায়।

এটি ছিল আগস্টের পূর্ণিমার চাঁদ, যাকে ‘স্টার্জন মুন’ বলা হয়। গ্রহণের সর্বোচ্চ পর্যায়ে চাঁদের প্রায় পুরোটা পৃথিবীর গাঢ় অভ্যন্তরীণ ছায়া বা প্রচ্ছায়ার মধ্যে চলে যায়। সরাসরি সূর্যের আলো পায় কেবল চাঁদের সামান্য একটি অংশ।

চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে চলে আসে। তখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে। এবার সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ পুরোপুরি সরলরেখায় না থাকায় চাঁদের একটি অংশই পৃথিবীর গাঢ় ছায়ায় প্রবেশ করে। তাই এটি পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ না হয়ে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ হয়েছে।

কেন তামাটে-লাল দেখায় চাঁদ?
চাঁদ পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে যায়নি। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল দিয়ে সূর্যের কিছু আলো ছেঁকে চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছায়। নীল ও বেগুনি আলোর তুলনায় লাল ও কমলা আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হওয়ায় সেগুলো বায়ুমণ্ডল পেরিয়ে চাঁদে পৌঁছাতে পারে। এ কারণেই গ্রহণের সময় চাঁদে লালচে বা কমলা আভা দেখা যায়।

২৭ আগস্ট রাত ৯টা ২৩ মিনিটে চাঁদ পৃথিবীর হালকা ছায়ায় প্রবেশের মধ্য দিয়ে গ্রহণ শুরু হয়। রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে শুরু হয় আংশিক গ্রহণ। ২৮ আগস্ট রাত ১২টা ১২ মিনিটে গ্রহণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। তখন চাঁদের ৯৬ দশমিক ২ শতাংশ পৃথিবীর গাঢ় ছায়ায় ছিল। রাত ১টা ৫১ মিনিটে আংশিক গ্রহণ শেষ হয় এবং ভোর ৩টা ১ মিনিটে পুরো গ্রহণ শেষ হয়।

বাংলাদেশে কেন দেখা গেল না?
এই চন্দ্রগ্রহণ উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল থেকে দেখা গেছে। তবে অঞ্চলভেদে দৃশ্যমানতার সময় ও মান ভিন্ন ছিল।

বাংলাদেশে এই গ্রহণ দেখা যায়নি। একই কারণে ভারতের অধিকাংশ এলাকাতেও এটি দৃশ্যমান ছিল না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই অঞ্চলে গ্রহণটি দিনের বেলায় ঘটেছিল।

বাংলাদেশে পরের চন্দ্রগ্রহণ কবে?
আকাশপ্রেমীদের অবশ্য বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ বাংলাদেশ থেকে পরবর্তী চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। তবে সেটি হবে উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ। ঢাকায় স্থানীয় সময় ভোর ৩টা ১২ মিনিটে গ্রহণ শুরু হবে এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে ভোর ৫টা ১২ মিনিটে। শেষ হবে সকাল ৭টা ১৩ মিনিটে।

তবে উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণে পৃথিবীর মূল গাঢ় ছায়া চাঁদকে ঢেকে দেয় না। ফলে চাঁদের উজ্জ্বলতা সামান্য কমে যায় এবং খালি চোখে পরিবর্তনটি বোঝা তুলনামূলক কঠিন হতে পারে।

এরপর বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান আংশিক চন্দ্রগ্রহণ হবে ৬–৭ জুলাই ২০২৮। আর ৩১ ডিসেম্বর ২০২৮ থেকে ১ জানুয়ারি ২০২৯ পর্যন্ত দেখা যাবে একটি পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ।

বিডিপ্রতিদিন/কেকে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘হরমুজ প্রণালির মতোই বুমেরাং হতে পারে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


‘হরমুজ প্রণালির মতোই বুমেরাং হতে পারে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা’

যুদ্ধের মূল লক্ষ্য অর্জনে ‘শত্রুরা’ ব্যর্থ হওয়ায় ইরান নিজেদের বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করেছে। শত্রুপক্ষ ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ধ্বংসের চেষ্টা করলেও, তেহরান শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিজেদের মজুত থেকে তাদের ওপর তীব্র মাত্রায় হামলা চালিয়েছে। ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি এই দাবি করেছেন।

সামরিক যুক্তি তুলে ধরে সেনাপ্রধান বলেন, আক্রমণকারী দল তখনই বিজয়ী হয় যখন তারা নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারে। কিন্তু প্রতিরক্ষামূলক যুদ্ধে শত্রুরা লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার অর্থ হলো প্রতিরোধকারী দেশের বিজয়।

সামরিক এই সাফল্যের দাবির পাশাপাশি নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়েও আলোচনা চলছে। ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মহসেন রেজাই সম্প্রতি জানান, ভবিষ্যতের যেকোনো যুদ্ধ সম্পূর্ণ ‘ভিন্ন’ রূপ নেবে। তার এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন হামাদ বিন খলিফা ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক সুলতান বারাকাত। আল জাজিরাকে তিনি জানান, এটি কোনো হুমকি নয়। বরং নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোকে সতর্কভাবে কাজ করার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

বারাকাতের মতে, স্থলপথ ও কাস্পিয়ান সাগর দিয়ে যুক্ত থাকা অনেক প্রতিবেশী এবং বন্ধু রাষ্ট্র মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ইরানের সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করবে। রেজাই মূলত বোঝাতে চেয়েছেন যে, সবার সঙ্গে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থায় ইরান নেই।

তবে অধ্যাপক বারাকাত স্মরণ করিয়ে দেন, হরমুজ প্রণালি অবরোধের কারণে যুক্তরাষ্ট্র যেমন বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছিল, ঠিক একইভাবে এই নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাও খোদ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হিতে বিপরীত হতে পারে।

বিডিপ্রতিদিন/কেকে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যার আগে সতর্ক করেনি চীন, দাবি নেপালের সাবেক মন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


বন্যার আগে সতর্ক করেনি চীন, দাবি নেপালের সাবেক মন্ত্রীর

নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের আগে চীনের কাছ থেকে কোনো সময়োপযোগী সতর্কবার্তা পায়নি নেপাল। এমন দাবি করেছেন দেশটির সাবেক বন ও পরিবেশমন্ত্রী মাধব প্রসাদ চৌলাগাইন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গত বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে বরফ, পাথর ও কাদার ভয়াবহ স্রোত নেপাল তিব্বত সীমান্তে আঘাত হানার আগে চীনের পক্ষ থেকে নেপালকে কোনো আগাম সতর্কতা দেওয়া হয়নি।

চৌলাগাইনের মতে, দুই দেশের মধ্যে দুর্যোগসংক্রান্ত তথ্য আদান প্রদানে ঘাটতির কারণে এই বিপর্যয়ে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে থাকতে পারে।

তিনি বলেন, ২০২৫ সালে অপেক্ষাকৃত ছোট একটি হিমবাহসংক্রান্ত ঘটনার পর নেপাল ও চীনের মধ্যে আগাম সতর্কতা এবং তথ্য বিনিময়ের একটি ব্যবস্থা নিয়ে সমঝোতা হয়েছিল। কিন্তু এবারের ঘটনায় সেই ব্যবস্থা কাজে লাগানো হয়নি।

বন্যার উৎপত্তি নিয়ে ভিন্ন দাবি

বন্যার সূত্রপাত নেপালের ভূখণ্ডে হয়েছিল বলে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে যে দাবি করা হয়েছে, তা প্রত্যাখ্যান করেছেন চৌলাগাইন। তার দাবি, বিপর্যয়ের সূত্রপাত তিব্বতের দিকেই। তবে এ বিষয়ে আরও তথ্য, তদন্ত ও স্বচ্ছতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

চৌলাগাইন বলেন, নেপালের বিদ্যমান আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা মূলত হিমবাহের হ্রদ থেকে সৃষ্ট সম্ভাব্য বন্যার ঝুঁকি শনাক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেয়। কিন্তু এবারের ঘটনায় বরফ ও পাথরের বিশাল ধসের পর নদীপথে ভয়াবহ জল ও ধ্বংসাবশেষের স্রোত তৈরি হয়। এ ধরনের পরিস্থিতি আগের ঝুঁকি মূল্যায়ন ও প্রস্তুতির মধ্যে যথেষ্টভাবে বিবেচনা করা হয়নি বলেও তিনি জানান।

তার মতে, নেপাল, চীন ও ভারতের মধ্যে কার্যকর আঞ্চলিক আগাম সতর্কতা ও তথ্য বিনিময় ব্যবস্থা থাকা জরুরি। সীমান্তপারের দুর্যোগের ঝুঁকি সম্পর্কে তথ্য সময়মতো বিনিময় না করাকে তিনি ‘মানবতার পরিপন্থী’ বলেও মন্তব্য করেন।

নেপালে মৃত ৬২৬, নিখোঁজ ২,৪২৬

এদিকে নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শনিবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (NDRRMA) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, এখনো ২ হাজার ৪২৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

বুধবার নেপাল তিব্বত সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকায় বরফ ও পাথরের ধসের পর ভয়াবহ জল ও কাদার স্রোত নেমে আসে। এতে বাড়িঘর, সড়ক, সেতু এবং জলবিদ্যুৎ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

চতুর্থ দিনেও দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলছে। শনিবারের হিসাবে, ৪ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং উদ্ধারকাজে বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন রয়েছে।

চলমান বিপর্যয়ের মধ্যে নেপাল ভারত ও চীনের কাছেও বিশেষায়িত উদ্ধার সহায়তা চেয়েছে। বিশেষ করে ধসে পড়া স্থাপনা ও টানেল থেকে মানুষ উদ্ধারে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম চাওয়া হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি, রয়টার্স ও নেপালের NDRRMA

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%