রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩১ পি.এম
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং সদ্য স্নাতক করা গ্র্যাজুয়েটদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য সুযোগ এসেছে। জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ ২০২৬ সালের জন্য একটি ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম শুরু করেছে। এই ইন্টার্নশিপের সুযোগ বিভিন্ন ক্ষেত্র এবং দেশের ভিত্তিতে উপলব্ধ। কিছু পদে ইন্টার্নদের মাসিক স্টাইপেন্ড এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হতে পারে।
ইউনিসেফের ইন্টার্নশিপ সাধারণত ৬ থেকে ২৬ সপ্তাহের মধ্যে হয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এই ইন্টার্নশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের যোগ্যতা
ইউনিসেফের ইন্টার্নশিপে আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে।
প্রার্থীদের স্নাতক, স্নাতকোত্তর অথবা পিএইচডি পর্যায়ে অধ্যয়নরত হতে হবে অথবা গত দুই বছরের মধ্যে স্নাতক সম্পন্ন করতে হবে। প্রার্থীর বয়স অবশ্যই ১৮ বছরের বেশি হতে হবে।
ইউনিসেফের অফিসে কাজ করার জন্য ইংরেজি, স্প্যানিশ বা ফরাসি ভাষার অন্তত একটি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে। যে অফিসে আবেদন করা হবে, সেখানে প্রয়োজনে সেই অফিসের ভাষাতেও দক্ষতা থাকতে হতে পারে।
সুবিধাসমূহ
ইন্টার্নশিপের ধরন এবং কর্মস্থল অনুযায়ী সুবিধাগুলি ভিন্ন হতে পারে। এসব ইন্টার্নশিপে মাসিক স্টাইপেন্ড দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার ব্যয়ের জন্য অতিরিক্ত অর্থ এবং ভিসা ও যাতায়াতের জন্য এককালীন সহায়তাও প্রদান করা হতে পারে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য জীবনবৃত্তান্ত, কভার লেটার, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট এবং পাসপোর্টের মতো নথিপত্র প্রয়োজন হবে। নির্দিষ্ট পদের জন্য অতিরিক্ত নথি চাওয়া হতে পারে।
আবেদনের নিয়ম
আবেদন করতে হবে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন ।
আবেদনের শেষ তারিখ
পদভেদে ইন্টার্নশিপের আবেদনের শেষ তারিখ আলাদা হতে পারে। তাই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পদভিত্তিক নির্ধারিত সময়সীমা মেনে চলা আবশ্যক।
বিস্তারিত দেখুন এই ঠিকানায় ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাইকোর্ট আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে বাস মালিক সমিতি কিংবা পরিবহন শ্রমিকদের কোনো সংগঠনের ডাকা হরতাল বা ধর্মঘটকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন।
একই সঙ্গে আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট ডাকার ক্ষেত্রে জড়িত সংগঠনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের কর্মসূচির ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য কর্তৃপক্ষ ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নিতে পারবে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি শশাঙ্ক কুমার সরকার ও বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় প্রদান করেন।
আদালতে রিটকারী হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ শুনানি করেন। তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মণ্ডল ও অ্যাডভোকেট রিপন বাড়ৈ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) মোহাম্মদ আহসান হাবীব। অন্যদিকে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) পক্ষে অ্যাডভোকেট আসিবুল হক এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) পক্ষে অ্যাডভোকেট মো. রাফিউল ইসলাম শুনানি করেন।
যেভাবে রিটের সূত্রপাত
২০১১ সালের আগস্টে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় ডিলাক্স পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে একটি মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ, সাংবাদিক মিশুক মুনীরসহ পাঁচজন নিহত হন। এ ঘটনায় বাসচালকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বিচার শেষে ২০১৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত বাসচালককে সাজা প্রদান করেন।
সাজার পর বাস মালিকদের পক্ষ থেকে পরিবহন ধর্মঘট ও হরতাল ডাকার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে জনস্বার্থে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) হাইকোর্টে রিট আবেদন করে।
রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১ মার্চ হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রুল জারি করেন। রুলে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে পরিবহন ধর্মঘট বা হরতাল আহ্বান কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধর্মঘট ও হরতাল প্রত্যাহার এবং যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালতের ওই নির্দেশের পরদিন পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।
আদালতের পর্যবেক্ষণ
রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে রোববার আদালত রুলটি অ্যাবসোলিউট (চূড়ান্তভাবে গ্রহণ) করে রায় দেন। এতে উল্লেখ করা হয়, সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আদালতের রায় ও আদেশ সংশ্লিষ্ট সবার জন্য বাধ্যতামূলক। আদালতের কোনো রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। তবে সেই রায়ের প্রতিবাদে হরতাল বা ধর্মঘট আহ্বান করা অবৈধ ও সংবিধানপরিপন্থি।
আদালত স্বরাষ্ট্র সচিব, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনকে (বিআরটিসি) এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। রায়ে আরও বলা হয়, আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে কোনো বাস মালিক সমিতি বা পরিবহন শ্রমিক সংগঠন হরতাল-ধর্মঘট ডাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নিতে হবে।
শুনানিতে এইচআরপিবির পক্ষে মনজিল মোরসেদ বলেন, সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আদালতের যে কোনো রায় ও নির্দেশনা মানতে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষ বাধ্য। কিন্তু দুর্ঘটনার ঘটনায় চালকের সাজাকে কেন্দ্র করে বাস মালিকরা পরিবহন ধর্মঘট ডেকে আদালতের আদেশের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, পরিবহন ধর্মঘটের কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হয়। এতে হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন, যা গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।
এই রিটের আবেদনকারী ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছারওয়ার আহাদ চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট মাহাবুবুল ইসলাম। রিটে বিবাদী করা হয় সেতু বিভাগের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিআরটিএ ও বিআরটিসির চেয়ারম্যান, ঢাকা, রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি এবং সড়ক পরিবহন মালিক সমিতিসহ মোট ১৭ জনকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার মুরাদনগরে আধিপত্য বিস্তার সংক্রান্ত কারণে মো. আনোয়ার হোসেন (৪০) নামের এক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ সাবেক এক ইউপি সদস্য এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে উঠেছে। এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোমেনা বেগমও গুরুতর আহত হয়েছেন।
এটি ঘটেছে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাত ৪টার দিকে উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের উত্তর পেন্নাই গ্রামে। নিহত আনোয়ার হোসেন শ্রীকাইল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য এবং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি উত্তর পেন্নই গ্রামের মৃত মনু মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেন আনোয়ার মেম্বার। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী পরাজিত হওয়ার পর থেকে আনোয়ার প্রায় আড়াই বছর গ্রাম থেকে দূরে ছিলেন। স্থানীয়রা জানান, মাঝে মাঝে রাতে বাড়িতে আসতেন।
বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিউল আলম জানান, নিহত ব্যক্তি দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থেকে মাঝে মাঝে রাতে বাড়িতে আসতেন। গত রাতে বাড়িতে আসার খবর পেয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন তার ওপর হামলা চালায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের ওদেসা শহরে টেনিস তারকা দাইয়ানা ইয়াস্ত্রেমস্কার ফ্ল্যাট সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে। ভয়াবহ এই ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যে একমাত্র রোলাঁ গারোঁর একটি তোয়ালে অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধ্বংসপ্রাপ্ত বহুতল ভবনের ছবি প্রকাশ করেন ২৬ বছর বয়সী ইয়াস্ত্রেমস্কা।
তিনি ক্যাপশনে উল্লেখ করেন, ‘এটাই রুশ বিশ্বের চেহারা। কালিবার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হেনেছে।’
এরপর ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ঝুলতে থাকা প্যারিসের গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্ট রোলাঁ গারোঁর বিখ্যাত কমলা রঙের তোয়ালের একটি ছবি পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন, ‘একমাত্র যে জিনিসটি টিকে গেছে, সেটি হলো একটি রোলাঁ গারোঁ তোয়ালে।’
শুক্রবার রাতে ওদেসা ও আশপাশের চোরনোমর্স্কে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৩৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওদেসা অঞ্চলের প্রধান ওলেহ কিপার। আহতদের মধ্যে একটি শিশু রয়েছে। এই ঘটনায় দুজন নিখোঁজ রয়েছেন।
ইয়াস্ত্রেমস্কা ইনস্টাগ্রামে আরও লিখেছেন, একটি রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র ওদেসায় আমাদের অ্যাপার্টমেন্ট ধ্বংস করেছে...। রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের পরও বিশ্ব টেনিসের একটি অংশ টিকে গেছে। আমাদের বাড়িটি টেকেনি।’
বিশ্ব টেনিসের দুই নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডাব্লিউটিএ ও আইটিএফকে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেছেন, ‘এই ছবিগুলো আমাদের চোখ দিয়ে দেখুন।’
২০২৪ সালের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে সেমিফাইনালে উঠেছিলেন ইয়াস্ত্রেমস্কা। বর্তমানে তিনি নারী এককের বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১১৩ নম্বরে অবস্থান করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষকের পড়ানোর পদ্ধতিকে বিটিভির খবরের সঙ্গে তুলনা করে তার অতীতের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি ওই শিক্ষকের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মন্তব্য করেন যে, "উনি স্যুট টাই পড়ে এসে বসতেন, স্লাইড চলত পেছনে, উনি স্লাইড দেখে পড়তেন। যোগ্যতা? উনি চেয়ারম্যানের আত্মীয়।" শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে এই বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।
মনিরা শারমিন তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে একটি স্বনামধন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় মাস্টার্স করেছেন। সেখানে গিয়ে তিনি প্রথমবারের মতো অনুভব করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিস্টেম এমনই হওয়া উচিত। তিনি বলেন, "বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সারাবছরের একটা ক্যালেন্ডার থাকে। সেই টাইমলাইনে আপনি দেখতে পাবেন, আপনার সেমিস্টার ফাইনাল কবে, কতদিনের মধ্যে রেজাল্ট দিবে, কবে থেকে সেমিস্টার ব্রেক ইত্যাদি।"
এনসিপি নেত্রী আরও লেখেন, "তিন মাস একটা করে সেমিস্টার। ফাইনাল পরীক্ষার সময় অথবা রেজাল্ট দেয়ার আগে একদিন টিচার ইভ্যালুয়েশন ফর্ম আমাদের ফিলাপ করতে হত। আমরা বলতাম, ওইদিন শিক্ষকদের পরীক্ষা।" তিনি বলেন যে, এই মূল্যায়নে তিন ধরনের প্রশ্ন থাকে। প্রথমত, শিক্ষকের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান। দ্বিতীয়ত, প্রেজেন্টেশন পারফরম্যান্স। তৃতীয়ত, শিক্ষকের ক্লাসে পুনরায় আসার সুযোগ।
মনিরা শারমিন উল্লেখ করেন, "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সে পড়ার সময় অনেক ক্লাস আমরা করতাম শুধু উপস্তিতির ৫ নাম্বারের জন্য।" তিনি একটি শিক্ষকের কথা স্মরণ করে বলেন, "তার পড়ানোকে আমরা বিটিভির খবরের সাথে তুলনা করতাম।" তিনি আবারও যোগ করেন, "এই হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা। আমি দৃঢ়ভাবে মনে করি, শিক্ষক মূল্যায়নের সুযোগ থাকা উচিত।" তিনি উল্লেখ করেন যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও এই বিষয়টি জানেন, কারণ তারা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি শিক্ষক হিসেবে কাজ করার সময় শিক্ষার্থীদের পেছনে ঘোরেন।
তিনি বলেন, "এটি হওয়া উচিত, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালার মধ্যে থেকে। কিন্তু যতদিন এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে হচ্ছে না, ডাকসুর উদ্যোগে হোক! খারাপ কি! অন্তত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীরাও শিক্ষক মূল্যায়নের সুযোগ পাক!"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ