ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘হাসিনা আমলে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে শূন্য করার চক্রান্ত ছিল’: মন্ত্রী আহমেদ আযম খান


‘হাসিনা আমলে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে শূন্য করার চক্রান্ত ছিল’: মন্ত্রী আহমেদ আযম খান

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান উল্লেখ করেছেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে, সরকারের সব স্থাপনা বা সম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহৃত হবে। তিনি বলেন, হাসিনা আমলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে শূন্য করে দেওয়ার জন্য স্থাপনার সম্পদগুলো পরিত্যক্ত রেখে কিংবা বিক্রি করে দেওয়ার চক্রান্ত ছিল। আমরা সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসেছি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠান ‘ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ এর ১০ একর সম্পত্তি ও পরিত্যক্ত কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, যেহেতু আমাদের সরকার একটি নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার, তাই মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট বা মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সম্পত্তিগুলোর সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। তিনি জানান, দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকার কারণে এই ইস্টার্ন কেমিক্যালের ১০ একর জায়গায় রাষ্ট্রের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের এমন ক্ষতি আর হতে দেওয়া হবে না। এখানে বড় প্রজেক্টের মাধ্যমে রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই আমাদের লক্ষ্য। ঢাকায় গিয়ে আলোচনা করে এলাকার জন্য সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন: ৪০ লাখ কৃষককে কার্ড, মিলবে ১০ ধরনের সুবিধা : প্রধানমন্ত্রী

পরিদর্শনকালে সফরসঙ্গী মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন জানান, ইস্টার্ন কেমিক্যালের এই পরিত্যক্ত জায়গা ও কারখানা প্রজেক্টের মাধ্যমে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা আমরা দেখছি। তিনি জানান, দুদিনের চট্টগ্রাম সফরে ট্রাস্টের অন্যান্য সম্পত্তিও আমরা একইভাবে সরেজমিনে পরিদর্শন করব।

এই পরিদর্শনের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুল হাসান, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজকে হত্যা: জিতেশের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


সুনামগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজকে হত্যা: জিতেশের মৃত্যুদণ্ড

সুনামগঞ্জে আলোচিত শাহনাজ পারভীন জোৎস্না হত্যা মামলায় আসামি জিতেশ চন্দ্র গোপকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে সুনামগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুল্লা এই রায় দেন। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নিখোঁজ হন প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন জোৎস্না। পরদিন ১৭ ফেব্রুয়ারি, স্থানীয় একটি ফার্মেসির ভেতর থেকে তার মরদেহের ৬ টুকরো উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, জগন্নাথপুরের একটি ফার্মেসিতে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন শাহনাজ। পরে তার স্বজনরা খোঁজাখুঁজি করে ওই ফার্মেসিতে গিয়ে তার মরদেহের ৬টি টুকরো দেখতে পান। এ ঘটনায় নিহতের ভাই হেলাল আহমদ বাদী হয়ে জিতেশ চন্দ্র গোপসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্তের পর অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে সোমবার আদালত প্রধান আসামি জিতেশ চন্দ্র গোপকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম শেফু বলেন, "আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি। আদালত দ্রুততম সময়ে আলোচিত মামলাটির রায় দিয়েছেন। এখন দ্রুত রায় কার্যকর করা উচিত।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগে বলিপাড়া আন্দোলনে বিভাজিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


ভারতের নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগে বলিপাড়া আন্দোলনে বিভাজিত

ভারতের নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দেশটির রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তাল হয়ে উঠেছে। এই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বলিপাড়া দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে।

গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক মাস আগে ছাত্রবিক্ষোভের ফলে পুরো দেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। সেই সময় শিক্ষার্থীদের সমর্থনে সেলিব্রিটিদের পক্ষ থেকে ব্যাপক সমর্থন দেখা গিয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন। বেশিরভাগ তারকা বিতর্ক থেকে নিজেদের দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তবে, কিছু সংখ্যক তারকা তাদের মতামত প্রকাশ করেছেন। এর ফলে বলিউডের মধ্যে একটি আড়াআড়ি বিভাজন ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। এর আগে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনে ছাত্রদের দাবি মেনে নেওয়ার পক্ষে একাধিক তারকা প্রকাশ্যে এসেছিলেন। দীর্ঘস্থায়ী বিক্ষোভের পর, দেশের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান শেষ পর্যন্ত ইস্তফা দিয়েছিলেন।

এখন সেই আন্দোলনের মূল কেন্দ্র ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আবারও দেশজুড়ে বিক্ষোভে নেমেছে। তাদের দাবি, দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতে হবে। এই দাবি শুধু সিজেপির বিক্ষোভেই সীমাবদ্ধ নয়, দেশের একাধিক বিরোধী রাজনৈতিক দলও নির্বাচন কমিশনারের অপসারণের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকেও বিক্ষোভ ও আন্দোলন থামানোর জন্য বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে সিজেপির বিক্ষোভের ডাকের সমালোচনা করেছেন অভিনেতা রণবীর শৌরে। তিনি বলেন, "নিজেদের দাবিদাওয়া তুলে ধরতে রাস্তায় বিক্ষোভের বদলে আদালত, সংসদসহ অন্যান্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নেওয়া উচিত।"

রণবীর আরও বলেন, "রাস্তা নিজেদের দখলে নিয়ে সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করা এবং সরকারি পরিকাঠামো ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ব্যবস্থাকে অচল করে দেওয়াই আসলে ‘গণতন্ত্রের হত্যা’।" এই আন্দোলনকে সমালোচনা করে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত বিক্ষোভকারীদের ‘দেশবিরোধী’ তকমা দিয়েছেন।

অন্যদিকে, অভিনেতা বিজয় ভার্মা ও অভিনেত্রী হুমা কুরেশি আন্দোলনের পক্ষে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেছেন। বিজয় সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট রি-শেয়ার করেছেন, যেখানে বলা হয়েছে— জ্ঞানেশ কুমারের গদি বাঁচাতে কেন্দ্রীয় সরকার অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। হুমা কুরেশি আবার বিক্ষোভ করতে না দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। গত কয়েক দিন ধরে দিল্লিসহ দেশের একাধিক জায়গা থেকে আন্দোলনকারীদের ধরপাকড়ের খবর আসছে। এই প্রেক্ষিতে হুমা বলেছেন, ‘বিশ্বের সব থেকে বড় গণতন্ত্রে নিজেদের দাবি সামনে রেখে বিক্ষোভ করাটাও কিন্তু গণতান্ত্রিক অধিকার।’ স্বানন্দ কিরকিরেও প্রায় একই ধরনের বক্তব্য রেখেছেন।

এদিকে, অভিনেতা আমির খানের ভাইঝি জেন মেরি খানের পোস্ট নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি হাতে–পায়ে একাধিক কালশিটের দাগ দেখিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার সময় মুম্বাই পুলিশ তাকে আটক করেছিল এবং ধাক্কাধাক্কির ফলে তার চোট লেগেছে। তাকে ছাড়াও অভিনেতা ইমরান খান ও তার গার্লফ্রেন্ড লেখা ওয়াশিংটনকেও আটক করা হয়েছিল মুম্বাই পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরাজিত শক্তির কালো টাকায় দেশে অরাজকতার ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


পরাজিত শক্তির কালো টাকায় দেশে অরাজকতার ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন যে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিদেশে পাচার করা এবং দেশের অভ্যন্তরে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থের মাধ্যমে দেশে অরাজকতা, বোমাবাজি ও নাশকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র চলছে।

তিনি উল্লেখ করেন, পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তি দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে চায়। এ প্রসঙ্গে গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল ও সাধারণ জনগণকে দিন-রাত সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ জনঅধিকার পার্টি আয়োজিত ‘দীর্ঘ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও জুলাই অভ্যুত্থানে রাজনীতিবিদ ও পেশাজীবীদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তির হাতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ ছিল। যদিও পাচার করা অর্থের বড় অংশ বিদেশে চলে গেছে, কিছু অর্থ দেশের ভেতরে রয়ে গেছে। সেই কালো টাকা ছড়িয়ে দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার নীলনকশা বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। তবে বর্তমান সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক রয়েছে এবং ষড়যন্ত্রকারীদের পরিকল্পনা একে একে নস্যাৎ করা হচ্ছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে ব্যাংক-বিমাসহ দেশের প্রতিটি খাত ধ্বংস করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা। ঋণের নামে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা মূলত রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটপাট করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা ও ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করেও বর্তমান সরকার দেশ পুনর্গঠনে কাজ করে যাচ্ছে।

রিজভী বলেন, তরুণদের অসীম সাহসিকতার কারণেই দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ সুগম হয়েছে। তাদের এই অবদান রাষ্ট্র ও জাতি আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ হাজার বছরের ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে উদযাপিত হতে পারে, সেজন্য সব রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো অপশক্তিকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে দেওয়া হবে না।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জনঅধিকার পার্টির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইসমাইল সম্রাটের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, জনতার দলের সদস্য সচিব তারেক রহমান, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুববিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পীরগঞ্জে কলার দাম হাতবদলে দ্বিগুণ, চাষিরা কম দামে বিক্রি করছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


পীরগঞ্জে কলার দাম হাতবদলে দ্বিগুণ, চাষিরা কম দামে বিক্রি করছেন

রংপুরের পীরগঞ্জের জমি থেকে ব্যবসায়ীরা কম দামে কলা কিনছেন। কিন্তু হাতবদল হয়ে খুচরা বাজারে পৌঁছানোর পর কলার দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। এতে চাষিরা উৎপাদিত কলার ন্যায্যমূল্য নিয়ে চিন্তিত, এবং সাধারণ ক্রেতাদের বাড়তি দামে কলা কিনতে হচ্ছে।

জামদানী গ্রামের কলাচাষি আইয়ুব আলী মন্তব্য করেন, "আমরা জমিতে কলা চাষ করে যে দাম পাই, ব্যবসায়ীরা জমি থেকে কলা কেটে রাস্তায় তোলার পরই দাম বেড়ে যায়। ফলে সাধারণ মানুষকে বেশি দামে কলা কিনতে হয়।"

কলা ব্যবসায়ী রাঙা মিয়া জানান, জমি থেকে কলা কেটে রাস্তায় তোলা, গাড়িতে বোঝাই করা এবং মোকামে পৌঁছানোর জন্য বিভিন্ন খরচ রয়েছে। এসব খরচ বাদ দিলে লাভের মুখ দেখা ব্যবসায়ীদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।

চেরাগপুর গ্রামের মালভোগ কলাচাষি মোতালেব মন্ডল জানান, তাঁর বাগানে বর্তমানে ৫২৫টি কলার ছড়ি রয়েছে। এর মধ্যে ১০০টি ছড়ি ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। অর্থাৎ প্রতিটি ছড়ির দাম পড়েছে ৮০০ টাকা। কিন্তু জমি থেকে কলা কেটে বাজারজাত করার পর বিভিন্ন পর্যায়ে এর দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।

খুচরা বাজারে মালভোগ কলা বর্তমানে ১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, চাষিরা জমি থেকে ব্যবসায়ীদের কাছে প্রতিটি কলা ৫ টাকারও কম দামে বিক্রি করছেন। ফলে উৎপাদক থেকে ভোক্তার হাতে পৌঁছানোর আগে কলার দাম কয়েক দফা বাড়ছে।

অন্যদিকে, সাগর কলার প্রতিটি ছড়ি ৫শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একটি ছড়িতে গড়ে ১৪০টি কলা থাকলে প্রতিটি কলার ক্রয়মূল্য প্রায় ৩ টাকা। কিন্তু হাতবদলের পর একই কলা খুচরা বাজারে প্রায় ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পীরগঞ্জে ৪৩৪ হেক্টর জমিতে কলার চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগের দাবি, চাষিরা ভালো দামে কলা বিক্রি করছেন।

চাষি ও স্থানীয়দের মতে, এ বছর কলার ফলন ও বাজারদর তুলনামূলকভাবে চাষিদের অনুকূলে রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর কলার সরবরাহ কম থাকায় ভালো দাম পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে আগামী বছর ফলন ও বাজারদর কেমন হবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তাও রয়েছে চাষিদের মধ্যে।

এদিকে, সার ও কৃষি উপকরণের দাম বাড়লে কলা উৎপাদনের খরচ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন চাষিরা। তাঁদের মতে, উৎপাদন ব্যয় বাড়লে বর্তমান বাজারদরেও লাভ কমে যেতে পারে।

চাষিদের প্রত্যাশা, উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কলার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি জমি থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে দাম বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%