ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইশরাক কেন পদত্যাগ করলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে: নাহিদ


ইশরাক কেন পদত্যাগ করলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে: নাহিদ

দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার অবনতি, ইশরাক হোসেনের আকস্মিক পদত্যাগ এবং সরকারের বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম ও কমিশন নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম তীব্র সমালোচনা ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

সোমবার দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "দেশবাসী তাকিয়ে আছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কবে পদত্যাগ করবেন। ইশরাক হোসেন কেন পদত্যাগ করলেন, তার অপরাধটি আসলে কী—তা কি নৈতিক নাকি ফৌজদারি অপরাধ—তা স্পষ্ট নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এখন পর্যন্ত নিজের এলাকা থেকেই মাদক প্রতিরোধ করতে পারেননি। অথচ এর জন্য বলি হতে হয়েছে ইশরাক হোসেনকে। তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে যথাযথ জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। ইশরাক হোসেন যদি কোনো ফৌজদারি অপরাধ করে থাকেন, তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।"

বিএনপি সরকারের পড়া সমালোচনা করে এনসিপি প্রধান বলেন, "দেশ কোনো ব্যক্তির ইচ্ছা-অনিচ্ছা, অনুরোধ বা নির্দেশনায় চলতে পারে না; এটি গণতন্ত্র বা আইনের শাসনের কোনো উদাহরণ হতে পারে না। রাষ্ট্রে প্রত্যেকে যার যার নিজ দায়িত্ব পালন করার কথা থাকলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার কাজ বাদ দিয়ে সংবিধান নিয়ে ব্যস্ত আছেন। আবার যার দায়িত্ব মাদক অভিযানে যাওয়া নয়, তিনি অস্ত্র নিয়ে মাদক অভিযানে যাচ্ছেন এবং পরবর্তীতে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।"

আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে ইয়াবা কারবারিদের ধরে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয় পুলিশ, থানার ক্যাশিয়ার নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন

"কেন তাকে সরানো হলো, সরকার তার কোনো স্পষ্ট কারণ জানায়নি। তিনি কোনো ফৌজদারি অপরাধ করলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা, কিন্তু এখন পর্যন্ত তেমন কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এতে স্পষ্ট হয় যে, দেশ এক ব্যক্তির ইচ্ছা-অনিচ্ছায় চলছে এবং দেশে প্রকৃত আইনের শাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের অভাব রয়েছে," প্রশ্ন রেখে বলেন তিনি।

জুলাই সনদ, গণভোট এবং সরকারের সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে প্রহসনের অভিযোগ তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, "দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের কথা ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার তা না করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাথে এক প্রকার প্রতারণা করেছে।" সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠনকে একটি "প্রহসন ও নাটক" এবং শহীদদের সাথে প্রতারণা বলে উল্লেখ করে এই প্রতারণার দায় সরকারপ্রধানের ওপর বর্তায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ঐকমত্য কমিশন দীর্ঘ ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে ঐক্যমতে পৌঁছেছিল উল্লেখ করে এনসিপি আরবিয়ক বলেন, "নির্বাচনের পর সেগুলো বাস্তবায়নের কথা থাকলেও বর্তমানে এই আলোচনার কোনো সুযোগ নেই। সংবিধান সংশোধন কমিটি দিয়ে সংবিধান সংশোধনের কথা ছিল না; কথা ছিল সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের। "

"বর্তমান বিএনপি সরকার সেই শপথ নেয়নি, যা প্রমাণ করে তারা কোনো বাস্তবধর্মী সংস্কার চায় না। এই কমিটি জনগণের কাছে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যাত হয়েছে এবং এর কোনো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতেও নেই। কিছু বিএনপি পন্থী সুশীল সমাজ ও পেশাজীবীদের ডেকে এনে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মেয়াদ বা অগণতান্ত্রিক বিষয়গুলো অন্যদের মুখ দিয়ে বলানোর চেষ্টা চলছে," অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগের পর স্ত্রীর রহস্যময় পোস্ট

সরকারের বিভিন্ন পদত্যাগ ও রদবদলের বিষয়ে কোনো স্বচ্ছ ধারণা বা ব্যাখ্যা নেই মন্তব্য করে নাহিদ ইসলাম আরো বলেন, "তথ্যমন্ত্রী পরিবর্তন হয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন, কিন্তু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য যিনি প্রধানত দায়ী—সেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কোনো জবাবদিহিতার আওতায় আনা হচ্ছে না। শুধু পদত্যাগ করিয়ে বা সংরক্ষিত নারী এমপিদের সরিয়ে দিয়ে মূল সমস্যা বা দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা চলছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে পুলিশ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে যথাযথ দায়িত্ব নিতে হবে।"

গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, "মাদক দেশের প্রতিটি এলাকায় ভয়াবহভাবে বিস্তার লাভ করেছে। শুধু সেবনকারীদের ধরলে চলবে না, মূল ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। সংসদের একজন জ্যেষ্ঠ নেতাসহ বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, মাদকের মূল কারবার শুরু হয় কক্সবাজার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজস্ব এলাকা থেকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের এলাকাকেই যেখানে মাদকমুক্ত করতে পারেননি, সেখানে তাকে অবশ্যই জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নাগরিক সেবা ‘মাইগভ’ প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০১ পি.এম


ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নাগরিক সেবা ‘মাইগভ’ প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন

প্রযুক্তিনির্ভর, স্বচ্ছ এবং নাগরিকবান্ধব সেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরের উদ্যোগে দেশের সকল ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নাগরিক সেবাকে ‘মাইগভ’ (MyGov) প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হয়েছে। এই উদ্যোগটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধান এবং আইসিটি বিভাগের এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রামের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হয়েছে।

প্রথাগত ব্যবস্থায় নাগরিক সেবা পেতে হলে সেবাগ্রহীতাদের ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হতে হতো। আবেদন জমা দেওয়া, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদান, ফি পরিশোধ এবং সনদ সংগ্রহসহ সবকিছুই ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হতো। সেবা গ্রহণের জন্য বারবার যাতায়াতের ফলে অতিরিক্ত অর্থ ও সময়ের অপচয় হতো এবং সেবাগ্রহীতাদের নানা ধরনের ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হতো।

এই প্রেক্ষাপটে সফল পাইলটিংয়ের পর অবশিষ্ট ১৪টি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের সেবা ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত মার্চ মাসে সংশ্লিষ্ট ১৪টি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে তিনটি সেবা বিশ্লেষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় ৬৩ ধরনের নাগরিক সেবা পর্যালোচনা করে ডিজিটালাইজেশনের জন্য ১৯টি মৌলিক সেবা চিহ্নিত করা হয়।

চিহ্নিত এসব সেবার বিপরীতে বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের জন্য ১৮৫টি অনলাইন আবেদন ফরম তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জুন ও জুলাই মাসে সাতটি অঞ্চলভিত্তিক ভ্যালিডেশন কর্মশালার মাধ্যমে অনলাইন আবেদন ফরম, সেবা ফি, সেবার কার্যপ্রবাহ এবং টেমপ্লেট যাচাই ও চূড়ান্ত করা হয়।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টুর্নামেন্ট খেলার সুযোগ নেই, তাই ভারতের সাথে পার্থক্য: সুমাইয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০১ পি.এম


টুর্নামেন্ট খেলার সুযোগ নেই, তাই ভারতের সাথে পার্থক্য: সুমাইয়া

ঢাকা, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ : আইএইচএফ নেশন্স ট্রফিতে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ কোন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি। নেপালের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বড় জয় পাওয়ার পর আজ ভারতের কাছে স্বাগতিকরা ৪৭-১৩ গোলের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে। ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশ দলের গোলরক্ষক সুমাইয়া বানু এই বড় হারের পেছনে দুই দলের টুর্নামেন্ট খেলার অভিজ্ঞতার মধ্যে বিশাল পার্থক্যের কথা উল্লেখ করেছেন।

সুমাইয়া দলের পারফরম্যান্স নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, ‘‘দক্ষিণ এশিয়ান হ্যান্ডবলে ভারত বরাবরই শক্তিশালী দল, এটা আমাদের সকলের জানা, তবে আমাদের প্রত্যাশা ছিল যে আমরা ভালো খেলব।” তিনি আরও জানান, ‘‘আমাদের কোচ বলছেন গোলের ব্যবধান যাই হোক না কেন, আমরা ভালো খেলব, এটাই হচ্ছে আমাদের প্রথম ইচ্ছা।”

ভারতের সাথে বাংলাদেশের মূল পার্থক্য কোথায়, এমন প্রশ্নের জবাবে সুমাইয়া বলেন, ‘‘তারা অনেক বেশি টুর্নামেন্ট খেলে থাকে, আমাদের দেশে এত টুর্নামেন্ট হয় না। এবং তাদের গতি অনেক বেশি, আপনারা দেখছেন... তারা সব দিক দিয়েই আমাদের থেকে এগিয়ে ছিল।” তিনি র‌্যাংকিংয়ের বিশাল পার্থক্যের কথাও তুলে ধরেন, ‘‘তারা র‌্যাংকিংয়ে আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে, তারা ১০ নাম্বার র‌্যাংকিংয়ে আছে, আমরা ৪৮ নাম্বার।”

মাঠে বারবার মিস পাস হওয়া বা বল ফসকে যাওয়ার কারণ হিসেবে মানসিক প্রস্তুতির ঘাটতি মানতে রাজি নন সুমাইয়া। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ‘‘না না একদমই না, আমাদের কোচরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মোটিভেশন দিয়ে আসছেন যে গোলের পার্থক্য কোনো বিষয় নয়, তোমাদেরকে যেটা শিখিয়েছি ম্যাচে সেটাই করার চেষ্টা করবে।”

ডিফেন্সের দুর্বলতা নিয়ে সতীর্থদের পাশে দাঁড়িয়ে এই গোলরক্ষক বলেন, ‘‘আমাদের মেয়েরা অনেক চেষ্টা করছে ডিফেন্স করার, মাঝে মাঝে সেটা অনেক ভালো হয়েছে আবার কখনও ঠিকমত হয়নি। কারণ ভারত শক্তিমত্তার দিক থেকে আমাদের তুলনায় অনেক এগিয়ে।”

এই টুর্নামেন্টের জন্য নিজেদের প্রস্তুতির কোনো ঘাটতি ছিল না জানিয়ে সুমাইয়া বলেন, "আমাদের প্রিপারেশন ভালো ছিল, তবে তারা অনেক ভালো টিম... তারা অনেক নিয়মিত অনুশীলনের উপরে থাকে।”

দীর্ঘ বিরতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, "আমাদের টুর্নামেন্ট খুবই কম হয়। আমরা ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলেছি, এসএ গেমস। তারপর ২০২৩ সালে ইসলামিক সলিডারিটি... এরপর আর কোনো সিনিয়র লেভেলে খেলা হয়নি। এখানেই তো বড় একটা পার্থক্য হয়ে গেছে।”

তবে পর্যাপ্ত সুযোগ পেলে ভালো করার আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, "তাদের সাথে আমাদের অনেক গ্যাপ, তবে আমরা যদি ধারাবাহিকভাবে খেলার সুযোগ পাই, অবশ্যই ভালো করবো ইনশাআল্লাহ।"

আগামীকাল টুর্নামেন্টে নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। এই ম্যাচ নিয়ে সুমাইয়া জানান, "কালকে মালদ্বীপের সাথে ম্যাচ, আমরা ভালো করবো, আমাদের কোচ যে নির্দেশনা দিবে সে অনুযায়ী খেলবো ইনশাআল্লাহ।"

মালদ্বীপকে হারালে ফাইনালে আবারও ভারতের মুখোমুখি হতে হবে বাংলাদেশকে। টুর্নামেন্ট জয়ের লক্ষ্যের বিষয়ে এই গোলরক্ষক বলেন, "আজকে যা হয়ে গেছে সেটা নিয়ে আর চিন্তা করবো না। কালকের ম্যাচটা নিয়ে আমরা ভাববো, যদি কালকে আমরা জিততে পারি, অবশ্যই ফাইনাল খেলবো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শোচনীয় পরাজয়ের পর জরিমানাও গুনছে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০২ পি.এম


শোচনীয় পরাজয়ের পর জরিমানাও গুনছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করেছে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের বড় পরাজয়ের মধ্য দিয়ে। সেই পরাজয়ের যন্ত্রণা কাটতে না কাটতেই এসেছে আরও একটি দুঃসংবাদ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশ দলকে জরিমানা করেছে নির্ধারিত সময়ে বোলিং শেষ করতে না পারার কারণে। ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

আইসিসি সোমবার (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই শাস্তির কথা জানায়। শনিবার (১৭ অক্টোবর) আবুধাবিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে স্লো ওভার রেটের কারণে বাংলাদেশ জরিমানার সম্মুখীন হয়।

আইসিসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এক ওভার কম করেছে। সময়ের জন্য নির্ধারিত ছাড় বিবেচনা করেও এই ঘাটতি পাওয়া যায়। এরপর আন্তর্জাতিক প্যানেলের ম্যাচ রেফারি ডেভিড গিলবার্ট জরিমানা করেন।

আইসিসির আচরণবিধির ২.২২ ধারা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে প্রতি ওভার কম করার জন্য ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়। বাংলাদেশ এক ওভার পিছিয়ে থাকায় জরিমানার পরিমাণও ৫ শতাংশ।

বাংলাদেশের অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় এই অপরাধ স্বীকার করে শাস্তি মেনে নিয়েছেন। ফলে এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি।

মাঠের দুই আম্পায়ার আলাউদ্দিন পালেকার ও ইজাতুল্লাহ সফি, তৃতীয় আম্পায়ার আহসান রাজা এবং চতুর্থ আম্পায়ার আহমেদ শাহ দুররানি অভিযোগটি আনেন।

এর আগে শনিবার আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ ৩৩.৪ ওভারে ১৭২ রানে অলআউট হয়। ফলে ৯৯ রানের বড় পরাজয়ের মধ্য দিয়ে সিরিজ শুরু করে তাওহিদ হৃদয়ের দল।

ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ বুধবার (২১ অক্টোবর), শারজায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষাকে কর্মজীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০২ পি.এম


শিক্ষাকে কর্মজীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্জিত জ্ঞানকে শিক্ষার্থীদের কর্মজীবন এবং বাস্তব জীবনের সঙ্গে আরও বেশি প্রাসঙ্গিক করার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

তিনি সোমবার কক্সবাজারের ওশান প্যারাডাইস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসে চার দিনব্যাপী ‘ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স’ (টিওটি) কার্যক্রমের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, "পড়াশোনা শেষে চাকরি, উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ কিংবা বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার ক্ষেত্রে অনেক শিক্ষার্থী তাঁদের অর্জিত শিক্ষার যথাযথ প্রয়োগ করতে পারছেন না।" তিনি উল্লেখ করেন যে, এই অবস্থার পরিবর্তনে উচ্চশিক্ষার মান বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষার সঙ্গে জীবনের সংযোগ আরও সুদৃঢ় করা আবশ্যক।

তিনি জানান, উচ্চশিক্ষা খাতের রূপান্তরে ইউজিসি একটি কৌশলগত পরিকল্পনা তৈরি করেছে এবং শিগগিরই তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এই পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়নে শিক্ষকদের মূল ভূমিকা পালন করতে হবে, তাই তাঁদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অধ্যাপক মামুন আহমেদ আরও জানান, দেশের পাঁচ হাজার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর জন্য মাস্টার ট্রেইনার ও ন্যাশনাল ট্রেইনার তৈরি করা হচ্ছে এবং পর্যায়ক্রমে তাঁদের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তিনি প্রশিক্ষণ সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মানসম্মত প্রশিক্ষণ দেশেই আয়োজন করা সম্ভব। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষক তৈরি এবং বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ইউজিসি দেশের শিক্ষকদের কার্যকর প্রশিক্ষণ দেওয়ার টেকসই সক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী অধ্যাপকদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, "উচ্চশিক্ষাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করার এই উদ্যোগে নবপ্রশিক্ষিত ন্যাশনাল ট্রেইনারদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে।"

উল্লেখ্য, ইউজিসির হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগিতায় জুনিয়র ফ্যাকাল্টি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। গত ১৬ অক্টোবর শুরু হওয়া এই প্রশিক্ষণে দেশের বিভিন্ন পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ জন অধ্যাপক অংশগ্রহণ করেন। নির্বাচিত এই ন্যাশনাল ট্রেইনারগণ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস, অ্যাডভান্স এইচইর সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট বেন ব্রাবন এবং হিট প্রকল্পের ফ্যাকাল্টি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সালাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট ন্যাশনাল ট্রেইনার, প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী অধ্যাপকবৃন্দ এবং ইউজিসি, হিট প্রকল্প ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%