মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৪ পি.এম
বরিশাল, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’ এ প্রতিপাদ্যে সারাদেশের ন্যায় বরিশালেও আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আয়োজনে সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বরিশাল সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সালমা পারভীন সভাপতিত্ব করেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, সাক্ষরতা মানে শুধু নিজের নামের স্বাক্ষর করতে পারা নয়, বরং সঠিকভাবে লিখতে, পড়তে ও গণনা করতে পারার সক্ষমতা অর্জন করাকে বুঝায়। শুধু শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা বাড়ালেই হবে না, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। মানসম্মত শিক্ষা ছাড়া একটি দক্ষ, সচেতন ও উন্নত জাতি গঠন করা সম্ভব নয়। তাই শিক্ষার মূল লক্ষ্য হতে হবে, জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা ও দায়িত্ববোধে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলা।
তিনি বলেন, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার মূল বিষয়টি সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ থেকে কেউ বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। কর্মমুখী ও জীবনমুখী শিক্ষার মাধ্যমে মানুষকে স্বাবলম্বী করে তুলতে পারলেই উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার প্রকৃত সুফল পাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে ঝরে পড়া শিশু, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী ও শিক্ষার সুযোগ থেকে পিছিয়ে থাকা মানুষদের শিক্ষার আওতায় আনতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মানুষকে জীবনের উন্নতি, দক্ষতা অর্জন, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য, পরিবার, সামাজিক সচেতনতা ও আত্মনির্ভরতার বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে পারলেই উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার প্রকৃত সার্থকতা ফুটে উঠবে। বিশেষ করে প্রাপ্তবয়স্ক ও ঝরে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনভিত্তিক শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
বিশ্বাসের হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাবিনা আক্তারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, বরিশাল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আ. জব্বার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শাহজাদী আক্তার ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালক মো, গোলাম মোস্তফা সারোয়ার হোসেন।
এসময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতারণার মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এইচএম এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক।
মঙ্গলবার গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে তিনি মুক্তি লাভ করেন।
উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার ফলে বিদিশা সিদ্দিকের মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা ছিল না, এ তথ্য গণমাধ্যমকে তার আইনজীবী আগেই নিশ্চিত করেছেন।
গত ৬ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মো. খায়রুল আলম এবং বিচারপতি মো. রাফিজুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বিদিশা সিদ্দিকের জামিনের আদেশ প্রদান করে। এই আদেশের অনুলিপি কারাগারে পৌঁছানোর পর এবং জামিনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি মুক্তি পান।
কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র জেল সুপার নজরুল ইসলাম তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, জামিনের সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর তা যাচাই-বাছাই করে বিকেল ৫টা ১২ মিনিটে বিদিশা সিদ্দিককে মুক্তি দেওয়া হয়।
রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের হওয়া একটি প্রতারণা মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডের কারণে বিদিশার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। এই সাজা পরোয়ানা থাকার কারণে ২৫ আগস্ট তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর পরদিন আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
২০০৮ সালের একটি প্রতারণা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় চলতি বছরের ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলমের আদালত বিদিশাকে সাজা প্রদান করেন। রায়ে তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে জরিমানার অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশও আদালত দিয়েছিলেন। এই রায়ের পর উচ্চ আদালতে আপিল ও জামিন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অবশেষে মুক্তি পেলেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার আল আমিন নগর এবং সৈয়দপুর এলাকায় বাজার অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হৃদয় রঞ্জন বণিকের নেতৃত্বে এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।
অভিযানের সময় আল আমিন নগর এলাকায় “বউ জামাই সুইটস এন্ড চানাচুর” নামের একটি খাদ্য পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে মোড়কজাতকরণ বিধি লঙ্ঘন, অবাধে পোষা প্রাণীর বিচরণ, কর্মীদের অব্যবস্থাপনায় খালি পায়ে পণ্য প্রস্তুতকরণ, পণ্য প্যাকেটজাতকরণে অনুমোদনহীন রঙ ব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ পক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদনের প্রমাণ পাওয়া যায়। যা ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। এই কারণে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটিকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।
এছাড়া, তিনি জানান, অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদনহীন রঙ তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে গুড ম্যানুফ্যাকচারিং নীতি অনুসরণ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সৈয়দপুর এলাকায় অবস্থিত “লাইফ এগ্রো ফুড” নামের একটি প্রতিষ্ঠানকেও মোয়কজাতকরণ বিধি লঙ্ঘনের কারণে ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে সহযোগিতা করেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের বাজার পরিদর্শক শরীফুল ইসলাম এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা আনসার কমান্ড্যান্টের একটি চৌকস টিম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বহুল আলোচিত ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ সংশোধিত আকারে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির চতুর্থ বৈঠকে বিলটি সার্বিক পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক এ সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ গ্রহণ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন।
কমিটির বৈঠকে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি সংক্রান্ত বিষয়ে দীর্ঘ ও বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে সংশোধিত খসড়া বিলটি সংসদে উপস্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠকে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সার্বিক কার্যক্রম, পেশাদারিত্ব এবং দক্ষ জনবল ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত সরঞ্জামের সর্বত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ নিয়ে নীতিগত আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বলা হয়, অতীতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-সহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে অপব্যবহার করা হয়েছে। তবে কোনো বিশেষ বাহিনীর অতীতের অপব্যবহার বা ব্যক্তিস্বার্থের কারণে পুরো সংস্থাকে একবারে বিলুপ্ত না করে, বাহিনীটিতে কর্মরত দক্ষ জনবল এবং কোটি কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোগত সরঞ্জামকে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় সমন্বয় করে সঠিক ও নিয়মমত কাজে লাগানোর ওপর জোর তাগিদ দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের আধুনিক প্রশিক্ষণ ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাঁদের কার্যক্রমে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, মানবাধিকার রক্ষা ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় রূপরেখা ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
এছাড়া বৈঠকে বিরোধী দলের সাম্প্রতিক ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ কর্মসূচি চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষ সহায়তা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।
বৈঠকে সংসদীয় কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, মো. কামরুজ্জামান, মো. মনোয়ার হোসেন, শিরীন সুলতানা, মো. নূরুল ইসলাম এবং মো. আব্দুল বাতেন অংশগ্রহণ করেন।
অন্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও অধিদপ্তরের প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশব্যাপী জাতীয় নৃত্য প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েই সেরা দশে স্থান করে নিয়ে চমক দেখিয়েছে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা বেগম ছালেহা সাংস্কৃতিক একাডেমি।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ভবনে ‘নৃত্যময়’ আয়োজিত দিনব্যাপী নৃত্য উৎসব ও প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের নৃত্যদল অংশ নেয়।
চূড়ান্ত পর্বে ‘ক’ শাখার দলীয় লোকনৃত্যে অংশ নিয়ে বিশেষ কৃতিত্ব দেখায় বেগম ছালেহা সাংস্কৃতিক একাডেমি। একাডেমির চার ক্ষুদে নৃত্যশিল্পী প্রজ্ঞা পারমিতা বিশ্বাস, বন্দনা বিশ্বাস, অংকিতা বিশ্বাস ও রাখী কুন্ডুর মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা বিচারকদের প্রশংসা কুড়ায় এবং একাডেমিকে সেরা দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় স্থান এনে দেয়।
একাডেমির কোরিওগ্রাফার পিকুল সরকার বলেন, ক্ষুদে শিল্পীদের কঠোর পরিশ্রমই আজকের এই সাফল্য এনে দিয়েছে। প্রথমবার জাতীয় মঞ্চে এমন পারফরম্যান্স আমাদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা।
বেগম ছালেহা সাংস্কৃতিক একাডেমির রেক্টর প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, প্রত্যন্ত অজপাড়াগাঁ থেকে জাতীয় পর্যায়ের এমন বড় মঞ্চে গিয়ে স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ, গর্ব ও আশীর্বাদের বিষয়। এ অর্জন আলফাডাঙ্গার সংস্কৃতিচর্চাকে আরও বহুদূর এগিয়ে নেবে। সঠিক পরিচর্যা ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আমাদের ক্ষুদে প্রতিভারা আগামী দিনে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সুনাম অর্জন করবে বলে আমরা আশাবাদী।
গ্রামের ক্ষুদে প্রতিভাদের এমন সাফল্যে স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমী ও বিশিষ্টজনেরা অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা বলেন, যথাযথ প্রশিক্ষণ, পরিচর্যা ও সুযোগ পেলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুরাও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারে। বেগম ছালেহা সাংস্কৃতিক একাডেমির এই সাফল্য আলফাডাঙ্গার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ