ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজধানীর পৃথক ঘটনায় দুইজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু


রাজধানীর পৃথক ঘটনায় দুইজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু

রাজধানীর কামরাঙ্গীচরে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস লেগে মো. রিহাদ (১১) নামে এক শিশুর মৃত্যু ঘটে। অন্যদিকে, হাজারীবাগে গণকটুলিতে সাগর (২১) নামের যুবক গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

গতকাল শনিবার রাতে কামরাঙ্গীচরে, বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে রশি দ্বারা ফাঁস লাগিয়ে রিহাদ নামে শিশুর মৃত্যু হয়। পরে বাড়ির লোকজন তা দেখতে পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃতের মা হাসি বেগম দাবি করেছেন, খেলার ছলে গলায় ফাঁস লেগে রিহাদের মৃত্যু হয়েছে। পরে, মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনরা নিয়ে যান। কামরাঙ্গীরচরের বড়গ্রাম এলাকায় ওই শিশু পরিবারের সাথে বসবাস করছিল।

আরও পড়ুন: কালিয়াকৈরে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তার ৫ লাখ টাকা ছিনতাই

অন্যদিকে, রবিবার ভোরে হাজারীবাগের গণকটুলিতে সাগর নামের ওই যুবক গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, সাগর মাদকাসক্ত ছিলেন। মা হামিদার কাছে মাদকের টাকা না পেয়ে, বারান্দায় গ্রিলের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। বাড়ির লোকজন তাকে দেখতে পেয়ে ঢামেক হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সাগর গণকটুলি হালিম মিয়ার ও হামিদার ছেলে।

মরদেহ দুটি ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।

আরও পড়ুন: সুরঞ্জিতের নেতৃত্বে অভিজ্ঞতা নিয়ে আসিফ নজরুল ও সালাহউদ্দিন আহমদের মতভেদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বোরোর ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আউশ চাষে আগ্রহ বাড়ছে মৌলভীবাজারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২১ পি.এম


বোরোর ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আউশ চাষে আগ্রহ বাড়ছে মৌলভীবাজারে

মৌলভীবাজারে চলতি বোরো মৌসুমের মধ্যে আগাম ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে হওয়া ফসলের ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে আউশ ধান চাষাবাদে মনোযোগী হয়েছেন জেলার কৃষকেরা। জেলার বিভিন্ন হাওড় পাড়সহ বিস্তীর্ণ স্থানে আউশ চারা রোপণের কাজ ইতিমধ্যে পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে। চাষিদের এই আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে আউশের আবাদ বাড়াতে বিভিন্ন প্রকারের কারিগরি ও প্রণোদনা সহায়তা প্রদান করছে জেলা কৃষি বিভাগ।

সরেজমিনে চলে আসা পরিস্থিতি নির্দেশ করে দেখা গেছে, চলতি বর্ষায় আবহাওয়া আউশ চাষাবাদের জন্য সম্পূর্ণ অনুকূলে থাকায় মাঠজুড়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জমি প্রস্তুত করা এবং হালি চারা রোপণের কর্মযজ্ঞে মুখর হয়ে উঠেছে ফসলের মাঠ।

স্থানীয় চাষি ও কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, কিছুদিন আগে মৌলভীবাজার অঞ্চলে ব্যাপকভাবে আউশ ধানের চাষ হতো। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে প্রতিবছর ফসল নষ্ট হওয়ার ফলস্বরূপ কৃষকেরা আউশ চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক বছরের বোরো মৌসুমে উপর্যুপরি লসের প্রতিকার হিসেবে এবং কৃষি বিভাগের বিশেষ উদ্যোগের ফলে আবারও আউশের সুদিন ফিরছে।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছরে জেলায় আউশ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হাজার ৬৮৪ হেক্টর অতিরিক্ত জমিতে আউশের আবাদ হয়েছে। বৈরী কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে, হেক্টর প্রতি গড়ে ২ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। পুরো জেলায় কমবেশি আউশের চাষ হলেও, সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে জুড়ী, বড়লেখা, কুলাউড়া, শ্রীমঙ্গল এবং কমলগঞ্জ উপজেলায়।

শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওড় পাড়ের উদনার পাড় গ্রামের আউশ চাষি নাছিমা আক্তার, মনছুর আলী, সুজন মিয়া ও জয়নাল সময় সংবাদকে বলেন, 'এ বছর আগাম পাহাড়ি ঢলে আমাদের বোরো ফসল পুরোটাই তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা একদম নিঃস্ব হয়ে পড়েছিলাম। পরে কৃষি বিভাগ থেকে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়ায় আমরা আবার ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস পেয়েছি। এখন আবহাওয়া ভালো থাকায় দুই-তিন কিয়ার (বিঘা) জমিতে আউশ চারা রোপণ করছি। আশা করছি এবার ভালো ফলন পাব।'

কৃষিবিদ মো. সেলিম হোসেন আরও জানান, বোরো ফসলের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবার চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে উচ্চ ফলনশীল আউশ বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। সরকারি এই প্রণোদনা পাওয়ার ফলে প্রান্তিক চাষিরা দ্বিগুণ উৎসাহ নিয়ে মাঠে নেমেছেন।

মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. জালাল উদ্দিন বলেন, 'চলতি বোরো মৌসুমে জেলায় ৩৮ হাজার ৫৩০ হেক্টর জমিতে আবাদ হলেও ঢলের কারণে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সেই ক্ষতি পুষিয়ে দিতে এবং চালের উৎপাদন বাড়াতে আমরা আউশ চাষে সর্বোচ্চ জোর দিয়েছি। আউশের আবাদ বাড়াতে মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা চাষিদের সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করে যাচ্ছেন।'

তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত আবহাওয়া সম্পূর্ণ অনুকূলে রয়েছে। যদি কোনো বড় ধরনের আগাম বন্যা বা বৈরী পরিবেশ সৃষ্টি না হয়, তবে চলতি মৌসুমে জেলায় আউশের বাম্পার ফলন হবে এবং লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ১ লাখ ১১ হাজার ১০১ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পঞ্চগড়ে ১৫ দিনব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২১ পি.এম


পঞ্চগড়ে ১৫ দিনব্যাপী কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শুরু

পঞ্চগড়ে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ১৫ দিনব্যাপী বেসিক কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন ট্রেনিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রবিবার দুপুরে শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাবে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভিন।

জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের এই প্রশিক্ষণে ২৫ জন অংশ নিচ্ছেন। সমাজসেবা অধিদপ্তর জানায়, প্রশিক্ষণে জেলার ৫ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর তরুণ তরুণীরা অংশ নিতে আসছেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এটির জন্য প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক অনিল চন্দ্র বর্মণ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক গোলাম ফারুক, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার লায়লা আরজুমান, শহর সমাজসেবা অফিসার ওয়ালিউল হকসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে তাজিয়া শোভাযাত্রাকে ঘিরে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২২ পি.এম


ভারতে তাজিয়া শোভাযাত্রাকে ঘিরে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

ভারতের বাণিজ্যিক নগরী মুম্বাইয়ে পবিত্র আশুরার তাজিয়া মিছিলে অংশ নেওয়া হাজার হাজার মানুষকে বিষাক্ত ক্যাপসুল খাইয়ে একযোগে হত্যার ভয়াবহ পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছে দেশটির পুলিশ।

শুক্রবার (২৬ জুন) তাজিয়া মিছিলের অন্তর্ভুক্ত সাধারণ মানুষের মাঝে বিষাক্ত ক্যাপসুল বিলি করার সময় ফাইয়াজ প্রেমজি নামের এক যুবককে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে আটক যুবক স্বীকার করে যে, মিছিলে উপস্থিত অন্তত ১৫ হাজার মানুষকে বিষপ্রয়োগ করে মেরে ফেলার জন্য তার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল।

মুম্বাই পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার তাজিয়া মিছিল চলাকালীন ফাইয়াজের দেওয়া ওই ক্যাপসুল সেবন করে মুহূর্তের মধ্যেই অন্তত ডজনখানেক মানুষ মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় দেখা যায়, ওই ক্যাপসুলগুলোর ভেতরে জিঙ্ক ফসফাইড নামক অত্যন্ত প্রাণঘাতী রাসায়নিকের উপস্থিতি ছিল। সাধারণত, এই রাসায়নিকটি ইঁদুর মারার বিষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আটক ফাইয়াজকে শনিবার (২৭ জুন) স্থানীয় আদালতে হাজির করার পর বিচারক তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্তকারীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রয়ে রোডের রেহমতাবাদ কবরস্থানের নিকটবর্তী আশুরার মূল শোভাযাত্রায় ফাইয়াজ ওই বিষাক্ত ক্যাপসুলগুলো বিলি করছিল। সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য সে ওই মরণঘাতী ক্যাপসুলগুলোকে বিভিন্ন ধরনের ব্যথানাশক এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিকারী ওষুধ হিসেবে প্রচার করার চেষ্টা চালাচ্ছিল। ফাইয়াজের এই ধোঁকাবাজিতে পড়ে অন্তত ১১ জন মানুষ সেই ক্যাপসুল সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে মারাত্মক পেটের ব্যথা ও বমির সমস্যায় আক্রান্ত হন। তাদের সবাইকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও বর্তমানে তারা সবাই আশঙ্কামুক্ত বলেই চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

মুম্বাই পুলিশের উপকমিশনার জয়ন্ত মীনা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দ্রুত অভিযান চালিয়ে পুলিশ অভিযুক্ত ফাইয়াজের কাছ থেকে অন্তত ১৪ হাজার ৯০০টি বিষাক্ত ক্যাপসুল জব্দ করেছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে আটক করার পূর্বেই সে মিছিলে বেশ কিছু ক্যাপসুল বিলি করতে সক্ষম হয়েছিল। পুলিশ আরও জানতে পেরেছে যে, এই চক্রান্তকে আরও বড় আকার দিতে ফাইয়াজ ইতিমধ্যে বাজার থেকে আরও ৩০ হাজার খালি ক্যাপসুল এবং ৫০ কেজি ফসফরাস কেনার জন্য অগ্রিম অর্ডার দিয়ে রেখেছিল।

মুম্বাইয়ের বাইকুল্লা থানা পুলিশ আরও জানিয়েছে, ওই দিন তাজিয়া মিছিলে অংশ নেওয়া তিন নারী স্বেচ্ছাসেবকের তৎপরতার কারণেই মূলত এই ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ওই তিন নারীর একজন প্রথমে ফাইয়াজকে সন্দেহজনকভাবে ওষুধ বিতরণ করতে দেখেন এবং দ্রুত তাকে বাধা দিয়ে স্থানীয় পুলিশকে খবর দেন। একই সঙ্গে তারা মুহূর্তের মধ্যে লাউডস্পিকারে মাইকিং করে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া হাজার হাজার মানুষকে ওই বিতরণ করা ক্যাপসুল না খাওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধী ফাইয়াজ প্রেমজি স্বীকার করে বলেন, ‘আমি অন্তত ১৫ হাজার মানুষকে হত্যা করতে চেয়েছিলাম।’ এই চক্রান্তের কারণে তার বিরুদ্ধে বাইকুল্লা থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১২৩ ধারায় একটি নিয়মিত ফৌজদারি মামলা রুজু করা হয়েছে, যা বিষ বা অনুরূপ উপায়ে মানুষের ক্ষতি করার অপরাধে শাস্তিযোগ্য। আটক এই মূল পরিকল্পনাকারীর পেছনে কোনো নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠনের প্রত্যক্ষ যোগসাজশ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, জিঙ্ক ফসফাইড মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক ও মারাত্মক একটি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ। এটি কোনোভাবে মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে তা পাকস্থলীর অ্যাসিডের সঙ্গে তীব্র বিক্রিয়া ঘটিয়ে ফসফিন নামক এক ধরনের অত্যন্ত প্রাণঘাতী বিষাক্ত গ্যাস উৎপন্ন করে। এই ক্ষতিকর গ্যাসটি সরাসরি মানুষের হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, যকৃত, কিডনি এবং মস্তিষ্ককে চিরতরে বিকল বা ক্ষতিগ্রস্ত করে তোলে। এই বিষের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো এর সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে কেবল লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসার মাধ্যমেই বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ু স্থিতিস্থাপক সমাজ গড়তে নারীর ক্ষমতায়ন অপরিহার্য : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


জলবায়ু স্থিতিস্থাপক সমাজ গড়তে নারীর ক্ষমতায়ন অপরিহার্য : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় নারীর ক্ষমতায়ন শুধু একটি উন্নয়নমূলক এজেন্ডা নয়, বরং এটি এখন জাতীয় অস্তিত্বের প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশে নারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই, নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করা ছাড়া টেকসই অভিযোজন সম্ভব নয়। আজ রবিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আলোকি মিলনায়তনে ইমপাওয়ার উইমেন ফর ক্লাইমেট রেজিলেন্ট সোসাইটিস (ফেজ টু) প্রকল্পের আয়োজনে অনুষ্ঠিত 'জাতীয় অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি ও সম্প্রসারণ কর্মশালা' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন। সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার নারীর ক্ষমতায়নে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমে নারীদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ইমপাওয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে যে সফল অভিজ্ঞতা তৈরি হয়েছে, তা সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার এখনই সময়। মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততা বাড়ানো এবং খরার মতো দুর্যোগে গ্রামীণ নারীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হন। তাদের জীবনমান উন্নয়নে এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। ইমপাওয়ার প্রকল্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, এই প্রকল্পের অধীনে প্রশিক্ষিত নারীরা ইতোমধ্যে নিজেদের জীবনমানের পরিবর্তন এনেছেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু-স্থিতিস্থাপক কৃষি ও জীবিকা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মন্ত্রী বলেন, এই সাফল্যকে আরও বৃহত্তর পরিসরে নিয়ে যাওয়া এখন সময়ের দাবি। জাহিদ হোসেন জোর দিয়ে বলেন, জাতীয় নীতি প্রণয়ন থেকে শুরু করে তৃণমূল বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে নারীর কণ্ঠস্বর নিশ্চিত করতে হবে। জলবায়ু পরিকল্পনায় জেন্ডার-সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি অন্তর্ভুক্ত করা এখন আর ঐচ্ছিক নয়, এটি বাধ্যতামূলক। তিনি বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্পগুলোর সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে কাজ করতে প্রস্তুত। সরকার চায় দেশের প্রতিটি নারী জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম হোক এবং পরিবার ও সমাজকে রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখুক। অনুষ্ঠানে প্রকল্পের বিভিন্ন জেলায় বাস্তবায়িত কার্যক্রমের সাফল্য এবং শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা আলোচনায় উঠে আসা সফল মডেলগুলো দেশের অন্যান্য অঞ্চলে সম্প্রসারণের সুপারিশ করেন। কর্মশালায় ইউ এন ওমেন বাংলাদেশের রিপ্রেজেন্টেটিভ গীতাঞ্জলি শিং, সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন অংশীদার, জাতিসংঘ সংস্থার প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, গবেষক এবং কুড়িগ্রাম, জামালপুর, খুলনা, সাতক্ষীরা, কক্সবাজার জেলার প্রায় শতাধিক তৃণমূল পর্যায়ের নারী উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করেছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%