মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৫২ পি.এম
খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির পরিচয় দিয়ে মোবাইলে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, চাঁদা না দিলে ‘হয় অর্থ, নয় রক্ত’ বলে হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ।
অভিযোগের বিস্তারিত জানায়, সোমবার বিকালে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদকে মোবাইলে কল করেন। কলের সময় তিনি নিজেকে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন এবং চাঁদা দাবি করেন। পূর্ণ পরিচয় জানতে চাইলে তিনি শুধুমাত্র নিজের নাম আসলাম শিকদার এবং দলের নাম উল্লেখ করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফোন করে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা দাবি করা হয়। তবে নির্দিষ্ট কোনো টাকার অঙ্ক উল্লেখ করা হয়নি। কথোপকথনের এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি ঔদ্ধত্যপূর্ণ ভাষায় বলেন, ‘হয় অর্থ, নয় রক্ত’—এই দুটির যেকোনো একটি তাকে দিতে হবে।
এসময় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা থানায় অভিযোগ করার কথা বললে অপর প্রান্ত থেকে তাকে বলা হয়, থানায় কেন, এসপির কাছে তার নাম বলতে। প্রয়োজনে তাকে বা তার পরিবারের সদস্যদের রাস্তা থেকে তুলে নেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। এ ধরনের প্রকাশ্য প্রাণনাশের হুমকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছেন ওই কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ জানান, কর্মক্ষেত্রে এ ধরনের প্রাণনাশের হুমকি কোনো কারণ ছাড়াই অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও ভীতিকর। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইনি সহায়তা পেতে তিনি সন্ধ্যায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
পাইকগাছা থানার ওসি শেখ আউয়াল কবির বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ফোনটি এসেছে ঢাকা-গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে। এ চক্রটি অনেক সক্রিয় বলে মনে হচ্ছে। তবে আশা করা হচ্ছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের খুঁটির সাথে ধাক্কা লেগে নাঈম হাসান (১৬) নামের এক স্কুলছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কাউখালী থেকে আমড়াজুড়ি ফেরিঘাট যাওয়ার পথে কেন্দ্রীয় আশ্রমসংলগ্ন কাউখালী-স্বরূপকাঠি সড়কের ধোপাবাড়ি মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
আহত নাঈম হাসান উপজেলার আশপদ্দি গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে এবং সে স্থানীয় সদর ইউনিয়নের জয়কুল আদর্শ কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে নাঈম মোটরসাইকেল নিয়ে আমড়াজুড়ি ফেরিঘাটের দিকে যাওয়ার সময় ধোপাবাড়ি মোড়ে পৌঁছালে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি বিদ্যুতের খুঁটির সাথে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম হয়। পরে স্থানীয় পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ নাহিদ হাসান জানান, আহত স্কুলছাত্রের মাথায় প্রচণ্ড আঘাত লেগেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী ও পথচারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বর্তমানে কম বয়সি কিশোর ও যুবকেরা কোনো নিয়মকানুন না মেনে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাচ্ছে। এর ফলে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে এবং মূল্যবান তাজা প্রাণ ঝরে পড়ছে। তারা অপ্রাপ্তবয়স্কদের মোটরসাইকেল চালনা বন্ধে এবং ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইফতেখার রাফসান এবং সুনেরাহ তাসনিমের মধ্যে প্রেমের গুঞ্জন নতুন কিছু নয়। যদিও তারা দুজনেই নিজেদের ভালো বন্ধু হিসেবে দাবি করে আসছেন। সম্প্রতি তাদের একটি ছবি সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
রাফসান ও সুনেরাহর ঝলমলে পোশাকে তোলা ছবিগুলি দেখে নেটিজেনদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, তারা কি সত্যিই গাঁটছড়া বাঁধলেন? কিছু মানুষ তাদের সেই ছবিকে বাগদানের ছবি হিসেবে উল্লেখ করছেন।
তবে জানা গেছে, ছবিটি মূলত শিশু-কিশোরদের ট্যালেন্ট হান্ট শো ‘মার্কস অল রাউন্ডার’-এর শুটিং সেটে তোলা হয়েছে।
মার্কস ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার কর্তৃপক্ষ এবং রাফসান–সুনেরাহ উভয়েই নিশ্চিত করেছেন যে, শুটিং চলাকালে তোলা ছবিটি এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পাদনা করে বাগদানের ছবি হিসেবে প্রচার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ‘মার্কস অল রাউন্ডার’-এর উপস্থাপক হিসেবে একসঙ্গে পর্দায় হাজির হচ্ছেন রাফসান ও সুনেরাহ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : অবস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দূরত্ব চার হাজার মাইলের বেশি। সংস্কৃতি, ভাষা ও জীবনযাত্রায় রয়েছে বিস্তর ফারাক। কিন্তু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যখন দেশ দুটির পতাকা স্ব-গৌরবে ওড়ে, তখন দুদেশের পতাকার মাঝখানের সাদৃশ্য সবার চোখে ধরা পড়ে। একটি পতাকার পটভূমি শান্ত সাদা, অন্যটির সতেজ গাঢ় সবুজ। তবে উভয়ের বুকেই টকটকে লাল বৃত্ত।
বাংলাদেশ ও জাপানের জাতীয় পতাকার দৃশ্যত নকশা কাছাকাছি মনে হলেও, এই দুই পতাকার রঙের ভাষা ও পেছনের গল্পে লুকিয়ে আছে নিজ নিজ জাতির আত্মত্যাগ, পুনর্জন্ম ও বিশ্বমঞ্চে মাথা তুলে দাঁড়ানোর ভিন্ন ভিন্ন ইতিহাস।
জাপানের জাতীয় পতাকাকে স্থানীয়ভাবে বলা হয় ‘হিনোমারু’ (Hinomaru), যার অর্থ ‘সূর্যের বৃত্ত’। এর সাদা পটভূমি জাপানি সংস্কৃতির সততা, পবিত্রতা ও শান্তির প্রতীক। মাঝের লাল বৃত্তটি প্রতিনিধিত্ব করে উদীয়মান সূর্যের। প্রাচীনকাল থেকেই জাপান ‘সূর্যোদয়ের দেশ’ হিসেবে বিশ্বে পরিচিত, আর তাদের জাতীয় পতাকা সেই পরিচয়েরই ঐতিহাসিক ধারক। অন্যদিকে, বাংলাদেশের পতাকার গাঢ় সবুজ পটভূমি এদেশের গ্রাম বাংলার চিরসবুজ প্রকৃতি, তারুণ্যের উচ্ছ্বাস এবং নবীন প্রাণের শক্তির প্রতীক। আর মাঝের লাল বৃত্তটি নির্দেশ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী লাখো শহীদের তাজা রক্ত এবং পরাধীনতার অন্ধকার ভেদ করে উদিত হওয়া স্বাধীনতার নতুন সূর্যকে। জাপানের লাল বৃত্ত যেখানে শান্তির বুকে উদীয়মান সূর্য, বাংলাদেশের লাল বৃত্ত সেখানে রক্তস্নাত স্বাধীনতার প্রতীক।
এক পলকে দেখতে প্রায় অভিন্ন লাগলেও, দুই দেশের পতাকার নকশায় একটি সূক্ষ্ম অথচ গুরুত্বপূর্ণ জ্যামিতিক পার্থক্য রয়েছে। জাপানের পতাকার লাল বৃত্তটি পতাকার একেবারে কেন্দ্রস্থলে (মাঝখানে) অবস্থিত। কিন্তু বাংলাদেশের পতাকার লাল বৃত্তটি ঠিক মাঝখানে নয়, বরং পতাকাদণ্ডের (বাঁ দিকে) দিকে সামান্য সরানো থাকে। এর পেছনে একটি ব্যবহারিক ও দৃষ্টিগত কারণ রয়েছে— পতাকা যখন পতাকাদণ্ডে বেঁধে ওড়ানো হয় এবং তা বাতাসে উড়তে থাকে, তখন লাল বৃত্তটিকে যেন ঠিক মাঝখানেই দেখা যায়, সে জন্যই এই অফসেট বা সরানো নকশাটি করা হয়।
সর্বোপরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে এসে জাপান যেমন বিশ্বের বুকে নিজের শক্তিমত্তার নতুন সূর্যোদয় ঘটিয়েছিল, তেমনি নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তি সংগ্রামের পর বাংলাদেশ ছিনিয়ে এনেছিল মহান স্বাধীনতা। ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক দূরত্ব ছাপিয়ে দুই দেশের পতাকার ‘লাল বৃত্ত’ কেবল কাকতালীয় নকশা নয়, বরং ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জেগে ওঠার প্রতীক। দুদেশের পতাকার অদ্ভুত মিল বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে যেন এক অদৃশ্য সুতোয় বেঁধে রেখেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের পৃষ্ঠপোষকতায় আবুধাবিতে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় ‘এমিরেটস ইন্টারন্যাশনাল কোরআন অ্যাওয়ার্ড’-এর চূড়ান্ত পর্ব। এই প্রতিযোগিতাটি দেশটির জেনারেল অথরিটি অব ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, এনডাউমেন্টস অ্যান্ড জাকাতের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে পবিত্র কোরআনের হাফেজ, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং কোরআনের সেবায় অবদান রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্মাননা প্রদান করা হবে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়ামের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
জেনারেল অথরিটি অব ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, এনডাউমেন্টস অ্যান্ড জাকাতের চেয়ারম্যান ড. ওমর হাবতুর আল দারঈ জানিয়েছেন, গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া চূড়ান্ত পর্বটি প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বাছাই পর্বের ধারাবাহিকতা। এই পর্যায়ে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শীর্ষস্থানীয় কারিদের অংশগ্রহণ, স্বীকৃত কিরাতের দক্ষতা যাচাই, সম্পূর্ণ কোরআন হিফজ, সুমধুর তিলাওয়াতের প্রতিভা অন্বেষণ এবং আমিরাতের তরুণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
আল দারঈ আরও জানান, প্রেসিডেন্টের পৃষ্ঠপোষকতা পবিত্র কোরআনের সেবা, এর শিক্ষা ও মূল্যবোধের প্রচার এবং দেশি-বিদেশি হাফেজদের সম্মানিত করার প্রতি আমিরাতের নেতৃত্বের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। তিনি উল্লেখ করেন, আমিরাতের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের আদর্শ অনুসরণ করে এ উদ্যোগ পরিচালিত হচ্ছে। তিনি দেশে ও দেশের বাইরে কোরআন শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কোরআনের শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
এবারের প্রতিযোগিতায় স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য সাড়া পাওয়া গেছে। স্থানীয় বিভিন্ন বিভাগে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৪৬৪ জন প্রতিযোগী। প্রাথমিক মূল্যায়নের ধাপ পেরিয়ে তাঁদের মধ্যে প্রায় ৮৯ জন চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছেন।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বিভাগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ১১২ জন প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। ২৭টি দেশ থেকে ধর্মীয় ও কোরআনবিষয়ক প্রতিষ্ঠানগুলোর আনুষ্ঠানিক মনোনয়নের ভিত্তিতে এসব আবেদন জমা পড়ে। নির্ধারিত মানদণ্ড ও শর্ত পূরণ করে তাঁদের মধ্যে প্রায় ১১ জন আবুধাবিতে অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে বিশেষায়িত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নির্বাচন করা হয়েছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, বিচারক প্যানেলের ৮০ শতাংশ সদস্যই আমিরাতি নারী। কোরআন শিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের বিষয়টিও এ উদ্যোগে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
আল দারঈ আরো বলেন, আমিরাতের কোরআনভিত্তিক প্রতিভা বিকাশ, পবিত্র কোরআন শুদ্ধভাবে পাঠ ও মুখস্থ করার চর্চা জোরদার এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে কোরআন শিক্ষার প্রসারে কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ