সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০৯ পি.এম
বরিশাল, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সদর উপজেলার বিএম ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি ও হোল্ডিংয়ের আবেদন পেন্ডিং থাকার কারণে দুই ভূমি কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
আজ সোমবার সকাল ৯টার দিকে আকস্মিক পরিদর্শনের সময় বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. ওবায়দুল্লাহ এসব আবেদন দীর্ঘ সময় ধরে নিষ্পত্তি না হওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করেন।
পরিদর্শনকালে অফিসের নথিপত্র ও চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ৩১টি নামজারি আবেদন ৩০ দিনেরও বেশি সময় ধরে পেন্ডিং রয়েছে। একই সঙ্গে ১১টি হোল্ডিং আবেদনেরও নিষ্পত্তি হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে এসব আবেদন ঝুলে থাকার কারণে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিএম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা শিপন ভাবুক এবং ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে আবেদন নিষ্পত্তি না করা জনসাধারণের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এতে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সরকারি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করার বিষয়টি কেন দায়িত্বে অবহেলা হিসেবে গণ্য করা হবে না—সেই বিষয়ে তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সেই বিষয়ে নোটিশ পাওয়ার পরবর্তী তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
প্রশাসনের এই আকস্মিক পরিদর্শনের ফলে ভূমি অফিসগুলোতে সেবার মান বৃদ্ধি পাবে এবং দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার বলেছেন, ভূমি সেবার সঙ্গে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন ও অধিকার জড়িত। কোনো আবেদন অযৌক্তিকভাবে দীর্ঘদিন পেন্ডিং রাখা হবে না। জনগণকে হয়রানি না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নামজারি ও হোল্ডিংসহ সব সেবা নিশ্চিত করতে হবে। দায়িত্বে অবহেলা, কর্মবিমুখতা কিংবা জনভোগান্তি সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে দ্রুত সেবা প্রদান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলে পেশাদার ও ডিজিটাল সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য এবং পেশাগত মানোন্নয়নের প্রত্যয়ে ডিজিটাল সাংবাদিক ফোরাম, টাঙ্গাইলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন থানা সংলগ্ন সকালের বার্তা ২৪ ডটকমের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়। সভায় মো. খোরশেদ আলমকে সভাপতি এবং মো. আলমগীর হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
নবগঠিত কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে সৈয়দ মহসীন হাবীব (সবুজ) — জাতীয় দৈনিক আমার বার্তা, সহ-সভাপতি এস এম আতোয়ার রহমান — দৈনিক নবচেতনা; মো. মেহেদী হাসান সোহেল — সহ-সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক দেশ প্রতিদিন; মো. সজিব মিয়া — সাংগঠনিক সম্পাদক, টাঙ্গাইল সমাচার; মো. রুবেল রানা — সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, অপরাধ নিউজ; মো. নাহিদ খান — প্রচার সম্পাদক, এ টি ভি বাংলা নিউজ (কালিহাতী); মো. সাইফুল ইসলাম — কোষাধ্যক্ষ, দৈনিক তথ্যানুসন্ধান; মো. মোস্তফা কামাল — দপ্তর সম্পাদক, দৈনিক যুগধারা; মো. সাইফুল ইসলাম রানা — ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, টাঙ্গাইল ৭১ নিউজ; জীবন আহম্মেদ রাব্বি — কার্যকরী সদস্য, বজ্র কণ্ঠ (ঘাটাইল); মো. শাহীন — কার্যকরী সদস্য, দৈনিক সকালের বার্তা ২৪ ডটকম; মো. মারুফ — কার্যকরী সদস্য, অপরাধ প্রকাশ এবং সুজন মিয়া — কার্যকরী সদস্য, এটিএন (ক্যামেরা পারসন); কার্যকরী সদস্য মোঃ কামাল মিয়া দৈনিক সংবাদ সারাক্ষণ।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে ডিজিটাল সাংবাদিকতা সংবাদ পরিবেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। তাই সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্য, মর্যাদা এবং অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা প্রয়োজন, পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ, নির্ভুল এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ পরিবেশন করতে হবে।
নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, সত্য, বস্তুনিষ্ঠতা এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে টাঙ্গাইলে ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিকাশ এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করবে ডিজিটাল সাংবাদিক ফোরাম। এ লক্ষ্যে তারা সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর হাতকড়াসহ পালিয়ে গেছেন রেনু মিয়া, যিনি একজন আওয়ামী লীগ নেতা।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই ঘটনা ঘটে উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায়।
রেনু মিয়া ইল্লাত মিয়ার পুত্র এবং তিনি ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
তথ্য অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে কুলিয়ারচর থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামলার পর থেকে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে পলাতক ছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার দুপুরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে রেনু মিয়াকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে স্থানীয়রা সেখানে জড়ো হন। তবে, এ সময় কোনো ধরনের হট্টগোলের সৃষ্টি হয়নি। জনতার ভিড়ের সুযোগ নিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় রেনু মিয়া কৌশলে পালিয়ে যান।
কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী আরিফ উদ্দিন বলেন, "ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত রাজস্ব ভবনে প্রবেশের জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দাপ্তরিক পরিচয়পত্রের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক আজ প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে রাজস্ব ভবনে বহিরাগতদের প্রবেশের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজস্ব ভবনে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাজস্ব বোর্ড এবং ভবনের অন্যান্য দপ্তরে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে দাপ্তরিক পরিচয়পত্র ব্যবহার করে রাজস্ব ভবনে প্রবেশের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সংশ্লিষ্ট সকল সদস্য, প্রেষণে কর্মরত কর্মকর্তা, বিভিন্ন শাখার প্রধান এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে বিতরণ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে রাজস্ব ভবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার যমুনা নদীঘেঁষে অবস্থিত ঐতিহাসিক তিস্তামুখ ঘাটটি চরাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা ও যোগাযোগের প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সপ্তাহে দু'দিন—শনিবার ও মঙ্গলবার—স্থানীয় হাটের দিনে এই ঘাটে পণ্য পরিবহন ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতের যে কর্মব্যস্ততা তৈরি হয়, তা দেখার মতো। তবে হাটের দিন ছাড়াও প্রতিদিন হাজারও মানুষ নদী পারাপারের জন্য এখানে ভিড় জমান।
ঘাটে সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর পাড়ে সারিবদ্ধভাবে বাঁধা রয়েছে অসংখ্য ইঞ্জিনচালিত ছোট-বড় নৌকা। চরাঞ্চল থেকে উৎপাদিত কৃষি পণ্য, গৃহস্থালি সামগ্রী, আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সতর্কতার সাথে নৌকায় ওঠানামা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। যাত্রী ও পণ্য পারাপারের এই নিরবচ্ছিন্ন ব্যস্ততায় মুখর থাকে পুরো ঘাট এলাকা। চরাঞ্চল থেকে আসা যাত্রীদের অনেককে ঘাটের ঢালু বাঁধের ওপর গাছের ছায়ায় বসে নৌকার জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
নদীর পানি কিংবা বর্ষার কাদা-মাটি—প্রতিকূল পরিবেশকে জয় করে নদীপাড়ের মানুষকে প্রতিদিন লড়তে হয় জীবন যুদ্ধে। মূল ভূখণ্ডের সাথে উপজেলা সদরের সহজ ও একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম হওয়ায় তিস্তামুখ ঘাটটি এই অঞ্চলের মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্থানীয় চরাঞ্চলের বাসিন্দারা জানান, জীবনের ঝুঁকি ও নানা দুর্ভোগ সহ্য করেই তাদের যাতায়াত করতে হয়। ঘাটটির সঠিক ব্যবস্থাপনা, প্রয়োজনীয় যাত্রীছাউনি নির্মাণ এবং অবকাঠামোগত সংস্কার করা হলে চরাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ ও উন্নত হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ