শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৩ পি.এম
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম মন্তব্য করেছেন যে, দেশের নষ্ট রাজনীতি কখনো বরেণ্য সাংবাদিক আতাউস সামাদকে স্পর্শ বা প্রভাবিত করতে পারেনি। তিনি উল্লেখ করেন, আতাউস সামাদ নিজেই সিদ্ধান্ত নিতেন কী করবেন। তাকে দিয়ে কিছু করানো সম্ভব ছিল না। যদিও তিনি দেখতে নরম-সরম মানুষ ছিলেন, কিন্তু তার স্বাধীনচেতা মনোভাব ছিল। নিজের বিশ্বাস ও সিদ্ধান্ত থেকে তাকে সরানো সম্ভব ছিল না।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে আতাউস সামাদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্টস (বিএজে) আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুস সালাম আরও বলেন, বর্তমানে আমরা একটি নষ্ট রাজনীতির মধ্যে আছি। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি ও গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি। স্বাধীনতার সময় থেকেই এই ক্ষেত্রে বিচ্যুতি ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করার কথা ছিল। কিন্তু সাংবাদিকরাও সেই রাজনীতির সংক্রামক ব্যাধিতে জড়িয়ে পড়েছেন। এর ফলে সমাজ ও গণতন্ত্রের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশ আবার একটি গণতান্ত্রিক পথে হাঁটা শুরু করেছে। এ পথে কিছু ভুল-ত্রুটি থাকবে। তবে গণতন্ত্রকে ধরে রাখতে হবে এবং সরকারের পরিবর্তন নিয়মতান্ত্রিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে, সে চেষ্টা করতে হবে।
আবদুস সালাম সাংবাদিকতা ও সমাজ গঠনে সংবাদ ও সাংবাদিকতাকে রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আতাউস সামাদের মতো মানুষ খুবই বিরল, কিন্তু সাংবাদিকতায় এ ধরনের মানুষের উপস্থিতি জরুরি। তিনি বলেন, মানুষের মেধা ও যোগ্যতা অনুযায়ী প্রত্যেকের আলাদা আলাদা ক্ষেত্রে ভূমিকা রয়েছে। সমাজের প্রয়োজনে কেউ রাজনীতিবিদ, কেউ প্রকৌশলী, কেউ সাংবাদিক, আবার কেউ চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেন। নিজের নির্ধারিত ক্ষেত্রের বাইরে গিয়ে কাজ করলে সমাজে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে।
তিনি সাংবাদিকদের রাজনীতিকে রাজনীতিবিদ ও মেধাবীদের হাতে ফিরিয়ে আনতে কাজ করার আহ্বান জানান। এ সময় রাজনীতিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন ও আদর্শ অনুসরণের কথাও উল্লেখ করেন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ বলেন, আতাউস সামাদের সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় গুণ ছিল সংবাদের তথ্যের নির্ভুলতা ও সত্যতা। এরশাদ সরকারের সময় বিসিআইসি ভবন পরিদর্শনে গিয়ে কর্মচারীদের এরশাদবিরোধী স্লোগানের খবর বিবিসিতে প্রচার করায় বাংলাদেশে বিবিসির কার্যালয় বন্ধ করে দেওয়া এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে তিনি সত্যের পক্ষে অটল ছিলেন এবং ভুল স্বীকার করেননি।
তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান অবজারভারে থাকাকালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কভার করা, শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনা গোপন চিরকুটে মাওলানা ভাসানীর কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং ১৯৭০ সালের শেষ দিকে প্রেসক্লাব থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের স্লোগান নিয়ে মিছিলের নেতৃত্ব দেওয়ার মতো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে আতাউস সামাদ যুক্ত ছিলেন। বার্তা সংস্থা, সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও সাপ্তাহিকসহ সংবাদমাধ্যমের প্রায় সব শাখায় তিনি কাজ করেছেন। নীতিভিত্তিক ব্যক্তিত্বের কারণে শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারাও তাকে সম্মান ও সমীহ করতেন।
বিএজের সভাপতি ও আমার দেশ-এর যুগ্ম সম্পাদক এম আবদুল্লাহ বলেন, আতাউস সামাদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল। তিনি জুনিয়র সাংবাদিক ও সহকর্মীদের সঙ্গে বন্ধুর মতো আলোচনা করতেন। তার সঙ্গে দেখা হলে বয়সের ব্যবধান ঘুচে যেত। এভাবেই তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মিশে কাজ করতেন এবং করাতেন।
আতাউস সামাদের ভাতিজা ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত বলেন, আতাউস সামাদ শুধু একজন প্রখ্যাত সাংবাদিকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন অত্যন্ত সৎ, সাহসী ও সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত মানুষ। কাজের প্রতি তার আন্তরিকতা ও সততা ছিল অকৃত্রিম। গভীর রাতে ফোন করলেও তাকে রিপোর্ট ও পত্রিকা তৈরিতে মগ্ন দেখা যেত। জ্যেষ্ঠ ও শিক্ষকদের প্রতি তার শ্রদ্ধা এবং সাহসিকতা তরুণ সাংবাদিকদের জন্য অনুকরণীয়।
সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব ও দ্য ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম বলেন, নব্বইয়ের দশক-পরবর্তী দলীয় মেরুকরণের সময়ে আতাউস সামাদ বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে স্বাধীন ও পেশাদারিত্বের এক বিরল প্রতীক ছিলেন। সরকারি প্লট বা আর্থিক সুবিধার মোহে পড়ে তিনি কখনো নিজের স্বাধীনতা বিকিয়ে দেননি। তথ্যের নির্ভুলতা ও প্রত্যক্ষ সূত্রনির্ভরতা ছিল তার সাংবাদিকতার অন্যতম শক্তি।
সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট খাইরুল আনোয়ার মুকুল বলেন, শিক্ষক হিসেবে এবং পরবর্তীতে আমার দেশ ও এনটিভিতে সম্পাদক হিসেবে আতাউস সামাদকে পাওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল অনন্য। সাংবাদিকতায় তিনি ছিলেন নিখুঁত পারফেকশনিস্ট। ‘অজ্ঞাত সূত্র জানায়’ কিংবা ‘সংশ্লিষ্ট মহল’ বলে অনুমাননির্ভর প্রতিবেদন লেখা তিনি অপছন্দ করতেন। সুনির্দিষ্ট তথ্য, নাম ও দলিলের ভিত্তিতে নির্মোহ ভাষায় সংবাদ পরিবেশনের নির্দেশ দিতেন।
আমার দেশ-এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরী বলেন, আমার দেশকে একটি ব্র্যান্ড ও জনপ্রিয় পত্রিকায় পরিণত করতে আতাউস সামাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। আমৃত্যু তিনি আমার দেশের সঙ্গে থেকে পত্রিকাটিকে মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে অবদান রেখেছেন। সাংবাদিকতা জীবনে তার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ হয়েছে। শেষ দিন পর্যন্ত তিনি সাংবাদিকতার নির্ভুলতার নীতি মেনে চলেছেন, যা সবার জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক।
টাইমস অব বাংলাদেশ-এর উপদেষ্টা সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, আতাউস সামাদ ছিলেন পারফেকশনিস্ট। তিনি কাজে ফাঁকি ধরতে পারতেন এবং রিপোর্টের সূত্র স্পষ্ট রাখার বিষয়ে গুরুত্ব দিতেন। শিক্ষক, সাংবাদিক ও সম্পাদক হিসেবে তিনি অনেককে শিখিয়েছেন। সাংবাদিকতায় তার মতো মানুষের প্রয়োজন রয়েছে।
স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, বিশিষ্ট লেখক ও টকশো ব্যক্তিত্ব সাখাওয়াত হোসেন শায়ন্ত, ডিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, বিএফইউজের সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন, ডিইউজের সাবেক নেতা বেলায়েত হোসেন, আমিরুল ইসলাম অমর, বিটিভির সাংবাদিক মোরশের আলম প্রিন্সসহ অনেকে।
বিএজের সভাপতি এম আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বুরহান উদ্দিন ফয়সালের সঞ্চালনায় স্মরণসভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার মিরপুরে নাশকতা মামলায় আটক কৃষকলীগের এক নেতাকে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দুইটার দিকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে এসে জামায়াতের এক নেতাসহ ৮ জনকে পুলিশ আটক করেছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মুচলেকা দিয়ে তারা থানা থেকে মুক্ত হন।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন—মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি সিরাজুল ইসলাম (৪৫), জামায়াত সমর্থক মারুফ (২১), বাশার (৩৫), মফিজুল প্রামাণিক (৪০), জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০), বাদল প্রামাণিক (৫০), বিএনপি নেতা মেহেরুল ইসলাম (৪৫) এবং বিএনপি সমর্থক শহীদুল ইসলাম (৫৩)।
মিরপুর থানা পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিথলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চিথলিয়া ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি হাফিজুর রহমান হাফিজকে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়। এরপর তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়।
কৃষকলীগ নেতা হাফিজুর রহমানকে আটকের খবর পেয়ে রাত ২টার দিকে চিথলিয়া ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি থানায় আসেন। তারা হাফিজুরকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে তদবির ও চাপ দিতে থাকেন।
এ বিষয়ে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, "নিষেধ করার পরও তারা বারবার নাশকতা মামলার আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তদবির করতে থাকেন।" একপর্যায়ে তাদের আটক করা হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। এরপর উভয় দলের নেতাদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান ওসি।
উল্লেখ্য, এর আগে, চলতি বছরের ৯ মে রাতে কুষ্টিয়ার মিরপুর থানায় আট পিস ইয়াবাসহ ধরা পড়া এক মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়িয়ে নিতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হয় স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের পাঁচ নেতাকর্মী। পরে তাদের থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার খোশালপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় তিন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিজিবি একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার সকালে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) অধীনে খোশালপুর বিওপির সীমান্ত পিলার ৬০/৭৪ আর থেকে আনুমানিক ৭০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাঘাডাঙ্গা গ্রামের রাস্তার উপর নিয়মিত বিশেষ টহল পরিচালনা করা হচ্ছিল। এই সময় তিন বাংলাদেশি নাগরিককে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করতে গিয়ে আটক করা হয়।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা বাগেরহাট, নড়াইল ও যশোর জেলার বাসিন্দা। পরে তাদের মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল গতকাল জাপানে পৌঁছেছে এশিয়ান গেমস খেলতে। আজ গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির কারণে লিটন শান্তদের অলস সময় কাটাতে হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে শনিবার বাতিল হয়ে গেছে নেপাল ও জাপানের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ক্রিকেট ম্যাচ। একইভাবে বাতিল করা হয়েছে মালয়েশিয়া ওমানের মধ্যকার ম্যাচও। এই খারাপ আবহাওয়ার মধ্যেই নাগোয়ার সাকাইয়ের হোটেলে সময় কাটাচ্ছেন ক্রিকেটাররা।
হোটেলের বাইরে কিছু খেলোয়াড় ঘুরতে বের হয়েছেন। আজ তাদের বিশ্রামের দিন। রোববার সকাল ১০টায় করোগি স্পোর্টস পার্কে লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্তদের অনুশীলনের সূচি ছিল। কিন্তু বৃষ্টির কারণে সেই অনুশীলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।
বাংলাদেশ পুরুষ ক্রিকেট দলের ম্যানেজার নাফিস ইকবাল জানিয়েছেন, “কাল সকালে প্র্যাকটিসের সূচি ছিল। কিন্তু গেমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃষ্টির জন্য আগামীকাল সকালে মাঠে অনুশীলন করা যাবে না। দিনের কোন সময় অনুশীলন করা যাবে সেটা তারা আজ রাতে জানাবে।”
আগামী শনিবার কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে।
সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে।
নতুন আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।
নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ী পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।
ভিসা বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।
অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু অ্যামপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ