মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২২ পি.এম
বাগেরহাটের চিতলমারীতে সরকারি ঘর বিক্রির অভিযোগে এক মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দলুয়াগুনি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল কৃষ্ণ সরকারকে মুক্তিযোদ্ধা আবাসন প্রকল্পের আওতায় একটি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। নীতিমালা অনুযায়ী, এই ঘরটি বিক্রয় বা হস্তান্তরযোগ্য নয়। কিন্তু অভিযোগে বলা হয়েছে যে, তিনি ওই ঘরটি এবং বাড়ির জায়গাসহ বিক্রি করে দিয়েছেন। চিতলমারী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা আবাসন নির্মাণ কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবু তালেব শেখ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল কৃষ্ণ সরকারের পরিবারের কেউ বাড়িতে নেই। রিপন শেখ নামে একজন ব্যক্তি বর্তমানে ওই বাড়িটি কিনে বসবাস করছেন। মুক্তিযোদ্ধা নিবাস নামের যে নেমপ্লেট ছিল, সেটি তুলে ফেলা হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, বিমল কৃষ্ণ সরকার টুঙ্গিপাড়া এলাকায় বসবাস করছেন। এ বিষয়ে বাড়ির ক্রেতা রিপন শেখ জানান, তিনি ৮ শতক জায়গাসহ বাড়িটি কিনেছেন এবং তার কাছে বাড়িটির দলিল রয়েছে।
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা আবাসন নির্মাণ কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবু তালেব শেখ বলেন, "আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে বিমল কৃষ্ণ সরকারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। মুক্তিযোদ্ধা আবাসন প্রকল্পের আওতায় তাকে যে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, সেটি তিনি বিক্রি করে দিয়েছেন। সরকারি বরাদ্দের ঘর বিক্রির কোন বিধান নেই।"
বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল কৃষ্ণ সরকারকে ফোন করা হলে তিনি ফোনটি রিসিভ করে কেটে দেন। পরে তার পক্ষ থেকে একজন ফোন করে জানান, তিনি খুবই অসুস্থ আছেন এবং কথা বলতে পারবেন না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাদিজা আক্তার জানান, তিনি এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। ঘটনার তদন্তের জন্য একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জলবায়ু সহিষ্ণু ও কার্যকরী কৃষি কৌশল নির্ভর পানি সাশ্রয়ী প্রকল্পের আওতায় ধান চাষে পানি সাশ্রয়ের উপর ২৫ কৃষককে একটি দিনব্যাপী কৃষি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সোনার বাংলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সংগঠনের ট্রেনিং সেন্টারে ভেজা-শুকনা (অডউ) পদ্ধতিতে আধুনিক ও পানি সাশ্রয়ী উপায়ে ধান চাষাবাদ বিষয়ক এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
সোনার বাংলা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শিবুপদ বিশ্বাস এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন বাংলাদেশ রাইস রিসার্চ ইন্সটিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এবং উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মতিয়ার রহমান। এছাড়া সোনার বাংলা ফাউন্ডেশনের প্রকল্প কর্মকর্তা মটর কুমার মণ্ডল মোহেন প্রমুখও উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সোনার বাংলা ফাউন্ডেশন জাপান ফান্ড ফর গ্লোবাল ইনভায়রনমেন্ট এবং শেয়ার দ্য প্লানেট অ্যাসোসিয়েশনের আর্থিক সহযোগিতায় কালীগঞ্জ উপজেলার সুন্দরপুর-দুর্গাপুর, জামাল, কোলা ও ৪নং নিয়ামতপুর ইউনিয়নে জলবায়ু সহিষ্ণু ও পানি সাশ্রয়ী কৃষি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এরই অংশ হিসেবে সুন্দরপুর-দুর্গাপুর ও নিয়ামতপুর ইউনিয়নের নির্বাচিত ২৫ জন কৃষক এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানা পুলিশ সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত দুই দিনে আ’লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ৮ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। নাশকতা ও সহিংসতা সংক্রান্ত মামলায় তাদের গ্রেফতার করে ঝিনাইদহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন রায়গ্রাম ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি বনখির্দ্দা গ্রামের ফারুক হোসেন, কৃষকলীগ নেতা দুলালমুন্দিয়া গ্রামের রবিউল ইসলাম (৪৫) এবং ৩নং ওয়ার্ড আ’লীগের সম্পাদক দুলালমুন্দিয়া গ্রামের আব্দুল আজিজ। এছাড়া মালিয়াট ইউনিয়নের যুবলীগের কর্মী রবিউল ইসলাম টিপু (৪৬) এবং শিমলা রোকনপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি পাতবিলা গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান (৫৫)ও গ্রেফতার হয়েছেন। ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের যুবলীগের সহ-সভাপতি বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের সোহাগ হোসেন (৪০), কালীগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগ কর্মী মধুগঞ্জ ঢাকালে পাড়ার ইরফান রাজা রুকু (২৫) এবং ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ঝনঝনিয়া গ্রামের এস এম মনিরুল ইসলাম (৩১)ও গ্রেফতার হয়েছেন। পুলিশ থানার তদন্তাধীন মামলার আরো ৪/৫ জনকে আটক করেছে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জুলফিকার আলী জানিয়েছেন, সন্ত্রাস ও নাশকতা বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত দু’দিনে পুলিশ অত্র থানায় বিভিন্ন সময়ে দায়েরকৃত সন্ত্রাস নাশকতা ও তদন্তাধীন মামলার এজাহারভুক্ত ১২ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে নিষিদ্ধ আ;লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীও রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তিনি জানান, এই অভিযানের পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধেও পুলিশের কঠোর অভিযান চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশজুড়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতা ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ টায় রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলের উদ্যোগে এই বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়।
মিছিলটি পূর্ব রূপসার আকতার হোসেন সড়কস্থ নৈহাটী ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে ব্যাংকের মোড় হয়ে বাসটার্মিনাল প্রদক্ষিণ করে ঘাট এলাকায় পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক মো. ইউনুছ গাজী। উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মো. লাবলু শেখের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা প্রদান করেন খুলনা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সাইফুর রহমান মোল্লা, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক খান ইসমাইল হোসেন, নৈহাটী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. দিদারুল ইসলাম দিদার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা বিএনপি নেতা শেখ জাহিদুল ইসলাম রবি, জেলা যুবদল নেতা মঞ্জুর আরেফিন, উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জালালউদ্দিন হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাঈদ গাজী, আব্দুল বারিক শেখ, সাব্বির হোসেন, সোহেল শেখ, আ. হান্নান মীর, আলী আকবর রাজু, মো. ইউনুস সরদার, ফরহাদ শেখ, শ্রমিক দল নেতা মো. হুমায়ুন কবির, মো. হালিম শেখ, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. আউয়াল শেখ, মো. মতিয়ার রহমান, মো. মিজানুর রহমান, মো. খলিল শেখ, রানা শেখ, জাকির শেখ, বিল্লাল শেখ, মো. নাসির, খলিল শিকদার, মো. বাদশা হাওলাদার, মো. মহব্বত বেপারি, মো. খোকন বেপারি, শহিদুল ইসলাম, মো. আসাদুল ইসলাম, মুজিবর সানা, রাশেদ রানা, শরিফুল ইসলাম গাজী, ফারুক হোসেন, জাহিদ শেখ, হোসেন আলী বুলু শেখ, মো. বেল্লাল শেখ, মো. মাসুদুর রহমান, এম আবুল বাসার, মাসুম সরদার, মামুন শেখ, রাজন, শাহিন শিকদার, আমির হোসেন, হাসান, আলামিন, রমজান শেখ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উপজেলা প্রশাসন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলায় দেবহাটা থানা একাদশ ১-০ গোলে উপজেলা প্রশাসন একাদশকে পরাজিত করে।
মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টায় দেবহাটা ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত এই খেলায় অংশগ্রহণ করে উপজেলা প্রশাসন ফুটবল একাদশ এবং দেবহাটা থানা ফুটবল একাদশ। এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর ৪টি দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়। নকআউট পর্বে দেবহাটা চেয়ারম্যান একাদশ এবং দেবহাটা সাংবাদিক একাদশ পরাজিত হয়।
ফাইনাল খেলাটি বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজারো দর্শকের সামনে অত্যন্ত চমৎকার ও মনোমুগ্ধকরভাবে উপভোগ করা হয়। খেলার দ্বিতীয়ার্ধে ২৩ মিনিটে দেবহাটা থানার ৪নং জার্সিধারী সোহেল রানার মনোমুগ্ধকর গোলে দেবহাটা থানা ১ গোলে জয়লাভ করে।
এই খেলাটি উপভোগ করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা, দেবহাটার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসতিয়াক আহমেদ অপু, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ এইচ এম শাহীন, উপজেলা কৃষি অফিসার শওকত ওসমান, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার তরিকুল ইসলাম, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে.বাপ্পাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা রেফারিজ এসোসিয়েশনের সদস্য ফারুক হোসেন। তাকে সহযোগিতা করেন সহকারী রেফারি তাওসিফ রহমান সাগর এবং নাজির হোসেন। ধারাভাষ্যকার হিসেবে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করেন দেবহাটা রিসোর্স কর্মকর্তা মহিতোষ কর্মকার এবং চন্ডিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ