বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৬ পি.এম
বগুড়ার ধুনটে পৃথক দুটি মামলার কারণে পুলিশ দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের সংগঠন নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ। বৃহস্পতিবার দুপুরে ধুনট থানার মাধ্যমে তাদের বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তারা কারাগারে প্রবেশ করেছেন। তাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল বুধবার রাতে।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মথুরাপুর ইউনিয়নের ধেরুয়াহাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং ধুনট উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা প্রভাষক মামদুদুর রহমান ময়নুল (৩৭) এবং গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের নাটাবাড়ী মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সদস্য আবু বক্কর সরকার (৪৭)।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর রাতে ধুনট উপজেলার চৌকিবাড়ী ইউনিয়নের ভুবনগাঁতী উত্তরপাড়া তিনমাথা এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা একটি মশাল মিছিল বের করেন। এ সময় মিছিলকারীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে, যা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর গোপালনগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাজু আহমেদ বাদী হয়ে ধুনট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে আওয়ামী লীগের ৩৫ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে মামলাটির অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে মামদুদুর রহমান ময়নুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এছাড়া, ২০১৮ সালের ১১ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধুনট শহরের কলাপট্টি এলাকায় বিএনপির প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের নির্বাচনী গণসংযোগকালে তার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম শাহীন বাদী হয়ে ধুনট থানায় মামলা করেন। ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে শ্রমিক লীগ নেতা আবু বক্কর সরকারকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, পৃথক দুটি মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে দশম ওয়েজ বোর্ড গঠন ও অন্তর্বর্তীকালীন মহার্ঘ ভাতা ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন গণমাধ্যমকর্মী ও সংবাদপত্র সেবীদের জন্য।
আজ (বৃহস্পতিবার) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশে এই দাবি উত্থাপন করা হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরী। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশটি পরিচালনা করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার।
সাংবাদিক নেতারা উল্লেখ করেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও দৈনন্দিন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সাংবাদিক সমাজ বর্তমানে তীব্র আর্থিক সংকটে রয়েছে। ২০১৯ সালে সাংবাদিকদের জন্য ঘোষিত ‘নবম ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ’ নানা আইনি ও প্রশাসনিক অজুহাতে অনেক সংবাদমাধ্যম আজ পর্যন্ত বাস্তবায়ন করেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও সাংবাদিকদের জন্য নতুন ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ বাস্তবায়ন কমিটি গঠনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
তারা আরও বলেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য সম্প্রতি অনুমোদিত জাতীয় বেতন স্কেলে ব্যাপক বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে; তবে গণমাধ্যমকর্মীদের বাদ রেখে কেবল সরকারি কর্মচারীদের সুবিধা বাড়ালে সমাজে তীব্র বৈষম্য তৈরি হবে।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরী সাংবাদিকদের জন্য অবিলম্বে দশম ওয়েজবোর্ড ঘোষণা ও কার্যকর করার দাবি জানান।
তিনি বলেন, ‘সরকার যেভাবে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছেন, সেভাবে সাংবাদিকদের বেতনও বাড়িয়ে অবিলম্বে ১০ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করতে হবে।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন, ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি মুরসালিন নোমানী, বিএফইউজের সহ-সভাপতি মুহাম্মদ খায়রুল বাশার, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসীন, ডিইউজের সহ-সভাপতি রফিক মুহাম্মদ ও রাশেদুল হক, বিএফইউজের নেতা মোদাব্বের হোসেন, জাতীয় প্রেস ক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য শাহনাজ বেগম পলি, বাসস এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেন, নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারি কর্মচারীরাও দিনযাপনের কষ্টে রয়েছেন। সরকার তার সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাড়িয়েছেন, এতে তারা আনন্দিত ও খুশি হয়েছেন। তবে বর্তমানে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছেন সাংবাদিকরা।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যুতের দাম একাধিকবার বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি তেল, সবজি, চাল, ডাল, আটা, রুটি, কাপড়সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়ে যাওয়ায় সাংবাদিকরা যে বেতন পান, তা দিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিতে টিকে থাকা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিএফইউজে মহাসচিব বলেন, ‘সিনিয়র সাংবাদিকরা মারা যাচ্ছেন, কিন্তু হাসপাতালের বিলটাও দিতে পারেন না। গতকালও এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে, প্রায় দিনই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। সিনিয়র সাংবাদিকরা ৪০ বছর সাংবাদিকতা করেছেন, তাদের গ্রামের বাড়িতে লাশ বহন করার অ্যাম্বুলেন্স ভাড়াটাও এখন জোগাড় করতে পারেন না। এত কষ্টের মধ্যেই বাংলাদেশের সাংবাদিকরা আছেন। অথচ সবচেয়ে শ্রম বেশি ব্যয় করতে হয় সাংবাদিকদেরকে।’
বিএফইউজে মহাসচিব বলেন, বর্তমান সরকার একটি মানবিক সরকার এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক সরকার। তিনি আশা করেন, এই সরকার সাংবাদিকবান্ধব সরকারের পরিচয় দেবে।
তিনি বলেন, একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন।
এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি তথ্য মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, যুগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাংবাদিকদের জন্য অবিলম্বে ১০ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করুন।
তিনি আরও বলেন, অতীতে সরকারি কর্মচারীদের চেয়ে সাংবাদিকদের বেতন বেশি ছিল। সরকারি কর্মচারীরা নানা সুযোগ-সুবিধা পান, যা সাংবাদিকরা পান না। সরকারি কর্মচারীরা সাপ্তাহে দুই দিন ছুটি পান, সাংবাদিকগন ছুটি পান এক দিন। এসব বিবেচনা করে সাংবাদিকদের বেতন স্কেল সবসময় সরকারি কর্মচারীদের চেয়ে বেশি করা হয়েছিল।
এসময় তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, অতীতের সেই পথ অনুসরণ করে সরকার অবিলম্বে সাংবাদিকদের জন্য ১০ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করবে।
কাদের গনি চৌধুরী আরও বলেন, সরকার এর আগে ৯ম ও ৮ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করেছে। কিন্তু অধিকাংশ পত্রিকা তা মানে না। বিএফইউজে ও ডিইউজে থেকে ইতোমধ্যে ৩৯ দফা দাবি জানানো হয়েছে। এর প্রধানতম দাবি ছিল- ‘নো ওয়েজ বোর্ড, নো মিডিয়া’।
তিনি বলেন, ‘আমরা আজকে শত শত সাংবাদিককে সামনে রেখে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় মালিকপক্ষকে জানিয়ে দিতে চাই, আপনি পত্রিকা চালাবেন, ৯ম ওয়েজ বোর্ড, ১০ম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন করেছেন বলে সরকার থেকে বিজ্ঞাপন নেবেন, আর সাংবাদিকদের বেতন দেবেন না- সেটা বাংলাদেশে হতে দেওয়া হবে না। ’
কাদের গণি চৌধুরী বলেন, সরকারের কাছে আমাদের দাবি হলো, ১০ম ওয়েজ বোর্ড অবিলম্বে ঘোষণা ও কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে মালিকদের কাছেও দাবি, ওয়েজ বোর্ড অনুযায়ী বেতন দিতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে সাংবাদিক সমাজ আর বসে থাকবে না। অতীতের মতো রাজপথে নেমে এসে তাদের অধিকার আদায় করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোণা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পুলিশ জেলায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ফুচকা এবং একটি পিকআপসহ চারজন চোরাকারবারীকে আটক করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে নেত্রকোণা মডেল থানা পুলিশের একটি টিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটের পাশে (বাহিরচাপড়া) চেকপোস্টে তাদের মালামালসহ আটক করে।
নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বাসসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন—মোহনগঞ্জ উপজেলার নোহাস পশ্চিমপাড়ার মোক্তার হোসেনের ছেলে সুমন মিয়া (২৬), সদর উপজেলার পারলা (চল্লিশাপাড়া) এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে সামাদ আহম্মেদ তপু (২৯), দড়িজাগি এলাকার মোখলেস মিয়ার ছেলে ইয়াসিন (২৩) এবং পূর্বধলার ইসবপুর (মধ্যপাড়া) ভবের বাজার এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আলম মিয়া (২৪)।
ওসি জানিয়েছেন, চেকপোস্টে তল্লাশির সময় পিকআপ থেকে ৪২টি প্লাস্টিকের বস্তায় ২ হাজার ১শ’ প্যাকেটে মোট ৫২৫ কেজি ভারতীয় তৈরি ফুচকা উদ্ধার করা হয়। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
জব্দকৃত ফুচকা বহনের জন্য ব্যবহৃত পিকআপটির আনুমানিক মূল্য ১২ লাখ টাকা। পুলিশ মালামাল ও পরিবহনের বৈধ কোনো কাগজপত্র প্রদর্শন করতে না পারায় সেটি জব্দ করে।
ওসি আবুল খায়ের আরও জানিয়েছেন, আটকদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে নিয়মিত মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মামলা দায়েরের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে গেছে আসামিরা। উল্টো অব্যাহত হুমকি-ধামকিতে মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতা ও চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবার।
আজ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) বিকেলে চট্টগ্রামের মিরসরাই পৌরসভার বারইয়ারহাটে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এই ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানান ভুক্তভোগীরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে জানায়, সম্প্রতি প্রতিপক্ষ বা দুষ্কৃতকারীরা তাদের ওপর অতর্কিত ও নির্মম হামলা চালায়। এতে পরিবারের বেশ কয়েকজন মারাত্মকভাবে আহত হন। ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ ও মামলা দায়ের করা সত্ত্বেও অজ্ঞাত কারণে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করছে না। উল্টো আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে নিতে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারাত্মক রক্তপাত ঘটানোর পরও আসামিরা অধরা। তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ আমরা বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছি।"
অবিলম্বে ঘটনায় জড়িত সকল আসামিকে গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নদী রক্ষা ও পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করা সামাজিক সংগঠন নোঙর বাংলাদেশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার পক্ষ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জেলা পরিষদ প্রশাসকের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে নোঙর বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম, বিশেষ করে নদী-নালা, খাল-বিল ও জলাশয় রক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সংগঠনের উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন নোঙর বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি মো. মনির হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ছগির আহম্মেদ কাজল, সহ-সভাপতি মোশারফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল চৌধুরী ও মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন সরকার।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি এনামুল হাসান ও জেসমিন আক্তার, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, অর্থ ও তহবিল বিষয়ক সম্পাদক আশিক মান্নান হিমেল, আপ্যায়ন সম্পাদক আবু নাছের রতন, সহ-আপ্যায়ন সম্পাদক মাজহারুল আহমেদ চৌধুরী মঞ্জু, ইঞ্জিনিয়ার খলিলুর রহমান, মো. নিশাদুল ইসলাম, মো. জয়নাল আবেদীন ও খাদেমুল ইসলাম জীবন।
এ সময় নোঙর বাংলাদেশের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মো. মনিরুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ নোঙর বাংলাদেশের নদী ও পরিবেশ রক্ষার কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নোঙর বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ বলেন, নদী বাঁচলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে। নদী ও জলাশয় রক্ষায় জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোই নোঙর বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। আগামী দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নদী, খাল ও জলাশয় রক্ষায় আরও কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ