বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:১১ পি.এম
পাবনার বেড়া উপজেলায় যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙনে নদীপাড়ের বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাবস্টেশন), একটি জামে মসজিদ, অসংখ্য বসতবাড়ি এবং শত শত বিঘা ফসলি জমি ভাঙনের মুখে পড়েছে। ভাঙন রোধে দ্রুত জিওব্যাগ ফেলে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
সরেজমিনে যমুনা নদীর ভাঙন দেখার সময় বিভিন্ন ইউনিয়নের এলাকায় এর তাণ্ডব লক্ষ্য করা যায়, তবে কল্যাণপুর চর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে ভাঙন দিনদিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। ভাঙণের জায়গাটি স্থানীয় মসজিদ থেকে প্রায় ২০০ ফুট এবং বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাবস্টেশন) থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে হলেও সাবমেরিন ক্যাবল মাত্র ৫০ ফুট দূরে অবস্থিত। ক্যাবলটি ভাঙনের কবলে পড়লে স্থানীয় হাজারো মানুষ বিদ্যুৎ সেবা থেকে বঞ্চিত হতে পারে। প্রায় এক মাস আগে শুরু হওয়া এই ভাঙন বর্তমানে পুরো এলাকার মানুষের জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নদীর তীর ধসে পড়ানোর কারণে মসজিদ, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাবস্টেশন), ফসলি জমি এবং বসতবাড়ি ঝুঁকির মুখে এসেছে। ভাঙনের অগ্রগতি অব্যাহত থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে। তাদের আতঙ্ক, কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে অদূর ভবিষ্যতে স্থানীয় মসজিদ ও বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন যমুনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। তাই ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, চলমান ভাঙনে গত এক মাসে প্রায় ২০০ বিঘা ফসলি জমি যমুনা নদীগর্ভে চলে গেছে। এর ফলে অনেক কৃষক তাদের জমি হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন। একদিকে মূল্যবান কৃষিজমি হারানো, অন্যদিকে নদীতীরবর্তী বসতবাড়ি, মসজিদ এবং বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
ভাঙনের প্রতিক্ষণে স্থানীয়দের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। তারা আশঙ্কা করছেন, যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে বর্ষার বাকি সময়েও অনেক বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। ভাঙন রোধের জন্য জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তাদের।
কল্যাণপুর চরের বাসিন্দা মো. তাইজল ইসলাম বলেন, গত এক মাসে যমুনা নদীর ভাঙনের কারণে আমার ৪ বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে চলে গেছে। এর আগেও কিছু জমি হারিয়েছি। এখন চাষাবাদ করার মতো কোনো জমি অবশিষ্ট নেই। আমি পরিবার নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।
তাইজল ইসলামের মতো আরও অনেক কৃষক একই দুর্ভোগে পড়েছেন। স্থানীয়দের মতে, যমুনার অব্যাহত ভাঙনে মো. শুকুর আলী, মো. কামাল হোসেন, মো. ইসমাইল হোসেন এবং হযরত আলীসহ অসংখ্য কৃষকের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বছরের পর বছর নদীভাঙনের শিকার হয়ে অনেকেই ভূমিহীন হয়ে পড়েছেন। কৃষিকাজই ছিল তাদের পরিবারের জীবিকার মূল উৎস, কিন্তু একের পর এক জমি হারানোর ফলে তারা গুরুতর আর্থিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। ভাঙনের কারণে ফসল উৎপাদনের সুযোগ হারানোর ফলে অনেক পরিবার জীবিকা নির্বাহ নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে।
পুরানভারেঙ্গা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রেজাউল করিম বলেন, গত এক মাসে শুধুমাত্র কল্যাণপুর চর এলাকায় প্রায় ১০০ বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে চলে গেছে। এর পাশাপাশি ভাঙনকবলিত স্থান থেকে মাত্র ৫০ ফুট দূরে একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাবস্টেশন) এবং একটি মসজিদ রয়েছে, যা স্থানীয়দের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। যদি ভাঙন অব্যাহত থাকে, তাহলে এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষিজমি হারানোর পাশাপাশি বসতভিটা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং বিদ্যুৎ অবকাঠামো ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে, ফলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
নেওলাইপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, যমুনার ভাঙন দিনদিন ভয়াবহ আকার ধারণ করায় আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। রাতে ঠিকভাবে গভীরভাবে ঘুমাতে পারছি না। সবসময় মনে হয়, কখন নদীর পাড় ভেঙে আমাদের বাড়ি চলে যাবে। আমরা চাই, ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়ার আগেই সরকার দ্রুত নদী রক্ষা কাজ শুরু করুক, যাতে মানুষের জানমাল ও বসতভিটা রক্ষার ব্যবস্থা করা যায়।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বেড়া শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, যমুনা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ভাঙনের ঝুঁকি বিবেচনায় কল্যাণপুর চরসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নদীভাঙন প্রতিরোধে দুটি প্যাকেজের আওতায় প্রায় ১২ হাজার জিওব্যাগ ফেলা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজন হলে ভাঙনরোধ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে অতিরিক্ত প্যাকেজ গ্রহণ এবং জিওব্যাগ ফেলার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া পাড়ের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বাসের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন আলাউদ্দিন (২৮) নামে এক যুবক। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কাশিয়ানী উপজেলার মাজড়া এলাকায় এটি ঘটে।
নিহত যুবক আলাউদ্দিন কাশিয়ানী উপজেলার সাজাইল ইউনিয়নের ভাট্টাইধোপা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ খানের ছেলে।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে মাজড়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কটি পার হচ্ছিলেন যুবক আলাউদ্দিন। এই সময় দ্রুতগতিতে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়, ফলে ঘটনাস্থলে তিনি নিহত হন। ঘটনার পর চালক ও হেলপার পালিয়ে গেলেও পুলিশ ঘাতক বাসটিকে আটক করেছে।
এ বিষয়ে তিনি আরো জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। পরে আইনিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বিখ্যাত এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের চূড়া থেকে স্থানীয় পুলিশ রাশিয়ার এক যুগলকে গ্রেফতার করেছে।
একটি সংবাদমাধ্যমের হেলিকপ্টার থেকে ধারণ করা ঘটনার ভিডিওতে বুধবার (০১ জুলাই) কালো রঙের পোশাক পরা দুই ব্যক্তি ঐতিহাসিক এই আকাশচুম্বী ভবনের প্রধান অ্যান্টেনার ওপর দাঁড়িয়ে একে অপরকে চুম্বন করতে দেখা যায়।
মাটি থেকে প্রায় ৪৪৩ মিটার (১ হাজার ৪৫৪ ফুট) উঁচুতে অবস্থান করার সময় ওই যুগল একটি ব্যানার উন্মোচন করেন। ব্যানারে লেখা ছিল, ‘ভালোবাসার শক্তি যখন ক্ষমতার প্রতি মানুষের ভালোবাসাকে পরাজিত করে, পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।’
১০২ তলা উঁচু এম্পায়ার স্টেট ভবনের যে অংশটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত, তার ওপরের অ্যান্টেনায় ওই দুজন কীভাবে পৌঁছালেন, তা স্পষ্ট নয়।
পুলিশের বডি-ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, অ্যান্টেনায় দাঁড়িয়ে থাকা ওই দুই ব্যক্তিকে নিচে নামিয়ে আনতে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়। মই বেয়ে ওঠার সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনারা কী করছেন?’ তবে তারা কী জবাব দিয়েছিলেন, বাতাসের কারণে তা শোনা যায়নি। পরে ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘ঠিক আছে, আপনারা এখানে থাকতে পারবেন না।’
পরে গ্রেফতার হওয়া ওই যুগল হলেন রাশিয়ার নাগরিক ভানিয়া বেয়ারকুস ও অ্যাঞ্জেলা নিকোলাউ। তারা ২০২৪ সালে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া প্রামাণ্যচিত্র ‘স্কাইওয়াকার্স: আ লাভ স্টোরি’–তে উপস্থিত ছিলেন। প্রামাণ্যচিত্রে শহরের উঁচু ভবনে ওঠার ঝুঁকিপূর্ণ খেলা ‘রুফটপিং’-এর প্রতি তাদের আগ্রহ প্রকাশ পায়।
এক বিবৃতিতে ভবনের একজন মুখপাত্র ওই যুগলের ঘটনাকে ‘অবৈধ’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বাগ্দান উদ্যাপনের জন্য ওই যুগলের উচিত ছিল এক হাজার ডলারে ভবনের ‘হ্যাপি এভার এম্পায়ার প্রপোজাল প্যাকেজ’ কিনে তারপর বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সারাদেশের ন্যায় কুড়িগ্রামেও নজরুল বর্ষের উদ্বোধন করেছেন। তিনি তাঁর তেজগাঁওস্থ কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে একযোগে দেশের ৬৪ জেলা ও বাছাইকৃত ৭৪ উপজেলায় নজরুল বর্ষের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
উদ্বোধন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার কুড়িগ্রাম পৌর অডিটোরিয়াম হলরুমে নজরুল বিষয়ক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে নজরুল সংগীত পরিবেশন, নৃত্য ও কবিতা করে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন।
এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি, সিভিল সার্জন ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পী, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ২ জুলাই, ২০২৬ : জেলার পাইকগাছায় আজ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার সকাল বেলা পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। রোটারি ক্লাবের সহযোগিতায় খুলনার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক টিম এবং ফ্রেড হলোস ফাউন্ডেশন এই চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করে। ক্যাম্পে প্রায় দুই হাজার রোগীর চোখ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ২ শতাধিক রোগীকে ছানী অপারেশনের জন্য বাছাই করা হয়। বাকী রোগীদের ব্যাবস্থাপত্র, প্রয়োজনীয় ঔষধ ও চশমা দেয়া হয়।
সকালে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ও ছানি অপারেশন চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রোটারী ক্লাব অব মিডটাউনের সভাপতি সোহাগ মিনা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী।
তিনি বলেন, অত্যাধুনিক চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত অসহায়, স্বল্প আয়ের মানুষ, যারা টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারেন না, তাদের জন্যই এই সেবার আয়োজন। এটি মানবতার সেবা। এই চিকিৎসা ক্যাম্পে অংশ নেয়া রোটারী ক্লাব ও ডাক্তাররা নিজেদের মেধাকে মানবতার কল্যাণে কাজে লাগাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি মা, মাটি ও মানুষের দল। মানবতার সেবা ও মানুষের কল্যাণে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কাজ করে যাচ্ছে। অত্যাধুনিক চিকিৎসার সুবিধাবঞ্চিত অবহেলিত ও দুর্গম প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষেই এই ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক ডা. আব্দুল মজিদ, খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক এস এম শামীম কবির, জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, পাইকগাছা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম এনামুল হক, জেলা বিএনপি’র সদস্য শাহাদাৎ হোসেন ডাবলু, জিএম রফিকুল হাসান, জেলা বিএনপি’র সদস্য বদরুদ্দোজা বাবলু, পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম ইমদাদুল হক, ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল মালেক, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব নাদিমুজ্জামান জনি।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব এড. আবু সাঈদ, যুগ্ন আহবায়ক আবুল হোসেন, সাজ্জাদ আহমেদ মানিক, তুষার কান্তি মন্ডল, মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, বেনজির আহমেদ লাল, যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা আইয়ুব হোসেন, রুবেল মীর, মমিনুর রহমান সাগর, ইয়ারুল ইসলাম রিপন, জেলা যুবদলের সদস্য পীর আলী, সোহেল রানা তুহিন, জেলা জাসাস যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, কৃষক দলের সভাপতি মেসের আলী সানা, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমরান সরদার, শেখ রুহুল কুদ্দুস, পৌর যুবদলের আহবায়ক জি এম রুস্তম, সদস্য সচিব আনারুল ইসলাম, আবু মুসা, কলিঙ্গরাজ মন্ডল, মো. মন্টু, হুরায়রা বাদশা, সাত্তার মোড়ল, আবু মুসা সরদার, আবু সুফিয়ান গোলদার, মো. মনিরুজ্জামান, রাজ, মিঠু প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ