ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্যামিলি কার্ড সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার : সমাজকল্যাণমন্ত্রী


ফ্যামিলি কার্ড সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার :  সমাজকল্যাণমন্ত্রী

খুলনা, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন উল্লেখ করেছেন যে, ফ্যামিলি কার্ড সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার।

মন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ড প্রদান কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচি উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠ পর্যায়েও বাস্তবায়িত হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সুপারভিশন এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আজ সকালে সচিবালয়ের নিজ দপ্তর থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে খুলনা সিএসএস আভা সেন্টারে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন কার্যক্রম অবহিতকরণ শীর্ষক খুলনা বিভাগীয় সেমিনারের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন আরও বলেন, জনবল বৃদ্ধি, যন্ত্রপাতি বাড়ানো এবং পদোন্নতির বিষয়ে কাজ চলছে। কিছু বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে, তবে আরও অনেক কিছু দৃশ্যমান হতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং হঠাৎ ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অনাকাঙ্কিত ঘটনার বিষয়ে দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য সবাইকে আরও সচেতন ও উদ্যোগী হতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, মানুষ যত আধুনিক ও উন্নত হচ্ছে, সমাজে তত ধরনের বিভিন্ন সমস্যা ও বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সমাজকল্যাণের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

এছাড়া, স্বাভাবিক জনগণের পাশাপাশি প্রতিবন্ধী এবং পিছিয়ে পড়া জনগণের জন্যও কাজ করার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি জানান।

আরও পড়ুন: ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দারিদ্র্য নিরসন ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত

সেমিনারে খুলনা সিএসএস আভা সেন্টারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ।

বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক অনিন্দিতা রায়ের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রতিষ্ঠান) মোহা. কামরুজ্জামান।

এতে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার সমাজসেবা দপ্তরের উপ-পরিচালক, সহকারী পরিচালক, জেলা সমাজসেবা অফিসার, উপজেলা সমাজসেবা অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: কমলনগরে নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ শিকারের দায়ে চারজনকে কারাদণ্ড ও জরিমানা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়া-তুরস্কের হাত মেলানো বিশ্ব মুসলিম-বান্ধব পর্যটনের বাজার দখলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


মালয়েশিয়া-তুরস্কের হাত মেলানো বিশ্ব মুসলিম-বান্ধব পর্যটনের বাজার দখলে

মালয়েশিয়া মুসলিম-বান্ধব পর্যটনে সহযোগিতা আরও গভীর করার জন্য তুর্কিয়ের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ব্যবস্থাপনা এবং ট্রানজিট ট্যুরিজমের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায়। ইসলামিক ট্যুরিজম সেন্টারের প্রধান কর্মকর্তা সম্প্রতি এই তথ্য জানিয়েছেন।

মোহাম্মদ ফয়সাল বিন আবু শুয়াইব খান, সেন্টারের মহাপরিচালক, বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে বলেন, "ঐতিহাসিক স্থানগুলোর সংরক্ষণ এবং সেগুলোর বাণিজ্যিক ব্যবহারের মাধ্যমে পর্যটন খাতকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তুর্কিয়ের অভিজ্ঞতা মালয়েশিয়ার জন্য দারুণ শিক্ষণীয় হতে পারে।"

তিনি উল্লেখ করেন, "ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ব্যবস্থাপনায় তুর্কিয়ের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। যেভাবে আপনারা ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো থেকে আয় করছেন এবং একই সাথে সেগুলোর সংস্কার, যত্ন ও ব্যবস্থাপনার তহবিল সংগ্রহ করছেন, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কারণ সংরক্ষণ প্রক্রিয়া বেশ ব্যয়বহুল।"

ফয়সাল আরও বলেন, "যেভাবে আপনারা ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং একই সঙ্গে নির্দিষ্ট কিছু নিদর্শন সংরক্ষণ করে সেগুলোকে চমৎকার পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করছেন, তা থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি।"

দুই দেশই বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান মুসলিম পর্যটন বাজারকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের বিশাল পর্যটন শিল্পকে সম্প্রসারিত করতে চায়। তুর্কিয়ের পরিসংখ্যান প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশটি পর্যটন খাত থেকে ৬,৫২৩ কোটি ডলার আয় করেছে, যা আগের বছরের চেয়ে ৬.৮ শতাংশ বেশি।

২০২৫ সালে দেশটির জাদুঘর এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোতে প্রায় ৬ কোটি ৫৯ লাখ দর্শনার্থীর আগমন ঘটেছে, যা বছরভিত্তিক হিসাবে ৬.৮ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। অন্যদিকে, ট্যুরিজম মালয়েশিয়ার তথ্যানুসারে, ২০২৫ সালে মালয়েশিয়া ৪ কোটি ২২ লাখ আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীকে স্বাগত জানিয়েছে, যা আগের বছরের ৩ কোটি ৮০ লাখের চেয়ে বেশি।

'ভিজিট মালয়েশিয়া ২০২৬' ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশটি এই খাতকে আরও গতিশীল করার পরিকল্পনা করছে।

তুর্কিয়ের ‘ট্রানজিট ট্যুরিজম’ মডেল

ফয়সাল ইস্তাম্বুল হয়ে ভ্রমণের নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে জানান, তুর্কিয়ের এই বিশেষ পর্যটন পদ্ধতিটি মালয়েশিয়াও গ্রহণ করতে পারে। রাশিয়ার কাজান যাওয়ার পথে ইস্তাম্বুলে প্রায় আট ঘণ্টার যাত্রাবিরতিকালে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে তাঁকে এবং তাঁর এক সহকর্মীকে ইস্তাম্বুল শহর ঘুরে দেখার একটি বিশেষ ট্যুর প্রস্তাব করা হয়।

তিনি বলেন, "তারা আমাদের বিমানবন্দর থেকে শহরে নিয়ে যায়, এরপর বসফরাস প্রণালী বরাবর ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো দেখানোর জন্য একটি ক্রুজ ভ্রমণের ব্যবস্থা করে। যেখানে গোল্ডেন হর্নসহ প্রতিটি ঐতিহাসিক ভবনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরা হয়।"

যাত্রীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছিল ওই প্রোগ্রামে। তিনি বলেন, "এটি দারুণ একটি উদ্যোগ ছিল। ছোট কিন্তু সুন্দর এই সৌজন্যমূলক উপহারটি আমাদের মনে আবারও সেখানে ফিরে আসার ইচ্ছা জাগিয়ে তোলে।"

"তারা ট্যুরটি এমনভাবে সাজিয়েছিল যা ছিল আমাদের জন্য একটি চমৎকার ‘টিজার’ বা আগাম ঝলকের মতো, যাতে আমরা পরবর্তীতে আবার ইস্তাম্বুলে আসি, দীর্ঘ সময় থাকি এবং শহরটিকে উপভোগ করি।"

ফয়সাল জানান, তিনি চান কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দীর্ঘ ট্রানজিটে থাকা যাত্রীদের জন্য মালয়েশিয়াও একই ধরনের মডেল তৈরি করুক।

ইস্তাম্বুলের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে তিনি বলেন, "আমি চাই, কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১ ও ২ নম্বর টার্মিনাল ব্যবহারকারী ট্রানজিট পর্যটকদের জন্য আমরাও একই ব্যবস্থা করি। যাতে আমরা তাঁদের কুয়ালালামপুর শহর ঘুরিয়ে দেখাতে পারি এবং ভবিষ্যতে তারা যেন আবারও ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন। তুর্কিয়ের কাছ থেকে শেখার মতো এটি খুবই আকর্ষণীয় একটি বিষয়।"

সহযোগিতা হতে পারে দ্বিপাক্ষিক

ফয়সাল জোর দিয়ে বলেন, এই সহযোগিতা কেবল মালয়েশিয়ার শেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং কাঠামোগতভাবে মুসলিম-বান্ধব পর্যটন মান নির্ধারণের ক্ষেত্রে কুয়ালালামপুরের যে অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাও তারা বিনিময় করতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, "আমরা সেখান থেকে যেমন শিখতে পারি, তেমনি আমাদের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নিতে পারি। এটি দুই তরফেই দ্বিপাক্ষিকভাবে হতে পারে।"

মালয়েশিয়ার পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত 'ইসলামিক ট্যুরিজম সেন্টার' মূলত মুসলিম-বান্ধব পর্যটন ও আতিথেয়তার জন্য মান নির্ধারণ, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ করে থাকে। ফয়সাল বলেন, "আমাদের মূল মনোযোগ মুসলিম-বান্ধব পর্যটন ও আতিথেয়তার ওপর। আমরা মান নির্ধারণের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও গবেষণার কাজ করি।"

সংস্থাটির অন্যতম প্রধান উদ্যোগ হলো 'মুসলিম-ফ্রেন্ডলি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি অ্যাসুরেন্স অ্যান্ডরিকগনিশন', যা মুসলিম পর্যটকদের প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদানকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বীকৃত দিয়ে থাকে। মালয়েশিয়ায় বর্তমানে ৫০০টিরও বেশি ব্যবসা ও সেবা প্রতিষ্ঠান 'মুসলিম-বান্ধব' হিসেবে নিবন্ধিত, যার মধ্যে রয়েছে ৭৩টি হোটেল, ৩৯টি ট্রাভেল এজেন্সি, ১১টি স্পা সেন্টার এবং ৩৯০ জন পর্যটক গাইড।

ফয়সাল মনে করেন, মালয়েশিয়ার এই মানদণ্ড সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা তুর্কিয়ের সুপ্রতিষ্ঠিত পর্যটন অবকাঠামোকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারে। তিনি বলেন, "আমাদের একটি স্বীকৃত মুসলিম-বান্ধব সনদ রয়েছে। এর ফলে তুর্কিয়ে সফরকারী পর্যটকেরা সহজেই নিশ্চিত হতে পারবেন যে তাঁরা কোনো বিশ্বস্ত ও মুসলিম-বান্ধব হোটেলে অবস্থান করছেন।"

তুর্কিয়েতে এমনিতেই সমৃদ্ধ ইসলামী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, হালাল খাবার, মসজিদ এবং মুসলিম পর্যটকদের উপযোগী সুবিধার দরুন একটি বিশাল মুসলিম-বান্ধব পর্যটন বাজার রয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, "তুর্কিয়ের রয়েছে সমৃদ্ধ মুসলিম ও ইসলামিক ইতিহাস। ফলে তাদের জন্য এই কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়া এবং একই সঙ্গে মুসলিম-বান্ধব বাজারটিতে সহজে প্রবেশ করা খুবই সহজ হবে।"

মুসলিম বিশ্বের বাইরেও সুযোগ সম্প্রসারণ

সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মালয়েশিয়া ৯৭ লাখ মুসলিম দর্শনার্থীকে স্বাগত জানিয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ১ কোটি ৫২ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার এই স্বীকৃতি কাঠামোটি আন্তর্জাতিকভাবেও বিস্তৃত হচ্ছে। রাশিয়া, তাইওয়ান, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ব্রাজিলের মতো বাজারগুলোতে এই সংক্রান্ত সহযোগিতা বাড়াচ্ছে সেন্টারটি।

ফয়সাল জানান, অ-মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে এই মানদণ্ড বিশেষভাবে কার্যকর হতে পারে, কারণ সেখানে ভ্রমণকারীদের জন্য উপযুক্ত হোটেল, রেস্তোরাঁ ও সেবা খুঁজে পাওয়া তুলনামূলক কঠিন হয়। তিনি বলেন, "অ-মুসলিম দেশগুলোর ক্ষেত্রে আমরা স্থানীয় হালাল সনদ প্রদানকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করি। তারা বর্তমানে হালাল খাবারের সনদ দেয়, আমরা তার সঙ্গে 'মুসলিম-বান্ধব নিশ্চয়তা স্বীকৃতি' পণ্যটি যুক্ত করি। এর ফলে তারা হালাল রেস্তোরাঁর পাশাপাশি নানা ধরণের হোটেলের সুযোগও দিতে পারে। একটি মাত্র সেবার বদলে হোটেলগুলোর জন্য তারা মুসলিম-বান্ধব নিশ্চয়তা যুক্ত করতে পারছে।"

"যেসব পর্যটক এই অ-মুসলিম দেশগুলোতে যাবেন, তাঁরা স্বস্তিতে থাকতে পারবেন কারণ তারা নির্দিষ্ট কিছু নির্ভরযোগ্য সেবা পাচ্ছেন। আমরা তাঁদের চাহিদামতো সুবিধা নিশ্চিত করি," যোগ করেন ফয়সাল।

ফয়সাল বিশ্বাস করেন, তুর্কিয়ে ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ভ্রমণকারীদের দুটি দেশকেই একসঙ্গে ঘুরে দেখার ব্যাপারে উৎসাহিত করবে। তিনি বলেন, "এটি দ্বি-মুখী হতে পারে। ভ্রমণকারীরা তুর্কিয়ে ঘুরে তারপর মালয়েশিয়া আসতে পারেন, অথবা মালয়েশিয়া থেকে কোনো তৃতীয় দেশে যাওয়ার পথে তুর্কিয়েতে কিছুদিন অবস্থান করতে পারেন।"

"আমাদের লক্ষ্য একটাই, আর বাজারও একই। তাই নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতায় না নেমে আমরা একসাথে বেড়ে উঠতে পারি," বলেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেকারত্বের কারণে চাঁদাবাজি-মাদকাসক্তি ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


বেকারত্বের কারণে চাঁদাবাজি-মাদকাসক্তি ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম মন্তব্য করেছেন যে, দেশের কর্মসংস্থান ও বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত বর্তমানে একটি ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি। এই সংকটের কারণে কোটি কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরও তা বাস্তবায়ন করতে সরকারের অক্ষমতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বেকারত্বের বৃদ্ধি চাঁদাবাজি, মাদকাসক্তি এবং কিশোর গ্যাংয়ের মতো মারাত্মক অপরাধের দিকে মানুষকে ঠেলে দিচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের জন্য বৈশ্বিক পরিস্থিতির পাশাপাশি সরকারের অব্যবস্থাপনা এবং অদক্ষতা কোন অংশে কম দায়ী নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এই বক্তব্যগুলো ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নেত্রকোণা জেলা শাখার পুর্ণঙ্গি কমিটি গঠন ও শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাওলানা আলমগীর হোসাইন তালুকদার।

পরে প্রধান অতিথি ২৯ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেন এবং নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম আরও বলেন, আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন এবং গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দায়িত্বশীলদেরকে দেশ পরিচালনার জন্য যোগ্য ও দক্ষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। তিনি বলেন, লক্ষ্য অর্জনের জন্য তৃণমূলে সংগঠনের কাজের গতি বাড়াতে হবে এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সমস্যার সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বারিধারায় গাড়িচাপায় বাকপ্রতিবন্ধীর মৃত্যুর ঘটনায় কিশোরের জামিন নামঞ্জুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


বারিধারায় গাড়িচাপায় বাকপ্রতিবন্ধীর মৃত্যুর ঘটনায় কিশোরের জামিন নামঞ্জুর

রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে বসে থাকা বাকপ্রতিবন্ধী নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান গাড়িচাপায় নিহত হওয়ার ঘটনায় গাড়ি চালকের আসনে থাকা ১৭ বছর বয়সী কিশোরের জামিন আদালত নামঞ্জুর করেছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) ঢাকার শিশু আদালত-৮ এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদির শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

এদিন আইনজীবী আলমগীর হোসেন জামিনের জন্য অধিকতর শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন মামুন জামিনের বিরোধিতা করেন।

শুনানি শেষে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে মন্তব্য করেন, ‘এ ঘটনায় সে দ্রুততম সময়ে বের হয়ে গেলে সমাজের জন্য নেগেটিভ ম্যাসেজ যাবে।’

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ওই কিশোরকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার এসআই আরেফীন ইসলাম কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখার আবেদন করেন।

ওইদিন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়। ২৭ সেপ্টেম্বর আইনজীবী আলমগীর হোসেন তার জামিনের জন্য আবেদন করেন। ওইদিন আংশিক শুনানি শেষে অধিকতর শুনানির জন্য ৪ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়।

গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টার দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফুটপাতে বিশ্রাম নেওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার মেহেদীকে চাপা দেয়। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন গাড়ির চালকের আসনে থাকা ওই কিশোরকে আটক করে পুলিশে দেয়। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই রাতেই তাকে চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। মেহেদী হাসান নিহতের ঘটনায় তার ভাই মোক্তাদীর ইসলাম ২৩ সেপ্টেম্বর গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইআবিতে মাস্টার ট্রেইনার বাছাই ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


ইআবিতে মাস্টার ট্রেইনার বাছাই ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শুরু

ঢাকা, ৪ অক্টোবর ২০২৬ : ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইআবি) অধিভুক্ত মাদরাসার শিক্ষকদের মধ্যে দক্ষ মাস্টার ট্রেইনার নির্বাচন এবং তাঁদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের উদ্দেশ্যে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

আজ বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে ‘ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল’ (আইকিউএসি) এর আয়োজনে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবু জাফর খান।

উপাচার্য মন্তব্য করেন, মাদরাসা শিক্ষার গুণগত মান ও যুগোপযোগী উন্নয়নের জন্য দক্ষ শিক্ষকের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। দক্ষ মাস্টার ট্রেইনারদের মাধ্যমে একটি কার্যকর নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সম্ভব, যা যোগ্য শিক্ষক তৈরির প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করবে।

আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক ও উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ ছিদ্দিকী এবং ট্রেজারার শাহিনুল ইসলাম।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের মধ্যে থেকে নির্বাচিত ৩০ জন শিক্ষক মডেল ক্লাস উপস্থাপন করছেন। উপস্থাপন কৌশল ও দক্ষতার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে সনদ প্রদান করা হবে। এই মাস্টার ট্রেইনাররা পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইআবির রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এ. কে. মুহা. নুরুল ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%