বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৭ পি.এম
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় ট্রাকের চাকার নিচে পড়ে রিমন হোসেন (২১) নামে একজন কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফার্শিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত শিক্ষার্থী উপজেলার উমার ইউনিয়নের বেলঘড়িয়া গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, উপজেলার আমাইতাড়া বাজার থেকে একটি ট্রাক ফার্শিপাড়া বাজারের দিকে যাচ্ছিল। একই পথে রিমন হোসেন তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়িতে ফেরার সময় ফার্শিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে একটি ভ্যানের ধাক্কায় ট্রাকের পেছনের চাকার নিচে পড়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাকে মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে তার মৃত্যু ঘটে। রিমন এবারে ধামইরহাট সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদরাসা থেকে আলিম পরীক্ষা দিয়েছিলেন।
ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মমতাজুল হক জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে আইনিপক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার এলাকা থেকে পুলিশ মোজাম্মেল হক রাজন (৩৯) নামের এক যুবককে বিদেশি পিস্তল ও সাত রাউন্ড তাজা গুলিসহ গ্রেপ্তার করেছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে শহরের ১ নম্বর বাবুরাইল এলাকা থেকে রাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও সরকারি কাজে বাধাদানসহ একাধিক মামলা বিভিন্ন থানায় রয়েছে।
মোজাম্মেল হক রাজন মো. সিরাজ মিয়া ও হালিমা বেগমের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ১ নম্বর বাবুরাইল ঋষিবাড়ীসংলগ্ন গনি মিয়ার টিনশেড বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, সদর মডেল থানার ওসি মো. সাজেদুর রহমানের তত্ত্বাবধানে এসআই সাদ্দাম মল্লিক সঙ্গীয় ফোর্সসহ বুধবার রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে ১ নম্বর বাবুরাইল মোবারকশাহ রোডের বায়তুল ওয়াসিত জামে মসজিদের বিপরীতে গনি মিয়ার টিনশেড বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় রাজনের বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ‘মেড ইন ইউএসএ’ খোদাই করা একটি বিদেশি পিস্তল এবং ম্যাগাজিনযুক্ত সাত রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, মোজাম্মেল হক রাজন একজন চিহ্নিত দুষ্কৃতকারী। তার বিরুদ্ধে পূর্বে হত্যা এবং সরকারি কাজে বাধাদানসহ একাধিক মামলা রয়েছে, যার মধ্যে তিনটি মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. সাজেদুর রহমান কালের কণ্ঠকে জানান, অবৈধ অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার রাজনের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন থানায় হত্যা এবং সরকারি কাজে বাধাদানসহ একাধিক মামলা রয়েছে। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় অস্ত্র আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হামের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ রাখার এবং জরুরিভাবে টিকা আমদানি না করার পেছনে চরম প্রশাসনিক অবহেলা ও দায়িত্বহীনতা জড়িত। তিনি উল্লেখ করেছেন, দায়ীদের চিহ্নিত করে কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ১৫ দিনের মাথায় দেশে হামের নজিরবিহীন প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২৪ সালের শেষ বা ২০২৫ সালের শুরুতে যে জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা ছিল, তৎকালীন সরকার সেটি পরিচালনা করেনি। এমনকি মন্ত্রণালয়ে জরুরি কোনো মজুতও (স্টক) রাখা হয়নি।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "কারা এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং কেন প্রয়োজনীয় টিকা আমদানি করা হলো না, তা দেশবাসীর জানা জরুরি।" তিনি আরও জানান, "আমরা কোনো দোষারোপের রাজনীতি করতে চাই না তবে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের অবহেলার কারণে কোনো শিশুর জীবন যেন অকালে ঝরে না যায়।" এজন্যই একজন বিচারক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি পুরো প্রক্রিয়াটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখছে।
টিকা সংকট উত্তরণের বিষয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানান, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই জরুরি ভিত্তিতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে টিকা সংগ্রহ করেছে এবং মাত্র এক থেকে দুই মাসের মধ্যে প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশে তরুণদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান ও শরীরচর্চার অভাবে কম বয়সেই বহু মানুষ হার্ট অ্যাটাকের শিকার হচ্ছেন, যা একক ব্যক্তির চেয়ে পুরো পরিবারের ওপর বিপর্যয় ডেকে আনছে।
তিনি আরও জানান, দূরদূরান্তের হৃদরোগীরা যাতে নিজ বাড়িতে বসেই সাশ্রয়ী পুনর্বাসন ও মানসিক স্বাস্থ্য সেবা পেতে পারেন, সে লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে পাঁচ বছর মেয়াদি ‘অ্যাক্রস-বিডি’ গবেষণা প্রকল্প শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের আটজন তরুণ চিকিৎসক ও গবেষক আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পিএইচডি করার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) নতুন ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য নিয়ে ডেমোক্রেটিক দলের নেতা হাকিম জেফরিস আনুষ্ঠানিকভাবে স্পিকার পদের জন্য তাঁর প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। তিনি এই ঘোষণা করেন ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ইউএস হাউসের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করার পর ১২০তম কংগ্রেসে যোগ দিতে যাওয়া সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে পাঠানো এক চিঠিতে, যা "Dear Colleague" নামে পরিচিত।
যদি হাকিম জেফরিস হাউসে স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন, তবে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার হবেন।
জেফরিসের ঘোষণার প্রধান দিকসমূহ :
জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো : তিনি সাধারণ মানুষের জন্য আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও জ্বালানির ব্যয় কমানোর জন্য একটি প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে কাজ করবেন। এছাড়া, সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা ট্যাক্স ক্রেডিট সম্প্রসারণ এবং ফুড স্ট্যাম্প সহায়তা পুনর্বহালের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা : মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের শেয়ার বাজারে লেনদেন নিষিদ্ধ করার এবং কর্পোরেট সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানোর প্রবণতা বন্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের ঘোষণা দেন তিনি।
অধিকার সুরক্ষা : এই ডেমোক্রেটিক নেতা সব নাগরিকের ভোটাধিকার রক্ষা এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
২০২৩ সাল থেকে হাউস মাইনরিটি লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা হাকিম জেফরিস ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর স্পিকার পদে অধিষ্ঠিত হবেন। সূত্র : টিআরটি ওয়ার্ল্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তম জীবনসঙ্গী একজন পুরুষের জীবনে আনন্দের সঞ্চার করে। প্রতিটি পুরুষের জন্য উত্তম জীবনসঙ্গী পাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা। আধুনিক যুগের এই রঙিন সময়ে, একজন উত্তম জীবনসঙ্গী একজন পুরুষের ঈমান ও আমল রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
বিয়ের মাধ্যমে নারী ও পুরুষের একাকিত্ব দূর হয়। হাদিসে বিয়েকে ঈমানের পূর্ণতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সৃষ্টিগতভাবে নারী ও পুরুষ একে অপরের পরিপূরক। নারী ছাড়া পুরুষ এবং পুরুষ ছাড়া নারীর জীবন অসম্পূর্ণ। মহান আল্লাহ হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করার পর হজরত হাওয়া (আ.)-কে তার জীবনসঙ্গী হিসেবে সৃষ্টি করেন। তাদের বিয়ের মাধ্যমে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করেন। এই ধারাবাহিকতা আজও পৃথিবীতে বিদ্যমান।
উত্তম জীবনসঙ্গী লাভের দোয়া
পবিত্র কুরআনে হজরত মুসা (আ.)-এর কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। সেখানে হজরত মুসা (আ.)-এর জন্য একটি দোয়া উল্লেখ রয়েছে। এই দোয়া পড়ার পর মহান আল্লাহ তার জন্য থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। তার আশ্রয়ের পাশাপাশি উত্তম জীবনসঙ্গিনীর ব্যবস্থাও করেছেন। শিক্ষণীয় দোয়াটি হলো-
رَبِّ اِنِّیۡ لِمَاۤ اَنۡزَلۡتَ اِلَیَّ مِنۡ خَیۡرٍ فَقِیۡرٌ উচ্চারণ: রব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকির।
অর্থ: হে আমার রব, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ পাঠাবে, আমি তার মুখাপেক্ষী। (সুরা আল-কাসাস, আয়াত : ২৪)
মহান আল্লাহ চোখ শীতলকারী স্ত্রী ও সন্তানের জন্য পবিত্র কুরআনে বর্ণিত দোয়াটি শিখিয়ে দিয়েছেন।
رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَ ذُرِّیّٰتِنَا قُرَّۃَ اَعۡیُنٍ وَّ اجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِیۡنَ اِمَامًا উচ্চারণ: রব্বানা হাবলানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া যুররিইয়্যাতিনা কুররতা আইয়ুনিও ওয়াজআলনা লিল মুত্তাকীনা ইমামা।
অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদের এমন স্ত্রী ও সন্তান দান করুন। যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় এবং আমাদেরকে (পুরুষদেরকে) মুত্তাকি লোকদের নেতা বানিয়ে দিন। (সুরা ফোরকান, আয়াত : ৭৪)
পুণ্যবতী স্ত্রী সম্পর্কে নবীজি যা বলেছেন।
পুণ্যবতী মহান আল্লাহর দেয়া শ্রেষ্ঠ সম্পদ। স্বামীর জন্য এটি রহমত এবং একটি বড় নেয়ামত। পুণ্যবতী স্ত্রী পার্থিব জগতের সর্বোত্তম সম্পদ। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
পার্থিব জগৎটাই হল ক্ষণিক উপভোগের বস্তু। আর পার্থিব জগতের সর্বোত্তম সম্পদ (উপভোগের বস্তু) পুণ্যবতী নারী। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৪৬৭)
অন্য এক হাদিসে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো মুমিনের জন্য আল্লাহর তাকওয়া অর্জনের পর নেককার স্ত্রীর চেয়ে কল্যাণকর কিছু নেই। কারণ স্বামী তাকে আদেশ করলে সে আনুগত্য করে, তার দিকে দৃষ্টিপাত করলে সে (স্বামী) মুগ্ধ হয়। তাকে নিয়ে শপথ করলে সে তা পূরণ করে। স্বামীর অনুপস্থিতিতে নিজের (অন্যায়-অপকর্ম থেকে) এবং স্বামীর সম্পদ সংরক্ষণ করে।’(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৮৫৭)
হজরত আলি (রা.) থেকে বর্ণিত, যখন এই আয়াতটি নাজিল হল-
وَالَّذِينَ يَكْنزونَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلا يُنْفِقُونَهَا فِي سَبِيلِ الله যারা স্বর্ণ-রৌপ্য জমা করে এবং তা আল্লাহ রাস্তায় খরচ করে না, তাদেরকে কষ্টদায়ক মর্মন্তুদ শাস্তির সুসংবাদ দিন। (সুরা তাওবাহ, আয়াত: ৩৪)
রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন বার বললেন, ‘স্বর্ণ-রূপার বিনাশ হোক’ কথাটি সাহাবায়ে কেরামের জন্য কিছুটা ভারী মনে হল। তাই তারা জিজ্ঞেস করলেন, তাহলে আমরা কোন বস্তুকে সম্পদ হিসেবে গ্রহণ করব? তখন রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন-
لِسَانًا ذَاكِرًا، وَقَلْبًا شَاكِرًا، وَزَوْجَةً تُعِينُ أَحَدَكُمْ عَلَى دِينِهِ জিকিরকারী জবান, শোকরকারী অন্তর, এবং এমন স্ত্রী যে তার স্বামীকে দ্বীনের কাজে সহযোগিতা করবে। (তাফসিরে ইবনে কাসির ২/৫৪৮ (দারুল ফিকর)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ