শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৬ পি.এম
সিলেট নগরীর শাহপরান থানাধীন দাসপাড়া-দেউয়াছর এলাকায় গভীর রাতে যুবদল নেতা জসিমের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে মৃত মইনুদ্দিনের ছেলে ও যুবদল নেতা জসিমের বাড়িতে একদল দুর্বৃত্তরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পপ্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের দাবি, রাতের নীরবতার মধ্যে হঠাৎ করে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে হামলায় যুবদল নেতা জসীম উদ্দীন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে এবং বাসার গেইট ও দরজা সহ বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এসময় যুবদল নেতা জসিম উদ্দিন ৯৯৯ কল দিলে, শাহপরান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অনেক সময় পরে উপস্থিত হন। হামলার কারণ, হামলাকারীদের পরিচয় এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা হয়েছে কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ কোরিয়া বর্তমানে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টায় ‘সহায়তা’ বা ‘অবদান’ রাখার বিষয়টি বিবেচনা করছে, যদি তাদের সামরিক প্রস্তুতি ব্যাহত না হয়। তবে, এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি বলে জানানো হয়েছে দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে।
এএফপি সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে সহায়তা দিতে দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর বারবার চাপ সৃষ্টি করে আসছেন। ট্রাম্পের দাবি, সিউল হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজে সহায়তা চেয়ে তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে।
শুক্রবার, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, ‘সামরিক প্রস্তুতিতে কোনো ধরনের ব্যাঘাত না ঘটিয়ে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে হরমুজ প্রণালীতে অবদান রাখার বিষয়টি পরিচালনা করা সম্ভব।’
পরে, প্রেসিডেন্টের কার্যালয় একটি পৃথক বিবৃতিতে জানায়, আজকের ব্রিফিংয়ে সামরিক সহায়তা বলতে যুদ্ধে অংশগ্রহণ, যুদ্ধের বাইরে বিভিন্ন দায়িত্ব এবং অনুসন্ধান অভিযানসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের সাধারণ বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। তবে, বাস্তবে কী ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যম জেটিবিসি এক দিন আগে জানায়, হরমুজ প্রণালীতে সহায়তার জন্য সেনা পাঠানোর বিষয়টির দিকে সরকার ‘ঝুঁকছে’ এবং সংসদের অনুমোদন চাওয়ার আগে এ বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
ছয় মাস আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে সহায়তা আদায়ে বেশ সমস্যায় পড়েছেন।
বর্তমানে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখায় এবং ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোর ওপর পাল্টা অবরোধ জোরদার করায় যুদ্ধ পরিস্থিতি অনেকটা অচলাবস্থায় রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের কাছে তেল ও গ্যাস উত্তোলন প্রকল্প নিয়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দীর্ঘকালীন বিরোধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মাইলেই। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) তিনি একটি টেলিভিশন ভাষণে ফকল্যান্ডসের ওপর আর্জেন্টিনার সার্বভৌমত্বের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং তেল প্রকল্পে যুক্ত কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কঠোর করার ঘোষণা দিয়েছেন।
মাইলেই উল্লেখ করেন, আর্জেন্টিনার অনুমোদন ছাড়া ফকল্যান্ডস এলাকায় তেল ও গ্যাস উত্তোলন প্রকল্পে যুক্ত কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার প্রক্রিয়া দ্রুততর করা হবে। তিনি একটি ডিক্রি জারি করার পাশাপাশি জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নতুন আইন কংগ্রেসে পাঠানোর পরিকল্পনার কথাও জানান। কোম্পানিগুলোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডার, পরিচালক ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট।
মাইলেইয়ের ঘোষণার কেন্দ্রে রয়েছে ‘সি লায়ন’ তেল প্রকল্প। ফকল্যান্ডসের কাছে এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান রকহপার এক্সপ্লোরেশন এবং ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান নাভিতাস পেট্রোলিয়াম। আর্জেন্টিনা এই তেল উত্তোলনকে নিজেদের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করে।
তেল প্রকল্পের পাশাপাশি দেশের দক্ষিণাঞ্চলে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন মাইলেই। তিনি তিয়েরা দেল ফুয়েগো প্রদেশে নতুন নৌঘাঁটি নির্মাণ এবং দক্ষিণ আটলান্টিকে আর্জেন্টিনার উপস্থিতি জোরদারের জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের কথাও জানিয়েছেন।
ফকল্যান্ডসকে আর্জেন্টিনা ‘মালভিনাস’ নামে উল্লেখ করে দ্বীপপুঞ্জটির ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করে। অন্যদিকে, দ্বীপগুলো বর্তমানে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যুক্তরাজ্য ফকল্যান্ডসের ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্বের দাবি বজায় রেখেছে এবং দ্বীপবাসীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে গুরুত্ব দেয়। ২০১৩ সালের এক গণভোটে ৯৯.৮ শতাংশ ভোটার ব্রিটিশ ওভারসিজ টেরিটরি হিসেবে থাকার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।
এদিকে, ফকল্যান্ডস ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এই বিরোধে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের অবস্থান পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। মাইলেই তার ভাষণে ট্রাম্পের মন্তব্যকে আর্জেন্টিনার সার্বভৌমত্বের দাবির পক্ষে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে তুলে ধরেছেন।
১৯৮২ সালে ফকল্যান্ডস নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল। যুদ্ধের পর দ্বীপপুঞ্জটি ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। আর্জেন্টিনা অবশ্য ফকল্যান্ডসের ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্বের দাবি অব্যাহত রেখেছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, এপি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারাতভ অঞ্চলের ইংগেলস শহরে এক রুশ মেজর জেনারেলকে গুলি করার চেষ্টা করা হয়েছে। গুলিতে আহত ওই সেনা কর্মকর্তা বর্তমানে বেঁচে আছেন।
প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মস্কোয় স্থানান্তরিত করা হয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাশিয়ার তদন্ত কমিটি বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ইংগেলস শহরে এক সেনাসদস্যকে লক্ষ্য করে কয়েকবার গুলি করার ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে ওই সেনাসদস্যের নাম বা পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
কিছু রাশিয়ান টেলিগ্রাম চ্যানেলে দাবি করা হয়েছে যে, গুলিবিদ্ধ ব্যক্তি মেজর জেনারেল নিকোলাই ভারপাখোভিচ। তিনি রুশ মহাকাশ বাহিনীর দূরপাল্লার বিমান শাখার ২২তম ভারী বোমারু বিমান বিভাগের কমান্ডার। রাশিয়ার তদন্ত কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ইংগেলস শহরে ওই সেনা কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে কয়েকবার গুলি করা হয়, যার ফলে তার মুখ ও শরীরে গুলির আঘাত লাগে।
পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরে তাকে মস্কোয় স্থানান্তরিত করা হয়।
ইংগেলস শহর রাশিয়ার কৌশলগত বোমারু বিমান বহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সেখানে টি-৯৫এমএস ও টি-১৬০ ধরনের ভারী বোমারু বিমান রয়েছে। ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থানে দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় রাশিয়া এসব বিমান ব্যবহার করে থাকে।
ঘটনাটির বিষয়ে ইউক্রেন সরকার এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তার নিয়মিত ভাষণে সারাতভের ঘটনার উল্লেখ করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, রাশিয়ার কর্মকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় ইউক্রেন ‘অসম অভিযান’ চালাবে। জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার অপরাধীরা লুকিয়ে থাকতে পারবে না এবং তাদের খুঁজে বের করা হবে। তিনি আরো বলেন, সারাতভ অঞ্চলে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো এর আরেকটি প্রমাণ।
মেজর জেনারেল নিকোলাই ভারপাখোভিচের বিরুদ্ধে ইউক্রেন যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনেছে। সম্প্রতি ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা ও প্রধান প্রসিকিউটরের কার্যালয় তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে। ইউক্রেনের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে তার অধীনে থাকা রুশ সেনাদের কিয়েভের ওখমাতদিত শিশু হাসপাতালে খ-১০১ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। ওই হামলায় তিনজন নিহত হন, যাদের মধ্যে এক শিশু ছিল। আহত হওয়ার পর শিশুটি মারা যায়। এ ছাড়া হামলায় কয়েক ডজন মানুষ আহত হন এবং হাসপাতালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার মধ্যে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র, ক্যানসার চিকিৎসা বিভাগ ও অস্ত্রোপচার বিভাগ অন্তর্ভুক্ত।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বিমান হামলার সতর্কবার্তা পাওয়ার পর শত শত রোগী ও হাসপাতালের কর্মীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে সতর্কবার্তা পাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর ক্ষেপণাস্ত্রটি হাসপাতালে আঘাত হানে। সে সময় কিছু রোগী হাসপাতালে ছিলেন, তাদের মধ্যে হৃদযন্ত্রের অস্ত্রোপচার চলছিল এমন তিনজন রোগীও ছিলেন। ভারপাখোভিচের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে রাশিয়া কী বলেছে, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। ওখমাতদিত হাসপাতালে হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ভারপাখোভিচের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ কয়েকটি দেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হামলার শিকার হওয়া রাশিয়ার সর্বশেষ জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের একজন হিসেবে ভারপাখোভিচের নাম সামনে এসেছে। এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে রাশিয়ার পারমাণবিক, রাসায়নিক ও জৈবিক সুরক্ষা বাহিনীর প্রধান জেনারেল ইগর কিরিলভ নিহত হন। মস্কোয় তার কাছে রাখা একটি স্কুটারে বিস্ফোরক বিস্ফোরণের পর তিনি নিহত হন। এর আগে ও পরে আরো কয়েকজন জ্যেষ্ঠ রুশ সামরিক কর্মকর্তা হামলায় নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়ারোস্লাভ মস্কালিক ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফানিল সারভারভ রয়েছেন, যারা গাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত হন। এ ধরনের কয়েকটি হামলার জন্য রাশিয়া ইউক্রেনকে দায়ী করেছে, তবে এসব হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা ইউক্রেন অনেক ক্ষেত্রেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের দামোধরতুপী গ্রামে পুলিশের হাত থেকে হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে যাওয়া আশির মিয়াকে পুনরায় গ্রেফতার করেছে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ পৌরশহরের পানসী রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ, পিপিএমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে। পরে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে শান্তিগঞ্জ থানার এসআই নুর উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশ দামোধরতুপী গ্রামে অভিযান চালিয়ে আশির মিয়াকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে হাতকড়া পরিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তোলার সময় তার স্বজনরা পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে তাকে হাতকড়া অবস্থায় ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ ওঠে।
পালিয়ে যাওয়ার পর আশির মিয়া হাতকড়া পরা অবস্থায় ফেসবুক লাইভে এসে নিজের অবস্থান জানান দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ, পিপিএম বলেন, “অপরাধ করে কেউ আইনের হাত থেকে বাঁচতে পারবে না।”
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আশির মিয়ার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ