শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫২ পি.এম
রাজধানীর মিরপুরে রাতের অন্ধকারে মুখোশধারীদের দ্বারা একটি টিকাদান ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে ভাঙচুর ও লুটপাটের পর সেখানে দোকানদার সমিতির সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে।
এ বিষয়ে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তথ্য প্রদান করেন।
তিনি জানান, প্রায় ২৫০ জন মুখোশ পরা হামলাকারী ‘সম্মাননা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’ ব্যানারে ক্লিনিকে হামলা চালায়। তারা কর্তব্যরত দুজন নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করে ভেতরে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। পরে তারা ক্লিনিকের দখল নিয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষকে সেখানে প্রবেশে বাধা দেয়।
ডা. নাসরিনের বক্তব্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা সরকারি ইপিআই টিকা, টিকা দেওয়ার রেজিস্টার ও নথি, পরিবার পরিকল্পনার বিভিন্ন সরঞ্জাম ও পদ্ধতি, ওষুধ ও ভ্যাকসিন, নগদ প্রায় ১১ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং প্রায় ৪৫ লাখ টাকা মূল্যের একটি আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন নিয়ে গেছে।
এছাড়া, লুটের অভিযোগে একটি জেনারেটর, তিনটি ফ্রিজ, তিনটি এসি, সিসিটিভি ক্যামেরা, তিনটি স্টিলের আলমারি, পাঁচটি স্টিলের ফাইল কেবিনেট, ল্যাবরেটরির সরঞ্জাম ও রিএজেন্ট, দুটি টিভি, দুটি কম্পিউটার, দুটি ল্যাপটপ, দুটি প্রিন্টার এবং বিভিন্ন আসবাবপত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি দাবি করেন, হামলাকারীরা ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে একটি পাকা ও তিনটি সেমিপাকা ভবনসহ কেন্দ্রটির স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। পরে সেখানে ‘সম্মাননা দোকানদার সমিতি লিমিটেড’-এর সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হয়।
ডা. নাসরিন জানান, যন্ত্রপাতি ও মালামালের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক দেড় কোটি টাকা।
তিনি আরও জানান, রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারটি সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে প্রায় ৫০ বছর ধরে মিরপুর এলাকার দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, প্রসূতি সেবা, পরিবার পরিকল্পনা ও শিশুদের টিকাদান সেবা প্রদান করে আসছে।
তিনি বলেন, আগামীকাল (শনিবার) থেকে সরকারি হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে কেন্দ্রটি দখল ও ভাঙচুরের কারণে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনসহ সকল ধরনের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।
ঘটনার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও জানান প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক।
তিনি বলেন, এটি শুধুমাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা নয়; বরং দেশের দরিদ্র, শিশু ও অসহায় মানুষের স্বাস্থ্যসেবার অধিকারের ওপরও আঘাত।
ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত বিচার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রটির সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দিয়ে দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালুর দাবি জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় শাহ আলী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, মামলায় হানিফ মিয়ার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশ, চুরি, হুমকি এবং দেড় কোটি টাকার বেশি ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিভিন্ন প্রতিবাদী লেখা সম্বলিত ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টারিং করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক রাত ১১টার দিকে গোপনে এ পোস্টারিং কর্মসূচি করে সংগঠনটি।
সরেজমিনে দেখা যায়, পোস্টারে ‘ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন’, ‘অবৈধ ক্যাঙ্গারু ট্রাইব্যুনালের ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদ’, এবং ‘শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে কি হবে?’ লেখা মোট তিনটি শিরোনাম দেখা যায়। তবে শিক্ষার্থীদের চোখে পড়ার আগেই নিরাপত্তা কর্মীরা এসব পোস্টার সরিয়ে নেয়।
এদিকে ‘নেত্রীর প্রত্যাবর্তন সুনিশ্চিত করতে ও অবৈধ ক্যাঙ্গারু ট্রাইবুনালের ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদে ইবি ছাত্রলীগের উদ্যোগে পোস্টারেং কার্যক্রম’ উল্লেখ করে এসব পোস্টারের ছবি ও একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন সংগঠনটির শাখা আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হাফিজ।
নিরাপত্তা কর্মীরা জানান, একই সময়ে একদিকে সিগারেটের টাকা পরিশোধ নিয়ে দোকানি কর্তৃক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে ক্যাম্পাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, নিরাপত্তা কর্মীরা সেইদিকে যখন নজর দিই, সেই সুযোগে এসব পোস্টার লাগিয়ে পালায় ছাত্রলীগ। ঘটনার একই সূত্র কিনা বা ইন্ধন আছে কিনা প্রশাসন খতিয়ে দেখছে।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে উপাচার্য ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে এ বিষয়ে কথা বলেছি। এ কাজের সাথে যারা জড়িত ও ইন্ধন দিয়েছে তাদের শনাক্ত করে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের দুষ্কৃতকারীদের ঠাঁই হবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য সুশিক্ষিত ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
তিনি নারী সমাজের উন্নয়নে সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে বলেন, "দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তাদের বাদ দিয়ে কোনোভাবেই টেকসই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব নয়।" নারীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হিসেবে স্বাবলম্বী করার বিষয়টি সময়ের দাবি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) হাটহাজারী বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপন ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, "বর্তমান সরকার অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।" সেই লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি প্রবর্তন করেছেন। হাটহাজারীকে এই প্রকল্পের পাইলট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই উদ্যোগ নারীর আত্মকর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
শিক্ষার্থীদের ওপর জোরপূর্বক কিছু চাপিয়ে না দিয়ে তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "সন্ধ্যার পর সন্তান কোথায় যাচ্ছে বা কার সঙ্গে মিশছে—এসব বিষয়ে পরিবারের খেয়াল রাখা জরুরি।"
অনুষ্ঠানে হাটহাজারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নওশীন আরজান হেলালের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, ড. কানিজ ফাতেমা, মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান দৌলত। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন মন্তব্য করেছেন, ‘২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ৫ আগস্ট যে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন, বাংলার মাটিতে তাদের আর কোনো দিন পুনর্বাসন বা ঠাঁঁই হবে না। ডিসেম্বরে দেশে ফেরার যে বার্তা হাসিনা দিচ্ছেন, তা কেবলই দুঃস্বপ্ন হয়ে থাকবে।
আজ শুক্রবার বিকেলে নগরীর রয়েল মোড়ে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। সারাদেশে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও দেশ বিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়, যা খুলনা মহানগর যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন- আর যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ঘরে বসে থাকবে- এটা কি সম্ভব? তিনি বলেন, ‘২৪-এর ৫ আগস্ট বাংলার মাটি থেকে এই ফ্যাসিস্টদের বিতাড়িত করা হয়েছে। ক্ষমতার লোভে চার বছরের শিশু থেকে শুরু করে আশি বছরের বৃদ্ধকে পর্যন্ত গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তাদের পুলিশই স্বীকার করেছে ‘একটা গুলি করি, একজন মরে, আরো তিনজন এগিয়ে আসে’। এই বর্বর গণহত্যার পর তাদের আর রাজনীতি করার নৈতিক অধিকার থাকে না।
বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনের চিত্র তুলে ধরে তুহিন বলেন, শেখ হাসিনা গত ১৭ বছরে দেশ থেকে ৩৩ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। তিনটি অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে জোর করে ক্ষমতায় থেকেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় বিনা কারণে জেল খাটিয়েছেন। আমাদের নেতা তারেক রহমানকে দেশে আসতে দেননি- এমনকি একমাত্র ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর জানাজায়ও অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। আমাদের শত শত নেতাকর্মীর মা-বাবা, ভাই-বোন মারা গেলেও কারাবন্দী অবস্থায় তাদের শেষবারের মতো জানাজা পড়ার সুযোগটুকুও দেয়নি তৎকালীন জালিম সরকার।
তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, যতদিন আমাদের শরীরে শহীদ জিয়ার আদর্শের রক্ত প্রবাহিত হবে, ততদিন পর্যন্ত শেখ হাসিনা ও তার দোসররা বাংলার মাটিতে আর প্রবেশ করতে পারবে না। তাকে দেশে ফিরতে হলে ফাঁসির কাষ্ঠে দাঁড়ানোর জন্যই ফিরতে হবে।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শেখ আব্দুল আজিজ সুমন, যা খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি ও খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা’র নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রুবেলের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিরাজুর রহমান, মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক তাজিম বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইশতিয়াক আহমেদ ইস্তি ও ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান বিপ্লব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ড. ইব্রাহিম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
শুক্রবার রাত ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের এক শোক বার্তায় জানানো হয়েছে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী, সহকর্মী এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৭৪ বছর।
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইব্রাহিমের মৃত্যুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের পক্ষে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সংগঠনটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান এবং দুই যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম ও অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার।
এক বিবৃতিতে তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও চিরশান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষা ও গবেষণায় এই অধ্যাপকের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ