সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০১ পি.এম
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ডরমেটরি থেকে পিতল ও লোহার পাত চুরি করতে গিয়ে আটক হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ভ্যানচালক, যিনি জসিম উদ্দিন (৩০) নামে পরিচিত। তিনি আব্দালপুরের বাসিন্দা এবং তাকে প্রক্টরিয়াল বডি থানায় হস্তান্তর করেছে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে আটক করেন, যখন সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছিল। আটক হওয়ার পর প্রক্টর অফিসে নিয়ে গেলে তিনি তার অপরাধ স্বীকার করেন।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমেটরি-২ থেকে দুই দিন আগে ৪-৫ কেজি পরিমাণ পিতল ও লোহার পাত চুরি হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় যে, একজন ভ্যানচালক ওই মালামাল নিয়ে যাচ্ছিল। তার গতিবিধি লক্ষ্য করে নিরাপত্তা কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে তাকে আটক করেন এবং পরে প্রক্টরের কাছে নিয়ে যান।
আটক হওয়া জসিম বলেন, "আমি খুব অভাবে আছি। ২৭০০ মতো পেয়েছি। বাড়িতে বউপুলার জন্য চালের বস্তা কিনেছি। কাল সমিতির কিস্তিও আছে। দুইটা মেয়ে সন্তানও আছে। পুলিশকে দিয়েন না, সংশোধনের সুযোগ দিন। আমাকে মেরে ফেলতে পারেন। পেটের জ্বালায় বাধ্য হয়েছি।"
প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান জানান, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তাকে আটক করা হয়েছে এবং তিনি স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। চোরকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যানচালকদের তালিকা তৈরি করা হবে এবং সবাইকে রেজিস্ট্রির আওতায় আনা হবে। কার্ড ও এক পোষাকে ভ্যান চালানোর ব্যবস্থা করা হবে। দ্রুত আটক করার জন্য নিরাপত্তা সেলকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ বলেন, "আমাদের ফোর্স গিয়ে থানায় নিয়ে আসছে। চোরকে রিসিভ করেছি। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় এগোনো হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য নিজেদের মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে।
দলটির পক্ষ থেকে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) অনানুষ্ঠানিকভাবে দুই মেয়র প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা হয়।
ঘোষণায় বলা হয়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী হিসেবে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। অপরদিকে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে লড়াই করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি আবু সাদিক কায়েম।
মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং তিনি দলের ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের পূর্বে তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন।
অন্যদিকে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সমন্বয়ক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের ডাকসু নির্বাচনে তিনি ভিপি (সহ-সভাপতি) নির্বাচিত হন। এছাড়াও, ২০২৪ সেশনে তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এবং পরবর্তীতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
এর আগে, আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজেদের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এনসিপি কার্যালয়ে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের আওতাধীন বিভিন্ন ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলরদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় দলের আহ্বায়ক এবং বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এ ঘোষণা দেন।
তার ঘোষণার ভিত্তিতে, এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে লড়বেন নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী। অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এনসিপির হয়ে অংশগ্রহণ করবেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ অনিয়ম ও দুর্নীতির নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে এবং তারা বাংলাদেশে কোষাগার লুণ্ঠন করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিদেশি সাহায্য যা এসেছে, সবকিছু তারা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা চুরি করে তারা ফিলিপাইন নিয়ে গেছে।
রোববার (সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভোলায় এক অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন স্পিকার।
তিনি আরও বলেন, ফিলিপাইনে যারা এ অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিল, তারা বর্তমানে কারাগারে আছে। কিন্তু বাংলাদেশে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কারও বিচার হয়নি।
স্পিকার আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, "আমাদের অদ্ভুত দেশ! অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর।" তিনি বলেন, "এগুলো নানা ধরনের ঘুষখোরি, লুটপাট এসব করে; যার ফলে মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে।"
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, "যেসব অন্যায়-অবিচারের বিচার সব দেশে জনগণের চাওয়া ছাড়াই হয়। বাংলাদেশে দিনরাত কান্নাকাটি, বছরের পর বছর কান্নাকাটি করেও এই অপরাধের কোনো বিচার তাদের হয় না।"
অনুষ্ঠানে স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগের নেতা, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী দেশের সর্বনাশ করেছে লুটপাট করে। তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ আমলের এক প্রতিমন্ত্রী জাবেদ (সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী); তার ৩৬০টি বাড়ি লন্ডনে পাওয়া গেছে। দুবাই ও আমেরিকাতেও তার বাড়ি রয়েছে। তিনি বলেন, "সব বাংলাদেশের সম্পদ, আপনার-আমার টাকা, জনগণের টাকা লুণ্ঠন করে তারা এভাবে নিয়ে গেছে।"
তিনি আরও বলেন, প্রশাসনে এখনও তাদের কিছু লোক রয়েছে, যার কারণে প্রকৃত চিত্র জনগণের কাছে ভালোভাবে পৌঁছাচ্ছে না।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারতের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, বাংলাদেশ ভালো থাকুক, সেটা প্রতিবেশী রাষ্ট্র চায় না। তিনি বলেন, "তারা আমাদেরকে একটা করদ রাজ্য বানাবার চেষ্টা করছে।"
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, আগের (আওয়ামী লীগ) সরকার ১৬-১৭ বছরে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ না দেখে, ওই প্রতিবেশীর স্বার্থই দেখেছে। তিনি উল্লেখ করেন, অনেকগুলো অসম চুক্তি হয়েছে, যার ফলে বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতীয় জাহাজ এলে অন্য সব জাহাজ, এমনকি বাংলাদেশের জাহাজগুলোকেও (বন্দর) খালি করে দিতে হবে। আগে তাদের জাহাজ আনলোড করতে হবে, তারপর এখানকার আমদানিকারকদের জাহাজ খালাস করার সুযোগ দেওয়া হবে।
স্পিকার বলেন, "তারা (ভারত) অনেক মালামাল আমাদের ভূমির ওপর দিয়ে নিয়ে যায়।" তিনি বলেন, "এই মালামালের জন্য যে শুল্ক দেওয়া উচিত, তা তারা সঠিকভাবে দেয় না। এখানে তারা বিনা শুল্কে কিংবা নামমাত্র শুল্কে তাদের পণ্য পরিবহন করছে, যেটা বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী। এর ফলে আমাদের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অথচ সারা বিশ্বব্যাপী শুল্ক দিয়ে মালামাল নিতে হয়।"
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, "আমাদের সীমান্তে প্রতিদিন তো লোক হত্যা করছে তারা। পাকিস্তানের সঙ্গেও তাদের বর্ডার আছে। ওইখানে তো কাউকে কোনো দিন গুলি চালানো হয় না।"
স্পিকার প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপি এবং এর সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা–কর্মীদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন। ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি জাকির হোসেন হাওলাদার, হাসান মাকসুদুর রহমান, ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, চাঁদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মহিউদ্দিন জুলফিকার প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সদর উপজেলার বিএম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি ও হোল্ডিংয়ের আবেদন পেন্ডিং থাকার কারণে দুই ভূমি কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
আজ সোমবার সকাল ৯টার দিকে আকস্মিক পরিদর্শনের সময় বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. ওবায়দুল্লাহ এসব আবেদন দীর্ঘ সময় ধরে নিষ্পত্তি না হওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করেন।
পরিদর্শনকালে অফিসের নথিপত্র ও চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ৩১টি নামজারি আবেদন ৩০ দিনেরও বেশি সময় ধরে পেন্ডিং রয়েছে। একই সঙ্গে ১১টি হোল্ডিং আবেদনেরও নিষ্পত্তি হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে এসব আবেদন ঝুলে থাকার কারণে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিএম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা শিপন ভাবুক এবং ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে আবেদন নিষ্পত্তি না করা জনসাধারণের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এতে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সরকারি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করার বিষয়টি কেন দায়িত্বে অবহেলা হিসেবে গণ্য করা হবে না—সেই বিষয়ে তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সেই বিষয়ে নোটিশ পাওয়ার পরবর্তী তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
প্রশাসনের এই আকস্মিক পরিদর্শনের ফলে ভূমি অফিসগুলোতে সেবার মান বৃদ্ধি পাবে এবং দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার বলেছেন, ভূমি সেবার সঙ্গে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন ও অধিকার জড়িত। কোনো আবেদন অযৌক্তিকভাবে দীর্ঘদিন পেন্ডিং রাখা হবে না। জনগণকে হয়রানি না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নামজারি ও হোল্ডিংসহ সব সেবা নিশ্চিত করতে হবে। দায়িত্বে অবহেলা, কর্মবিমুখতা কিংবা জনভোগান্তি সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে দ্রুত সেবা প্রদান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলে পেশাদার ও ডিজিটাল সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য এবং পেশাগত মানোন্নয়নের প্রত্যয়ে ডিজিটাল সাংবাদিক ফোরাম, টাঙ্গাইলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন থানা সংলগ্ন সকালের বার্তা ২৪ ডটকমের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়। সভায় মো. খোরশেদ আলমকে সভাপতি এবং মো. আলমগীর হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
নবগঠিত কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে সৈয়দ মহসীন হাবীব (সবুজ) — জাতীয় দৈনিক আমার বার্তা, সহ-সভাপতি এস এম আতোয়ার রহমান — দৈনিক নবচেতনা; মো. মেহেদী হাসান সোহেল — সহ-সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক দেশ প্রতিদিন; মো. সজিব মিয়া — সাংগঠনিক সম্পাদক, টাঙ্গাইল সমাচার; মো. রুবেল রানা — সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, অপরাধ নিউজ; মো. নাহিদ খান — প্রচার সম্পাদক, এ টি ভি বাংলা নিউজ (কালিহাতী); মো. সাইফুল ইসলাম — কোষাধ্যক্ষ, দৈনিক তথ্যানুসন্ধান; মো. মোস্তফা কামাল — দপ্তর সম্পাদক, দৈনিক যুগধারা; মো. সাইফুল ইসলাম রানা — ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, টাঙ্গাইল ৭১ নিউজ; জীবন আহম্মেদ রাব্বি — কার্যকরী সদস্য, বজ্র কণ্ঠ (ঘাটাইল); মো. শাহীন — কার্যকরী সদস্য, দৈনিক সকালের বার্তা ২৪ ডটকম; মো. মারুফ — কার্যকরী সদস্য, অপরাধ প্রকাশ এবং সুজন মিয়া — কার্যকরী সদস্য, এটিএন (ক্যামেরা পারসন); কার্যকরী সদস্য মোঃ কামাল মিয়া দৈনিক সংবাদ সারাক্ষণ।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে ডিজিটাল সাংবাদিকতা সংবাদ পরিবেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। তাই সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য, মর্যাদা এবং অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা প্রয়োজন, পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ, নির্ভুল এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ পরিবেশন করতে হবে।
নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, সত্য, বস্তুনিষ্ঠতা এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে টাঙ্গাইলে ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিকাশ এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করবে ডিজিটাল সাংবাদিক ফোরাম। এ লক্ষ্যে তারা সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ