ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ক্লিকবেইট নয়, তথ্যভিত্তিক শিরোনামের আহ্বান: গাজীপুরের ডিসি


ক্লিকবেইট নয়, তথ্যভিত্তিক শিরোনামের আহ্বান: গাজীপুরের ডিসি

সামাজিক দায়বদ্ধতা রক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গুজবের ভিড়ে সত্যকে তুলে ধরার লক্ষ্যে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলার তরুণ কনটেন্ট নির্মাতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়েছে।

এই আয়োজনে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল কনটেন্ট নির্মাতাদের সামাজিক দায়িত্ব। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভুঁইয়া বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে 'ক্লিক বেইট' বা বিভ্রান্তিকর শিরোনাম।

ভেতরের খবরের সঙ্গে শিরোনামের কোনো মিল না রাখার জন্য যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে, তা রুখে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি তাগিদ দেন যে, কোনো তথ্য না জেনে শেয়ার বা কনটেন্ট তৈরি করা থেকে বিরত থাকতে হয় এবং 'ফ্যাক্ট চেকিং' বা তথ্য যাচাইয়ের উপর গুরুত্ব দিতে হবে।

আরও পড়ুন: চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাছির উদ্দিন আটক

তিনি বলেন, যেকোনো প্রাকৃতিক বা সামাজিক দুর্যোগকালীন সময়ে বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন। মানুষ তার কর্মের মাধ্যমেই সমাজে পরিচিতি অর্জন করে। তিনি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সঠিক তথ্য উপস্থাপনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।

কেবল বিনোদন নয়, কনটেন্ট ক্রিয়েশনকে মূলধারার একটি লাভজনক ও সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্নও দেখান তিনি। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বিশ্বখ্যাত কৌতুক অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিন এবং বাংলাদেশের বিনোদন জগতের কিংবদন্তি, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান 'ইত্যাদি'র পরিকল্পনাকর্তা ও উপস্থাপক হানিফ সংকেতের উদাহরণ তুলে ধরেন।

তিনি দেখান, কীভাবে নিছক কৌতুক বা বিনোদনের আড়ালে সমাজে শক্তিশালী ও গভীর ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। তবে এজন্য প্রয়োজন মেধা এবং ভিডিও ও অডিওর সঠিক সামঞ্জস্য।

গাজীপুরের তরুণ নির্মাতাদের দক্ষতাকে আরও শাণিত করার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি দিনব্যাপী বিশেষ কর্মশালা আয়োজনের সুখবরও দেন জেলা প্রশাসক। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব ও এলএ) মো. সোহেল রানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাহরিয়ার নজির এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এম. রকিবুল হাসানসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

আরও পড়ুন: সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদীর বেড়িবাঁধ ধসে মানুষের চরম দুর্ভোগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সওজের সহকারী প্রকৌশলী শাহনুর রশিদের সম্পদ নিয়ে দুদকের অনুসন্ধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩০ পি.এম


সওজের সহকারী প্রকৌশলী শাহনুর রশিদের সম্পদ নিয়ে দুদকের অনুসন্ধান

দিনাজপুর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহনুর রশিদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরির আয়ের তুলনায় তিনি ও তার পরিবারের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন।

দুদক সূত্রের দাবি, প্রাথমিক অনুসন্ধানে কিছু অসঙ্গতির তথ্য পাওয়ার পর অভিযোগের বিষয়ে আরও বিস্তারিত তদন্ত কার্যক্রম চলছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজধানীর খিলগাঁও ও পল্লবী এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট ছাড়াও দিনাজপুর ও রংপুরে তার নামে এবং পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন জমি ও স্থাপনা রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সওজের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, সরকারি ক্রয়বিধি (পিপিআর) লঙ্ঘন এবং নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের সুবিধা দেওয়ার মাধ্যমে অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে বিপুল আর্থিক সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া দিনাজপুর শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনার পেছনেও তার ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব স্থাপনা থেকে নিয়মিত আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করা হতো। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

দুদকের একটি সূত্র জানায়, শাহনুর রশিদের বিরুদ্ধে দাখিল হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। অভিযোগে তার স্ত্রী শাবানার নামেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সম্পদের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া অনুসন্ধান শুরুর পর ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের অর্থ উত্তোলনের অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন সময়ে দিনাজপুরের বিরামপুর, বাঁশবাড়িয়া, কানিকাঠাল এবং রংপুরের সাতগাড়া এলাকায় একাধিক জমি ও বাণিজ্যিক সম্পত্তি ক্রয় করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজধানীর উত্তর মেরাদিয়া ও পল্লবী এলাকায় দুটি ফ্ল্যাট কেনার তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সহকারী প্রকৌশলী শাহনুর রশিদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ কমিশনের অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে মো. শাহনুর রশিদকে প্রশ্ন করা হলে তিনি এ বিষয়ে ব্যাখ্যা না দিয়ে ফোনালাপ শেষ করেন।

অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং সম্পদের উৎস সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দুদকের অনুসন্ধান শেষ হওয়ার পরই জানা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মঠবাড়িয়ায় বাড়ি ঢুকে একই পরিবারের ওপর নৃশংস হামলা: নেপথ্যে মাদকাসক্ত কিশোর গ্যাং ও বিএনপি নেতা-কর্মীরা, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বাদীর ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​নিজস্ব প্রতিবেদক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


মঠবাড়িয়ায় বাড়ি ঢুকে একই পরিবারের ওপর নৃশংস হামলা: নেপথ্যে মাদকাসক্ত কিশোর গ্যাং ও বিএনপি নেতা-কর্মীরা, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বাদীর ক্ষোভ

 

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় গাছ থেকে তাল কাটার জেরে এক যুবকের বসতবাড়িতে ঢুকে একই পরিবারের সদস্যদের ওপর রামদা, চাপাতি ও লোহার রড নিয়ে বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে স্থানীয় একদল মাদকাসক্ত ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। গত ২০ জুন (শনিবার) সন্ধ্যা আনুমানিক পৌনে ৭টার সময় মঠবাড়িয়া থানাধীন সাপলেজা ইউনিয়নের চড়কগাছিয়া গ্রামের ৫নং ওয়ার্ডে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের দাবি, হামলাকারীরা এলাকায় কিশোর গ্যাং ও মাদক চক্রের সাথে জড়িত এবং তাদের কয়েকজন বিএনপির রাজনীতির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। এদিকে ঘটনার পর দুই দিন পেরিয়ে গেলেও ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী আসামি হওয়ায় পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করছে না বলে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

এই হামলায় গুরুতর আহত দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) রেফার্ড করা হয়েছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী যুবক আবদুল্লাহ আল হাদি (২৬) বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করে মঠবাড়িয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন (মামলা নং-২২)।


এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মে গাছ থেকে তাল কাটাকে কেন্দ্র করে চড়কগাছিয়া গ্রামের বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল হাদির পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার কিছু যুবকের কথা-কাটাকাটি এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ওই সময় প্রতিপক্ষরা হাদির পরিবারকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে চলে যায়।

উক্ত বিরোধের জেরে গত ২০ জুন সন্ধ্যায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র (রামদা, চাপাতি, দা, লোহার রড ও লাঠিসোটা) নিয়ে বেআইনিভাবে হাদির বসতবাড়ির উঠানে প্রবেশ করে গালিগালাজ শুরু করে হামলাকারীরা। বাদী আবদুল্লাহ আল হাদি গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়।


হাদিকে বাঁচাতে তার বাবা মোঃ নজরুল ইসলাম (৫৮), মা নিলুফা ইয়াসমিন (৫০) এবং চাচাতো ভাই শাওন (১৭) এগিয়ে এলে তাদের ওপরও ঝাঁপিয়ে পড়ে হামলাকারীরা। রামদার আঘাতে মা নিলুফা ইয়াসমিনের মাথার দুই পাশে গুরুতর কাটা জখম হয়। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ১নং আসামি দা দিয়ে তার হাতের কবজি, কনুই এবং পিঠে এলোপাতাড়ি কোপায়।

একইভাবে রামদার কোপে চাচাতো ভাই শাওনের মাথা এবং চাপাতির কোপে বাবা নজরুল ইসলামের পিঠ রক্তাক্ত জখম হয়। এছাড়া হামলাকারীরা বাড়িতে থাকা নারীদের শ্লীলতাহানি করে এবং অন্যান্যদের পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে থেঁতলানো জখম করে। পরবর্তীতে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে আসামিরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।


স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অভিযুক্তদের কয়েকজন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত এবং তারা মাদকাসক্ত। একই সাথে তারা স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে মামলার বাদী আবদুল্লাহ আল হাদি গণমাধ্যমকে জানান:

আসামিরা এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং বর্তমান রানিং ক্ষমতাসীন দলের (বিএনপি) রাজনীতির সাথে জড়িত। তারা প্রকাশ্য ঘুরে বেড়ালেও ক্ষমতার দাপটের কারণে থানা পুলিশ তাদের আটক করছে না।"


মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামিরা হলেন:

১. মোঃ বাদল চৌকিদার (৩৫), পিতা-সুলতান চৌকিদার

২. মোঃ ইমরান শরীফ (২০), পিতা-জাহাঙ্গীর শরীফ

৩. মোঃ মিলন শরীফ (১৯), পিতা-শহিদ শরীফ

৪. মোঃ আরাফাত (১৯), পিতা-সেলিম বেপারী

৫. মোঃ রাকিব (২০), পিতা-সিদ্দিক

৬. মোঃ রিফাত (২২), পিতা-জাহাঙ্গীর শরীফ

৭. মোঃ রাকিব বেপারী (১৯), পিতা-নান্না বেপারী।

(এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।)


আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। তবে মা নিলুফা ইয়াসমিন ও চাচাতো ভাই শাওনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের দ্রুত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পেনাল কোডের ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৫৪/৫০৬ ধারায় (বেআইনি জনতাবদ্ধে অনধিকার প্রবেশ, মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা গুরুতর জখম, হত্যার চেষ্টা ও শ্লীলতাহানি) মামলাটি নথিভুক্ত করেছে। থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মোঃ আব্দুল হান্নান মোল্লাকে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। পুলিশের দাবি, আসামিদের গ্রেপ্তারে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবুজবাগ থানায় দায়িত্ব পালন করছেন ওসি মো. সাইফুল ইসলাম, সূত্রাপুরে রেখে এসেছেন প্রশংসিত কর্মদক্ষতার স্মৃতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৫ পি.এম


সবুজবাগ থানায় দায়িত্ব পালন করছেন ওসি মো. সাইফুল ইসলাম, সূত্রাপুরে রেখে এসেছেন প্রশংসিত কর্মদক্ষতার স্মৃতি

রাজধানীর সবুজবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন মো. সাইফুল ইসলাম। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের তথ্য মতে, নিয়মিত টহল, অপরাধ প্রতিরোধমূলক অভিযান এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করার মাধ্যমে থানার কার্যক্রমে গতিশীলতা আনার চেষ্টা করছেন তিনি।

সবুজবাগ থানার স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, মো. সাইফুল ইসলাম তার অভিজ্ঞতা ও পেশাদারিত্ব দিয়ে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও শক্তিশালী করবেন এবং জনগণের আস্থা অটুট রাখবেন। এর আগে তিনি সূত্রাপুর থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। সূত্রাপুর থানায় কাজের সময় এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তার নেতৃত্বে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ভূমিদস্যুতা, অপহরণ, মানবপাচার, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এসব অভিযানে বিভিন্ন মামলার আসামি গ্রেপ্তার, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারসহ একাধিক সফলতা এসেছে।

এলাকাবাসীর দাবি, তার দায়িত্বকালে সূত্রাপুর থানায় দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। থানায় আগত সেবাপ্রার্থীরা সরাসরি ওসির সঙ্গে দেখা করে অভিযোগ জানানো এবং আইনি সহায়তা গ্রহণের সুযোগ পেয়েছিল, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছিল। সূত্রাপুর থানার কর্মকর্তা ও সদস্যদের মতে, মো. সাইফুল ইসলাম শৃঙ্খলাবোধ, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতেন। একই সঙ্গে তিনি প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব পুলিশিংয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং থানার কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

দায়িত্ব পালনকালে ওসি মো. সাইফুল ইসলাম সবসময় সাধারণ মানুষের উদ্দেশে একটি বিশেষ বার্তা দিতেন— "আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। যেকোনো সমস্যা বা অপরাধের বিষয়ে সরাসরি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আইন সবার জন্য সমান এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" বর্তমানে সবুজবাগ থানায়ও তিনি একই নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে জনগণের আস্থা অর্জনে কাজ করে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে আশাবাদী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবুজ ক্যাম্পাস গড়তে রাঙামাটি মুজাদ্দেদে-ই-আলফেসানী একাডেমির বৃক্ষরোপণ অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ সোহেল রানা,রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


সবুজ ক্যাম্পাস গড়তে রাঙামাটি মুজাদ্দেদে-ই-আলফেসানী একাডেমির বৃক্ষরোপণ অভিযান

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাঙামাটি মুজাদ্দেদে-ই-আলফেসানী একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুল কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম। আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল মইন, মো. মাহাবুব হোসেন, মো. এনামুল হক, রোকসানা বেগম, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, মো. আবুল কালামসহ অন্যান্য শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অর্জুন, আম্রপালি, মেহগনি, হরীতকীসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

এসময় বক্তারা বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোকপাত করতে গিয়ে বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। বক্তারা বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, বরং মানুষের জীবন, জীববৈচিত্র্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপদ অস্তিত্ব নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুল কবির তার বক্তব্যে বলেন, “পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম। গাছ আমাদের অক্সিজেন সরবরাহ করে, প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখে এবং একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গঠনে সহায়তা করে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সফল করতে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যার বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তোলাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণকে আরও সবুজ ও মনোরম করে তুলতে ভবিষ্যতে নিয়মিত বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%