বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:০৮ পি.এম
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে হামলার শিকার হয়েছে কুয়েতের পতাকাবাহী একটি তেলবাহী ট্যাংকার। জাহাজটির নাম ‘এমটি আল দাসমা’, যেখানে ২১ জন ভারতীয় নাবিকসহ অন্যান্য ক্রু সদস্য উপস্থিত ছিলেন। হামলার পর ট্যাংকারটিতে আগুন লেগে গেলেও নাবিকেরা তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ভারত সরকার জানায়, জাহাজে থাকা সবাই নিরাপদে রয়েছে। খবরটি *টাইমস অব ইন্ডিয়া* থেকে প্রাপ্ত।
যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানায়, বুধবার (২১ অক্টোবর) হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় ট্যাংকারটিতে একটি ‘অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল’ আঘাত হানে। এই ঘটনা ঘটে ওমানের বুখা উপকূল থেকে প্রায় ১১ নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে। তবে হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি ক্ষেপণাস্ত্র নাকি ড্রোন ছিল, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
ভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর, নৌপরিবহন ও জলপথবিষয়ক মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল জানিয়েছেন, জাহাজে থাকা ২১ জন ভারতীয় নাবিকসহ সকল ক্রু সদস্য নিরাপদে আছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি বার্তায় এ তথ্য প্রকাশ করেন।
হামলার পর ট্যাংকারটিতে আগুন ধরে যায়, কিন্তু জাহাজের কর্মীরা তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ইউকেএমটিও জানায়, হামলার পর জাহাজটি নোঙর করা অবস্থায় রয়েছে। এ ঘটনায় সমুদ্রে তেল ছড়িয়ে পড়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষ হামলার কারণ ও দায়ীদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে।
এদিকে, হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশের জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামুদ্রিক সংবাদমাধ্যম সিট্রেড মেরিটাইমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০ অক্টোবর ইরাকের আল ফাও বন্দরের দক্ষিণ-পূর্বে ‘সোইয়া’ নামের আরেকটি ট্যাংকার অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই জাহাজের নাবিকরাও নিরাপদ ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের পেচারদ্বীপ সমুদ্রসৈকতে নিখোঁজ আরও এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ জনে। বর্তমানে আরও একজন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় পেচারদ্বীপ সৈকতে মরদেহটি ভেসে আসে। প্রাথমিকভাবে মরদেহটি হারুনের বলে শনাক্ত করেছেন তার স্বজনরা, যিনি চট্টগ্রামের বাংলাবাজার বায়েজিদ এলাকার বাসিন্দা।
নিহত চারজনের মধ্যে রোহান ও জিশান ঢাকার উত্তরার বাসিন্দা। অন্যদিকে আকাশ এবং হারুন চট্টগ্রামের বাংলাবাজার বায়েজিদ এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে ঢাকার উত্তরার নিবিড় একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
কক্সবাজার ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা দোলন আচার্য্য জানান, বুধবার বিকেল পাঁচটার দিকে নির্জন পেচারদ্বীপ সৈকতে চট্টগ্রাম থেকে আসা পাঁচ পর্যটক এবং ঢাকা থেকে আসা সাত পর্যটক পানিতে ছিলেন। তাদের একজন সমুদ্রে ভেসে যেতে থাকলে বাঁচার জন্য চিৎকার করেন। উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন অন্যরা। এক পর্যায়ে তারা পরস্পরের হাত ধরে শিকলের মতো তৈরি করে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু হঠাৎ করে বড় ঢেউ আছড়ে পড়লে তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।
ঢেউয়ের তোড়ে কয়েকজন একে অপরের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পানিতে তলিয়ে যান। ঘন্টাখানেক পর স্থানীয় জেলে, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করে। তবে দুজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
দোলন আচার্য্য আরও জানান, বৃহস্পতিবার সকালে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে বিপদে
নিহত রোহানের খালু মো. জাহিদ বলেন, তারা সমুদ্রে গোসল করতে নেমেছিলেন। তাদের থেকে কিছুটা দূরে থাকা এক পর্যটক পানিতে ভেসে যাওয়ার সময় ‘হেল্প, হেল্প’ বলে চিৎকার করছিলেন। তখন তারা চার-পাঁচজন বন্ধু তাকে উদ্ধারে এগিয়ে যান। তারা একে অপরের হাত ধরে শিকলের মতো তৈরি করে তাকে টেনে আনার চেষ্টা করেন।
জাহিদ বলেন, উদ্ধারের চেষ্টা চলার সময় হঠাৎ বড় একটি ঢেউ আছড়ে পড়ে। তখন তারা পানির নিচে পা রাখতে পারছিলেন না। ঢেউয়ের ধাক্কায় একে অপরের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সবাই স্রোতে তলিয়ে যেতে থাকেন। পরে আশপাশের লোকজনের সহায়তায় কয়েকজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
তিনি আরও বলেন, তাদের সাতজনের একটি দল ছিল। এ দলের দুজন মারা গেছেন, আরেকজন এখনো নিখোঁজ। বাকিদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে। তাদের কেউই ভালোভাবে সাঁতার জানতেন না। সমুদ্রে সাঁতার কাটা এবং সাধারণ পানিতে সাঁতার কাটার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। হঠাৎ বড় ঢেউয়ের মুখে পড়লে আতঙ্কিত হয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
সাঁতার না জেনেও সমুদ্রে নামেন পর্যটকেরা।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের সাব-অফিসার মো. আবু জাফর বলেন, সাঁতার জানেন না এমন ব্যক্তিদের তো বটেই, সাঁতার জানা ব্যক্তিদেরও বঙ্গোপসাগরের মতো উত্তাল সমুদ্রে নামার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।
আবু জাফর বলেন, পর্যটকদের তারা সাঁতার জানেন কি না, তা জানতে চেয়েছিলেন। তারা কেউই সাঁতার জানেন না বলে জানান। এরপর সাঁতার না জেনে এত বড় সমুদ্রে কেন নেমেছেন, জানতে চাইলে পর্যটকেরা তাকে বলেন, তারা যে রিসোর্টে উঠেছিলেন, সেখান থেকে জানানো হয়েছিল, সেখানে নামলে কোনো সমস্যা হবে না।
উদ্ধার অভিযান চলছে
রামুস্থ হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সোলাইমান জানান, নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ি ও রামু থানার পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের একটি দল কাজ করছে। উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, স্থানীয়দের নিষেধ সত্ত্বেও পর্যটকেরা ওই স্থানে পানিতে নামেন। এক পর্যায়ে দুর্ঘটনা ঘটলে অন্য পর্যটকেরা তাদের উদ্ধারে এগিয়ে যান।
ইউএনও আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট রিসোর্টের মালিকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিখোঁজ একজনকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট কাজ করছে। তাদের সঙ্গে জেলা পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরাও রয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রিসোর্টগুলোর নিয়মকানুন না মানা এবং পর্যটকদের নিরাপত্তায় যথাযথ ব্যবস্থা না থাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়াকে সতর্ক করে বলেছে, যদি দেশটি হস্তক্ষেপ অব্যাহত রাখে, তাহলে ‘ভয়ংকর ও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির’ সম্মুখীন হতে হবে। একই সঙ্গে, দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সামরিক উপস্থিতির মাধ্যমে সীমান্তজুড়ে নতুন পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে পিয়ংইয়ং।
কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির (কেসিএনএ) মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং জানিয়েছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে পুরো সীমান্ত এলাকায় সতর্কতার মাত্রা বৃদ্ধি করা হবে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, কয়েক দিনের মধ্যে সীমান্তে দক্ষিণ কোরিয়াবিরোধী লাউডস্পিকার স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে। এই পদক্ষেপ দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়ানোর লক্ষণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
কিম ইয়ো জং সতর্ক করে বলেছেন, সিউল যদি হস্তক্ষেপ অব্যাহত রাখে, তাহলে এর গুরুতর পরিণতি ভোগ করতে হবে। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার কোন নির্দিষ্ট পদক্ষেপের জন্য এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সাম্প্রতিক এই ঘোষণাটি দুই কোরিয়ার সম্পর্কের আরও অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত চলা কোরীয় যুদ্ধের পর শান্তিচুক্তির পরিবর্তে যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে শেষ হয়। ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দেশ এখনো যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটাতে পারেনি।
সূত্র: আনাদোলু
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্সেনালের বিরুদ্ধে অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় মাঠে নেমে চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করলেন নয়্যার। ইউরোপের সেরা এই প্রতিযোগিতায় এটি ছিল তার ১৬৫তম ম্যাচ। এই ম্যাচের মাধ্যমে সাবেক বায়ার্ন সতীর্থ থমাস মুলার এবং আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি লিওনেল মেসির রেকর্ডে পৌঁছালেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।
অপটার তথ্য অনুযায়ী, এই ম্যাচটি খেলার মাধ্যমে নয়্যার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মোট ১৬৩টি ম্যাচ খেলেছেন। ফলে তিনি সর্বকালের তালিকায় লিওনেল মেসি ও টমাস মুলারের সঙ্গে যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন।
এই তিনজনের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন মাত্র দুজন। পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ১৮৩ ম্যাচ খেলে শীর্ষস্থানে রয়েছেন, এবং ১৭৭ ম্যাচ খেলে দ্বিতীয় স্থানে আছেন স্পেনের ইকার ক্যাসিয়াস। তারা দুজনেই রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা প্রমাণের জন্য বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) একাদশের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে টস ছাড়াই খেলা শুরু হয়েছে। সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল আলোচনার মাধ্যমে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
এই ম্যাচটি আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জন্য একটি বিশেষ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে এখানে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ক্রিকেট, ঘরোয়া প্রতিযোগিতা এবং ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) ম্যাচ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, কিন্তু এবারই প্রথম আন্তর্জাতিক দলের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজনের মাধ্যমে বড় পরিসরে ক্রিকেট আয়োজনের সক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ পাচ্ছে স্টেডিয়ামটি।
ম্যাচের প্রস্তুতি নিয়ে গত ১৯ অক্টোবর আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সার্বিক প্রস্তুতি ও সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করেন বিসিবির ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। বিসিবির গ্রাউন্ডস অ্যান্ড ফ্যাসিলিটিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ন্যাশনাল ম্যানেজার সৈয়দ আব্দুল বাতেনের নেতৃত্বে আসা এই প্রতিনিধিদলটি পিচ, আউটফিল্ড, ড্রেসিংরুম, চিকিৎসাসেবা, লজিস্টিকস, গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নির্ধারিত স্থান ও সম্প্রচারসুবিধাসহ পুরো ভেন্যু ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনের পর বিসিবি মাঠের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এবিজি স্পোর্টস সিটির পরিচালক ইমরুল হাসান জানিয়েছেন, এই স্টেডিয়ামে ভবিষ্যতে আরো আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের বিষয়ে বিসিবির সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। এছাড়া এই কমপ্লেক্সে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট মাঠ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে, যা ২০২৭ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশ সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে ক্যারিবীয়রা। সিরিজের প্রথম টেস্ট আগামী ২৮ অক্টোবর মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে। এরপর ৫ নভেম্বর সিলেটে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল : রোস্টন চেজ (অধিনায়ক), জোমেল ওয়ারিকান (সহ-অধিনায়ক), জশুয়া বিশপ, জন ক্যাম্পবেল, তেজনারায়ণ চন্দরপল, জশুয়া ডা সিলভা (উইকেটকিপার), জাস্টিন গ্রিভস, কাভেম হজ, আমির জাঙ্গু (উইকেটকিপার), শামার জোসেফ, ব্র্যান্ডন কিং, কেমার রোচ, জেইডেন সিলস, শামার স্প্রিঙ্গার ও কেভিন উইকহ্যাম।
বিসিবি একাদশ : মাহফিজুল ইসলাম, জিসান আলম, কালাম সিদ্দিকি, ইফতেখার হোসেন, জাকের আলি, এস এম মেহেরব হাসান, চৌধুরি মোহাম্মদ রিজওয়ান, আইচ মোল্লা, শামীম হোসেন, আব্দুল হালিম, অনিক দেব বর্ম, ফাহাদ হোসেন, হোসেন ও সান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ