০৮:৪১ এম
প্যারিসে গিয়ে প্রীতি জ়িন্টা অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। সমাজমাধ্যমে তিনি সেই পরিস্থিতির একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন। ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, খাবারের বাক্স খুলে তিনি মুখে আনন্দের হাসি নিয়ে ‘কঢ়ী-চাওয়াল’ দেখছেন।
অভিনেত্রী জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন প্যারিসে। ঠিক সেই সময়, এক প্রতিবেশী অপ্রত্যাশিতভাবে তাঁর দিনটি সুন্দর করে তুললেন। বন্ধুর মাধ্যমে প্রীতির অসুস্থতার খবর জানার পর, প্রতিবেশীটি বিশেষ একটি দোকান থেকে অভিনেত্রীর প্রিয় খাবার পাঠিয়ে দেন।
সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা সেই মুহূর্তের ভিডিয়োতে প্রীতি খাবারের বাক্স খুলে আনন্দিত মুখে ‘কঢ়ী-চাওয়াল’ দেখছেন। তিনি সেই পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন। প্রীতি লিখেছেন, প্যারিসে বসবাসকারী এই ‘মিষ্টি ও দয়ালু’ পরিবারের এই ছোট্ট উদ্যোগ তাঁর মনকে ভাল করে দিয়েছে। তিনি এই উষ্ণতার কথা চিরকাল মনে রাখবেন।
আরও পড়ুন: ঢাকা সাংবাদিক সমবায় সমিতির নির্বাচনে রানা-বারী পরিষদের পূর্ণ প্যানেলের জয়
‘কঢ়ী-চাওয়াল’ দেখে প্রীতির আনন্দের
তিনি বলেছেন, পঞ্জাবি আতিথেয়তার যে বিশেষ সুনাম রয়েছে, এই ঘটনা যেন তারই প্রমাণ। যে দোকানের খাবার তাঁকে পাঠানো হয়েছে, প্যারিসে গেলে সেই দোকানের খাবার চেখে দেখারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর সম্প্রতি প্রীতি বড়পর্দায় ফিরেছেন। ‘বঁটওয়ারা ১৯৪৭’-এ সনি দেওলের বিপরীতে তাঁকে দেখা গেছে। ছবিটি মুক্তি পেয়েছে ১৪ অগস্ট।
প্রায় আট বছর পর আবার বড়পর্দায় ফিরে আসা প্রীতি প্রথম দিকে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন ছিলেন। পরিচালক রাজকুমার সন্তোষী প্রথম দিনেই তাঁকে ছবির অন্যতম কঠিন দৃশ্য করতে দিয়েছিলেন। সেই সময়ে প্রীতি সনীর দিকে তাকিয়ে ছিলেন, কী করবেন বুঝতে পারছিলেন না।
তবে সহ-অভিনেতা সনি তাঁকে যথেষ্ট স্বস্তি দিয়েছেন। প্রীতির কথায়, সনি অত্যন্ত উদার, ভাল মনের এবং ভদ্র মানুষ। দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি করতে তিনি স্বচ্ছন্দ ছিলেন এবং প্রীতিকে বলেছিলেন, “চিন্তা কোরো না।”
আরও পড়ুন: কামরুন্নাহার কলির ধর্ষণ ও হত্যার প্রধান আসামির বাড়ি গুঁড়িয়ে, মাটি তুলে নিচ্ছে জনতা
একসময় হিন্দি ছবির অন্যতম জনপ্রিয় এবং মোটা পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রী ছিলেন প্রীতি। বিয়ের পর নিয়মিত অভিনয় থেকে তিনি অনেকটাই সরে যান। ২০১৮ সালের ‘ভইয়াজি সুপারহিট’-এর পর দীর্ঘ সময় তাঁকে পূর্ণাঙ্গ চরিত্রে দেখা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন