ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভোলায় এক কোরাল মাছ ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি


ভোলায় এক কোরাল মাছ ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি

ভোলার মনপুরা উপজেলা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে জেলের জালে ১৬ কেজি ওজনের একটি বড় কোরাল মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি উন্মুক্ত নিলামে ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কলাতলী ইউনিয়নের ঢালচর মৎস্য আড়তে মাছটির নিলাম হয়।

স্থানীয়রা জানান, ভোরে মেঘনা নদীতে স্থানীয় বাসিন্দা কামাল মাঝি দুইজন জেলেকে নিয়ে মাছ ধরতে যান। নদীতে জাল ফেলে টেনে তোলার পর বিভিন্ন প্রজাতির মাছের সঙ্গে বিশাল আকৃতির কোরালটিও ধরা পড়ে। পরবর্তী সময়ে বিক্রির জন্য নদী তীরবর্তী রাজিব চৌধুরীর আড়তে আনলে হইচই পড়ে যায় এবং একাধিক ব্যবসায়ী নিলামে অংশগ্রহণ করেন। নিলামে সর্বোচ্চ ২৪ হাজার টাকায় মাছটি ক্রয় করেন মৎস্য ব্যবসায়ী শামিম তালুকদার।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

মাছটির ক্রেতা শামিম তালুকদার বলেন, সচরাচর এত বড় কোরাল মাছ পাওয়া যায় না। তাই নিলামে সর্বোচ্চ দামে মাছটি আমি ক্রয় করেছি। এটি বিক্রির জন্য ইলিশসহ অন্যান্য মাছের সাথে ঢাকায় পাঠাব। আশা করছি সেখানে ২৭-২৮ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারব।

মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, সম্প্রতি জেলেরা বলছেন, নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশসহ অন্যান্য মাছ পাচ্ছেন না। আজকে মেঘনা নদীতে জেলের জালে ১৬ কেজির কোরাল মাছ ধরা পড়ার বিষয়টি অন্যান্য জেলেদের জন্য আশার আলো দেখাচ্ছে। আশা করি সামনের দিনগুলোতেও জেলেরা বড় বড় ইলিশ ও কোরালসহ অন্যান্য মাছ পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজ্ঞাপনে পোশাক বিতর্ক নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন কৃতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


বিজ্ঞাপনে পোশাক বিতর্ক নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন কৃতি

বলিউড অভিনেত্রী কৃতি স্যানন সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি গহনার ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন নিয়ে তীব্র বিতর্কের মুখোমুখি হয়েছেন। এই বিজ্ঞাপনে তার পোশাক এবং পোষ্যকে রাখি পরানোর দৃশ্য নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।

 

বিজ্ঞাপনটিতে কৃতিকে ব্রালেট ধরনের পোশাকের সঙ্গে হালকা জ্যাকেট এবং স্কার্ট পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়। ঐতিহ্যবাহী রাখিবন্ধন উৎসবের জন্য এমন পোশাক কতটা উপযুক্ত, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিতর্ক শুধু পোশাকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না।

 

বিজ্ঞাপনে পোষ্যকে পরিবারের সদস্যের মতো রাখি পরানোর দৃশ্যও দেখানো হয়েছে, যা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। বিজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘এই বিজ্ঞাপন দেখে আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি।

 

’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘এইরকম বিজ্ঞাপনে সব সীমা লংঘন করা হয় কিন্তু কেউ কিছু বলে না।’ কিছু নেটিজেন রাখিবন্ধনের প্রচলিত রীতিনীতির প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন তুলেছেন। একজন লিখেছেন, ‘পূজার থালা কোথায়? তিলক না দিয়েই রাখি পরানো হচ্ছে?’

এই বিতর্কের মধ্যে কঙ্গনা রানাউত অভিনেত্রী কৃতিকে নাম উল্লেখ না করেই কটাক্ষ করেছেন। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি লিখেছেন, ‘নারী হওয়ার জন্য এটি একটি চমৎকার সময়। আমাদের আলমারি নানা ধরনের পোশাকে ভরা, আজকের নারী একজন বিশ্বজনীন নারী।

 

ককটেল ড্রেস থেকে লেহেঙ্গা চোলি, জিন্স থেকে শাড়ি, বিকিনি থেকে সালোয়ার কামিজ, আজ আমাদের কাছে এতসব বিকল্প থাকতে তুমি কেন তোমার ভাইকে বিকিনি/অন্তর্বাস পরে রাখি বাঁধবে? তোমার স্টাইলিংয়ের সব বিকল্প কোথায়? হা হা বিজ্ঞাপনটি ইচ্ছাকৃতভাবেই বিদঘুটে লাগছে!’

বিতর্কের কয়েক দিন পর মঙ্গলবার কৃতি নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক স্টোরিতে তিনি জানান, উৎসবের প্রকৃত অর্থ পোশাক দিয়ে বিচার করা উচিত নয়।

কৃতি লিখেছেন, ‘উৎসবের আসল মর্ম পোশাকে নয়, বরং ঐতিহ্যের প্রতি আপনার আবেগ কতটা, সেটা নির্ধারণ করে। রাখি বন্ধন হলো সুরক্ষার এক বন্ধন। আমি আর আমার বোন একে অপরকে রাখি বাঁধি। তাই জানি একজন ভাই যেমন একে অপরকে রক্ষা করে তেমন আমরাও করি। আমরা একে অপরের সুখ এবং দীর্ঘ জীবনের জন্য প্রার্থনা করি। আর এই প্রার্থনা এবং ভালোবাসার মধ্যে কুকুররাও থাকে। সর্বোপরি তারাও পরিবারের অংশ হয়। এ ছাড়া নারীদের কী পরতে হবে, সেটা কবে বলা বন্ধ হবে? সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফ্যাশনের পরিবর্তন ঘটেছে কিন্তু নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা এখনো তাদের পোশাক দিয়েই মাপা হয়।’

অভিনেত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, রাখিবন্ধনের মূল চেতনা হলো ভালোবাসা, সুরক্ষা ও পারস্পরিক বন্ধন। তিনি পোষ্যের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে কোনো সমস্যা দেখেন না।

একই সঙ্গে নারীর পোশাক নিয়ে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কৃতি। তার মতে, সময়ের সঙ্গে ফ্যাশনে পরিবর্তন এলেও নারীদের প্রতি সম্মান এখনো অনেক ক্ষেত্রে তাদের পোশাকের ওপর ভিত্তি করেই বিচার করা হয়।

সব মিলিয়ে একটি বিজ্ঞাপনের পোশাক নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক কৃতির বক্তব্যের মাধ্যমে নতুন মাত্রা পেয়েছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদিতে ব্যাপক ধরপাকড়, ১৪ হাজার প্রবাসী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


সৌদিতে ব্যাপক ধরপাকড়, ১৪ হাজার প্রবাসী গ্রেপ্তার

সৌদি আরবে আকামা (রেসিডেন্স পারমিট), সীমান্ত নিরাপত্তা ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে এক সপ্তাহের টানা অভিযানে ১৪ হাজার ২৬০ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ইতিমধ্যেই ১৩ হাজার ৭২৪ জন অবৈধ বাসিন্দাকে দেশে ফেরত (বহিষ্কার) পাঠানো হয়েছে।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ১৩ থেকে ১৯ আগস্টের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর যৌথ অভিযানে এই বিপুল সংখ্যক প্রবাসী গ্রেপ্তার হন।

তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার প্রবাসীদের মধ্যে ৬ হাজার ৯০০ জন রেসিডেন্স পারমিট বা বাসস্থানের নিয়ম ভাঙার অপরাধে, ৩ হাজার ৯৮২ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন অমান্য করায় এবং ৩ হাজার ৩৭৮ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনের কারণে আটক হয়েছেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তথ্যে বলা হয়েছে, বর্তমানে অতিরিক্ত ১৮ হাজার ৮০৮ জন আইন লঙ্ঘনকারীকে ট্রাভেল পারমিট বা আউটপাস সংগ্রহের জন্য তাদের নিজস্ব কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। আর ৫ হাজার ৩৮৬ জনকে নিজ খরচে ট্রাভেল টিকিট বুকিং সম্পন্ন করার জন্য আইনি প্রক্রিয়ায় রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২৯ হাজার ৯৬১ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ৯৬১ জন নারীসহ মোট ৩১ হাজার ৯২২ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে বর্তমানে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

অভিযান চলাকালে অবৈধ উপায়ে সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টাকালে গ্রেপ্তার করা হয় ১ হাজার ৫২৪ জনকে। যাদের মধ্যে ৬৩ শতাংশ ইথিওপিয়ান, ৩৬ শতাংশ ইয়েমেনি এবং ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। পাশাপাশি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টাকালে ৩৮ জন এবং অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয়, পরিবহন বা কাজ দেওয়ার অভিযোগে আরও ২৪ জনকে আটক করা হয়।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক কঠোর হুঁশিয়ারিতে জানিয়েছে, অবৈধভাবে কাউকেও প্রবেশের সুবিধা দেওয়া, পরিবহন করা কিংবা আশ্রয় বা কাজ দিলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। একই সঙ্গে এই অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন ও বাড়ি বা সম্পত্তি সরাসরি বাজেয়াপ্ত করবে রাষ্ট্র।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫৪ পি.এম


মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা, ২৫ আগস্ট, ২০২৬: পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা, ক্ষমা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে আজ দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শুভাগমন মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক অনন্য ও মহিমান্বিত ঘটনা। তাঁর আবির্ভাব মানুষের জন্য সত্য ও আলোর এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। তিনি মানুষকে তাওহিদের দিকে আহ্বান করার পাশাপাশি সত্য, ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, মানবিকতা ও শান্তির শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁর পবিত্র জীবন ও কর্ম সমগ্র মানবজাতির জন্য চিরন্তন পথনির্দেশ ও অনুসরণীয় আদর্শ হয়ে আছে।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানসহ বিশ্বের সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে অশেষ শুকরিয়া আদায় করছি, যিনি মানবজাতির হেদায়াত ও কল্যাণের জন্য সর্বশেষ নবী ও রাসূল, রহমাতুল্লিল আলামিন হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। তাঁর প্রতি অগণিত দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।’

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ’ (সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ২১)। মহানবী (সা.)-এর জীবন ছিল পবিত্র কুরআনের শিক্ষার বাস্তব ও জীবন্ত প্রতিফলন। সত্যবাদিতা, আমানতদারি, ন্যায়বিচার, ক্ষমাশীলতা, সহনশীলতা, দয়া ও পরোপকারের অনন্য দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন। তাঁর জীবনাচরণে আমরা যেমন আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্যের শিক্ষা পাই, তেমনি মানুষের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও মহানুভবতার অপূর্ব প্রকাশ দেখতে পাই।

মহানবী (সা.) জাতি, বর্ণ, গোত্র, ভাষা ও সামাজিক অবস্থানের বিভেদ অতিক্রম করে মানুষের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় জোর দিয়েছেন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, তিনি এতিম, দরিদ্র, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল ও সহমর্মী হওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন। পরিবার, প্রতিবেশী, নারী, শিশু এবং সমাজের দুর্বল ও প্রান্তিক মানুষের অধিকার রক্ষার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তাঁর শিক্ষা মানুষে মানুষে বিভেদ নয়, বরং ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধের বন্ধনকে সুদৃঢ় করে।

তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব নানা সংকট ও চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। যুদ্ধ, সংঘাত, হিংসা, বৈষম্য, অসহিষ্ণুতা ও নৈতিক অবক্ষয় মানুষের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনকে ব্যাহত করছে। এমন এক সময়ে মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা, ক্ষমা ও মানবিকতার শিক্ষা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তাঁর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায়, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের তরুণ প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের মাদক, সন্ত্রাস, উগ্রতা ও অপরাধের পথ থেকে দূরে রেখে জ্ঞান, সৃজনশীলতা, নৈতিকতা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের চেতনায় গড়ে তুলতে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ হতে পারে এক অনন্য প্রেরণার উৎস। তাঁর আদর্শ তরুণদের সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকতে, অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে এবং সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে উদ্বুদ্ধ করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা শুধু মুসলমানদের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য নয়, মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশের ক্ষেত্রেও গভীর তাৎপর্য বহন করে। তাঁর আদর্শকে আমাদের ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন ও সামাজিক আচরণে ধারণ করতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও ন্যায়বোধকে শক্তিশালী করার মধ্য দিয়েই আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুমহান জীবনাদর্শ ও সুন্নাহ অনুসরণ করার তাওফিক দান করুন। তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ আমাদের ব্যক্তি ও সমাজজীবনে সত্য, ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার চেতনাকে আরো সুদৃঢ় করুক। বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বে শান্তি, ন্যায়, সাম্য, সমৃদ্ধি ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠিত হোক-এই পবিত্র দিনে এটাই আমার আন্তরিক প্রার্থনা।’

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে তিনি দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ ও শুভেচ্ছা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোমস্তাপুরে হরিজন যুবকদের মাদকমুক্ত রাখতে মানবিক ইউএনও জিল্লুর রহমানের স্পোর্টস উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ পি.এম


গোমস্তাপুরে হরিজন যুবকদের মাদকমুক্ত রাখতে মানবিক ইউএনও জিল্লুর রহমানের স্পোর্টস উদ্যোগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা প্রশাসন তরুণ ও যুবসমাজকে মাদক এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে সুস্থ ও সুন্দর জীবনের ধারায় বজায় রাখার জন্য একটি ব্যতিক্রমী ও মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান, গোমস্তাপুর উপজেলার হরিজন সম্প্রদায়ের যুবকদের জন্য খেলাধুলার সামগ্রী হিসেবে ফুটবল উপহার দিয়েছেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পিছিয়ে পড়া হরিজন সম্প্রদায়ের তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং সামাজিক ইতিবাচক কাজে উৎসাহ প্রদান করার উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করে তাদের মাদকের ভয়াবহ প্রভাব থেকে রক্ষা করাই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।

খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান মন্তব্য করেছেন,

"যুবসমাজকে মাদক ও যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। খেলাধুলা কেবল শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটায় না, তরুণদের সঠিক পথে পরিচালিত করতেও বড় ভূমিকা রাখে। হরিজন সম্প্রদায়ের যুবকদের মূলধারায় সম্পৃক্ত রাখতে আমাদের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।"

এই মানবিক ও সময়োপযোগী উদ্যোগের ফলে হরিজন সম্প্রদায়ের যুব সমাজ অত্যন্ত আনন্দিত এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। স্থানীয় সচেতন মহলও ইউএনও জিল্লুর রহমানের এই প্রশংসনীয় উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%