ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভালুকায় ঝুট ব্যবসা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা, এলাকায় আতঙ্ক


ভালুকায় ঝুট ব্যবসা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা, এলাকায় আতঙ্ক

ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি কারখানার ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দিনভর উত্তেজনা বিরাজ করেছে। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

শনিবার (৪ জুলাই) উপজেলার জামিরদিয়া এলাকায় এসকিউ গ্রুপের কালার মাস্টার কারখানাকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন: শশীভূষণে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি গোল্ড কাপ ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, কারখানাটির ঝুট ব্যবসা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শনিবার সকালে বহিষ্কৃত উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোর্শেদ আলমের মালিকানাধীন এইচআরকেএম এন্টারপ্রাইজের কারখানা থেকে ঝুটের মালামাল বের করতে গেলে প্রতিপক্ষের বাধার মুখে পড়েন।

এই সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ী জানান, তারা শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবসা করতে চান। তবে কালার মাস্টার কারখানার ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিরোধের কারণে প্রায়ই উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যা ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করছে।

মোর্শেদ আলম দাবি করেছেন, তাঁর উদ্যোগে এবং তাঁদের অধিকাংশ জমিতে এসকিউ গ্রুপের কালার মাস্টার কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে তাঁর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এইচআরকেএম এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে প্রায় ২২ বছর ধরে কারখানার ঝুট ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।

আরও পড়ুন: চসিক মেয়র শারদ সম্মাননায় সেরা ৫ পূজামণ্ডপের নাম ঘোষণা

তিনি অভিযোগ করেন, গত নির্বাচনের পর থেকে প্রতিপক্ষ তাঁর ব্যবসা দখলের চেষ্টা করছে। একই ধারাবাহিকতায় শনিবারও তাঁর ব্যবসায়িক কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হয়েছে, যার ফলে তিনি কারখানা থেকে ঝুটের মালামাল বের করতে পারেননি।

অন্যদিকে খোকা মিয়া উল্লেখ করেছেন, আগে মোর্শেদ আলামের নামে ওয়ার্ক অর্ডার থাকলেও বর্তমানে তাঁর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মেসার্স কেএএস আর এন্টারপ্রাইজের নামে কারখানার ঝুট ব্যবসার ওয়ার্ক অর্ডার রয়েছে।

সেই অনুযায়ী গেটপাস নিয়ে তাঁরা মালামাল বের করছেন।

শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আনসার উদ্দিন জানিয়েছেন, সকালে কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। কিন্তু পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসে বর্তমানে পরিবেশন স্বাভাবিক রয়েছে।

আরও পড়ুন: শিবালয়ে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান, ৩৫ লাখ টাকার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রক্রিয়ার বেড়াজালে আটকে রাখা যায় না প্রতিভাকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৬ এম


প্রক্রিয়ার বেড়াজালে আটকে রাখা যায় না প্রতিভাকে

 

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় যখন গোটা বিশ্ব বুঁদ হয়ে আছে, তখন ক্রিকেটের লাইমলাইটের প্রায় পুরোটাই ছিনিয়ে নিয়েছিলেন—এক ভারতীয় কিশোর এবং সেটি মাঠে না খেলেই। গত আইপিএলে অতিমানবীয় পারফরম্যান্সের পর নির্বাচকরা বাধ্য হয়েছিলেন ১৫ বছর বয়সী বিস্ময়বালক বৈভব সূর্যবংশীকে দলে ডাকতে।

কিন্তু আয়ারল্যান্ড সফরের দুই টি-২০ কিংবা ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম ম্যাচ—কোথাওই তার একাদশে জায়গা মেলেনি।

বৈভবের মতো বিস্ফোরক ব্যাটারকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখার বিষয়টি নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে রীতিমতো হৈচৈ পড়ে যায়। ভারত তো বটেই, বিভিন্ন দেশের কিংবদন্তিদের মনে এক প্রশ্ন ছিল—বৈভব সূর্যবংশী কবে মাঠে নামবেন? যারা গত আইপিএল দেখেননি, তাদের কাছে এই প্রশ্ন বাড়াবাড়ি মনে হতে পারে; কিন্তু যারা দেখেছেন, তারা অবাক—কেন তাকে মাঠে নামানো হচ্ছে না?

অবশেষে শনিবার ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে সব প্রশ্নের অবসান ঘটলো। সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে ভারতের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে ১৫ বছর ৯৯ দিন বয়সে বৈভবের অভিষেক হলো।

এই অভিষেকের মাধ্যমে তিনি সিংহাসনচ্যুত করলেন ভারতের ‘ক্রিকেট ঈশ্বর’ শচীন রমেশ টেন্ডুলকারকে। ১৯৮৯ সালে শচীন যখন প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন, তখন তার বয়স ছিল ১৬ বছর ২০৫ দিন। ওল্ড ট্রাফোর্ডে ভারতের সহ-অধিনায়ক তিলক ভার্মা বৈভবের হাতে তুলে দেন ঐতিহাসিক ক্যাপটি।

সিদ্ধান্তটা যে ভারতের টিম ব্যবস্থাপনা কিংবা ম্যানেজমেন্টের জন্য কতটা কঠিন ছিল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বৈভবকে খেলাতে গেলে বাদ পড়বেন কে? ভারতের তিন টপ অর্ডার ব্যাটারই আছেন ফর্মের তুঙ্গে। ওপেনার অভিষেক শর্মা টি-২০ র‌্যাঙ্কিংয়ের ২ নম্বরে, তিনে খেলা ঈশান কিশান আছেন ১ নম্বরে। আর অপর ওপেনার সঞ্জু স্যামসন মাত্র তিন মাস আগে ৫ ইনিংসে ৮০.২৫ গড় এবং ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইক রেটে ৩২১ রান করে ভারতকে টি-২০ বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন।

এমন তিনজনকে বাদ দেওয়া যেমন কঠিন, তেমনি সূর্যবংশীকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখা অসম্ভব ছিল। শেষ পর্যন্ত হেড কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হলো।

বেচারা স্যামসনের কপাল পুড়ল। সর্বশেষ তিন ইনিংসে ৫, ০ ও ১ রান করার খেসারত দিয়ে বৈভবের জন্য তাকে জায়গা ছেড়ে দিতে হলো।

গত কয়েকদিন ধরে বৈভবকে খেলানো না নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে ছিল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। যদিও তারা হুট করে পরীক্ষিত পারফরমারদের বাদ দিতে চাননি। ভারতের সহকারী কোচ রায়ান টেন ডেসকাটে যে বলেছিলেন, ‘অন্য সবার মতো বৈভবকেও প্রক্রিয়ার মধ্যে আসতে হবে’, তিনি রীতিমতো খলনায়ক বনে গিয়েছিলেন।

টানা তিন ম্যাচ ধরে এই প্রশ্নের জবাব দিতে দিতে ক্লান্ত অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারকে গতকাল টসের পর বৈভবের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে কথা বলতে হলো। শ্রেয়াস বলেন, ‘গত কয়েক মাসে আপনারা তাকে ব্যাট করতে দেখেছেন। আমার মনে হয় দলে থাকার যোগ্যতা তার পুরোপুরি আছে। তিনি এমন একজন যে একেবারেই চাপ নেয় না; তিনি একরোখা ও অবিচল স্বভাবের। আগামী ম্যাচগুলোতে কী হতে চলেছে সে সম্পর্কে তিনি খুব ভালো করেই জানেন। নেটে যেভাবে ব্যাটিং করেন এবং বোলারদের মোকাবেলা করেন, তা থেকেই বোঝা যায় তিনি কেমন মানের খেলোয়াড়। ভারত যে পরিমাণ প্রতিভা তৈরি করছে, তা সত্যিই চোখ জুড়ানো। এটা আমাদের সবসময় সতর্ক ও প্রস্তুত রাখে। আমার মনে হয় চাপ পাওয়াটা একটা সৌভাগ্যের বিষয়।’

১৫ বছর বয়সী কিশোরকে নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বের এত মাতামাতি কেন? আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখার আগেই সূর্যবংশী একের পর এক রেকর্ড ভেঙে চুরমার করেছেন। সবশেষ আইপিএলে ২৩৭.৩০ স্ট্রাইক রেটে ৭২টি ছক্কায় তিনি ৭৭৬ রান করেছেন। বিশ্বের বাঘা বাঘা বোলারদের অবলীলায় গ্যালারিতে পাঠিয়ে টুর্নামেন্টের মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার, অরেঞ্জ ক্যাপ, ইমার্জিং প্লেয়ার, সুপার স্ট্রাইকার এবং সুপার সিক্সেস পুরস্কার জিতে নিয়েছেন। ১৫ বছর বয়সে ছক্কা মারার রেকর্ডে পেছনে ফেলেছেন ক্রিস গেইলকে।

আইপিএল শেষে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে ৫ ইনিংসে ২০১ রান করেছেন। ফাইনালে ৯৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। সেখানে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে মাত্র ১১ বলে ফিফটি করে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়েন বৈভব।

এছাড়া বৈভব ৮টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ১২ ইনিংসে ২০৭ রান করেছেন। যুব টেস্টে ৬টি ম্যাচে ১০ ইনিংসে ৩৩১ রান করেছেন। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ১৩ ম্যাচে ৫৬৪ রান করেছেন, যার মধ্যে একটি ১৯০ রানের ইনিংসও রয়েছে। যুব ওয়ানডেতে ২৫ ম্যাচে ৫৬.৪৮ গড় করে ১৪১২ রান করেছেন, স্ট্রাইক রেট ছিল ১৬৫.৭২। অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ৭ ম্যাচে টুর্নামেন্টের সর্বাধিক ৪৩৯ রান করে দলকে শিরোপাও জিতিয়েছেন। চাইলে এই পরিসংখ্যান আরও লম্বা করা যাবে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখার আগেই বৈভব প্রমাণ করেছেন যে তিনি কেবল ধুম-ধাড়াক্কা টি-২০ ব্যাটার নন; টেস্ট, ওয়ানডে সব ফরম্যাটেই তার ব্যাট কথা বলে। তবে এখন লড়াইটা হচ্ছে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিজের প্রতিভার প্রমাণ দেওয়ার।

বহুল আলোচিত তার অভিষেক ইনিংসটি যদিও প্রতিভার সঙ্গে পুরোপুরি সুবিচার করতে পারেনি। ১০ বলে ২ ছক্কায় স্রেফ ১৪ রান করেছেন। তবে রান যাই হোক, ওল্ড ট্রাফোর্ডে বিশ্ব ক্রিকেটের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়ে গেল। যে মাঠে শচীন টেন্ডুলকার তাঁর ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন, সেই মাঠই এখন বৈভবের জন্য নতুন সূর্য হয়ে উঠেছে।

কিন্তু শুধুমাত্র বয়সের দিক থেকে শচীনকে ছাড়িয়ে গেলে দায়িত্ব শেষ হবে না; মনে রাখতে হবে—শচীন ২৪ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ৬৬৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে করেছে ৩৪ হাজার ৩৫৭ রান এবং ১০০টি সেঞ্চুরি। এখন দেখতে হবে, বৈভব সূর্যবংশী কতদূর যেতে পারেন। এই নতুন সূর্যের আলো ক্রিকেট বিশ্বকে কতটা আলোকিত করবে?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রদূত মুশফিকের বক্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫১ এম


যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রদূত মুশফিকের বক্তব্য

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।

শনিবার (৪ জুলাই) এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি মন্তব্য করেন, ‘যারা অন্যের স্বাধীনতা অস্বীকার করে, তারা নিজেরাও স্বাধীনতার যোগ্য নয়—আব্রাহাম লিংকনের এই বিখ্যাত উক্তি আজও বিশ্ববাসীর জন্য প্রাসঙ্গিক ও অনুপ্রেরণাদায়ক।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বাধীনতা তখনই সবচেয়ে শক্তিশালী হয়, যখন তা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়। স্বাধীনতা কেবল একটি জাতির অর্জন নয়; এটি সমগ্র মানবজাতির সর্বজনীন অধিকার। গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং সমান সুযোগের আদর্শই একটি জাতিকে শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ করে।

মুশফিকুল ফজল আনসারী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছে।

এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং মানবিক মর্যাদার চিরন্তন মূল্যবোধ আরো সুদৃঢ় হোক—এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

বার্তার শেষে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘শুভ ফোর্থ অব জুলাই! স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকীতে আন্তরিক শুভেচ্ছা।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেইলর সুইফটের বিয়ে নিয়ে হোয়াইট হাউসের ট্রোল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৬ এম


টেইলর সুইফটের বিয়ে নিয়ে হোয়াইট হাউসের ট্রোল

বিশ্বখ্যাত মার্কিন পপতারকা টেইলর সুইফট এবং আমেরিকান ফুটবলার ট্রাভিস কেলসির জমকালো বিয়ের খবরকে কেন্দ্র করে যখন পুরো দুনিয়ায় আলোচনা চলছে, ঠিক সেই সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অদ্ভুত রসিকতায় মেতে উঠেছে খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস। সুইফটের জনপ্রিয় গান ও ব্র্যান্ডিংয়ের আদলে তৈরি বিভিন্ন পোস্ট শেয়ার করে ট্রাম্প প্রশাসন এই আলোচনাকে নিজেদের প্রতি ঘুরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

গত শুক্রবার নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে টেইলর সুইফট ও ট্রাভিস কেলসির বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। বিয়ের ভেন্যুর বাইরে ভক্তদের ভিড়ের মধ্যে সাড়ে ৭টার দিকে একটি বড় ইলেকট্রনিক বিলবোর্ড জ্বলে ওঠে, যেখানে নবদম্পতির নামের আদ্যক্ষর মিলিয়ে লেখা হয়েছিল ‘JUST&T MARRIED’। এ ধরনের বিলবোর্ডের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই অফিশিয়াল হোয়াইট হাউস অ্যাকাউন্ট থেকে ঠিক একই ধরণের একটি ব্যঙ্গাত্মক ছবি পোস্ট করা হয়। সেখানে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানানোর বদলে লেখা ছিল, ‘ট্রাম্পই এখনো আপনাদের প্রেসিডেন্ট’, এবং ক্যাপশনে যুক্ত করা হয়েছিল, ‘অবশেষে এটি ঘটল!’

টেইলর সুইফটের বিয়েকে ঘিরে হোয়াইট হাউসের এ ধরনের খোঁচা অবশ্য এটিই প্রথম নয়। এর আগে বৃহস্পতিবার, এই তারকাযুগলের বিয়ের পূর্ববর্তী বিশেষ নৈশভোজ বা রিহার্সাল ডিনারের সময় হোয়াইট হাউস থেকে সুইফটের বিখ্যাত ‘ইরাস ট্যুর’ পোস্টারের আদলে একটি গ্রাফিক্স শেয়ার করা হয়। আমেরিকার ইতিহাস ও ট্রাম্পের বিভিন্ন মুহূর্তের কোলাজ দিয়ে তৈরি ওই পোস্টারটির নাম রাখা হয়েছিল ‘আমেরিকার ইরাস ট্যুর’। সেখানে ক্যাপশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে সুইফটের ২০১৯ সালের জনপ্রিয় গান ‘মিস আমেরিকানা অ্যান্ড দ্য হার্টব্রেক প্রিন্স’-এর একটি লাইন— ‘এটি হতে অনেক সময় লেগেছে।’ পরে শুক্রবার সকাল এবং সন্ধ্যায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস ও সাবেক প্রেসিডেন্টদের ফুটেজ-সংবলিত আরও দুটি ভিডিও পোস্ট করা হয়, যার ক্যাপশনে ছিল সুইফটের গানের রেফারেন্স।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং টেইলর সুইফটের মধ্যে এই বৈরী সম্পর্ক অত্যন্ত পুরনো। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে টেইলর সুইফট প্রকাশ্যে ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী কমালা হ্যারিসকে সমর্থন দেওয়ার পর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি লিখেছিলেন, ‘আমি টেইলর সুইফটকে ঘৃণা করি।’ অন্যদিকে, সুইফটও ২০২০ সালে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বর্ণবাদ ছড়ানোর অভিযোগ এনে দেশবাসীর কাছে তার বিপক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

এক কাকতালীয় ঘটনার মাধ্যমে, চলতি সপ্তাহে একদিকে যখন টেইলর সুইফট তার বিয়ের রাজকীয় উদযাপন নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন, ঠিক একই সময়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আল্লাহ ফিলিস্তিনিদের বিজয় দান করুন’ মিশরের কোচ ঐতিহাসিক জয়ের পর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০০ এম


‘আল্লাহ ফিলিস্তিনিদের বিজয় দান করুন’ মিশরের কোচ ঐতিহাসিক জয়ের পর

 

আফ্রিকার পরাশক্তি হওয়া সত্ত্বেও মিশর বিশ্বকাপের রাজকীয় মঞ্চে মোটে চারবার এসেছে। আগের সকল প্রতিবার গ্রুপ পর্বের বাধা টপকাতে না পারার দুর্ভাবনা নিয়ে আসতে হলেও এবার পরিস্থিতি বদলেছে।

সব আক্ষেপ ও ইতিহাসকে একের পর এক বাতিল করে দিয়েছে ‘ফারাও’রা। প্রথমবারের মতো নকআউটের টিকিট নিশ্চিত করে তারা সত্যিই এক নতুন রূপকথা রচনা করল। টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করে তারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে জায়গা করে নিয়েছে।

ডালাস স্টেডিয়ামে শেষ ৩২-এর সেই মহাকাব্যিক ম্যাচে সকারুজদের বিরুদ্ধে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে বিজয় কাপড়ে মিশর। নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত সময়ের লড়াই ১-১ সমতা মধ্যে শেষ হলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় ১২ গজের লটারিতে। সেখানেই বাজিমাত করে ইতিহাস রচনা করেন হোসাম হাসানের শিষ্যরা। কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হচ্ছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

ম্যাচ জয়ের পর মাঠে এক আবেগঘন পরিবেশের সূচনা হয়।

কোচ হোসাম হাসান мিশর ও ফিলিস্তিন—দুই দেশের পতাকাই মাঠে নিয়ে আসেন এবং পুরো দল একত্রে মাঠে সেজদায় নত হয়ে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

ঐতিহাসিক এই জয়টি তিনি ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী মানুষের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছেন। ম্যাচ শেষে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আল্লাহ ফিলিস্তিনিদের বিজয় দান করুন, তাদের শহীদদের প্রতি রহম করুন। আমি এই ঐতিহাসিক জয় মিশর এবং ফিলিস্তিনের মহান ও সম্মানিত মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছি।’ তিনি আরো উল্লেখ করেন, ফিলিস্তিনিরাও পুরো আরব বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই জয়টি রাতভর উদযাপন করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ফিলিস্তিনি সমর্থক এই জয়ে নিজেদের উল্লাসের দৃশ্য ভাগ করে নিয়েছেন। গাজার ফুটবলপ্রেমী টেমার নাহেদ এক্স-এ লিখেছেন, ‘প্রথমবারের মতো এত উত্তেজনা নিয়ে বিশ্বকাপ দেখছি। ধ্বংসস্তূপ আর তাঁবুর মাঝে হাজার হাজার মানুষ ম্যাচ দেখতে বেরিয়ে এসেছিল। মুখে হাসি আর উল্লাস দেখে মনে হচ্ছিল, সবাই যুদ্ধ ও কষ্টের মাঝেও কিছুটা জীবনের স্বাদ নিতে চেয়ে ছিল।’

নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতেও দেখা গেছে, ভাঙাচোরা ভবন ও অস্থায়ী তাঁবুর মাঝে প্রজেক্টরে খেলা দেখছে মানুষ এবং অনেক শিশুর গালে মিশরের পতাকার রং আঁকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%