০৫:১৬ পি.এম
মাঠে ফুটবলের লড়াইয়ের পাশাপাশি কোটি টাকার বাণিজ্যও চলমান। ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সূচনা হতে যাচ্ছে। বল গড়ানোর পূর্বে স্পন্সরশিপ, কমিশন এবং বাণিজ্যিক স্বত্বের হিসাব নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। সাফ সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ও মাহফুজা আক্তার কিরনকে ঘিরে তিন কোটি টাকা কমিশনের অভিযোগ উঠেছে।
অন্যদিকে, বাণিজ্যিক স্বত্ব অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান টিএসএর পেছনে বাফুফের সহসভাপতির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাফ আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সালাউদ্দিনের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত সাফ সভাপতি সালাউদ্দিনের নিরাপত্তা ছাড়পত্র মেলেনি। আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সালাউদ্দিনকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তার রাজনৈতিক পরিচয় ও অতীতের বিতর্কের কারণে উপস্থিতি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: ভারতে বিমসটেক অ্যাথলেটিকসে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিতুন
সাফের শিরোপা পৃষ্ঠপোষক হিসেবে টেকনো রয়েছে। স্পন্সরশিপের অঙ্ক ১০ কোটি টাকা বলে জানা গেছে। এই অর্থ থেকে তিন কোটি টাকা কমিশন গ্রহণের অভিযোগে সালাউদ্দিন, কিরন এবং বাফুফের দুই কর্মকর্তার নাম জড়িত রয়েছে।
সালাউদ্দিন দীর্ঘ ১৬ বছর বাফুফের সভাপতি ছিলেন এবং বর্তমানে সাফের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। কিরনও দেশের ফুটবলের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। টেকনোর কাছ থেকে কত টাকা এসেছে, মধ্যস্থতাকারী কেউ কমিশন পেয়েছেন কি না এবং সেই অর্থের সুবিধাভোগী কারা, এসব বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে চান না।
এদিকে, বাফুফের এক প্রভাবশালী সহ-সভাপতি আলোচনায় রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, টিএসএর কার্যক্রমের পেছনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। আওয়ামী লীগ আমলে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা ও শেখ কামালের নামে আয়োজিত ফুটবল প্রতিযোগিতার ব্যবস্থাপনার সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা ছিল। তবে টিএসএর সঙ্গে তার ব্যবসায়িক বা আর্থিক সম্পর্কের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল জানিয়েছেন, প্রতিযোগিতার সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনা করছে সাফ। স্বাগতিক ফেডারেশন হিসেবে বাফুফে শুধুমাত্র সহযোগিতা করছে।
আরও পড়ুন: সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ৬ দলে আছেন বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও ভুটান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন