ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

৪০৬৮ কোটির দুটি প্রকল্প উদ্বোধনে বৃহস্পতিবার মোংলা যাবেন প্রধানমন্ত্রী


৪০৬৮ কোটির দুটি প্রকল্প উদ্বোধনে বৃহস্পতিবার মোংলা যাবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বরে) মোংলা বন্দরে ৪০৬৮ কোটি টাকার নতুন দুটি জেটি ও ইয়ার্ডসহ আনুষঙ্গিক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন।

এর আগে, তিনি গত ২২ অক্টোবর মোংলা বন্দরের উন্নয়ন পরিদর্শন করেছিলেন।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় নতুন দুটি কন্টেইনার জেটি ও ইয়ার্ড নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন। সম্প্রতি চীন সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী এই উন্নয়ন চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন। এর পর গত ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক ও ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন কার্যক্রম সেই চুক্তির ফলশ্রুতি।

আরও পড়ুন: ‘ইউ ক্যান ডু ইট’ বলেছেন প্রধানমন্ত্রী, ১৬ লাখ শিশু-কিশোরের নিবন্ধন

তিনি আরও জানান, ৪০৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পে নতুন দুটি কন্টেইনার জেটি ও কন্টেইনার ইয়ার্ড নির্মাণের পাশাপাশি পণ্য হ্যান্ডেলিংয়ের জন্য ৪৯টি আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হবে। এই প্রকল্পে সরকারের বিনিয়োগ থাকবে ৪৭৫ কোটি টাকা, বাকি অর্থ সংশ্লিষ্ট চায়না কোম্পানির।

মোংলা বন্দর বার্থ শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জুলফিকার আলী বলেছেন, বন্দরের চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য পরিকল্পিত ড্রেজিং ও সংরক্ষণ, সড়ক ও রেল যোগাযোগের উন্নয়ন, ফয়লা বিমানবন্দর চালু এবং দ্রুত বন্দরের আকরাম পয়েন্টে এলএনজি স্টেশন নির্মাণের দাবি বন্দর ব্যবহারকারীদের।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরে চায়না কোম্পানির নতুন দুটি কন্টেইনার জেটির নির্মাণ কাজ উদ্বোধনের পাশাপাশি ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের সঙ্গে রেলওয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করবেন। এর ফলে মোংলা বন্দর দিয়ে কন্টেইনার রেল চালু হবে, যা ব্যবসায়ীদের আগ্রহ ও বিনিয়োগ বাড়াবে।

আরও পড়ুন: আ.লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার আন্তর্জাতিক মানের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৪ পি.এম


সরকার আন্তর্জাতিক মানের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ৪ নভেম্বর, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বহির্বিশ্বের সাথে অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সংযুক্ত। এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক যাতায়াত ও বাণিজ্যকে সহজতর করার পাশাপাশি সীমান্ত অতিক্রমকারী ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আজ ঢাকায় হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও-এর মেঘনা হলে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ইমিগ্রেশন ও বর্ডার গভর্নেন্স সংক্রান্ত আইওএম কৌশলগত রূপরেখা (২০২৭-২০৩১)’ শীর্ষক ব্রিফিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, আধুনিক, সমন্বিত ও প্রযুক্তিভিত্তিক নিরাপদ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা সুসংহত করতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

তিনি উল্লেখ করেন, সীমান্ত পরিচালনায় জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৈধ ভ্রমণ ও বাণিজ্যকে গতিশীল করতে হবে। সরকার গৃহীত জাতীয় সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কৌশল এবং পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত সংস্কার ও উন্নয়ন রূপরেখা(২০২৭-২০৩১)-এর ওপর আলোকপাত করে জানান, ডিজিটাল রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহার, কাগজবিহীন প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং সরকারি সেবাগুলোর মধ্যে আন্তঃকার্যক্ষমতা বৃদ্ধিই বর্তমান সরকারের মূল অগ্রাধিকার।

ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নীতি ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে আমাদের বিমানবন্দর, স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টগুলোর কার্যক্রমগত সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করতে হবে। একই সাথে সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে কেবল প্রযুক্তিনির্ভর না করে মানবিক অধিকার ও সুরক্ষার প্রতি সংবেদনশীল এবং পেশাদার মানদণ্ডে উন্নীত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বহুজাতিক অপরাধ, মানব পাচার ও অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কোনো একক সংস্থার দায়িত্ব নয়। এর জন্য সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ প্রয়াস প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইওএম-এর প্রস্তাবিত ২০২৭–২০৩১ মেয়াদের কৌশলগত রূপরেখাকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের সীমান্ত কাঠামো গঠনে তাদের সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোকে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহযোগিতা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ কেবল বাংলাদেশের সীমান্তকেই সুরক্ষিত করবে না, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপদ বিশ্বায়নে বড় অবদান রাখবে।

ব্রিফিং অনুষ্ঠানে আইওএম বাংলাদেশ মিশনের প্রধান ড. লরা টম বন্ডে বলেন, ‘অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ভ্রমণের ধরন ও কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা পরিবর্তিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর ব্যবস্থা, দক্ষ জনবল এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে আরও ভালো সমন্বয়ের প্রয়োজন বাড়বে। কারিগরি দক্ষতা ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে আইওএম সহযোগিতা করতে আগ্রহী।’

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. কামরুল আহসান এবং উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং এবং ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোসহ বিভিন্ন অংশীদার সংস্থার প্রতিনিধিগণ আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

আলোচনায় বৈধ যাতায়াত ও বাণিজ্য সহজ করার পাশাপাশি মানবপাচার, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ এবং পরিচয় জালিয়াতির মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উপায় নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

উল্লেখ্য, কৌশলগত রূপরেখাতে (কাঠামোটিতে) সম্ভাব্য সহযোগিতার চারটি ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল ব্যবস্থা ও তথ্য আদান-প্রদান, প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নির্বাচিত সীমান্ত পয়েন্টে অবকাঠামো ও সেবার উন্নয়ন। এ কাঠামো বা রূপরেখা প্রণয়নে সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত সংস্কার ও উন্নয়ন রূপরেখা (জুলাই ২০২৬ - জুন ২০৩১) বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাস গড়া আবদুল এল-সায়েদ কে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৪ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাস গড়া আবদুল এল-সায়েদ কে?

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদ। তিনি মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক কংগ্রেস সদস্য মাইক রজার্সকে পরাজিত করে এই ইতিহাস সৃষ্টি করেন।

এল-সায়েদের এই বিজয় কেবল রাজনৈতিক সাফল্য নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে মুসলিম প্রতিনিধিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। পেশায় চিকিৎসক, আবদুল এল-সায়েদ জনস্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মকর্তার দায়িত্বও পালন করেছেন।

ডেমোক্র্যাট দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রাথমিক নির্বাচনে জয়লাভ করে তিনি অবসর গ্রহণ করতে যাওয়া সিনেটর গ্যারি পিটার্সের আসনে প্রার্থী হন। পরে মূল নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করে সিনেটে স্থান অর্জন করেন।

তবে, তার নির্বাচনি প্রচার বেশ বিতর্কের সম্মুখীন হয়েছে। বিশেষ করে, তার মুসলিম পরিচয় প্রচারের বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ রিপাবলিকান নেতারা বারবার তার ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে আক্রমণ করেছেন। তার বিরুদ্ধে উগ্রবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তোলা হয়েছে। তবে এল-সায়েদ এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অল্প ব্যবধানে ট্রাম্পের জয় পাওয়া মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকেই তিনি সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেসের অধিবেশন শুরু হলে এল-সায়েদ দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম হিসেবে সিনেটে দায়িত্ব পালনের নজির স্থাপন করবেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে অসুস্থ ফুয়াদের ট্রাইব্যুনালে হাজিরার নতুন তারিখ ২৩ নভেম্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৫ পি.এম


ডেঙ্গুতে অসুস্থ ফুয়াদের ট্রাইব্যুনালে হাজিরার নতুন তারিখ ২৩ নভেম্বর

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ থাকার কারণে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরা দিতে পারেননি আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তাঁর আবেদনের প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল আগামী ২৩ নভেম্বর নতুন হাজিরার তারিখ নির্ধারণ করেছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১ এ এই আদেশ প্রদান করা হয়।

ফুয়াদের পক্ষে আদালতে শুনানি পরিচালনা করেন ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, ব্যারিস্টার সানী আবদুল হক এবং অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান।

পরে ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া জানান, ফুয়াদ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। তাঁর পক্ষে সময়ের আবেদন করা হলে, ট্রাইব্যুনাল তা মঞ্জুর করে ২৩ নভেম্বর পরবর্তী হাজিরার দিন নির্ধারণ করে।

এর আগে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগে গত ১ নভেম্বর ফুয়াদকে তলব করা হয়েছিল ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে। ৪ নভেম্বর তাঁকে সশরীরে হাজির হয়ে বক্তব্যের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

গত ১ নভেম্বর প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম সাংবাদিকদের জানান, এবি পার্টির একটি অনুষ্ঠানে ফুয়াদ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। সেখানে তিনি ‘বস্তায় বস্তায় লেনদেন হচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেন।

প্রসিকিউটর উল্লেখ করেন, ফুয়াদের এ বক্তব্য ট্রাইব্যুনালের নজরে আসার পর আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে বিষয়টি আমলে নেয়। এ ঘটনায় আদালত অবমাননার অভিযোগে ফুয়াদের বিরুদ্ধে সুয়োমোটো নোটিশ জারি করা হয়। বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে তাঁকে ৪ নভেম্বর হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৫ পি.এম


রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার উপস্থিতির কারণে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে। এই সহযোগিতার আহ্বান তিনি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় জানান।

বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

সাক্ষাতের সময় লিউ হাইশিং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পৌঁছে দেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

লিউ হাইশিং বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরের সময় দুই দেশের ভবিষ্যৎ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন যুগের যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সেই ঘোষণার আলোকে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও সম্প্রসারিত হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। চীনের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার অপরিবর্তিত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের সম্ভাবনার প্রতি তিনি আস্থা প্রকাশ করেন।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়। দীর্ঘকাল ধরে দুই দেশের জনগণের হৃদয়ে এ সম্পর্কের বিশেষ স্থান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐতিহাসিক এই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা এগিয়ে নেওয়া এখন তাদের দায়িত্ব। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন প্রজন্মের হাত ধরে দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার এ ঐতিহ্য আরও এগিয়ে যাবে।

তারেক রহমান বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চীন সফরের পর বাংলাদেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়, যা পরবর্তী সময়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এ কর্মসূচি কৃষির উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখে। বর্তমান সরকারও ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছে, যা কৃষক ও সাধারণ মানুষের উপকারে আসবে। সেই সঙ্গে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চীনের কমিউনিস্ট পার্টি ও বিএনপির মধ্যে দলীয় পর্যায়ে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন উভয় পক্ষ।

লিউ হাইশিং বলেন, দুই দলের সম্পর্ক আরও বিস্তৃত ও বহুমাত্রিক করার বিষয়ে চীন আগ্রহী। এ সময় তিনি বিএনপির মহাসচিবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডর নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনোমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি) এ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির জন্য চীনের সমর্থনের কথা জানান লিউ হাইশিং।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৩ লাখ রোহিঙ্গার দীর্ঘদিনের উপস্থিতির কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজ, জনমিতি ও পরিবেশের ওপর সৃষ্ট চাপের বিষয়টি তুলে ধরেন। এ সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

জবাবে লিউ হাইশিং বলেন, চীন রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কে অবগত। তিনি এ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগের কথা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে অবহিত করবেন বলেও জানান।

বৈঠকে চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দুই দেশের রাজনৈতিক দল ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সাক্ষাৎকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে লিউ হাইশিংয়ের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউয়িন, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক পেং শিউবিন এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%