ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শুধু সনদ নয়, দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষায় এগোতে হবে: ববি উপাচার্য


শুধু সনদ নয়, দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষায় এগোতে হবে: ববি উপাচার্য

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ শিক্ষার্থীদের সতর্ক করেছেন, কেবল সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, বরং দক্ষতা, প্রযুক্তি, সফট স্কিল ও কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে তাদের নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

তিনি রোববার (২৬ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা অডিটোরিয়ামে ‘শিক্ষা মেধাবৃত্তি প্রদান-২০২৬’ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন।

ড. মামুন বলেন, যেসব শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভর্তি হতে পেরেছে, তারা নিয়মিত পড়াশোনা, শৃঙ্খলার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছে এবং তারা আজ মেধার স্বীকৃতি পেয়েছে। এই সম্মাননা কেবল একটি পুরস্কার নয়, এটি শিক্ষার্থীদের আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

আরও পড়ুন: ইউএনওর বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট: এসিল্যান্ডকে সিলেটে সংযুক্তি

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে উচ্চশিক্ষাকে প্রযুক্তি, দক্ষতা ও ফলাফলভিত্তিক (আউটকাম-বেইজড) শিক্ষার সাথে যুক্ত করা প্রয়োজন। কর্মমুখী ও উৎপাদনমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারলে দেশের তরুণরা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করতে পারবে।

ড. মামুন শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জানান, বলেন, কেবল চাকরির পেছনে দৌড়ানোর পরিবর্তে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত হতে হবে। একই সঙ্গে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে আজীবন শেখার মানসিকতা গড়ে তোলার গুরুত্বও উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ দেশের সাধারণ মানুষের করের টাকায় তৈরি হয়। এই কারণে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি দেশপ্রেম, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং দেশের উন্নয়নে আত্মনিয়োগের মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অর্থায়নে বিভিন্ন বিভাগের ৬০ জন কৃতী শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষা মেধাবৃত্তি প্রদান করা হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক এবং বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী চার দিনের সফরে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় চর দখল নিয়ে টেঁটাযুদ্ধে নিহত নারী, আহত ৪০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০১ পি.এম


কুমিল্লায় চর দখল নিয়ে টেঁটাযুদ্ধে নিহত নারী, আহত ৪০

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার চরভাটেরা ও মেঘনা উপজেলার আলীপুর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে চর দখল নিয়ে ফের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষের ফলে টেঁটাবিদ্ধ এক গৃহবধূর মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের বেশির ভাগই টেঁটা দ্বারা আহত হয়েছে। নিহত নারী হলেন মেঘনার আলীপুর গ্রামের ট্রলারচালক কাবিল মিয়ার স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৩৫)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে তিতাসের চরভাটেরা গ্রামের প্রবাসী মো. শাহবাজ ও মজনু মিয়া ব্যক্তিগত কাজে মেঘনা উপজেলায় গেলে চর বিনতপুর এলাকার আলী আকবর ও তার লোকজন তাদের মারধর করে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে তিতাসের চরভাটেরা গ্রামের লোকজন মেঘনা নদী পেরিয়ে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

এই ঘটনার জেরে বিকেলে মেঘনার আলীপুর ও চর বিনতপুর গ্রামের লোকজনের সঙ্গে তিতাসের চরভাটেরাবাসীদের মধ্যে টেঁটাযুদ্ধ শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের ফলস্বরূপ উভয়পক্ষের প্রায় ৪০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে তিতাসের ১৫ জন এবং মেঘনার ২৫ জন রয়েছেন।

আহতদের মধ্যে চরভাটেরা গ্রামের আহতদের তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং আলীপুর ও বিনতপুর এলাকার আহতদের মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত বিনতপুর গ্রামের স্বপন (২৭), সাগর (৪০) এবং চরভাটেরা গ্রামের জসিম উদ্দিনকে (৩৫) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে সংঘর্ষের পর আলীপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে টেঁটাবিদ্ধ এক নারীর ভাসমান মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে মরদেহ উদ্ধার করে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহত নারী আলীপুর গ্রামের ট্রলারচালক কাবিল মিয়ার স্ত্রী কোহিনুর বেগম।

তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক জানান, ঘটনার পরপরই তিতাস থানা থেকে ২৫ জন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মেঘনা নদীর এক পাশে তিতাস উপজেলা এবং অন্য পাশে মেঘনা উপজেলা। নদীর বিভিন্ন চর নিয়ে দুই উপজেলার বাসিন্দাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলতে আসছে। এর আগে গত ১৫ জুনও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় প্রায় ২০ জন আহত হন এবং বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বৃক্ষনিধন’ পরিকল্পনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৩ পি.এম


‘বৃক্ষনিধন’ পরিকল্পনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন কর্মসূচি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রাস্তা ও ফুটপাত উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম গেট থেকে ‘চির উন্নত মম শির’ স্মৃতিস্তম্ভ পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশের গাছগুলো সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রোববার (২৬ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ভবনের সামনে এর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের দাবি, কয়েক দিন আগেও বিশ্ববিদ্যালয়ের কদমতলা থেকে দ্বিতীয় গেট পর্যন্ত রাস্তার নির্মাণাধীন ফুটপাতে থাকা গাছগুলো অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। গাছগুলোর মধ্যে অনেকগুলো ইতোমধ্যে মারা যাচ্ছে। ক্যাম্পাসের গাছের সংখ্যা কম। বড় গাছ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে মারা যাওয়ার ঝুঁকিও বেশি। তাই নতুন করে আর কোনো গাছ যেন স্থানান্তর না করা হয়। গাছগুলো না সরিয়ে নতুন নকশা পরিবর্তন করে অন্য পাশ দিয়ে কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার জামান লেলিন বলেছেন, "আমরা টেকসই উন্নয়ন চাই। তবে সেটা অবশ্যই প্রাণ-প্রকৃতিকে সঙ্গে নিয়ে। বৃক্ষনিধন করে কোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আমরা চাই না। আমরা মানববন্ধন করেছি, সেটাও বৃক্ষের ছায়াতলে। তাই প্রকৃতিকে নষ্ট করে কোনো কিছুই নয়। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও প্রকৃতিকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন এবং তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে প্রকৃতি বাঁচিয়ে উন্নয়ন করা যায়।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য ঐশ্বর্য হৃদয় বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অবশ্যই প্রয়োজন। তবে উন্নয়নের নামে পরিবেশের কোনো ক্ষতি যাতে না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। প্রশাসন যদি সত্যিই গাছগুলো যথাযথভাবে স্থানান্তর করে থাকে এবং সেগুলোর বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে, তাহলে তা ইতিবাচক। একই সঙ্গে এ ধরনের কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কিন্তু বৃক্ষনিধন করে আমাদের ক্যাম্পাসে কোনো উন্নয়ন আমরা চাই না।"

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্যসচিব মামুন সরকার বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশে সব সময় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আছে। তবে গাছ কাটা হচ্ছে না, গাছ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কাটা এক জিনিষ, আর সরিয়ে নেওয়া আরেক জিনিষ। তবে যদি অন্য কোনো উপায় থাকে, যাতে গাছগুলো রেখেই রাস্তা করা যায়, তাহলে সেই উপায় বাস্তবায়নের জন্য আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব।"

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। পরে তারা উপাচার্যের দপ্তরে গিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে উপাচার্য ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও সুন্দর ও পরিকল্পিতভাবে, অর্থাৎ মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী বাস্তবায়নের কাজ করছি। এ ক্ষেত্রে বিক্ষিপ্তভাবে থাকা কিছু গাছ সরিয়ে অন্যত্র লাগানো হয়েছে। গাছগুলোকে কোনোভাবেই নিধন করা হয়নি। বরং গাছগুলো সরিয়ে লাগানোর পাশাপাশি পরিকল্পিতভাবে আরও নতুন ও বড় গাছের চারা রোপণের কাজ অব্যাহত রয়েছে।"

উল্লেখ্য, এর আগেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্মাণকাজের দোহাই দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুদ্বীপে ৫০টির বেশি গাছ কেটেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে কঠিন প্রতিপক্ষ পেল বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৪ পি.এম


টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে কঠিন প্রতিপক্ষ পেল বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার নর্দার্ন টেরিটরির আয়োজনে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে এবং বাংলাদেশ ‘এ’ দল তৃতীয়বারের মতো এতে অংশ নিতে যাচ্ছে। এবারের আসরে আরও বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রত্যাশিত।

এবারের আসরে বাংলাদেশ ‘এ’ দল ছাড়াও অংশ নিচ্ছে নেপাল জাতীয় দল এবং নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দল। এছাড়াও বিগ ব্যাশের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে হোবার্ট হ্যারিকেন্স, ক্রিকেট ভিক্টোরিয়া, অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স এবং স্বাগতিক নর্দান টেরিটরি স্ট্রাইকের একাডেমি দল।

বাংলাদেশ দল আগামী ২২ আগস্ট থেকে টুর্নামেন্টে নিজেদের লড়াই শুরু করবে। ডারউইনের টিআইও স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল ২টা ৩০ মিনিটে নেপাল দলের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা। পরদিন, ২৩ আগস্ট একই ভেন্যুতে বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে হোবার্ট হ্যারিকেন্সের বিরুদ্ধে তারা খেলা করবে।

এরপর ২৪ আগস্ট, সোমবার ভেন্যু পরিবর্তন করে ডিএক্সসি মাঠে ক্রিকেট ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ 'এ' দলের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় শুরু হবে। ২৫ আগস্ট, মঙ্গলবার একই মাঠে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা লড়বেন।

গ্রুপ পর্বের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাটি বাংলাদেশ ‘এ’ দলের জন্য অপেক্ষা করছে ২৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার। সেদিন ডিএক্সসি মাঠে বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের মুখোমুখি হবে তারা।

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২৮ আগস্ট, শুক্রবার। একই মাঠে বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে তাদের শরণার্থী স্বাগতিক নর্দান টেরিটোরি স্ট্রাইকের বিপক্ষে খেলা হবে। ছয়টি ম্যাচ শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ চার দল সেমিফাইনালের জন্য স্থান পাবে। টুর্নামেন্টের শেষ দিন ৩০ আগস্ট, রোববার। এই দিনেই অনুষ্ঠিত হবে দুটি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল।

প্রথম সেমিফাইনাল গার্ডেনস মাঠে বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে। দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ডিএক্সসি মাঠে সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। আর শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে, ডিএক্সসি মাঠে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশের আম ও আমজাত পণ্যের বিশেষ প্রদর্শনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৬ পি.এম


কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশের আম ও আমজাত পণ্যের বিশেষ প্রদর্শনী

বাংলাদেশের সমৃদ্ধ আমের ঐতিহ্য, বৈচিত্র্যময় স্বাদ ও গুণগত মান তুলে ধরতে কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হয়েছে “বাংলাদেশ ম্যাঙ্গো ডেলিকেসি” শীর্ষক বিশেষ আম উৎসব।

রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ দূতাবাস, কাঠমান্ডুর উদ্যোগে দূতাবাসসংলগ্ন উৎসব কুঞ্জ ব্যাংকুয়েট হলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতের তাজা আম এবং আমজাত মূল্যসংযোজিত প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য প্রদর্শন করা হয়।

এর মাধ্যমে বাংলাদেশের আম রফতানির সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়।

স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান কৃষি ও কৃষি পণ্য ভিত্তিক শিল্পে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে আম কেবল একটি ফল নয়; এটি আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, কৃষি এবং জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

মুঘল আমলের ইতিহাসের নানা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, উর্বর পলিমাটি ও অনুকূল জলবায়ুর কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের উৎকৃষ্টতম আম উৎপাদনকারী দেশগুলোর অন্যতম।

তিনি উল্লেখ করেন যে খিরসাপাত (হিমসাগর), হারিভাঙ্গা, ল্যাংড়া, ফজলি, গোপালভোগ, আম্রপালি, আশ্বিনা, বানানা ম্যাঙ্গো, কাটিমন, গৌরমতি এবং বারি আমসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতের আম তাদের অতুলনীয় মিষ্টতা, অনন্য সুবাস, উচ্চমান এবং পুষ্টিগুণের জন্য বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা দেরিতে মৌসুমের পরেও ফলনশীল বিভিন্ন নতুন জাতের বারি আম উদ্ভাবন এবং বিদেশি কিছু জাতের সফল অভিযোজনের মাধ্যমে আম গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।

তিনি দেশের বেসরকারি খাতের প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের আমভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্প ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন আমের জুস, নেকটার, পাল্প, জ্যাম, আচার, চাটনি, শুকনো আম, ক্যান্ডি, ফ্রুট বার, ডেজার্টসহ নানা ধরনের মূল্যসংযোজিত পণ্য উৎপাদনে সফলতা অর্জন করেছে।

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের আমের ঐতিহ্য ও স্বাদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে সার্ক মহাসচিব রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারওয়ার বলেন, বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এ অঞ্চলের আম ও আমজাত পণ্যের রপ্তানি এখনও প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

তিনি এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসকে অভিনন্দন জানান এবং কৃষিখাতে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব জনাব গহেন্দ্র রাজভাণ্ডারী বাংলাদেশ দূতাবাসকে এ ধরনের ব্যতিক্রমী আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগ শুধু বাংলাদেশের আন্তরিকতা ও আতিথেয়তার পরিচয় বহন করে না, বরং দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের জনগণের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমানের ‘ম্যাঙ্গো ডিপ্লোমেসি’ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বর্তমানে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও বন্ধুত্ব আরও জোরদারের লক্ষ্যে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতের তাজা আমের পাশাপাশি আমভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত নানাবিধ পণ্য একটি সমৃদ্ধ সংগ্রহ প্রদর্শন করা হয়।

অতিথিগণ বাংলাদেশের আমের স্বাদ, বৈচিত্র্য ও রন্ধনশৈলীর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান।

সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার দর্শনার্থীরা বাংলাদেশের আধুনিক উদ্যানতত্ত্ব, টেকসই কৃষি এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাত প্রযুক্তির অগ্রগতি সম্পর্কে নতুন ধারণা লাভ করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের একজন সফল আমচাষি জনাব রফিকুল ইসলাম গত ১৫ বছরের তার আমচাষের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

তিনি বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে গুড অ্যাগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিসেস (GAP) অনুসরণ করে নিরাপদ ও মানসম্মত আম উৎপাদনের বিভিন্ন পদ্ধতি এবং নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা অতিথিদের সামনে উপস্থাপন করেন।

এই উৎসব শুধু বাংলাদেশের কৃষি সাফল্যের উদযাপনই নয়, বরং বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

এর মাধ্যমে নেপালের ভোক্তাদের মধ্যে বাংলাদেশের আম ও আমজাত পণ্যের প্রতি নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে এবং দুই দেশের রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকদের মধ্যে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক কৃষি ও খাদ্যপণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণের পথ সুগম করেছে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উপস্থিত অতিথিরা বাংলাদেশের আমের অসাধারণ স্বাদ, গুণগত মান ও বৈচিত্র্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশ দূতাবাস দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সম্প্রসারণে তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, "বাংলাদেশ ম্যাঙ্গো ডেলিকেসি"-এর মতো উদ্যোগ দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে।

উৎসবে বাংলাদেশের রাজশাহীর মৌসুমের পরে দেরিতে উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের আম, যেমন—ফজলি, আম্রপালি, বারি-৪, কাটিমন, গৌরমতি, আশ্বিনা প্রভৃতি প্রদর্শন করা হয়।

পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আমের জুস, আচার, ফ্রুট বার, শুকনো আম, চাটনি, জ্যাম ও জেলিসহ নানা ধরনের প্রক্রিয়াজাত আমপণ্যও প্রদর্শিত হয়।

অতিথিদের জন্য আমের কেক, ম্যাঙ্গো স্টিকি রাইস, ম্যাঙ্গো পুডিংসহ বিভিন্ন ধরনের আমের ডেজার্ট পরিবেশন করা হয়।

এছাড়া বাংলাদেশে আম চাষ, দেশের সংস্কৃতি, পর্যটন এবং Beautiful Bangladesh-এর ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সার্ক সচিবালয়ের মহাসচিব রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারওয়ার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে নেপালের পররাষ্ট্র সচিবের পক্ষে নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের যুগ্নসচিব জনাব গহেন্দ্র রাজভাণ্ডারী নেপালের পররাষ্ট্র সচিবের পক্ষে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, নেপাল সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, শীর্ষস্থানীয় আমদানিকারক, গণমাধ্যমকর্মী এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরাসহ প্রায় ২৫০ জন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিদের জন্য ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবারের আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%