ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ওয়েদারল্ডকে বোল্ড করে হাসানের উল্লাস


ওয়েদারল্ডকে বোল্ড করে হাসানের উল্লাস

ঘরের মাঠ ডারউইনে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। বিপদ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য অস্ট্রেলিয়ানদের জন্য প্রয়োজন ভালোভাবে শুরু করা।

কিন্তু কিসের কী? ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে গেছে জ্যাক ওয়েদারল্ড।

২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে তারা দ্বিতীয় ইনিংসে নামে, কিন্তু ডাক মেরে বিদায় নেন ওয়েদারল্ড। তাকে দলের ৪ রানে আউট করেন বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের সেরা পেসার হাসান মাহমুদ। বাংলাদেশি পেসারের বল ব্যাটের কানায় লেগে রান আউট হন অজি ওপেনার।

আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দাপট, ৩৩০ রান করে ১ রানের লিড

প্রতিবেদন লেখার সময় অস্ট্রেলিয়ানদের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ১২ রান। এখনো রান খাতা খুলতে না পারা ওপেনার ট্রাভিস হেডের বিপরীতে ৭ রানে অপরাজিত রয়েছে মারনাস লাবুশানে। বাংলাদেশের থেকে এখনো তারা ২১৬ রানে পিছিয়ে রয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশ ৪২৬ রানে অলআউট হয়।

সেঞ্চুরি অর্জন করেন তানজিদ হাসান তামিম। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাঠে ১০১ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। এ ছাড়া ফিফটি পান নাজমুল হোসেন শান্ত (৮৪) ও মেহেদী হাসান মিরাজ। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বোচ্চ ৬ উইকেট নিয়েছেন পেসার জশ হ্যাজলউড, যিনি ৮৯ রান খরচ করেন। আর প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ১৯৮ রানে অলআউট হয়েছে। বাংলাদেশের হয়ে হাসান ৫৫ রানে ৬ উইকেট নেন।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতিহাসের পরিসংখ্যান বলছে বাংলাদেশের কাছে হারতে পারে অস্ট্রেলিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৬ এম


ইতিহাসের পরিসংখ্যান বলছে বাংলাদেশের কাছে হারতে পারে অস্ট্রেলিয়া

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ধাক্কা খাওয়ার পর, বাংলাদেশ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হারের মতো ভঙ্গুর অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পটাই যেন লিখছে। এমন একটি দলের কথা বলা হচ্ছে, যেটিকে ঘিরে ক্রিকেটবোদ্ধাদের চরম সংশয় ছিল। কিন্তু এখন, সেই লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা ডারউইনে পূর্ণশক্তির অস্ট্রেলিয়ার ওপর নিজেদের দাপট প্রকাশ করছে।

প্রথম ইনিংসে সফরকারী বাংলাদেশ ২২৮ রানের বিশাল লিড সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে। ইতিহাস এবং পরিসংখ্যান বলছে, অজিদের সামনে এখন প্রায় অসম্ভব এক পাহাড় সমান চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।

যদি পরিসংখ্যানের পাতা উল্টানো হয়, তবে দেখা যায় যে ২০০০ সালের পর থেকে প্রথম ইনিংসে ১৫০ বা তার বেশি রানে পিছিয়ে পড়ার পর অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ জিততে পেরেছে মাত্র তিনবার। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় মিরাকলটি ২০১০ সালে সিডনি টেস্টে ঘটেছিল, যেখানে পাকিস্তানের ২০৬ রানের লিড পার করে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল অজিরা।

এছাড়া ২০০৪ সালে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৬১ রান এবং ২০০৬ সালের ফতুল্লা টেস্টে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১৫৮ রানে পিছিয়ে থেকেও জয় অর্জন করেছিল তারা।

অর্থাৎ, একবিংশ শতাব্দীতে ২০০-এর ওপর লিড হজম করে অস্ট্রেলিয়া কেবল একবারই কামব্যাক করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ডারউইনে নাজমুল হোসেন শান্তর দল ইতিমধ্যে অজিদের কাঁধে ২২৮ রানের বিশাল বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে।

দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই অজি ওপেনার ওয়েদারাল্ড চার রানে বিদায় নিয়েছেন, যা অস্ট্রেলিয়ার জন্য কাজটা আরো কঠিন করে দিয়েছে।

শুধু তা-ই নয়, ২০-২১ শতকের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, টেস্টে প্রথম ইনিংসে ২০০ এর বেশি রানে পিছিয়ে পড়ার পর ৮২টি ম্যাচের মধ্যে অজিরা জয় হাসিল করতে পেরেছে মোটে ৩ বার! এছাড়া ঘরের মাঠে ২০১৯ সালের সিডনি টেস্টের (প্রতিপক্ষ ভারত) পর এবারই প্রথম কোনো দলের বিপক্ষে ২০০ রানের বেশি পিছিয়ে পড়েছে ক্যাঙ্গারুরা।

অবশ্য অজিদের ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৯৭ রানে পিছিয়ে থেকেও জয়ের অবিশ্বাস্য রেকর্ড বিদ্যমান, যা ঘটেছিল ১৯৯২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ১৯৫০ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২৩৬ রানে পিছিয়ে থেকেও জয়লাভ করেছিল তারা। তবে বর্তমান পরিস্থিতির সাপেক্ষে অস্ট্রেলিয়ার জন্য সেই অতীত পুনরাবৃত্তি করা বেশ কঠিন।

ডারউইনে শুধুমাত্র লিডেই নয়, অজি ব্যাটারদের কঠোর পরীক্ষাও নিচ্ছেন টাইগার বোলাররা। এর আগে, ব্যাট হাতে বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ একটি চমকপ্রদ ব্যক্তিগত নজির গড়েছেন। তিনি আট বা তার নিচে ব্যাটিংয়ে নেমে অজিদের বিপক্ষে ৯২ বল মোকাবিলা করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৮ নম্বর বা তার নিচে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বল খেলার রেকর্ড। ২০১৭ সালের চট্টগ্রাম টেস্টে সর্বোচ্চ ৯৭ বল খেলে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন নাসির হোসেন।

সব মিলিয়ে ডারউইন টেস্টে রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়ে অজিদের রীতিমতো কোণঠাসা করে ফেলেছে টাইগাররা। এখন কেবল ইতিহাস গড়তে অপেক্ষা এবং উদযাপনে মেতে ওঠার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বকেয়া টাকা চাওয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাঙালি যুবককে গুলি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৯ এম


বকেয়া টাকা চাওয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাঙালি যুবককে গুলি

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দোকানের বাকি টাকা চাওয়ার ঘটনার মধ্যেই স্থানীয় এক যুবক, ওবায়দুল হক লালু (৩০), গুলির শিকারে পরিণত হয়েছেন।

এটি ঘটে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) জুমার নামাজের পর ক্যাম্পের সি/২ ব্লকে। লালু উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের হাকিমপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেনের সন্তান।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, ক্যাম্পের সি/২ ব্লকে দোকানের বাকি টাকা চাওয়ার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা লালুর সঙ্গে রোহিঙ্গা আরএসও সদস্য পরিচিত ইউনুসের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ঘটে। এই অবস্থায় ইউনুস আগ্নেয়াস্ত্র বের করে গুলি চালালে লালুর পায়ে গুলি লাগে।

আহত লালুকে স্থানীয়রা ক্যাম্প-১৪ এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী খতিজা বেগম বলেছেন, জুমার নামাজের পর ইউনুস কোমর থেকে অস্ত্র বের করে দুই রাউন্ড গুলি ছুড়েছেন, যার মধ্যে একটি লালুর পায়ে লাগে।

ঘটনার পর ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরপর অভিযুক্তরা ক্যাম্পের ভেতরে চলে যায়।

পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা কাঁটাতারের বাইরে এসে ইউনিয়নের এক যুবককে গুলি করে পুনরায় ক্যাম্পে ঢুকে গেছে। গুলিবিদ্ধ যুবককে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, দোকানের বাকি টাকা এবং জমি-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে ইউনুস ১০ থেকে ১৫ জন লোক নিয়ে এসে গুলি চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। এতে লালু নামে এক যুবকের পায়ে গুলি লাগে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদ্বোধনে কাল কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:২১ এম


জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদ্বোধনে কাল কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে রবিবার (১৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কিশোরগঞ্জের কাটিয়াদীতে যাবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে চারিপাড়া সরকারি হ্যাচারী ও একটি বেসরকারি হ্যাচারি পরিদর্শন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের উপজেলাগুলোতেও উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে।

রবিবারের অনুষ্ঠানের জন্য কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের জর্জ ইনস্টিটিউট স্কুল মাঠে বিশাল মঞ্চ এবং হলরুম প্রস্তুত করা হয়েছে। মাঠজুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

প্রধানমন্ত্রী চারিপাড়া সরকারি হ্যাচারী ও একটি বেসরকারি হ্যাচারি পরিদর্শন করবেন।

 

কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা বেড়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গ্যাস সংযোগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, পৌর নাগরিকসেবা বৃদ্ধি, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, নদ-নদী খনন, কৃষির উন্নয়নে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন এবং কলকারখানা তৈরি করার বিষয়ে স্থানীয়রা দাবী ও প্রত্যাশা তুলে ধরছেন।

কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দীন বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে কিশোরগঞ্জের মানুষ প্রস্তুত।

এই সফর কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ার উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য হবে। আমি জনগণের দাবীগুলো প্রধানমন্ত্রী সামনে তুলে ধরব। জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান উপজেলা পর্যায়ে নিয়ে আসা বর্তমান সরকারের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে। বিএনপি সরকার জনগণের সরকার। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমন আমাদের এলাকার জন্য সৌভাগ্যের বিষয়।’

কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী শরীফুল আলম বলেন, ‘বর্তমানে সড়কটির অবস্থান অত্যন্ত নাজুক ও ভঙ্গুর। তাই আমরা এটিকে চার লেনে উন্নীত করার দাবি জানাচ্ছি এবং বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। সড়কের পাশাপাশি রেল যোগাযোগ নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে মানুষের প্রত্যাশা রয়েছে। কিশোরগঞ্জ-ভৈরব রেলপথকে ডাবল লাইনে উন্নীত করার পাশাপাশি রাজধানীর সঙ্গে আরও দ্রুতগামী ও আধুনিক ট্রেন চালুর দাবি উঠেছে।’

মন্ত্রী আরও জানান, রেলপথের ডাবল লাইনে উন্নীতকরণ এবং নতুন ট্রেন চালুর পরিকল্পনা চলছে। একইসঙ্গে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের বিষয়েও জেলার মানুষের প্রত্যাশা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষা খাতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হলে, জেলার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য অন্য জেলায় যাওয়ার প্রবণতা কমে যাবে বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:২৩ এম


দেশে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি করার একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবারে ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বৃদ্ধি করায়, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন এই দাম আজ সকাল ১০ টা থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। এর ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অ্যালঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া, সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্বের নিয়ম কার্যকর থাকবে।

এটি উল্লেখ করা যেতে পারে যে, গত ১৪ আগস্ট সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা নির্ধারিত হয়েছিল।

এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০ টা থেকেই।

এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ১০৪ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে দাম ৫২ দফা বাড়ানো হয়েছে, ৫১ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

স্বর্ণের দাম কমানোর পরও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭৪ টাকায়। এদিকে, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ১৪৯ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

এ পর্যন্ত চলতি বছরে দেশের বাজারে ৬২ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে দাম ৩২ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং বাকি ৩০ দফা কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%