০১:৫০ পি.এম
মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি।
ইরানের প্রভাব কমাতে বাগদাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ বাড়ানোর প্রেক্ষাপটে তার এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে দুই দেশই ইরাককে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে বিবেচনা করছে।
এ খবর বাগদাদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত শেষ হলেও জ্বালানি সংকট অব্যাহত থাকবে: আইইএ প্রধান
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার কারণে ইরাক বহুদিন ধরে পরোক্ষ সংঘাতের ক্ষেত্র হয়ে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দুই প্রতিপক্ষের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা দেশটির ধারাবাহিক সরকারগুলোর জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
কর্মব্যস্ত সফরের অংশ হিসেবে সোমবার জাইদি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম আন্তর্জাতিক সফরে ওয়াশিংটনে পৌঁছান। তিনি এই এক সপ্তাহের সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, মার্কিন কর্মকর্তাদের এবং তেল কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
ব্যবসায়ী থেকে রাজনীতিতে আসা জাইদি চলতি বছর ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতায় আসেন। ট্রাম্প অন্য এক প্রার্থীর মনোনয়ন নাকচ করার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী হন। জাইদি ইরাকের দুর্বল অর্থনীতি শক্তিশালী করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সফরের আগে ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক নিবন্ধে জাইদি লিখেছেন, তিনি একটি সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যে সরকার ‘রাষ্ট্রের হাতে বৈধভাবে শক্তি প্রয়োগের একচ্ছত্র অধিকার নিশ্চিত করতে’ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান
ওয়াশিংটনের মতে, সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিরস্ত্র হওয়ার সময়সীমা দিয়েছে তার সরকার। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জঙ্গিবিরোধী জোটের মিশনও শেষ হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জ্যেষ্ঠ ইরাকি রাজনীতিক এএফপিকে জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার অর্থনীতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আরও ইতিবাচক অবস্থান নিলেও, ‘এর অর্থ এই নয় যে ইরাক ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ইরাককে তার দুই মিত্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় তেহরানে নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির বিশাল জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে ইরাকের পবিত্র শহরগুলোতে। এসব শহরে শিয়া ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র ধর্মীয় স্থানগুলো অবস্থিত।
আরও পড়ুন: মিসরের পার্লামেন্ট সৌদিকে সামরিক সহায়তা দিতে অনুমোদন করেছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন