মোঃ মাইদুল ইসলাম ভূরুঙ্গামারী কুড়িগ্রাম
১০:২০ পি.এম
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় সড়ক রক্ষণাবেক্ষণের কাজে নিয়োজিত নির্মাণাধীন অবস্থায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নারী কর্মী নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে, নিহত রাশেদা বেগম (৪০) ছিলেন রোস্তম আলীর স্ত্রী এবং তিলাই ইউনিয়নের দক্ষিণ ছাট গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা। এই ঘটনায় মোটরসাইকেল চালকের গুরুতর আহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের তিলাই উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন সড়কে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের গ্রামীণ সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ওই নারী কর্মী যখন সড়ক রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন, তখন একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল তার দিকে চলে আসে এবং নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে ধাক্কা দেয়। এর ফলে তিনি সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান।
স্থানীয় মানুষজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনায় আহত মোটরসাইকেল চালক বেলাল হোসেন (২০)-কে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল সড়ক দুর্ঘটনায় ওই নারী কর্মীর নিহতের খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু সাজ্জাদ মোহাম্মদ সায়েম বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় এক নারীকে জরুরি বিভাগে আনা হয়েছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে তার মৃত্যু ঘটে। তার মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছিল।”
গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পের আওতাধীন এই নারী কর্মীর মৃত্যুতে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ইনছাফুল হক সরকার একটি শোক বার্তায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন, সেইসঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন জানিয়েছেন, সড়ক দুর্ঘটনায় এক নারীর মৃত্যুর বিষয়টি তাদের জানা রয়েছে। অভিযোগ পেলে পরিবারের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদেশি গুপ্তচরদের জন্য জাপান বরাবরই নিরাপদ স্থানে পরিণত হয়েছে। দেশটির বেশি ক্ষেত্রে গুপ্তচরবৃত্তিকে এখনও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয় না। এভাবে জাপান বর্তমানে গুপ্তচরদের জন্য একপ্রকার স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে দেশটি এখন নিজেদের ইন্টেলিজেন্স ও কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স সক্ষমতা গঠন করতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর নতুন নতুন সামরিক প্রযুক্তি সংগ্রহ করতে রুশ গুপ্তচরদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে জাপান। সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এই পরিস্থিতিকে সামনে নিয়ে এসেছে এবং দেশটির সরকার নড়েচড়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই জাপানকে একটি 'সহজ লক্ষ্য' হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পশ্চিমা দেশগুলো থেকে রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বহিষ্কার করা হলে, অনেকেই জাপানে সক্রিয় হতে শুরু করেন। জাপানি সংবাদমাধ্যম নিক্কেই বিজনেস ২০২২ সালের আগস্টে জানায়, জাপানে প্রায় ১২০ জন রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তা সক্রিয় ছিলেন। এর আগে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সতর্ক করে জাপানি পুলিশ জানিয়েছিল, রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। নিক্কেই ও জিজি প্রেসের সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, টোকিওতে রাশিয়ার বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের একটি জ্যেষ্ঠ পদে সব সময় রুশ গোয়েন্দা সংস্থা এসভিআরের একজন কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকেন। এসভিআর সোভিয়েত ইউনিয়নের গোয়েন্দা সংস্থার ফরেন ডিপার্টমেন্টের উত্তরসূরি। চলতি বছরের জানুয়ারিতে টোকিও মেট্রোপলিটন পুলিশের পাবলিক সিকিউরিটি ব্যুরো জানায়, একটি জাপানি মেশিন-টুল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের কর্মী একটি সন্দেহভাজন এসভিআর অপারেটিভের কাছে বাণিজ্যিক গোপন তথ্য সরবরাহ করছিলেন। ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তিটি ইতোমধ্যে জাপান ছেড়ে চলে গেছেন। এরপর ১২ জুলাই মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাপানকে 'গুপ্তচরদের আখড়া' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রাশিয়ার রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানাধীন বিমানসংস্থা অ্যারোফ্লটের টোকিও অফিসকে কেন্দ্র করে ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য প্রযুক্তি সংগ্রহের একটি রুশ নেটওয়ার্ক পরিচালিত হচ্ছিল। গত সোমবার জাপানের প্রধান সরকারি মুখপাত্র মিনোরু কিহারা এই বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তবে তিনি স্বীকার করেন, 'গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরিসহ আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলা বিদেশি গোয়েন্দা কার্যক্রম মোকাবেলার প্রয়োজনীয়তা ক্রমেই বাড়ছে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের সকল স্কুল এবং কলেজে শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশনা দিয়েছে।
মাউশি অধিদপ্তরের সাধারণ প্রশাসন শাখা একটি আদেশের মাধ্যমে এই নির্দেশনা প্রদান করেছে।
আদেশে স্ব-স্ব অঞ্চল ও দপ্তরের অধীনস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই তদারকি নিশ্চিত করার জন্য মাউশি’র মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইংয়ের পরিচালক, দেশের সকল অঞ্চলের পরিচালক এবং উপ-পরিচালক, জেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের মাঠপর্যায়ে এই মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপে, সর্বশেষ ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে ডেভিড বেকহ্যাম পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন। এরপর ২৪টি বছর কেটে গেছে, তবে ইংলিশদের বিপক্ষে বিশ্বকাপে আলবিসেলেস্তাদের আর মাঠে নামা হয়নি।
তবে অপক্ষায় শেষ হচ্ছে এই অপেক্ষা। বুধবার, ১৫ জুলাই দিবাগত রাত ১টায়, এই দুই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দ্বন্দ্বে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে।
গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে, ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার জারেল কোয়ানসা নিষেধাজ্ঞায় রয়েছেন। জর্ডান হান্ডারসনের হাত ভেঙে যাওয়ার কারণে তিনি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন। আর্জেন্টিনার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার পূর্বে ইংল্যান্ড শিবিরে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইস ও ডিফেন্ডার রিচি জেমস শুরু থেকেই খেলার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন।
রাইস পেটের পীড়ায় ভুগছিলেন। নরওয়ের বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষে ইংলিশ কোচ টমাস টুখেল তাকে তুলে নিয়েছিলেন। তবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে তিনি একাদশে থাকার সুযোগ পাচ্ছেন। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে হামস্ট্রিং ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়েছেন চেলসি অধিনায়ক জেমস। সে কারণে নরওয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে তিনি বদলি হিসেবে মাঠে ছিলেন।
ইংল্যান্ড শিবির এই সুসংবাদের সাথে ফিটনেস নিয়ে কিছু দুশ্চিন্তারও অবস্থা বিরাজমান। তারা পুরো ম্যাচ খেলার মতো ফিট হয়ে উঠবে কি না, সেটি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সংবাদ মাধ্যম দ্য স্ট্যান্ডার্ড জানাচ্ছে, রাইস পুরো ম্যাচ খেলার জন্য ফিট হয়েছেন। এমনকি তিনি মিডফিল্ডে নিজের পজিশনে খেলবেন। তবে, জেমসের শুরুতে খেলার সম্ভাবনা সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
ইনজুরি ও নিষেধাজ্ঞার কারণে, ইংল্যান্ডের কাছে জেমস ছাড়া রাইট ব্যাকে খেলার জন্য কোনো নিয়মিত অপশন অবশিষ্ট নেই। এই কারণে কোচ টুখেল তাকে শুরুর একাদশে রাখতে পারেন। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে প্রয়োজন মনে করলে তাঁকে বদলি হিসেবে নিতে হতে পারে। জেমস শুরুর একাদশে ফিরলে, জোন স্টোনস একাদশে জায়গা হারাবেন।
ইংল্যান্ডের ফ্রন্ট লাইনের নেতৃত্বে থাকবেন হ্যারি কেইন। ননি মাদুই একাদশে জায়গা হারাতে পারেন। অভিজ্ঞ বুকোয়াকা সাকায় ভরসা রাখতে পারেন কোচ টুখেল। তরুণ গর্ডনও শুরুতে একদশে জায়গা পেতে পারেন। এলিট অ্যান্ডারসন, জুড বেলিংহাম ও ডেক্লান রাইসের সমন্বয়ে, ইংল্যান্ডের মিডফিল্ড দুর্দান্ত হতে যাচ্ছে। এই খেলোয়াড়রা ফিজিক্যাল, টেকনিক্যাল ও ট্যাকট্রিক্যাল দিকগুলো মাথায় রেখে ম্যাচের পার্থক্যের কারণ হয়ে উঠতে পারেন।
ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য একাদশ: জর্ডান পিকফোর্ড, রিচি জেমস, এজরি কোনসা, মার্ক গেইহি, ও’rেইলি, এলিট অ্যান্ডারসন, ডেক্লান রাইস, জুড বেলিংহাম, বুকোয়াকা সাকা, অ্যান্তোনিও গর্ডন, হ্যারি কেইন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড তুলাকান্দি গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদকসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খোরশেদ আলামিনের নেতৃত্বে স্থানীয়দের সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে তুলাকান্দি গ্রামের শহিদ মিয়া (৩৮)-কে মাদকসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ভৈরব থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
অভিযান শেষে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খোরশেদ আলামিন বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে কোনো আপস নেই। মাদক ব্যবসায়ী কিংবা মাদকসেবী—কেউই ছাড় পাবে না। সমাজকে মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত রাখতে প্রয়োজন হলে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শিমুলকান্দি ইউনিয়নে মাদকের বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “মাদক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি, যা পরিবার, সমাজ এবং বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাই মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদেরও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
এদিকে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ মাদকবিরোধী অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তুলাকান্দিসহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন পর এমন কার্যকর উদ্যোগে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা করছেন, এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হলে মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং তরুণ সমাজ মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা পাবে।
আটক শহিদ মিয়া (৩৮)-এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ