বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৪ পি.এম
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ১০-৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানির ক্ষেত্রে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার এবং ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে আমদানির সুযোগ সম্পর্কিত একটি স্পষ্টীকরণ জারি করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্ববর্তী দুটি আদেশে যে ১০-৩০ কাউন্টের কটন সুতা উল্লেখ করা হয়েছিল, তা ১০-৩০ সিঙ্গেল কাউন্টের কটন সুতা নির্দেশ করে।
এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (কাস্টমস: রপ্তানি ও বন্ড) কাজী রায়হানুজ্জামান স্বাক্ষরিত আদেশে জানানো হয়েছে, স্থানীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষা এবং প্রকৃত রপ্তানিকারকদের কাঁচামাল প্রাপ্তি সহজতর করার উদ্দেশ্যে গত ৭ সেপ্টেম্বর ১০-৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার করা হয়। একইসাথে, ওয়্যারহাউজ লাইসেন্সধারী প্রকৃত রপ্তানিকারকদের ব্যাংক গ্যারান্টি দাখিলের মাধ্যমে আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়। পরে ৮ অক্টোবর ওই আদেশ সংশোধন করা হয়।
আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, টেক্সটাইল শিল্পের বিদ্যমান সমস্যা পর্যালোচনা ও সমাধানের জন্য গঠিত আন্তমন্ত্রণালয় কমিটির প্রথম সভার সিদ্ধান্তের আলোকে এই পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হয়েছে।
কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ২৬৬ ধারার অধীনে জারি করা এই আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মানসিক স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন ও গবেষণা কার্যক্রমের জন্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের বরাদ্দ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি গবেষণা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দক্ষ জনবল তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন, যাতে মানসিক রোগের ক্রমবর্ধমান প্রকোপ মোকাবিলা করা যায়।
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতও উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাবনা মানসিক হাসপাতালকে বিনোদনের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করতে না দেওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, এ বিষয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, মানসিক রোগীদের চিকিৎসা, পরিচর্যা এবং পুনর্বাসনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে হাসপাতালটিকে যথাযথ চিকিৎসাসেবার উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্ত্রী চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়েও মন্তব্য করেন। তিনি জানান, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৫০০ জন চিকিৎসক যোগদান করেছেন এবং তাদের প্রশিক্ষণের জন্য চীন, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি দেশে উন্নত রোবোটিক সার্জারির ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় গবেষণাকে ব্যয় নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখতে হবে। এ খাতে জাতীয় পর্যায়ে বৃহৎ পরিসরে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে জেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে। আধুনিক প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে জেলা হাসপাতালগুলোতে নিরাপদ কাউন্সেলিং সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে মানুষ ঘরে বসেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, মানসিক স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়াতে চিকিৎসকদের পাশাপাশি অন্যান্য পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়নও জরুরি। এ লক্ষ্যে তাঁদের জন্য স্বল্পমেয়াদি সার্টিফিকেট কোর্স চালুর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফুন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বাংলাদেশ শিশু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. একেএম আজিজুল হক এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ কার্যালয়ের হেলথ ইমারজেন্সি বিভাগের প্রধান অ্যান্টনি এশফেনি উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগে নারী, শিশু, প্রবীণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য পৃথক তথ্য সংগ্রহ এবং কার্যকর আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
তিনি উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমুখী স্বাস্থ্যঝুঁকির মোকাবিলায় একক কোনো মন্ত্রণালয় বা সরকারি ব্যবস্থার ওপর নির্ভর না করে সমন্বিত কর্মপন্থা এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
আজ রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে নলেজ হাব ইনস্টিটিউটের আয়োজনে ‘জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশে স্থিতিস্থাপকতা’ শীর্ষক নীতি সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় বাজেট বৃদ্ধি করার পাশাপাশি কর্মপদ্ধতিতে নতুনত্ব আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে আবহাওয়া অধিদপ্তর, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর), জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান (নিপসম) এবং স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করে তথ্য-প্রমাণভিত্তিক গবেষণা এবং নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি চিহ্নিত করা এবং তা মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে।
ড. মুহিত বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগে সব জনগোষ্ঠী সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। বিশেষ করে নারী, শিশু, প্রবীণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্মুখীন হন। তাই এসব জনগণের ঝুঁকি ও প্রয়োজন আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে পৃথকীকৃত তথ্য সংগ্রহ এবং কার্যকর আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের স্বাস্থ্যগত প্রভাব মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। গবেষণালব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
নলেজ হাব ইনস্টিটিউটের সভাপতি ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমুখী প্রভাব এবং বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে নিপসমের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানা, আন্তর্জাতিক জলবায়ু ও জ্বালানি যোগাযোগ সংস্থা গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশনস কাউন্সিলের বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড ফারাহ আনজুম এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের যুগ্মসচিব ইয়াসমিন আক্তার বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ ‘করব সমবায়, গড়ব দেশ —সবার জন্য বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিপাদ্য নিয়ে কার্যকর সমবায় সমিতির সদস্যদের জন্য একটি দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি বৃহস্পতিবার সদর উপজেলা সমবায় কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাবলু সূত্রধর।
এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মাহবুবুল হক। বক্তব্য রাখেন জেলা সমবায় কর্মকর্তা (অ.দা.) এনামুল হক, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাজমুল হাসান শাওন, জেলা সমবায় কার্যালয়ের প্রশিক্ষক মোহা. নুরুজ্জামান এবং সহকারী প্রশিক্ষক মো. রোকনুজ্জামান।
দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে ১৩টি সমবায় সমিতির মোট ২৫ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তুতে সমবায় সমিতির কার্যক্রম পরিচালনা, সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য এবং সমবায়ের মাধ্যমে আর্থসামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, যিনি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক, এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার চট্টগ্রাম ও কর্ণফুলী ইপিজেড পরিদর্শন করেছেন। এর আগে তারা বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন সম্পন্ন করেন।
আজ একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বেপজা জানায়, চট্টগ্রাম ইপিজেড পরিদর্শনের সময় বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আব্দুল্লাহ আল মামুন, নির্বাহী পরিচালক (নিরাপত্তা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোহসীন হাসান এবং চট্টগ্রাম ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম বেপজার কার্যক্রম, বিনিয়োগ, রপ্তানি, কর্মসংস্থান, অবকাঠামোগত সুবিধা, শ্রমিক কল্যাণ ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন সম্পর্কে তাদের বিস্তারিত অবহিত করেন।
বাংলাদেশে ইপিজেড প্রতিষ্ঠার সূচনায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক অবদানের কথা উল্লেখ করে চট্টগ্রাম ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকারের বিনিয়োগবান্ধব নীতি, শিল্পায়নের প্রসার ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা বেপজার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করছে। বেপজা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানি বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শ্রমিক কল্যাণ এবং শান্তিপূর্ণ শিল্প পরিবেশ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
এ সময় তিনি ইপিজেডের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসা পরিচালনায় বিনিয়োগকারীদের সম্মুখীন হওয়া কিছু কাস্টমস-সংক্রান্ত বিষয় ও নীতিগত চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। বিশেষ করে বন্ডেড শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ওপর অগ্রিম আয়কর আরোপ এবং নির্দিষ্ট ধরনের সুতার ওপর আমদানি শুল্কের প্রভাব সম্পর্কে তিনি প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন। এসব বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরে তিনি শিল্পকারখানার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সুরক্ষার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা এবং প্রস্তাবিত ইপিজেড কাস্টমস বিধিমালা দ্রুত চূড়ান্তকরণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
কর্ণফুলী ইপিজেড পরিদর্শনের সময় নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আহমেদ সিদ্দিক উল্লেখ করেন, এ বছরই কর্ণফুলী ইপিজেড প্রতিষ্ঠার দুই দশক পূর্ণ হয়েছে। ২০০৬ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে পরিত্যক্ত চট্টগ্রাম স্টিল মিলসকে কর্ণফুলী ইপিজেডে রূপান্তরের সিদ্ধান্তটি যে সুদূরপ্রসারী ছিল, গত দুই দশকে কর্ণফুলী ইপিজেডের অগ্রগতি তারই প্রমাণ বহন করে।
প্রতিনিধি দলটি চট্টগ্রাম ইপিজেডে অবস্থিত মেসার্স প্যাসিফিক জিন্স লিমিটেড ও মেসার্স তালিসমান পারফরমেন্স লিমিটেড এবং কর্ণফুলী ইপিজেডে অবস্থিত কেনপার্ক বাংলাদেশ অ্যাপারেলস ও পার্ক বাংলাদেশ শিল্পকারখানা পরিদর্শন করেন। তারা প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম, আধুনিক উৎপাদনব্যবস্থা, কর্মপরিবেশ এবং শ্রমিকদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধি দল বেপজার আওতাধীন শিল্পাঞ্চলসমূহের পরিকল্পিত ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা, রপ্তানিমুখী উৎপাদন কার্যক্রম এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করেন। দেশের রপ্তানি বৃদ্ধি, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পরিকল্পিত শিল্পায়নে বেপজার গুরুত্বপূর্ণ অবদানেরও প্রশংসা করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক-১ নুরজাহান খানম এবং পরিচালক-১ জনাব ফাহমিদ ফারহান এবং চট্টগ্রাম ও কর্ণফুলী ইপিজেডের ঊর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ