ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মসলিন রপ্তানির নতুন স্বপ্ন, উৎপাদন ব্যয়ে বড় বাধা


মসলিন রপ্তানির নতুন স্বপ্ন, উৎপাদন ব্যয়ে বড় বাধা

ঢাকাই মসলিন আবার বাণিজ্যিক উৎপাদনের পথে রয়েছে, যা প্রায় ১৭০ বছর পর নতুন করে শুরু হচ্ছে। হারিয়ে যাওয়া ফুটি কার্পাস তুলা ও ঐতিহ্যবাহী মসলিন তৈরির প্রযুক্তি পুনরুদ্ধার করার পর বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের চেষ্টা করছে।

যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জাপানের বিলাসবহুল ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলোর আগ্রহ এবং ৫০০ গজ মসলিন কাপড়ের একটি আন্তর্জাতিক অর্ডার সম্পন্ন হওয়ার তথ্য বাংলাদেশের এই সম্ভাবনাকে সামনে এনেছে। তবে, উচ্চ উৎপাদন ব্যয়, কাঁচামালের সীমিত সরবরাহ এবং দীর্ঘ উৎপাদন প্রক্রিয়া এই শিল্পের বাণিজ্যিক সম্প্রসারণে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের মাধ্যমে বাস্তবায়িত মসলিন পুনরুদ্ধার প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ব্যয় হয়েছে ১২ কোটি ১০ লাখ টাকা। বর্তমানে দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য হলো, গবেষণায় পুনরুদ্ধার করা প্রযুক্তি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া, ফুটি কার্পাসের উৎপাদন বাড়ানো এবং মসলিনকে বাণিজ্যিকভাবে টেকসই পণ্যে পরিণত করা।

আরও পড়ুন: অক্টোবরের ২৬ দিনে দেশে এসেছে ২৪৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

মসলিনের অতি সূক্ষ্ম সুতা কাটার জন্য ৩০০-এর বেশি প্রান্তিক নারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের তারাবোয় প্রতিষ্ঠিত ‘ঢাকাই মসলিন হাউস’কে কেন্দ্র করে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কাছে প্রযুক্তি হস্তান্তরের উদ্যোগও চলছে।

উৎপাদন ব্যয়ই বড় বাধা

মসলিনের বাণিজ্যিক উৎপাদনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এর ব্যয়। প্রথম দিকে একটি মসলিন শাড়ি তৈরিতে খরচ হয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। একটি শাড়ি বুনতে দুই থেকে চারজন তাঁতির কয়েক মাস সময় লাগে। ফলে সাধারণ পোশাকের বাজারে প্রতিযোগিতা করার পরিবর্তে শুরুতে উচ্চমূল্যের বিলাসবহুল ফ্যাশনপণ্য হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজার ধরাই এ শিল্পের জন্য বাস্তবসম্মত হতে পারে।

ব্যাপক উৎপাদনের মাধ্যমে শাড়িপ্রতি ব্যয় এক লাখ থেকে তিন লাখ টাকার মধ্যে নামিয়ে আনার চেষ্টা চলছে, তবে এটি এখনো একটি লক্ষ্য; বাস্তবে কতটা ব্যয় কমানো সম্ভব হবে, তা নির্ভর করবে কাঁচামালের সরবরাহ, উৎপাদন প্রযুক্তি, শ্রমের দক্ষতা এবং উৎপাদনের পরিমাণের ওপর।

আরও পড়ুন: সার আমদানি কমাতে তিনটি বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বড় পরিসরে উৎপাদন ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্কের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। মসলিনের উৎপাদন প্রক্রিয়া ভিন্ন। এখানে অতিসূক্ষ্ম সুতা তৈরি, দক্ষ কারিগর এবং কাপড়ের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি গুণগত মান অক্ষুণ্ন রাখা জরুরি।

ফুটি কার্পাসের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ

মসলিন তৈরির বিশেষ কাঁচামাল ফুটি কার্পাসের উৎপাদন বাড়াতে কাপাসিয়া, রাজশাহী ও কুমিল্লার কৃষকদের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক চাষের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তুলার ফলন, আঁশের গুণমান এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া উন্নত করার গবেষণা চলছে। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সম্প্রতি জানিয়েছেন, গবেষকেরা এমন জাত উন্নয়নে কাজ করছেন, যাতে তুলার ফলন বাড়ে এবং বড় ও বেশি তুলার বীজকোষ পাওয়া যায়।

২০১৪ সালে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড মসলিন পুনরুদ্ধারে গবেষণা শুরু করে। ঐতিহাসিক সূত্র ও বিভিন্ন অঞ্চলের বন্য তুলার জাত সংগ্রহ করে গবেষকেরা ফুটি কার্পাস শনাক্ত করার চেষ্টা করেন। লন্ডনের ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড অ্যালবার্ট মিউজিয়ামে সংরক্ষিত পুরনো মসলিনের নমুনার সঙ্গে তুলনা করে এ গবেষণা এগিয়ে নেওয়া হয়। পুনরুজ্জীবিত মসলিনের সুতা ৭৩১ থেকে ৭৫০ মেট্রিক কাউন্ট পর্যন্ত পৌঁছেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সাধারণভাবে সুতার কাউন্ট যত বেশি, সুতা তত সূক্ষ্ম হয়।

আরও পড়ুন: জ্বালানি আমদানির দায় মেটানোর চাপে বাড়ল ডলারের দাম

২০২০ সালের ডিসেম্বরে ঢাকাই মসলিন বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পায়। এ স্বীকৃতি পণ্যটির স্বতন্ত্র পরিচিতি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হলেও আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়মিত বিক্রি নিশ্চিত করতে কার্যকর বিপণন, মান নিয়ন্ত্রণ এবং নির্ভরযোগ্য সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।

বিলাসপণ্য থেকে রপ্তানি আয়

বাংলাদেশের রপ্তানি আয় প্রধানত তৈরি পোশাকনির্ভর। ঢাকাই মসলিনের বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ সফল হলে ঐতিহ্যভিত্তিক উচ্চমূল্যের বস্ত্র রপ্তানির নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে তুলাচাষি, সুতা কাটার কারিগর ও তাঁতিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।

তবে ৫০০ গজের একটি অর্ডার সম্পন্ন হওয়া কিংবা বিদেশি ব্র্যান্ডের আগ্রহের তথ্য দিয়ে এখনই বড় রপ্তানি বাজার গড়ে ওঠার সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। অর্ডারের মূল্য, ক্রেতার পরিচয়, পুনরায় অর্ডার পাওয়ার তথ্য, বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা এবং প্রকৃত রপ্তানি আয় প্রকাশ করা জরুরি। এসব তথ্য ছাড়া প্রকল্পের বাণিজ্যিক সাফল্য পরিমাপ করা কঠিন।

আরও পড়ুন: এনএসইজেডের সমস্যা ৩ মাসে সমাধান হবে : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলমও মসলিন তৈরির প্রযুক্তি দ্রুত বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কাছে হস্তান্তর এবং গবেষণার মাধ্যমে ফুটি কার্পাসের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের পর এখন মূল পরীক্ষা হচ্ছে বাণিজ্যিক সাফল্য। সরকারি গবেষণা, পর্যাপ্ত কাঁচামাল, দক্ষ কারিগর, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়মিত ক্রেতা নিশ্চিত করা গেলে ঢাকাই মসলিন বাংলাদেশের রপ্তানিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজয়-রাশমিকা সামাজিক মাধ্যমে হয়রানির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫০ পি.এম


বিজয়-রাশমিকা সামাজিক মাধ্যমে হয়রানির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিলেন

দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় তারকা দম্পতি বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে নানা গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মিথ্যা প্রচার, বিকৃত স্ক্রিনশট ছড়িয়ে দেওয়া এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানির অভিযোগে তারা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এ ঘটনায় তাদের প্রতিনিধিরা পুলিশের সাইবার অপরাধ তদন্ত কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৬ অক্টোবর) হায়দরাবাদের সাইবার অপরাধ তদন্ত কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগটি জমা দেওয়া হয়।

সম্প্রতি জনপ্রিয় টক শো ‘কফি উইথ করণ’-এ হাজির হয়ে নিজেদের প্রেম ও বিয়ের সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন বিজয় ও রাশমিকা। অনুষ্ঠানে বিজয় জানান, বিয়েতে রাজি করাতে রাশমিকাকে প্রায় ১০০ বার প্রস্তাব দিতে হয়েছিল। তার এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

অনুষ্ঠানের বিভিন্ন ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তাদের সম্পর্ক নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে থাকেন অনেকে। এমনকি পুরোনো সাক্ষাৎকারের ভিডিও সামনে এনে বিজয়ের আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কেউ কেউ। এক পর্যায়ে এসব আলোচনা ব্যক্তিগত আক্রমণ ও হয়রানিতে রূপ নেয় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

এ পরিস্থিতিতে সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আট পৃষ্ঠার একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন রাশমিকা। সেখানে তিনি বলেন, সমালোচনা কিংবা ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার সবার রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সাধারণ মতামত প্রকাশের সীমা ছাড়িয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণে পরিণত হয়েছে।

বিজয়ের সঙ্গে সম্পর্কের প্রসঙ্গে রাশমিকা জানান, বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দুজনেরই নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন ছিল। বিজয় এ সিদ্ধান্তের জন্য সময় চেয়েছিলেন। তবে এর অর্থ এই নয় যে তাদের ভালোবাসায় কোনো ঘাটতি ছিল।

নিজের দাম্পত্য জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির কথাও জানিয়েছেন অভিনেত্রী। পাশাপাশি ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে মতভেদ বা সমালোচনার জেরে পরিবারের সদস্যদের আক্রমণ না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, স্ত্রীকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্যের জবাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাশমিকার সঙ্গে একটি ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা। সেখানে স্ত্রীকে নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে তাদের দাম্পত্য জীবনে সুখী থাকার কথা জানান অভিনেতা।

তারকা দম্পতির প্রতিনিধিদলের অভিযোগে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের নামে মনগড়া বক্তব্য প্রচার, বিকৃত স্ক্রিনশট ছড়িয়ে দেওয়া, ভুয়া পরিচয়ে প্রচারণা চালানো এবং পরিকল্পিতভাবে হয়রানি করার ঘটনা ঘটছে। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী কিংবা অর্থের বিনিময়ে পরিচালিত প্রচারণা রয়েছে কি না, তা-ও তদন্তের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সমালোচনার অধিকারকে তারা সম্মান করেন। তবে মতামত প্রকাশের সঙ্গে বানানো বা বিকৃত তথ্যকে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করার পার্থক্য রয়েছে। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনলাইন পোস্টের লিংক ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণও জমা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তারা।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সোমবার রাত পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা নথিভুক্ত হয়নি।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের উদয়পুরে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউনিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, ৪৪৭ পিস ইয়াবাসহ আটক দুই যুবক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ পি.এম


কাউনিয়ায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, ৪৪৭ পিস ইয়াবাসহ আটক দুই যুবক

বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৪৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই যুবককে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে মহানগরীর কাউনিয়া থানাধীন মতাসার বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) মিডিয়া সেল।

বিএমপি মিডিয়া সেলের ২৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

### মতাসার বাজার এলাকায় পুলিশের অভিযান

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত আনুমানিক ১০টা ৫০ মিনিটে বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানাধীন বিসিসির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মতাসার বাজার এলাকায় বিশেষ আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় ৪৪৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় পুলিশের এ অভিযানের বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে অভিযান পরিচালনার আগে কী ধরনের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়েছিল, উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেট কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল কিংবা সেগুলো কোথাও সরবরাহের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল কি না—এসব বিষয়ে বিএমপি মিডিয়া সেলের বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।

### আটক দুজনের পরিচয়

বিএমপি মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, আটক দুজন হলেন মো. সাকিব হাওলাদার (২৭) ও মো. রাকিবুল ইসলাম (৩২)। তাঁরা উভয়েই বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানাধীন মতাসার এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশের অভিযানে তাঁদের কাছ থেকে ৪৪৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। তবে উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের উৎস, এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং এ ঘটনায় আরও কেউ শনাক্ত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

### আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা

এ ঘটনায় আটক দুজনের বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বিএমপি মিডিয়া সেল। পরবর্তী সময়ে তদন্ত ও আইনানুগ কার্যক্রমের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় যাচাই করার সুযোগ রয়েছে।

মাদকদ্রব্যের অবৈধ বিস্তার প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান ও আইনগত পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের যথাযথ তদন্ত এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণও জরুরি।

উল্লেখ্য, আটক হওয়া মানেই কোনো ব্যক্তি আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন—এমন নয়। সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আইনানুগ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপে দাবানল, বিষাক্ত ধোঁয়ায় কষ্টে হাজার হাজার মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ পি.এম


ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপে দাবানল, বিষাক্ত ধোঁয়ায় কষ্টে হাজার হাজার মানুষ

ঢাকা, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : চারপাশে হলুদাভ বিষাক্ত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছে। বাতাসে পোড়া গন্ধ ভাসছে। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। এমন অবস্থায় ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের পালাংকারায়া শহরের নিজস্ব ছোট্ট বাড়ি থেকে সরানোর সময় অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যবহার করে শ্বাস নিচ্ছিলেন সুদারসোনো। ৫৭ বছর বয়সী এই ব্যক্তি দাবানলের ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, মধ্য কালিমান্তান প্রদেশের এই শহরের উপকণ্ঠে বসতবাড়ির দিকে আগুন ছড়িয়ে পড়ছিল। কয়েক দিন আগে তিন বন্ধুর সঙ্গে আগুন নেভাতে যাওয়ার সময় পেশায় নির্মাণশ্রমিক ও কৃষক সুদারসোনো নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

গত সপ্তাহে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় এএফপিকে তিনি বলেন, ‘আমি মাস্ক পরেছিলাম, চোখে সুরক্ষাচশমাও ছিল। আমি সব ধরনের সুরক্ষাব্যবস্থাই নিয়েছিলাম। তারপরও চারদিক থেকে ধোঁয়া ঘিরে ধরেছিল। আর সহ্য করতে না পেরে বাড়ি ফিরে আসি।’

দাবানলে তার বাড়ির পেছনের উঠান পুড়ে কালো হয়ে গেছে। সেখানে পড়ে আছে কয়েকটি পোড়া গাছের গুঁড়ি। চারপাশে জমে আছে তীব্র ধোঁয়ার গন্ধ।

অ্যাম্বুলেন্সের দরজা বন্ধ হওয়ার আগে সুদারসোনো বলেন, ‘আমি আশা করি, আর ধোঁয়াশা থাকবে না। মধ্য কালিমান্তান আগুনমুক্ত হবে, যাতে মানুষ নিরাপদ বোধ করতে পারে, কাজ করতে ও জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।’

শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত তিন লাখের বেশি মানুষ

মাসের পর মাস ধরে চলা দাবানল ও বিষাক্ত ধোঁয়ায় ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পালাংকারায়া শহরেই এ সংকটের মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত ১১ হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন।

ইন্দোনেশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেশটির সাতটি প্রদেশে ৩ লাখের বেশি মানুষ শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন।

পালাংকারায়ার একটি আশ্রয়কেন্দ্রে শ্বাসকষ্ট ও মাথাব্যথার চিকিৎসা নিচ্ছিলেন আলেক্সান্দ্রা সুরিয়া হাবসারি। তাকে নেবুলাইজার ও অক্সিজেন দেওয়া হয়। নেবুলাইজারের মাধ্যমে ওষুধকে সূক্ষ্ম কণায় পরিণত করে শ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে পৌঁছাতে সহায়তা করা হয়।

আলেক্সান্দ্রা এএফপিকে বলেন, ‘আমি সত্যিই অতিষ্ঠ। কিন্তু কার ওপর রাগ করব, সেটাও বুঝতে পারছি না। একজন মানুষের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব— এ পরিস্থিতি ইতোমধ্যেই সেই সীমা ছাড়িয়ে গেছে।’

দাবানলের ধোঁয়ায় ফরমালডিহাইড, হাইড্রোজেন সায়ানাইড ও অ্যামোনিয়ার মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকতে পারে। এ ছাড়া এতে রয়েছে অতি সূক্ষ্ম বস্তুকণা, যা পিএম২.৫ নামে পরিচিত। এসব কণা ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করতে পারে, এমনকি রক্তপ্রবাহেও পৌঁছাতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, পিএম২.৫-এর সংস্পর্শে এলে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে ও মৃত্যুঝুঁকিও বৃদ্ধি পেতে পারে।

বিষের মতো বাতাসে শ্বাস নিচ্ছেন মানুষ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ইন্দোনেশিয়া কয়েক মাস ধরে দাবানল নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে। বন উজাড় পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নুসান্তারা অ্যাটলাসের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে দেশটিতে ১৯ লাখ হেক্টরের বেশি বন ও ভূমি দাবানলে পুড়ে গেছে।

তবে ইন্দোনেশিয়ার সরকার এ হিসাবের সত্যতা নিশ্চিতও করেনি, আবার তা নাকচও করেনি।

বিষাক্ত ধোঁয়ায় দূষিত বাতাসে শ্বাস নিতে বাধ্য হওয়া প্রতিবেশী দেশগুলোর পক্ষ থেকে কূটনৈতিক পর্যায়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ভেতরেও পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত সরকারবিরোধী বিক্ষোভে।

ধোঁয়াশার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়া মানুষের চিকিৎসায় দেশজুড়ে প্রায় ৫০০টি কেন্দ্র স্থাপন করেছে ইন্দোনেশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এসব কেন্দ্রে বিনা মূল্যে অক্সিজেন ও ধোঁয়াজনিত অসুস্থতার চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এর মধ্যে প্রায় ৩০০টি কেন্দ্র রয়েছে মধ্য কালিমান্তান প্রদেশে। দাবানল ও ধোঁয়াশার প্রকোপ এ অঞ্চলে বিশেষভাবে তীব্র।

এ ছাড়া পালাংকারায়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ বাস মোতায়েন করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এসব বাসের মাধ্যমে মানুষকে বিনা মূল্যে শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

এই সেবা পাওয়া ব্যক্তিদের একজন সিতি জুমিয়াতি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে চোখ লাল হয়ে জ্বালাপোড়া করা, গলাব্যথা ও কাশির সমস্যায় ভুগছেন।

গত শনিবার এএফপিকে সিতি বলেন, ‘আজ এই বাসে আমি বিনা মূল্যে শ্বাস নিতে সহায়তা পাচ্ছি।’

স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রিদুয়ান বলেন, শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন ১৭ বছর থেকে ৫৯ বছর বয়সী মানুষ। জীবিকার প্রয়োজনে বিষাক্ত ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন বাতাসের মধ্যেও তাঁদের কাজের জন্য বাইরে বের হতে হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ার অনেক মানুষের মতো রিদুয়ানেরও একটিই নাম।

৪৩ বছর বয়সী আলেক্সান্দ্রা বলেন, প্রতিদিন অফিসে যাতায়াতের ২০ মিনিটের পথটুকুও এখন তার জন্য অসহনীয় হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের তো নীল আকাশ দেখার, নির্মল অক্সিজেন নেওয়ার, সূর্যের আলো উপভোগ করার এবং বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নেওয়ার কথা। কিন্তু পরিস্থিতি যখন এমন, তখন আমরা যা শ্বাসের সঙ্গে নিচ্ছি, তা বিষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘হয় অর্থ, নয় রক্ত’— চাঁদা দাবিতে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫২ পি.এম


‘হয় অর্থ, নয় রক্ত’— চাঁদা দাবিতে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রাণনাশের হুমকি

খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির পরিচয় দিয়ে মোবাইলে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, চাঁদা না দিলে ‘হয় অর্থ, নয় রক্ত’ বলে হুমকি দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ।

অভিযোগের বিস্তারিত জানায়, সোমবার বিকালে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদকে মোবাইলে কল করেন। কলের সময় তিনি নিজেকে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন এবং চাঁদা দাবি করেন। পূর্ণ পরিচয় জানতে চাইলে তিনি শুধুমাত্র নিজের নাম আসলাম শিকদার এবং দলের নাম উল্লেখ করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফোন করে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা দাবি করা হয়। তবে নির্দিষ্ট কোনো টাকার অঙ্ক উল্লেখ করা হয়নি। কথোপকথনের এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি ঔদ্ধত্যপূর্ণ ভাষায় বলেন, ‘হয় অর্থ, নয় রক্ত’—এই দুটির যেকোনো একটি তাকে দিতে হবে।

এসময় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা থানায় অভিযোগ করার কথা বললে অপর প্রান্ত থেকে তাকে বলা হয়, থানায় কেন, এসপির কাছে তার নাম বলতে। প্রয়োজনে তাকে বা তার পরিবারের সদস্যদের রাস্তা থেকে তুলে নেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। এ ধরনের প্রকাশ্য প্রাণনাশের হুমকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছেন ওই কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ জানান, কর্মক্ষেত্রে এ ধরনের প্রাণনাশের হুমকি কোনো কারণ ছাড়াই অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও ভীতিকর। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইনি সহায়তা পেতে তিনি সন্ধ্যায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

পাইকগাছা থানার ওসি শেখ আউয়াল কবির বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ফোনটি এসেছে ঢাকা-গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে। এ চক্রটি অনেক সক্রিয় বলে মনে হচ্ছে। তবে আশা করা হচ্ছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%