০৬:০২ পি.এম
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে সহযোগিতা করা দেশগুলোকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান। তেহরান বলেছে, স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর ওপর একটি দেশের ‘অবৈধ ইচ্ছা’ চাপিয়ে দেওয়ার এই প্রচেষ্টায় অংশ নেওয়া ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে’ সহযোগিতার শামিল।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ অর্থনৈতিক চাপের নিন্দা করে এ সতর্কবার্তা দেয়। মন্ত্রণালয় বলেছে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জাতিসংঘ সনদের লঙ্ঘন। যুক্তরাষ্ট্র যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ ঘোষণা করেছে, তা ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো সামরিক সংঘাতেরই ধারাবাহিকতা।
তেহরান এই পদক্ষেপকে নিন্দনীয় ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। ইরানের দাবি, এ ধরনের অর্থনৈতিক চাপ লাখো বেসামরিক মানুষের স্বাস্থ্য ও জীবন-জীবিকার ওপর গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে।
আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের ব্যবস্থা এবং সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতিক্রিয়া যথেষ্ট নয়। তাদের এই নিষ্ক্রিয়তা ভবিষ্যতে আরও লঙ্ঘনকে উৎসাহিত করছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্মিলিত সামরিক ও অর্থনৈতিক অভিযানের বিরুদ্ধে দেশকে রক্ষায় ইরান তার হাতে থাকা সব ধরনের উপায় ব্যবহার করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি মন্তব্য নিয়েও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি।
গত রাতে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড বলে দাবি করেন। এর জবাবে গরিবাবাদি এক্সে লিখেছেন, ট্রাম্প সম্ভবত সিজোফ্রেনিয়ায় ভুগছেন। তিনি লেখেন, এ রোগের সবচেয়ে সাধারণ উপসর্গের মধ্যে ‘হ্যালুসিনেশন’ ও ‘বিভ্রম’ রয়েছে। এ ধরনের রোগীদের ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা এবং চিকিৎসা দেওয়ার পরামর্শ দেন মনোবিজ্ঞানীরা।
আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ
বিডিপ্রতিদিন/কেকে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন