ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এনসিপিতে প্রতিষ্ঠিত জুলাই যোদ্ধার সংখ্যা কম হয়েছে: রাশেদ খান


এনসিপিতে প্রতিষ্ঠিত জুলাই যোদ্ধার সংখ্যা কম হয়েছে: রাশেদ খান

বিএনপি নেতা রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে এনসিপিতে প্রতিষ্ঠিত জুলাই যোদ্ধার সংখ্যা কম। তিনি এ বিষয়ে বলেছেন, "কোনোদিন রাজপথে না থাকা সুজাউদ্দিনদের মত ব্যক্তিদের ফেক বিপ্লবী বানিয়েছে নাহিদ ইসলামরা।" রাশেদ খান বলেন, "এনসিপিতে যুক্ত হলেই আপনি বিশাল বিপ্লবী। আসলে এনসিপিতে প্রকৃত বিপ্লবী বা জুলাই যোদ্ধার সংখ্যা কম।"

তিনি শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এসব কথা বলেছেন। এনসিপি সুবিধাবাদী লোক দিয়ে গঠিত হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাশেদ খান তার বক্তব্যে বলেন, "এনসিপি যদি সুবিধাবাদীদের দ্বারা গঠিত না হত তাহলে জামায়াতসহ অন্যান্য দল বা ব্যক্তি তাদের সঙ্গে যুক্ত হত।" তিনি প্রশ্ন তোলেন, "কেন বিপ্লবীরা এনসিপি করে না, এই প্রশ্নের উত্তর দলটির নেতাদের খোঁজা উচিত।" তথায় তিনি উল্লেখ করেন যে, "তাহলে আবারও জুলাই যোদ্ধারা দলটিতে যুক্ত হয়ে রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারে।"

রাশেদ খান আরও বলেন, "আমাদের তরুণ বন্ধুদের দ্বারা গঠিত এনসিপির কিছু সাংগঠনিক কার্যক্রম 'মদের বারে' হচ্ছে শুনে ভাল লাগলো।" তিনি বলেন, "সংগ organization's আন্তর্জাতিক মান রক্ষায় এছাড়া উপায় আছে? এনসিপিতে বিদেশ থেকে পড়াশোনা করে আসা বা আন্তর্জাতিক এনজিও কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত বেশকিছু নেতা আছে।" তিনি সেখানে উল্লেখ করেছেন যে, "ওইসব দেশে 'মদের বারে' আড্ডার ছলে কাজ করা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার।"

আরও পড়ুন: জামায়াত আমিরের বক্তব্যে মানুষ হাসি-তামাশা করছে: রাশেদ খান

তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, "এনসিপির ধর্মভীরু, হিজাবি নারীর পক্ষে মদের বারে সাংগঠনিক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া হয়ত কঠিন। আন্তর্জাতিক এনজিও কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত সুজাউদ্দিনের বিপক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়ত আরো কঠিন।" এ কারণে তিনি বলেন, "নিজ সংগঠনের নারীনেত্রী হওয়া পরেও এখনো কোনো প্রতিকার পাননি ভুক্তভোগী নারী। উল্টো বলা হচ্ছে, সুজাউদ্দিনের রাজনৈতিক অবস্থান নষ্ট করার জন্য ওই নারী ষড়যন্ত্র করেছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প: কৃষি ও কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৮ এম


পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প: কৃষি ও কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দীর্ঘদিনের উন্নয়নের স্বপ্নযাত্রায় এবার যোগ হয়েছে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প।

এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কৃষি উৎপাদন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে দৃশ্যপট ২৪টি জেলার বদলে যাবে। নদী ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ এবং মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, পদ্মা ব্যারাজ শুধুমাত্র একটি নদীকেন্দ্রিক প্রকল্প নয়, এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে জড়িত। দীর্ঘদিনের নাব্য সংকট এবং সীমিত ব্যবস্থাপনার কারণে এর পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো যায়নি।

তিনি বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদী ব্যবস্থাপনা, পানি সংরক্ষণ, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ, নদীভাঙন রোধ এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পরিবর্তন আসবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ২৪টি জেলার ১৬১টি উপজেলার পাঁচ কোটি মানুষের কৃষি উৎপাদন বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এর সুফল সরাসরি এবং পরোক্ষভাবে সারাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছাবে। পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প নদীভাঙন, শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট এবং আঞ্চলিক বৈষম্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নতুন আশার নাম হয়ে উঠছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটির পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ বাস্তবায়িত হলে সরাসরি এবং পরোক্ষভাবে দেশের অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন, কর্মসংস্থান, পরিবেশ ও মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

কৃষিবিদদের হিসাব অনুযায়ী, প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে প্রায় ২ লাখ হেক্টরের বেশি এক ফসলি জমি দুই ফসলি জমিতে এবং ১ লাখ হেক্টরের বেশি জমি তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরিত হতে পারে। সাগরের লবণাক্ত পানি বদলে কৃষকের কাছে পৌঁছাবে মিঠা পানি, যা কৃষি জমির উর্বরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি খাদ্য উৎপাদনে বিরাট বিপ্লব এনে দেবে। এতে বছরে অতিরিক্ত কয়েক মিলিয়ন টন খাদ্যশস্য উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বোরো ধানের গড় উৎপাদন প্রতি হেক্টরে ৪.৫ থেকে ৫ টন। নিরবচ্ছিন্ন সেচ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এটি ৬ থেকে ৭ টন পর্যন্ত উন্নীত করা সম্ভব বলে মনে করছেন কৃষি গবেষকরা।

একইভাবে গমের উৎপাদন প্রতি হেক্টরে ৩.৫ টন থেকে ৪.৫ টন, ভুট্টার উৎপাদন ৮ টন থেকে ১০-১২ টন এবং আলুর উৎপাদন ২৫ টন থেকে ৩০-৩৫ টন পর্যন্ত বাড়তে পারে।

পদ্মা পাড়ের জেলা রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের সংসদ সদস্য ও সরকারের সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়নে বুক বেঁধে আছে পদ্মা পাড়ের জনগণ। তারা এই প্রকল্পের সুফল পেতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে রাজবাড়ীসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৪ জেলার জনগণ বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। কারণ প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতা ছাড়া এ প্রকল্প কখনোই হয়তো পাস হত না। এরই মধ্যে এ প্রকল্প একনেকে পাস হয়েছে। এজন্য তিনিও প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের নদী ব্যবস্থাপনা ও কৃষি উৎপাদনে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প এখন আর কোনো স্বপ্ন নয়, এটি একটি দৃশ্যমান বাস্তবতা।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীভাঙন এবং বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞরা।

দীর্ঘদিন ধরে পদ্মা পাড়ের জেলাগুলোতে নদীভাঙন, আকস্মিক বন্যা এবং নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে হাজার হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রকল্পটির আওতায় নদী ব্যবস্থাপনার আধুনিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পানিসংকট দূর করতে এবং মৃতপ্রায় নদীগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার প্রায় ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই মেগা প্রকল্পের কাজ ২০৩৩ সালের জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষের জীবিকা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে উপকৃত হবে। কৃষকের আয় গড়ে ২৫% থেকে ৪০% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিপণন খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা নদীর বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৪১ কিলোমিটার। এর মধ্যে প্রতিবছর বিভিন্ন স্থানে নদীভাঙনের কারণে কয়েকশ’ হেক্টর কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। গত দুই দশকে পদ্মা নদী বিধৌত বিভিন্ন এলাকায় আনুমানিক ৮ থেকে ১০ হাজার হেক্টরের বেশি কৃষিজমি নদীভাঙনের কবলে পড়েছে।

পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলাগুলোতে প্রতিবছর গড়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার পরিবার প্রত্যক্ষভাবে নদীভাঙনের ঝুঁকির মুখে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে বসতভিটা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গ্রামীণ সড়ক এবং ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে স্থানীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পের আওতায় নদীর নাব্যতা রক্ষায় নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম, তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ এবং নদীর প্রবাহ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে নদীভাঙনের হার ৩০% থেকে ৫০% পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জিওব্যাগ, কংক্রিট ব্লক এবং স্থায়ী প্রতিরক্ষা অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে হাজার হাজার হেক্টর কৃষিজমি সুরক্ষার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন পরিকল্পনায় অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রিত পানি প্রবাহ এবং দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা হলে বন্যার তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে। বিশেষ করে নদীর পানিধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি ২০% থেকে ৩০% পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এছাড়া নদী ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের মাধ্যমে প্রায় ২০% থেকে ২৫% লাখ মানুষকে বন্যা এবং নদীভাঙনের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হতে পারে। একই সঙ্গে হাজার হাজার কোটি টাকার কৃষি উৎপাদন, সড়ক, সেতু, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বসতভিটা রক্ষা পাওয়া যাবে।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়ন বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, এ মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি, শিল্প, পরিবহন, বিপণন এবং সেবা খাত মিলিয়ে লাখ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণের ফলে কৃষিযন্ত্র, বীজ, সার, কীটনাশক, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং বিপণন খাতেও নতুন বিনিয়োগ বাড়বে। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে গুদামজাতকরণ, হিমাগার এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের চাহিদাও বাড়বে। ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ১ হাজারের বেশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, কৃষিভিত্তিক শিল্পে প্রতি ১ কোটি টাকা বিনিয়োগে গড়ে ২০% থেকে ৩০% জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। সেই হিসেবে প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিনিয়োগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে এক থেকে দুই লাখ অতিরিক্ত কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে স্থানীয় বাজারে অর্থের প্রবাহও বাড়বে। প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০% থেকে ৪০% লাখ মানুষ সরাসরি ও পরোক্ষভাবে অর্থনৈতিক সুবিধা পেতে পারে। পাশাপাশি কৃষকের আয় গড়ে ২৫% থেকে ৪০% পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে এবং দারিদ্র্য হ্রাসে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাতিরঝিলের নিরাপত্তায় আনসার মোতায়েন হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৩ পি.এম


হাতিরঝিলের নিরাপত্তায় আনসার মোতায়েন হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

রাজধানীর হাতিরঝিলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শনিবার (২০ জুন) সকালে হাতিরঝিলে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করার পর তিনি এই তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হাতিরঝিলে ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এখানে ঢাকা মহানগর পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পক্ষ থেকে আনসার নিয়োগ দেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে রাজধানীর হাতিরঝিলকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানান মীর শাহে আলম।

এ সময় হাতিরঝিলের আলোকসজ্জা এবং সৌন্দর্যবর্ধন নিয়েও কাজ করা হবে বলে জানান রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘হাতিরঝিল পরিচ্ছন্নতা কাজ দ্রুত করতে হবে। এজন্য এক সপ্তাহ সময় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দরকার হলে আরও লোকবল নিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা হবে।’

হাতিরঝিলে সুয়ারেজ লাইন এবং ভাসমান ময়লা যাতে না থাকে এ নিয়ে কাজ চলছে বলেও জানান রাজউক চেয়ারম্যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর, গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৬ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর, গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়

সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরের জন্য যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরের মধ্যে চীন সফরে ঢাকা আশা করছে দুটি চুক্তি এবং ১৩টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ব্যাপারে।

শনিবার (২০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

সফর প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব জানালেন, চীন সফরে ঢাকা দুটি চুক্তি এবং ১৩টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রত্যাশা করছে। সেখানে চীনের প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এছাড়া চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভগুলোর প্রতি ঢাকা স্বাগত জানাবে। সফরের পর অংশ নেয়ার বিষয়ে জানানো সম্ভব হবে বলেও জানান সচিব।

সফরের সময় তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা থাকছে।

অন্যদিকে, মালয়েশিয়া সফরে সেখানে বাংলাদেশের শ্রমবাজারে আরও বেশি শ্রমিক প্রবেশের সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করা হবে। তবে, তাদের দেশটির নিজস্ব রিভিউ শেষ হওয়ার পরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে।

এছাড়া আসিয়ানের সদস্য হওয়ার প্রয়াসে মালয়েশিয়াকে বাংলাদেশ সমর্থন জানাতে অনুরোধ করবে বলেও জানান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় দেশের প্রধানমন্ত্রী ও রাজার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গেও তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান। এতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরের জন্য ভারত ও চীনকে এড়িয়ে তৃতীয় দেশ বেছে নেয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া সফরে থাকবেন। এরপর ২৩ জুন কুয়ালালামপুর থেকেই বেইজিংয়ে যাবেন এবং ২৬ জুন তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশ মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২০ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:১৪ পি.এম


গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশ মারা গেছেন

রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১টার দিকে মারা গেছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ, যিনি ‘কাইল্লা পলাশ’ নামে পরিচিত। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে পলাশ মারা যান। হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পলাশের বাবার নাম ইউনুস খান এবং তার বাড়ি রাজধানীর পশ্চিম রামপুরায় অবস্থিত। তিনি যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যা মামলায় দণ্ডিত ছিলেন। উল্লেখ্য, পলাশ এক মাস আগে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। গত ১২ জুন জুমার নামাজের পরে রামপুরা ব্রিজের নিকটে একরামুন্নেছা বালক উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে পলাশের ওপর হামলা ধরনের একটি ঘটনা ঘটে। পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, জুমার নামাজ শেষে পলাশ নিজ বাসভবনের নিচে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। এই সময় আগে থেকে অপেক্ষায় থাকা দুর্বৃত্তরা পলাশকে গুলি করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। হামলাকারীরা তাকে পরপর দুই রাউন্ড গুলি করে, এর মধ্যে এক রাউন্ড গুলি তার মাথা ভেদ করে বের হয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%