ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পিটিআইয়ের লংমার্চে আইনজীবীদের সমর্থন


ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পিটিআইয়ের লংমার্চে আইনজীবীদের সমর্থন

পাকিস্তানে সংবিধান রক্ষা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানসহ রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর ডাকা লংমার্চে এবার পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেছে দেশটির শীর্ষ আইনজীবী সংগঠন 'অল পাকিস্তান লয়ার্স অ্যাকশন কমিটি'। সংগঠনটির নেতারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এই লংমার্চ একটি ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করতে পারে।

বৃহস্পতিবার কোয়েটায় প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে কমিটির চেয়ারম্যান আলী আহমেদ কুর্দসহ বিভিন্ন বার অ্যাসোসিয়েশন ও আইনজীবী পরিষদের প্রতিনিধিরা এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের কথা জানান।

বিবৃতিতে আইনজীবী নেতারা উল্লেখ করেন, পিটিআইয়ের এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য হলো সংবিধানের সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা, স্বাধীন বিচার বিভাগ এবং সার্বভৌম সংসদ নিশ্চিত করা। দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, তীব্র অর্থনৈতিক সংকট, ক্রমাগত অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক ও মানবাধিকারকর্মীদের বেআইনি গ্রেপ্তারের ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তারা ইমরান খানসহ দেশজুড়ে আটক পিটিআইয়ের সব নেতাকর্মীর অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি এবং পিটিআইয়ের দাবিসমূহ দ্রুত মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র আজই ইরানে হামলা চালাতে পারে: ট্রাম্পের সতর্কতা

বিবৃতিতে আইনজীবীরা সতর্ক করে বলেছেন, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে যদি অন্যায্যভাবে গভর্নরের শাসন জারি করা হয় বা অন্য কোনো ‘অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপ’ নেওয়া হয়, তবে আইনজীবীরা দেশজুড়ে কঠোর প্রতিরোধ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি গড়ে তুলবেন। পাশাপাশি তারা পিটিআইয়ের শান্তিপূর্ণ মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

পাকিস্তানে লংমার্চকে কেন্দ্র করে যখন দেশজুড়ে চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে, ঠিক তখন শীর্ষ আইনজীবীদের এই প্রকাশ্যে সমর্থন ইমরান খানের দলের দাবিসমূহকে আইনি ও রাজনৈতিকভাবে নতুন শক্ত ভিত প্রদান করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া বা সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। সূত্র: ডন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘দৃশ্যম ৩’-এর প্রথম সপ্তাহে আয় ৩৮৩ কোটি রুপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১২ পি.এম


‘দৃশ্যম ৩’-এর প্রথম সপ্তাহে আয় ৩৮৩ কোটি রুপি

মুক্তির প্রথম দিন থেকেই বক্স অফিসে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে অজয় দেবগন অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘দৃশ্যম ৩: দ্য কনক্লুশন’। রহস্য ও উত্তেজনায় ভরা এই সিনেমাটি ভারতীয় প্রেক্ষাগৃহের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও ভালো ব্যবসা করছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে সিনেমাটির আয় বিশ্বজুড়ে ৩৮৩ কোটি রুপি ছাড়িয়ে গেছে।

বিজয় সালগাঁওকর চরিত্রে অজয় দেবগনের অভিনয় এবং রহস্যময় গল্প দর্শকদের আগ্রহ ধরে রেখেছে। বিশেষ করে প্রতিটি ঘটনার পেছনের রহস্য উন্মোচনের জন্য তৈরি হওয়া টানটান লড়াই সিনেমাটিকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে বাড়তি উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে।

অভিষেক পাঠক পরিচালিত এই সিনেমায় অজয় দেবগনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়দীপ আহলাওয়াত। পর্দায় দুই অভিনেতার অভিনয় ও মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব দর্শক ও সমালোচকদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২ অক্টোবর সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। প্রথম দিনেই সিনেমাটি ৬২ কোটি রুপি আয় করার দাবি করা হয়েছে। মুক্তির পর প্রথম সপ্তাহে বক্স অফিসে এর দাপট অব্যাহত রয়েছে।

স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির সপ্তম দিনে ভারতে ১৫ হাজার ৭৫৮টি প্রদর্শনী থেকে সিনেমাটি ১৩ কোটি রুপি আয় করেছে। সব মিলিয়ে দেশটিতে এর মোট আয় ২৯৪ কোটি ৬০ লাখ রুপি। এর মধ্যে নিট আয় ২৪৫ কোটি ৫০ লাখ রুপি।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারেও সিনেমাটি ভালো ব্যবসা করছে। সপ্তম দিনে বিদেশের বাজার থেকে ৪ কোটি রুপি এসেছে। সব মিলিয়ে বিদেশে সিনেমাটির মোট আয় ৮৯ কোটি রুপি। ফলে বিশ্বব্যাপী এর মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৩৮৩ কোটি ৬০ লাখ রুপি।

প্রথম সপ্তাহের এই সাফল্যে বক্স অফিসে নিজের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে ‘দৃশ্যম ৩’। এখন দেখার বিষয়, দ্বিতীয় সপ্তাহেও একই ধারায় ব্যবসা ধরে রাখতে পারে কি না অজয় দেবগনের এই সিনেমা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাস্কের প্রশ্ন, ‘আম্বানি কি ভারতের আসল বস?’ নতুন বিতর্কের জন্ম দিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


মাস্কের প্রশ্ন, ‘আম্বানি কি ভারতের আসল বস?’ নতুন বিতর্কের জন্ম দিল

ভারতের স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট (স্যাটকমে) সেবা চালু করার প্রক্রিয়া নিয়ে মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক এবং ভারতের শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানির মধ্যে একটি মনস্তাত্ত্বিক লড়াই শুরু হয়েছে। ভারতের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘স্টারলিংক’-এর অনুমোদন পেতে বিলম্বের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্ক। তিনি একটি বিস্ফোরক পোস্টে জানতে চেয়েছেন, “আম্বানি কি ভারতের আসল বস?”

ঘটনাটি শুরু হয় গত বুধবার। ভারতের টেলিকম বাজারে স্টারলিংকের প্রবেশকে "কয়েকজন অলিগার্ক (কয়েকজন নির্দিষ্ট প্রভাবশালী ব্যবসায়ী)" বাধা দিচ্ছেন বলে পরোক্ষভাবে মন্তব্য করেন মাস্ক। তিনি তখন কোনো নাম উল্লেখ না করে বলেন, "কারা বাধা দিচ্ছে আপনারা তা সহজেই অনুমান করতে পারেন।" মাস্কের এই মন্তব্যের পর ভারতের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকম (DoT) অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানায়, ভারতের স্যাটেলাইট যোগাযোগ নীতি নিরপেক্ষ ও বৈষম্যহীন।

সরকারি জবাবের পরপরই বৃহস্পতিবার এক্স-এ আবারও ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রযুক্তি জগতের এই ট্রিলিয়নিয়ার। তিনি লেখেন, “স্টারলিংক বিশ্বের ১৬৫টিরও বেশি দেশে অনুমোদিত। ভারত সরকারের প্রতিটি আইন ও শর্ত পূরণ করতে গত পাঁচ বছর ধরে চেষ্টা করা হচ্ছে। তারপরও কেন লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে না? আম্বানি কি ভারতের আসল বস?”

এই বিতর্কে ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেস সংসদ সদস্য রাহুল গান্ধীও যোগ দিয়েছেন। মাস্ককে উদ্দেশ্য করে রাহুল এক্স-এ লেখেন, “ভারতে স্বাগতম, ইলন। আপনি অন্য লোকটিকে (আম্বানি/আদানি) আবিষ্কার করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।” রাহুলের এই মন্তব্যের প্রত্যুত্তরে মাস্ক বলেন, “ধন্যবাদ, রাহুল। বিষয়টা সত্যিই উদ্বেগজনক।”

অন্য এক পোস্টে মাস্ক দাবি করেন, যারা স্টারলিংকের বিরোধিতা করছে তারা মূলত সুবিধা বঞ্চিত মানুষকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তিনি বলেন, “ধনীদের জন্য বড় বড় শহরে এমনিতেই ভালো ইন্টারনেট আছে। স্টারলিংক ভারতের দুর্গম ও প্রান্তিক এলাকায় ইন্টারনেট পৌঁছাতে সাহায্য করবে।”

এদিকে ভারতীয় টেলিকম অধিদপ্তর জানিয়েছে, ই-ইউটেলাস্যাট ওয়ানওয়েব (সুনীল ভারতী মিত্তাল সমর্থিত), রিলায়েন্স জিও (মুকেশ আম্বানি) এবং স্টারলিংক—তিনটি প্রতিষ্ঠানই একই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে নিরাপত্তা ছাড়পত্রের কাজ চলছে এবং সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে স্পেকট্রাম বরাদ্দের পরবর্তী ধাপে যাওয়া হবে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজানের সুরে মুগ্ধ নানা পাটেকর, ধর্মীয় সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


আজানের সুরে মুগ্ধ নানা পাটেকর, ধর্মীয় সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরলেন

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর ধর্ম ও ভাষার ভিন্নতা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, "ধর্ম ও ভাষার ভিন্নতা মানুষের মধ্যে বিভেদ নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি করুক।" তাঁর মতে, একে অপরের ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি সম্মান দেখালে বিরোধ ও সংঘাতের অবসান ঘটানো সম্ভব।

২০২৪ সালের ২০ মার্চ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের ম্যাঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত একটি ছয় দিনব্যাপী নাট্য উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নানা পাটেকর। সেন্ট অ্যালয়েশিয়াস কলেজে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা প্রকাশ রাজও। বক্তব্যের এক পর্যায়ে পাশের মসজিদ থেকে আজানের ধ্বনি শুনতে পান তিনি। এরপর ধর্মীয় সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরে নিজের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধির কথা জানান।

নানা পাটেকর তাঁর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে বলেন, "ছোটবেলায় তাঁদের গ্রামেও ভোরে আজানের ধ্বনি শুনতেন তিনি।" তাঁর কাছে সেই ধ্বনি ছিল প্রশান্তিদায়ক। অভিনেতা উল্লেখ করেন, "মানুষ যখন একে অপরের ধর্মকে সম্মান করতে শিখবে, তখন অনেক সংঘাতের অবসান ঘটবে।" তিনি জানান, নিজের অভিনীত চলচ্চিত্রেও এ ধরনের বার্তা তুলে ধরার চেষ্টা করেন।

ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানান এই অভিনেতা। তাঁর মতে, ভাষা মানুষকে কাছাকাছি নিয়ে আসে এবং পারস্পরিক ঐক্য ও সংহতি গড়ে তুলতে সাহায্য করে। ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে বোঝাপড়া বাড়লে সমাজে বিভেদ কমানো সহজ হয়।

নাটক ও অভিনয়ের সামাজিক ভূমিকা নিয়েও কথা বলেন নানা পাটেকর। তিনি বলেন, "মঞ্চ এমন একটি জায়গা, যেখানে সমাজের নানা অসংগতি নিয়ে নিজের মত প্রকাশ করা যায়।" সঠিক ভাষা ও দায়িত্বশীল উপস্থাপনার মাধ্যমে নাটক মানুষের চিন্তাভাবনায় প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় সহনশীলতা, ভাষার প্রতি সম্মান এবং সামাজিক ঐক্যের গুরুত্ব উঠে আসে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ‘ভারত সমর্থিত’ ৭ সন্ত্রাসী নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ‘ভারত সমর্থিত’ ৭ সন্ত্রাসী নিহত

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের উত্তর ওয়াজিরিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনী পরিচালিত একটি বিশেষ অভিযানে অন্তত সাত সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।

শুক্রবার, পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ নিরাপত্তা সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খাইবার পাখতুনখোয়ার উত্তর ওয়াজিরিস্তানে ভারত সমর্থিত বা মদতপুষ্ট সন্ত্রাসীদের আস্তানা চিহ্নিত করে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় সন্ত্রাসীদের বেশ কয়েকটি গোপন আস্তানা গুঁড়িয়ে দেয় দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।

অভিযান শেষে ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে, উত্তর ওয়াজিরিস্তানে সফল ও সাহসিকতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করায় দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

উল্লেখ্য, এর আগের দিনও খাইবার পাখতুনখোয়ার উত্তর ওয়াজিরিস্তান জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর পৃথক অভিযানে নিষিদ্ধ সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’-এর নয়জন সদস্য নিহত হয়েছিল। সম্প্রতি এ অঞ্চলে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। সূত্র: জিও নিউজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%