ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

এইচএসসিতে শূন্য পাস, ২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শোকজ; অধ্যক্ষদের ১০ নভেম্বর তলব


এইচএসসিতে শূন্য পাস, ২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শোকজ; অধ্যক্ষদের ১০ নভেম্বর তলব

২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস না করায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে, প্রতিষ্ঠানগুলোর অধ্যক্ষদের আগামী ১০ নভেম্বর বোর্ডের জরুরি সভায় সশরীরে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) কুদরাত-ই-খুদার স্বাক্ষরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অধ্যক্ষদের কাছে এ নোটিশটি পাঠানো হয়।

বোর্ডের নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস না করায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে লিখিত ও সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে।

আরও পড়ুন: জানাজা থেকে ফেরার পথে গ্রেপ্তার ইউপি চেয়ারম্যান, অসন্তোষ জানালেন প্রতিমন্ত্রী

এই উদ্দেশ্যে আগামী ১০ নভেম্বর সকাল ১০টায় বোর্ডের সভাকক্ষে অধ্যক্ষদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, গত পাঁচ বছরের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও সঙ্গে আনতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শূন্য পাস করা ২৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো—ই. হক কলেজ, সিটি মডেল কলেজ, এশিয়ান আইডিয়াল কলেজ, কবি জসীম উদ্দিন হাই স্কুল, মেছমাছি আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কাজী সিরাজুল ইসলাম গার্লস হাই স্কুল, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, জালাল উদ্দিন মাস্টার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, দুর্বাচারা মডেল হাই স্কুল, কিশোরগঞ্জ সিটি কলেজ, লে. কর্নেল (অব.) করিম ভূঁইয়া কলেজ, আবুল কাশেম কলেজ, ড. আব্দুর রহিম খান মহিলা কলেজ, গোলাম মনির হোসেন মহিলা কলেজ, মেদিনীমণ্ডল গার্লস কলেজ, রাজদিয়া অভয় পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ইশাপাশা কালী কিশোর হাই স্কুল, নবীগঞ্জ গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মুক্তিযোদ্ধা ফকির আবদুল জব্বার কলেজ, কাচারীপাড়া হাই স্কুল, নাগেরপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আলওয়া হাই স্কুল, খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমি, সিমলা পাবলিক হাই স্কুল ও সূর্য তরুণ শিক্ষাঙ্গন।

বোর্ডের এ উদ্যোগের মাধ্যমে শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও একাডেমিক পরিবেশ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত কোনো শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তের কথা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

আরও পড়ুন: মিয়ানমারে পাচারের সময় ৪৯২ বস্তা সারসহ ৮ পাচারকারী আটক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাণিজ্য বাধা দূর করে বাংলাদেশ-রাশিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৮ এম


বাণিজ্য বাধা দূর করে বাংলাদেশ-রাশিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে আলোচনা

বাংলাদেশ ও রাশিয়ার ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা বিদ্যমান বাণিজ্য বাধা দূর করে বিনিয়োগ এবং দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে চান। তাদের মতে, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির যথেষ্ট সুযোগ বিদ্যমান। এই সুযোগকে কাজে লাগানোর জন্য পেমেন্ট কাঠামোকে সহজ করার তাগিদ দেন উদ্যোক্তারা ও ব্যবসায়ীরা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এফবিসিসিআইয়ের মতিঝিল কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ-রাশিয়া বিজনেস ডায়ালগে’ এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল যৌথভাবে এই ডায়ালগের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক।

স্বাগত বক্তব্যে এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক জানান, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার জন্য বাণিজ্য সম্প্রসারণের দারুণ সুযোগ রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বড় কোনো বাধা নেই বললেই চলে। তবে ছোটখাটো যেসব বাধা রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে যৌথভাবে দূরীকরণের উদ্যোগ নিতে হবে।

রুশ প্রতিনিধিদলের প্রধান ইলিয়া শেস্তাকভ জানান, দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্যের পরিমাণের দিক থেকে বাংলাদেশ রাশিয়ার অন্যতম শীর্ষ অংশীদার। তিনি বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশে কৃষিপণ্য, খাদ্য ও সারের সরবরাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও ই-গভর্ন্যান্সে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী। তবে তিনি মন্তব্য করেন যে, এই বাণিজ্য সম্ভাবনা কাজে লাগাতে একটি টেকসই দ্বিপক্ষীয় পেমেন্ট অবকাঠামো গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।

ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের চাহিদা পূরণ, রেগুলেটরি পদ্ধতি সহজীকরণ, লজিস্টিকস এবং বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়াও, তিনি বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন।

এ সময় বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত অংশীদারত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে এফবিসিসিআই এবং রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। সমঝোতা স্মারকের মূল উদ্দেশ্য হলো—উভয় দেশের ব্যবসায়িক উদ্যোগ, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং সংস্থাগুলোর জন্য একটি অনুকূল ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি করা। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা উন্মোচনে পরস্পরের মধ্যে হালনাগাদ তথ্য বিনিময় করা। একই সঙ্গে দুই দেশের কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণে যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়ন, বাণিজ্য মেলা, প্রদর্শনী, বিজনেস মিশন ও বিনিয়োগ ফোরাম আয়োজনে উভয় পক্ষ যৌথভাবে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাশিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মিয়া সাত্তার, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. ইমাম আবু সাঈদ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের জয়েন্ট সেক্রেটারি আয়নুর আক্তার পান্না, এমসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট কামরান টি. রহমান, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহসভাপতি মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ, বারভিডার প্রেসিডেন্ট আব্দুল হক, বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আবুল হোসেন, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট হাসেন আলী, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান মোমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এ. কে. এম. হাবিবুর রহমান, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং এফবিসিসিআইয়ের সাধারণ পরিষদের সদস্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামান্তা শারমিনের নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়ার ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ এম


সামান্তা শারমিনের নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়ার ইঙ্গিত

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের পর নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার ইঙ্গিত দিয়েছেন সাবেক নেত্রী সামান্তা শারমিন।

তিনি তরুণদের নেতৃত্বে বিভাজনমুক্ত, গণতান্ত্রিক এবং জাতীয় স্বার্থভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে এ উদ্যোগে আগ্রহীদের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে একটি দীর্ঘ পোস্টে সামান্তা শারমিন উল্লেখ করেন, অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন ছিল এমন একটি রাজনৈতিক স্বপ্ন ও সম্ভাবনা তৈরি করা, যা মানুষকে বিভক্ত না করে ভিন্নমত ও ভিন্ন পরিচয়ের মানুষকে অভিন্ন জাতীয় আকাঙ্ক্ষার জায়গায় ঐক্যবদ্ধ করবে।

তার মতে, তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এনসিপিকে ঘিরে মানুষের প্রত্যাশা ছিল প্রচলিত রাজনৈতিক বিভাজনের বাইরে গিয়ে নতুন ধরনের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু সংকীর্ণ রাজনৈতিক হিসাব ও বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে সেই সম্ভাবনা ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে।

তবে তিনি মন্তব্য করেন, একটি দল কিংবা কয়েকজন নেতার সম্ভাবনা হারিয়ে যাওয়া মানে মানুষের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার মৃত্যু নয়। এখনো বাংলাদেশে এমন একটি রাজনৈতিক শক্তির প্রয়োজন রয়েছে, যার মূল লক্ষ্য হবে মানুষকে বিভক্ত করা নয়, বরং ঐক্যবদ্ধ করা।

সামান্তা শারমিন বলেন, এই ঐক্যের ভিত্তি হতে হবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের অভিন্ন অঙ্গীকার। কোনো বিশেষ মতাদর্শ, ধর্মীয় পরিচয় কিংবা একক রাজনৈতিক বিশ্বাসের ভিত্তিতে নয়; বরং ভিন্নমত ও ভিন্ন বিশ্বাসের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এ রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলতে হবে।

পররাষ্ট্রনীতির প্রশ্নেও বাংলাদেশের নিজস্ব স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তার বক্তব্য, ভারতবিরোধিতা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নেওয়া কিংবা যুক্তরাষ্ট্রবিরোধিতা করতে গিয়ে চীনের স্বার্থের সঙ্গে নিজেদের অবস্থান মেলানো স্বাধীন ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশের রাজনীতি হতে পারে না।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারিত হতে হবে দেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের কল্যাণের ভিত্তিতে। ভারতের সঙ্গে কোনো চুক্তি বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করলে যেমন তার বিরোধিতা করতে হবে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্র, চীন কিংবা অন্য যেকোনো দেশের সঙ্গে চুক্তির ক্ষেত্রেও একই মানদণ্ড অনুসরণ করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

নারীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অংশগ্রহণ, নেতৃত্ব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন সামান্তা শারমিন। তিনি জাতীয় পুঁজির বিকাশ ও সুরক্ষা, দেশীয় উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও নীতিনির্ধারণে জনগণের স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে সুস্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

তার মতে, জাতীয় স্বার্থ রক্ষা মানে শুধু বিদেশি প্রভাবের বিরোধিতা নয়; দেশের অভ্যন্তরে জনগণের অধিকার ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে সংকুচিত করে এমন ক্ষমতাকাঠামো ও স্বার্থের বিরুদ্ধেও অবস্থান নিতে হবে।

নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে সামান্তা শারমিন বলেন, বাংলাদেশের তরুণদের সামনে এখন চ্যালেঞ্জ শুধু নতুন একটি দল গঠন করা নয়; বরং এমন একটি রাজনৈতিক ঐক্য নির্মাণ করা, যেখানে ভিন্নমত থাকবে, কিন্তু বিভাজন রাজনীতির চালিকাশক্তি হবে না। মতাদর্শের পার্থক্য থাকলেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অভিন্ন লক্ষ্য যেন হারিয়ে না যায়।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, এই রাজনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কাজ করতে তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ। এ বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করতে আগ্রহীদের তার সঙ্গে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রকল্প এগিয়ে নিতে চান।

উল্লেখ্য, এর আগে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট রাজনীতি, দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের অভাব, নারী অধিকারের অবমূল্যায়ন এবং পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তির অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেন সামান্তা শারমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক মেহেদী হাসান বাবুর বাবা নেওয়াজ আলী সর্দার মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৯ এম


সাংবাদিক মেহেদী হাসান বাবুর বাবা নেওয়াজ আলী সর্দার মারা গেছেন

সাংবাদিক মেহেদী হাসান বাবুর বাবা নেওয়াজ আলী সর্দার মারা গেছেন। বুধবার (৪ নভেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বাদ আসর কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জরুইন গ্রামের বাড়ির ঈদগাহ মাঠে নেওয়াজ আলী সর্দারের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী জসিম উদদীনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সাংবাদিক, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে নেওয়াজ আলী সর্দারের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭৮ পুলিশ পরিদর্শক পদোন্নতি পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার হলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ এম


৭৮ পুলিশ পরিদর্শক পদোন্নতি পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার হলেন

সরকার একযোগে ৭৮ জন পুলিশ পরিদর্শককে পদোন্নতি প্রদান করে বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদে উন্নীত করেছে।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তিনটি আলাদা অফিস আদেশ জারি করেছে। প্রথম আদেশে ৬৭ জন, দ্বিতীয় আদেশে ১০ জন এবং তৃতীয় আদেশে একজন পরিদর্শককে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

উপসচিব তৌসিফ আহমেদের স্বাক্ষরিত আদেশগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পদোন্নতি প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চাকরি পুলিশ সদরদপ্তরে ন্যস্ত করা হয়েছে। তাদেরকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবের কাছে যোগদান প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। উল্লেখ্য, এসব পদোন্নতি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%