সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২৮ পি.এম
পশ্চিমবঙ্গে ফের উপনির্বাচনের দামামা বেজে উঠেছে। ভারতের একাধিক রাজ্যের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের দুটি বিধানসভা আসনেও উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন।
সোমবার ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর তামিলনাড়ুর দুটি আসন—মাদুরান্তাকম ও ধারাপুরম, পুডুচেরির একটি আসন—থাট্টানচাভাদি এবং পশ্চিমবঙ্গের দুটি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। একই দিনে আসামের নগাঁও লোকসভা আসনেও উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সব আসনের ফল ঘোষণা করা হবে ৯ অক্টোবর।
পশ্চিমবঙ্গের যে দুটি আসনে উপনির্বাচন হবে, সেগুলো হলো পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদের রেজিনগর।
২০২৬ সালের এপ্রিল-মে মাসে অনুষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসনে জয় পেয়েছিলেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী পবিত্র করকে পরাজিত করেন। একই নির্বাচনে দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর আসনেও জয় পান শুভেন্দু।
অন্যদিকে রেজিনগর আসনে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ (এজেউপি)-র চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। তিনি বিজেপির প্রার্থী বাপন ঘোষকে পরাজিত করেন। নওদা আসনেও জয় পেয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর।
পরে ভবানীপুর আসন নিজের কাছে রেখে নন্দীগ্রাম আসন থেকে পদত্যাগ করেন শুভেন্দু অধিকারী। একইভাবে নওদা আসন নিজের কাছে রেখে রেজিনগর আসন ছেড়ে দেন হুমায়ুন কবীর। নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিধানসভা আসন শূন্য হওয়ার পর ছয় মাসের মধ্যে সেখানে উপনির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
পূজার আগেই তাই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে ওই দুই আসনে নির্বাচনী আচরণবিধিও কার্যকর হয়েছে।
তবে এবারের উপনির্বাচনে বিশেষ নজর থাকবে রেজিনগর আসনের দিকে। সেখানে তৃণমূল নেত্রী ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি প্রার্থী হন কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি হুমায়ুন কবীরকে বলতে শোনা গেছে, মমতা ব্যানার্জি চাইলে তিনি রেজিনগর আসনটি তাঁর জন্য ছেড়ে দিতে পারেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের পূর্বদি এলাকায় নির্মীয়মাণ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মামি ও ভাগ্নির মৃত্যু ঘটেছে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন জুলিয়া (২২) এবং ১৬ বছর বয়সী রাবেয়া।
দুজনের বাসস্থান দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নের আলুকান্দা এলাকায়। জুলিয়ার স্বামী শফিকুল ইসলাম বর্তমানে কুয়েতে কর্মরত আছেন। জুলিয়ার ১৬ মাস বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। রাবেয়া স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
এলাকার স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জুলিয়ার মৃত্যুর খবর পেয়ে তার স্বামী শফিকুল ইসলাম দেশে ফিরতে রওনা দিয়েছেন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে পরিবারের ছয় সদস্য নির্মাণাধীন ক্যাম্পাসের পুকুরে গোসল করতে যান। সাঁতার না জানার কারণে অসাবধানতাবশত জুলিয়া ও রাবেয়া পানিতে ডুবে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় এক ঘণ্টা পরে তাদের উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রথমে স্থানীয়রা পানিতে ডুবে যাওয়া দুজনকে উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের অনুরোধে বিনা ময়নাতদন্তে মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার মিরপুরের ১৪ নম্বরে ইতিহাস পরিবহনের এক বাসচালক কর্তৃক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে পরিবহনটির পাঁচটি বাস চার দিন ধরে ক্যাম্পাসে আটকে রাখার ঘটনা ঘটেছে। পরে আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের মধ্যস্থতায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ৩৫ হাজার টাকা দেওয়ার বিনিময়ে বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ওই শিক্ষার্থীর নাম মেহেদী হাসান। তিনি জাবির অর্থনীতি বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান বলেন, গত বৃহস্পতিবার রাতে আমি ক্যাম্পাস থেকে বাসায় যাচ্ছিলাম। সে সময় শুরুতে গাবতলীতে আমার সঙ্গে ওই বাসচালক খারাপ আচরণ করে এবং টেনেহিঁচড়ে বাসের ডিপোর পেছনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে মিরপুর ১৪-তে এসেও সে আমাকে মারধর করে, হেলমেট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। বিষয়টি আমি আমার বিভাগের বন্ধুদের জানালে তারাসহ ওই বাসচালকের শাস্তির দাবিতে ক্যাম্পাসের গেটে বাসগুলো আটক করি। আমার প্রধান দাবি ছিল, ওই বাসচালককে আমাদের সামনে হাজির করা এবং শাস্তি নিশ্চিত করা। কিন্তু চার দিন হয়ে গেলেও তারা সেটা পারেনি। এখন বাসের মালিকপক্ষ আমার ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন এবং আমার চিকিৎসার ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়েছে। তাই বাসগুলো ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ সময় কত টাকার বিনিময়ে বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং জোরপূর্বক টাকা নেওয়া হয়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বাকি কথা পরে বলবেন বলে জানিয়েছেন।
তবে ইতিহাস পরিবহনের মিরপুর সড়কের ম্যানেজার মো. জুয়েল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, যে শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন এবং তাকে মারা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। তিনি যদি টাকা নিয়ে বাস ছেড়ে দেবেন তাহলে সেটা আমাদের প্রথমেই জানিয়ে দিতেন। চার দিন ক্যাম্পাসে পাঁচটি বাস কেন আটকে রাখা হলো? এটা তো আমাদেরকে হয়রানি ও জোরপূর্বক চাঁদাবাজির মতো হলো। আমাদের টাকাও গেল, লোকসানও হলো। সব অন্যায় আমাদের ওপরই হয়।
কত টাকার বিনিময়ে বাসগুলো ছাড়া হয়েছে, জানতে চাইলে মো জুয়েল বলেন, ৩৫ হাজার টাকার বিনিময়ে বাসগুলো ছেড়ে দিয়েছে। তারা আরও বেশি টাকা চেয়েছিল।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. আব্দুস সাত্তার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা শিক্ষার্থী ও বাসের মালিকপক্ষকে নিয়ে বিকেলে আলোচনায় বসি। ভুক্তভোগী তাকে মারধরের পরীক্ষা করানো এবং তার ল্যাপটপ, মোবাইলের ক্ষতিসহ বিভিন্ন বিষয়ের ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। পরে মালিকপক্ষ তাকে ৩৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়েছে। এর ভিত্তিতে বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাসের মালিকপক্ষ অভিযুক্তকে পেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করবে বলে জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দখলদার ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণাধীন ফিলিস্তিনের গাজার বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক পরিমাণ ধ্বংসস্তূপ অপসারণের প্রক্রিয়ার আড়ালে সংঘটিত ‘নৃশংস অপরাধের’ প্রমাণ মুছে ফেলার সম্ভাবনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের একজন শীর্ষ বিশেষজ্ঞ। একই সঙ্গে, এই কার্যক্রমের ফলে ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়া বহু ফিলিস্তিনির মানব দেহাবশেষ উদ্ধার ও শনাক্তকরণের কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
সোমবার কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরেছে।
ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র্যাপোর্টিয়ার ফ্রান্সেসকা আলবানিজ গাজা উপত্যকায় চলমান ‘ধ্বংসস্তূপ অপসারণ, গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং স্থানান্তরের’ প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘গাজার এই বিশাল ধ্বংসস্তূপের নিচে কেবল ইট-পাথর নয়, বরং গণহত্যাসহ অন্যান্য গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ভৌত আলামত ও মানব দেহাবশেষ চাপা পড়েছে।’
জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্যের ভিত্তিতে জানান, গাজাজুড়ে আনুমানিক ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মরদেহ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ ও চাপা পড়ে রয়েছে। তাদের উদ্ধার না করে দ্রুত ধ্বংসস্তূপ অপসারণ মানবিক ও আইনি উভয় দিক থেকেই একটি গুরুতর অপরাধের সৃষ্টি করছে।
আলবানিজ স্পষ্টভাবে বলেন, ‘গাজার প্রতিটি ধ্বংসস্তূপ একটি অপরাধস্থল (ক্রাইম সিন), একটি গণকবর এবং দীর্ঘ দুই বছর ধরে চলা এক নির্মম ও নিরর্থক বোমাবর্ষণের ঘটনার বস্তুগত দলিল।’
তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্তকারীদের উপস্থিতিতে প্রমাণ সংগ্রহের প্রক্রিয়া তদারকি করার জন্য বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান, যাতে আলামত নষ্ট হওয়া রোধ করা যায় এবং সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে চলমান তীব্র জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের ‘আত্মঘাতী নীতি’, অদূরদর্শিতা এবং স্বার্থরক্ষাকে দায়ী করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার তাদের অনুগত টাইকুনদের লালন-পালন করতে গিয়ে বিদেশনির্ভর জ্বালানি নীতি গ্রহণ করেছিল।
দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানের দিকে তাদের নজর দেওয়া হয়নি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ৬৮ বিধিতে উত্থাপিত নোটিশের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় দেওয়া বিভিন্ন প্রস্তাবের জবাব দেন।
অধিবেশনের এ পর্যায়ে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
এর আগে বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের বর্তমান পরিস্থিতি পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক অব্যবস্থাপনার ফল। আওয়ামী লীগ সরকার দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধানের পরিবর্তে বিদেশ নির্ভর নীতি গ্রহণ করেছিল। তারা অনুগত ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে দেশের জ্বালানি খাতকে দুর্বল করে ফেলেছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ভঙ্গুর অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে বিভিন্ন স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
বিরোধী দলের প্রস্তাবের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আন্তর্জাতিক পরিসরে গালফ যুদ্ধের মতো সংকট দেখা দেয়। এতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দামে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।
তবে দেশের কৃষকদের স্বার্থ বিবেচনা করে বোরো মৌসুমে সেচকাজ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে গত ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম এক পয়সাও বাড়ানো হয়নি বলে তিনি জানান।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পরবর্তী সময়ে সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি তেল পাচার রোধ এবং আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি সামাল দিতে তেলের দাম সহনীয় মাত্রায় পুনর্নির্ধারণ করতে হয়েছে।
সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর বাড়তি কর চাপিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ কমানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ