বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০১:০০ পি.এম
নব্বই দশকের দাপুটে অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। তিনি আজও রূপে-গুণে অনন্য। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন দারুণ দারুণ সব সিনেমা। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তার জনপ্রিয়তায় এতটুকুও ভাটা পড়েনি, বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে নতুন নতুন রূপে মেলে ধরে ভক্তদের চমকে দিতে ভালোবাসেন এই তারকা।
এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিন্নধর্মী ও আবেগঘন ভিডিও শেয়ার করে ভক্তদের চমকে দিলেন এই অভিনেত্রী। ভিডিওটিতে তাকে বেশ কয়েকজন নারীর সঙ্গে আনন্দঘন ও সাবলীল মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দী হতে দেখা গেছে।
ভিডিও শেয়ার করে পূর্ণিমা ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এই সেই আমার বান্ধবীরা।’ এই লেখার সাথে তিনি ভালোবাসার ইমোজি জুড়ে দিয়েছেন।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, একটি খোলামেলা ও সবুজ প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে আছেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। তার পরনে রয়েছে আকর্ষণীয় একটি কমলা ও কালো রঙের সুতি শাড়ি, চোখে কালো সানগ্লাস এবং গলায় জমকালো গহনা। সেখানে একে একে নারীরা এসে তার সঙ্গে হাসিমুখে ছবি তুলছেন। তাদের পরনে ছিল গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী সাধারণ সালোয়ার-কামিজ ও শাড়ি।
ভিডিওর একপর্যায়ে বান্ধবীদের সঙ্গে পূর্ণিমার খুনসুটি ও হাসির রোল পড়ে যায়। এক নারীর সঙ্গে ইয়ার্কি করতে করতে জড়িয়ে ধরার মুহূর্তটি ছিল বেশ আবেগঘন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় দোকানঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে বাবু রাঢ়ী (২৫) নামে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৫ জুন) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত বাবু রাঢ়ী উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম সাদেকপুর গ্রামের দুলাল রাঢ়ীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে নিজস্ব জমিতে দোকানঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বাবু রাঢ়ীর বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ৮ থেকে ৯ জনের একটি দল তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা লাঠিসোঁটা দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করলে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের বাবা দুলাল রাঢ়ী অভিযোগ করে বলেন, পরিকল্পিতভাবে তার ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তিনি ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্তরা ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে।
মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিন উদ্দিন বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে শিগগিরই তা জাতীয় সংসদে পাস করা হবে। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, মাদক সংক্রান্ত মামলা জট দূর করার লক্ষ্যে আলাদা ট্রাইব্যুনালও গঠন করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এই তথ্য প্রদান করেন।
মাদকাসক্তির বিষয়টি সামনে এনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত। এজন্য ঢাকাসহ তিনটি বিভাগীয় শহরে মাদক নিরাময় কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বেসরকারি পর্যায়ের মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোকে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে, যাতে মাদক নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো জানান, সরকারের তরফ থেকে মাদক নিরাময়ে ৭৩টি প্রতিষ্ঠানকে এবার ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।
এসময়ে তিনি আরো বলেন, আইন সংশোধনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অস্ত্র প্রদান, থানায় আসামী হস্তান্তরের আগে রাখার জন্য হাজতখানা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুটি হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীকে জামিন দেননি হাইকোর্ট। এ ছাড়া আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) হাইকোর্ট সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
এর আগে চব্বিশের জুলাই-অগাস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামিন চান তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। রোববার (২৬ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানিও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
ওই সময় তৌফিক-ই-ইলাহী জামিন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ আলী আহমেদ খোকন শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
ট্রাইব্যুনালে আইনজীবী খোকন বলেন, আমার ক্লায়েন্ট তৌফিক-ই-ইলাহী শুধুমাত্র একজন উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি ১৪ দলের কেউ নন। ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্ট আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো বৈঠকে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। অথচ বর্তমানে তিনি এক বছর সাত মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সম্পর্কে যেকোনো মামলায় আসামি গ্রেফতার হওয়ার এক বছরের মধ্যে যদি তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়া হয়, তাহলে জামিন পেতে পারেন। এজন্য তাকে জামিন দেওয়া উচিত।
এ সময়ে চিফ প্রসিকিউটরকে শুনতে চান ট্রাইব্যুনাল, যিনি আরও সময় চান। তিনি জানান, এর মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আগামী ২৬ জুলাই এ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে আইনজীবী খোকন বলেন, ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর অন্য মামলায় গ্রেফতার হন তৌফিক-ই-ইলাহী। ট্রাইব্যুনালের এ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয় একই বছরের ২৭ অক্টোবর। আইসিটির কার্যবিধিতে বলা হয়েছে যে, গ্রেফতারের এক বছরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। যদি না দিতে পারে তাহলে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেওয়ার সুযোগ রয়েছে ট্রাইব্যুনালে। ‘প্রাইমা ফেসি’ না থাকলে আদালত অব্যাহতি দিতে পারেন। এছাড়া উপদেষ্টার পদটি কোনো নির্বাহী আদেশের আওতায় পড়ে না। তিনি শুধুমাত্র সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক কিছু উপদেশ দিয়েছিলেন। এই উপদেশ সরকার পালন করতেও পারে নাও করতে পারে।
২০২৫ সালের ৮ মে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর জামিন আবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল খারিজ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) মায়ামিতে, গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসাবে শেষ ৩২–এ স্থান করে নিল ব্রাজিল। নিজেদের গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হলেও, রাউন্ড অব ৩২–এ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
নকআউট পর্বে ব্রাজিলের প্রথম প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হবে বাংলাদেশ সময় আগামীকাল (২৬ জুন) ভোরে। এই দিন গ্রুপ এফ-এর শেষ রাউন্ডের ম্যাচে নেদারল্যান্ডস মুখোমুখি হবে তিউনিসিয়ার এবং জাপানের প্রতিপক্ষ হবে সুইডেন। এই গ্রুপের একটি দলের বিরুদ্ধে রাউন্ড অব ৩২–এ ম্যাচ খেলতে হবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
এফ গ্রুপ থেকে তিউনিসিয়ার বিদায় আগেই নিশ্চিত হয়েছে। নকআউটে ওঠার লড়াইয়ে টিকে আছে নেদারল্যান্ডস, জাপান এবং সুইডেন। বর্তমানে, জাপান এই গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। যদি এই অবস্থান অপরিবর্তিত থাকে, তাহলে ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে জাপান।
গ্রুপ এফ-এর বর্তমান চিত্র:
* নেদারল্যান্ডস – ৪ পয়েন্ট (৭ গোল, গোল ব্যবধান ৩)
* জাপান – ৪ পয়েন্ট (৬ গোল, গোল ব্যবধান ২)
* সুইডেন – ৩ পয়েন্ট (৬ গোল, গোল ব্যবধান শূন্য)
* তিউনিসিয়া – ০ পয়েন্ট (গোল ব্যবধান মাইনাস ৮, বিদায় নিশ্চিত)
ব্রাজিল গ্রুপ সি-এর চ্যাম্পিয়ন হিসেবে গ্রুপ এফ-এর রানার্স-আপ দলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
সম্ভাব্য পরিস্থিতি:
* নেদারল্যান্ডস যদি তিউনিসিয়াকে হারায় – তারা গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রাখবে, যদি না জাপান সুইডেনকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে গোল পার্থক্য বা গোলসংখ্যায় এগিয়ে যায়।
* নেদারল্যান্ডস যদি ড্র করে বা হারিয়ে যায় – তাহলে জাপান–সুইডেন ম্যাচের ফলাফল গ্রুপের অবস্থান নির্ধারণ করবে।
* জাপান যদি সুইডেনকে হারায় – জাপান শীর্ষে উঠতে পারে, বিশেষ করে যদি নেদারল্যান্ডস জয় না পায় অথবা কম ব্যবধানের জয় পায়।
* জাপান–সুইডেন ম্যাচ ড্র হলে – জাপান শুধুমাত্র তখনই শীর্ষে উঠতে পারবে, যদি নেদারল্যান্ডস তিউনিসিয়ার কাছে হেরে যায়। অন্যথায়, দ্বিতীয় স্থানের জন্য হিসাব হবে গোল পার্থক্যের ভিত্তিতে।
* সুইডেন যদি জাপানকে হারায় – সুইডেন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারে, যদি নেদারল্যান্ডস ড্র করে বা হেরে যায়। সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানের জন্য লড়াই হবে নেদারল্যান্ডস ও জাপানের মধ্যে।
নেদারল্যান্ডস কেমন দল?
কোচ রোনাল্ড কোম্যানের দল দুর্দান্ত বিশ্বকাপ কাটাচ্ছে। দুই ম্যাচেই অরেঞ্জরা ৭ গোল করেছে এবং মাত্র ৩ গোল হজম করেছে।
আক্রমণে তাদের প্রধান শক্তি হচ্ছে কোডই গাকপো, দানিয়েল মালেন এবং ব্রায়ান ব্রবি। এছাড়া, পুরোপুরি ফিট না থাকলেও বেঞ্চে রয়েছেন অভিজ্ঞ মেমফিস ডিপেই। দলটির আক্রমণভাগ শক্তিশালী হলেও, জাপানের বিপক্ষে সেট-পিস ডিফেন্সে কিছু দুর্বলতা দেখা গেছে।
জাপান কেমন দল?
গত অক্টোবরে একটি প্রীতি ম্যাচে জাপান ৩-২ গোলে ব্রাজিলকে পরাজিত করেছিল।
কোচ হাজিমে মরিয়াসুর দল পুরো ম্যাচজুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে এবং ঝুঁকি নিতে ভয় পায় না। তাদের আক্রমণের মূল ভরসা হচ্ছে আয়ুয়াসে উয়েদা, তাকেফুসা কুবো, ডাইজেন মায়েদা, জুনিয়া এতো এবং রিতসু দোয়ান।
তবে, উইং-নির্ভর আক্রমণের কারণে তারা অনেক সময় কাউন্টার অ্যাটাকে ফাঁকা জায়গা ছেড়ে দেয়। এই বিষয়টি ব্রাজিলের ভিনিসিউস জুনিয়র, লুইজ হেনরিক এবং রায়ানদের মতো উইঙ্গারদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
সুইডেন কেমন দল?
সুইডেনের বিশ্বকাপ অভিযান ছিল ওঠানামায় ভরা। প্রথম ম্যাচে তারা তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলে পরাজিত করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের কাছে একই ব্যবধানে হেরেছে।
তাদের আক্রমণের প্রধান তারকা হচ্ছে ভিক্তর ইয়োকেরেস ও অ্যালেক্সান্ডার ইসাক। মিডফিল্ডার ইয়াসিন আয়ারি প্রথম ম্যাচে উজ্জ্বল ছিলেন, কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেননি।
সুইডেনের বড় দুর্বলতা হচ্ছে তাদের রক্ষণভাগ। তারা প্রায়ই প্রতিপক্ষকে জায়গা দেয় এবং ডিফেন্সে ভুল করে বসে। নেদারল্যান্ডস ৫-১ জয়ে এই দুর্বলতাগুলো পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ