মোঃ শরীফ উদ্দিন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
০৩:১৭ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে কুন্ডা নয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ করা দুধ ও অন্যান্য সামগ্রী চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় একটি দোকান থেকে দুই কার্টন দুধ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগের ঘটনায় আলমগীর মিয়ার ছেলে সাদিরের নাম এসেছে।
সহকারী শিক্ষক তাবারক মিয়া জানান, গত ১৭ অক্টোবর বিদ্যালয়ের একটি কক্ষের তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান তিনি। পরে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ করা দুধ ও অন্যান্য সামগ্রী চুরি হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে স্থানীয় শামসুল হক ভূঁইয়ার দোকান থেকে দুই কার্টন দুধ উদ্ধার করা হয়।
দোকানদার শামসুল হক ভূঁইয়া বলেন, সাদির তাঁর দোকানে দুধগুলো রেখে বিক্রির পর টাকা পরিশোধের কথা বলে ৫০০ টাকা অগ্রিম নিয়ে যান। তবে দুধগুলো বিদ্যালয়ের বলে তিনি জানতেন না।
অভিযোগ অস্বীকার করে সাদির বলেন, বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা থেকে দুধগুলো কুড়িয়ে পেয়েছেন তিনি।
নাসিরনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইসহাক মিয়া বলেন, বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মাদারীপুরের শিবচরে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলার সফল আত্মকর্মী যুবক ও যুব সংগঠকদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সনদপত্র ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদের ময়নাকাটা সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আরিফ জামিল ফারুকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ. এম. ইবনে মিজান।
অনুষ্ঠানে সফল যুব সংগঠক হিসেবে বক্তব্য দেন সাউথ বেঙ্গল ইউথ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, যুবসমাজকে শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে আত্মকর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হতে হবে। তরুণদের মেধা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে পারলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, ২০২০ সাল থেকে সাউথ বেঙ্গল ইউথ ক্লাব শিবচরে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও এইচ. এম. ইবনে মিজান বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে যুবসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুবকদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। নিজেদের মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পাশাপাশি দেশ ও সমাজের কল্যাণে যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে।
এ সময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান, উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আ. হাই আকনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং যুব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে উপজেলার চারজন সফল আত্মকর্মী যুবক ও যুব সংগঠককে তাঁদের কর্মক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সনদপত্র ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বরে) মোংলা বন্দরে ৪০৬৮ কোটি টাকার নতুন দুটি জেটি ও ইয়ার্ডসহ আনুষঙ্গিক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন।
এর আগে, তিনি গত ২২ অক্টোবর মোংলা বন্দরের উন্নয়ন পরিদর্শন করেছিলেন।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় নতুন দুটি কন্টেইনার জেটি ও ইয়ার্ড নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন। সম্প্রতি চীন সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী এই উন্নয়ন চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন। এর পর গত ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক ও ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন কার্যক্রম সেই চুক্তির ফলশ্রুতি।
তিনি আরও জানান, ৪০৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পে নতুন দুটি কন্টেইনার জেটি ও কন্টেইনার ইয়ার্ড নির্মাণের পাশাপাশি পণ্য হ্যান্ডেলিংয়ের জন্য ৪৯টি আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হবে। এই প্রকল্পে সরকারের বিনিয়োগ থাকবে ৪৭৫ কোটি টাকা, বাকি অর্থ সংশ্লিষ্ট চায়না কোম্পানির।
মোংলা বন্দর বার্থ শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জুলফিকার আলী বলেছেন, বন্দরের চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য পরিকল্পিত ড্রেজিং ও সংরক্ষণ, সড়ক ও রেল যোগাযোগের উন্নয়ন, ফয়লা বিমানবন্দর চালু এবং দ্রুত বন্দরের আকরাম পয়েন্টে এলএনজি স্টেশন নির্মাণের দাবি বন্দর ব্যবহারকারীদের।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরে চায়না কোম্পানির নতুন দুটি কন্টেইনার জেটির নির্মাণ কাজ উদ্বোধনের পাশাপাশি ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের সঙ্গে রেলওয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করবেন। এর ফলে মোংলা বন্দর দিয়ে কন্টেইনার রেল চালু হবে, যা ব্যবসায়ীদের আগ্রহ ও বিনিয়োগ বাড়াবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৪ নভেম্বর, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বহির্বিশ্বের সাথে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সংযুক্ত। এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক যাতায়াত ও বাণিজ্যকে সহজতর করার পাশাপাশি সীমান্ত অতিক্রমকারী ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আজ ঢাকায় হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও-এর মেঘনা হলে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ইমিগ্রেশন ও বর্ডার গভর্নেন্স সংক্রান্ত আইওএম কৌশলগত রূপরেখা (২০২৭-২০৩১)’ শীর্ষক ব্রিফিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, আধুনিক, সমন্বিত ও প্রযুক্তিভিত্তিক নিরাপদ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা সুসংহত করতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
তিনি উল্লেখ করেন, সীমান্ত পরিচালনায় জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৈধ ভ্রমণ ও বাণিজ্যকে গতিশীল করতে হবে। সরকার গৃহীত জাতীয় সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কৌশল এবং পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত সংস্কার ও উন্নয়ন রূপরেখা(২০২৭-২০৩১)-এর ওপর আলোকপাত করে জানান, ডিজিটাল রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহার, কাগজবিহীন প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং সরকারি সেবাগুলোর মধ্যে আন্তঃকার্যক্ষমতা বৃদ্ধিই বর্তমান সরকারের মূল অগ্রাধিকার।
ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নীতি ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে আমাদের বিমানবন্দর, স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টগুলোর কার্যক্রমগত সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করতে হবে। একই সাথে সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে কেবল প্রযুক্তিনির্ভর না করে মানবিক অধিকার ও সুরক্ষার প্রতি সংবেদনশীল এবং পেশাদার মানদণ্ডে উন্নীত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
বহুজাতিক অপরাধ, মানব পাচার ও অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কোনো একক সংস্থার দায়িত্ব নয়। এর জন্য সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ প্রয়াস প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইওএম-এর প্রস্তাবিত ২০২৭–২০৩১ মেয়াদের কৌশলগত রূপরেখাকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের সীমান্ত কাঠামো গঠনে তাদের সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোকে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহযোগিতা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ কেবল বাংলাদেশের সীমান্তকেই সুরক্ষিত করবে না, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপদ বিশ্বায়নে বড় অবদান রাখবে।
ব্রিফিং অনুষ্ঠানে আইওএম বাংলাদেশ মিশনের প্রধান ড. লরা টম বন্ডে বলেন, ‘অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ভ্রমণের ধরন ও কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা পরিবর্তিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর ব্যবস্থা, দক্ষ জনবল এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে আরও ভালো সমন্বয়ের প্রয়োজন বাড়বে। কারিগরি দক্ষতা ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে আইওএম সহযোগিতা করতে আগ্রহী।’
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. কামরুল আহসান এবং উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং এবং ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোসহ বিভিন্ন অংশীদার সংস্থার প্রতিনিধিগণ আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
আলোচনায় বৈধ যাতায়াত ও বাণিজ্য সহজ করার পাশাপাশি মানবপাচার, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ এবং পরিচয় জালিয়াতির মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপায় নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
উল্লেখ্য, কৌশলগত রূপরেখাতে (কাঠামোটিতে) সম্ভাব্য সহযোগিতার চারটি ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল ব্যবস্থা ও তথ্য আদান-প্রদান, প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নির্বাচিত সীমান্ত পয়েন্টে অবকাঠামো ও সেবার উন্নয়ন। এ কাঠামো বা রূপরেখা প্রণয়নে সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত সংস্কার ও উন্নয়ন রূপরেখা (জুলাই ২০২৬ - জুন ২০৩১) বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদ। তিনি মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক কংগ্রেস সদস্য মাইক রজার্সকে পরাজিত করে এই ইতিহাস সৃষ্টি করেন।
এল-সায়েদের এই বিজয় কেবল রাজনৈতিক সাফল্য নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে মুসলিম প্রতিনিধিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। পেশায় চিকিৎসক, আবদুল এল-সায়েদ জনস্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মকর্তার দায়িত্বও পালন করেছেন।
ডেমোক্র্যাট দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রাথমিক নির্বাচনে জয়লাভ করে তিনি অবসর গ্রহণ করতে যাওয়া সিনেটর গ্যারি পিটার্সের আসনে প্রার্থী হন। পরে মূল নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করে সিনেটে স্থান অর্জন করেন।
তবে, তার নির্বাচনি প্রচার বেশ বিতর্কের সম্মুখীন হয়েছে। বিশেষ করে, তার মুসলিম পরিচয় প্রচারের বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ রিপাবলিকান নেতারা বারবার তার ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে আক্রমণ করেছেন। তার বিরুদ্ধে উগ্রবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তোলা হয়েছে। তবে এল-সায়েদ এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অল্প ব্যবধানে ট্রাম্পের জয় পাওয়া মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকেই তিনি সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেসের অধিবেশন শুরু হলে এল-সায়েদ দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম হিসেবে সিনেটে দায়িত্ব পালনের নজির স্থাপন করবেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ