বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:২৬ পি.এম
বৈদেশিক মুদ্রায় সরবরাহকারী ও ক্রেতা ঋণের (সাপ্লায়ার্স/বায়ার্স ক্রেডিট) আওতায় আমদানি করা পণ্যের সুদের হারজনিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় (হেজিং) ফরওয়ার্ড রেট এগ্রিমেন্ট (এফআরএ) ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ-১ (এফইপিডি-১) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা ডিলার (অথরাইজড ডিলার-এডি) ব্যাংককে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়, এফআরএ কেবলমাত্র সরবরাহকারী বা ক্রেতা ঋণের আওতায় নেওয়া আমদানি ঋণের সুদের হারজনিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহার করা যাবে। কোনো ধরনের অনুমাননির্ভর (স্পেকুলেটিভ), লিভারেজভিত্তিক বা প্রকৃত দায়বদ্ধতা ছাড়া এ ধরনের চুক্তি করা যাবে না।
নির্দেশনা অনুযায়ী, অনুমোদিত সুদের হারে বৈদেশিক মুদ্রায় ইউস্যান্স আমদানি ঋণ গ্রহণকারী আমদানিকারকরা তাদের ভাসমান সুদের হার (ফ্লোটিং রেট) সংক্রান্ত ঝুঁকি এফআরএ-এর মাধ্যমে আর্থিক ঝুঁকি কমাতে পারবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এফআরএ হলো আমদানিকারক ও অনুমোদিত ডিলারের মধ্যে একটি নোশনাল বা কাল্পনিক চুক্তি, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটি সুদের হার নির্ধারণ করা হয়। এ চুক্তির আওতায় মূল ঋণ পরিশোধ করা হয় না। বরং চুক্তিতে নির্ধারিত সুদের হার এবং সংশ্লিষ্ট সময়ের প্রকৃত এসওএফআর হারের মধ্যে নিট সুদের পার্থক্যের ভিত্তিতে স্থানীয় বা বৈদেশিক মুদ্রায় সমন্বয় করা হবে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়, অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলোকে একই দিনে বিদেশি বা স্থানীয় প্রতিপক্ষের সঙ্গে ব্যাক-টু-ব্যাক ভিত্তিতে কাউন্টার-হেজিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের সব এফআরএ এক্সপোজার সমন্বয় করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই তারা নিজস্ব হিসাবে বাজারঝুঁকি বহন করতে পারবে না। একটি এফআরএ লেনদেনে ব্যাংকের প্রাইসিং স্প্রেড সর্বোচ্চ ১০ বেসিস পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া, অনুমোদিত ডিলারের মোট এফআরএ নোশনাল আউটস্ট্যান্ডিং গত ১২ মাসের গড় মাসিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহের ২৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।
সার্কুলার অনুযায়ী, এফআরএর জন্য আইএসডিএ বা সমমানের আইনি চুক্তিপত্র এবং সংশ্লিষ্ট আমদানির তথ্যসংবলিত পৃথক টার্মশিট সম্পাদন করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতি দিন মার্ক-টু-মার্কেট (এমটিএম) মূল্যায়ন, প্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণ, অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা, পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত ডেরিভেটিভ নীতিমালা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে।
সার্কুলারে আরো বলা হয়েছে, প্রকৃত অন্তর্নিহিত ঝুঁকি (আন্ডারলাইং এক্সপোজার) ছাড়া কোনো আমদানিকারককে এফআরএ গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া বা এ ধরনের লেনদেনে উৎসাহিত করা যাবে না। ভুল তথ্য, বিভ্রান্তিকর পরামর্শ বা ঝুঁকি সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য না দেওয়ার কারণে কোনো আমদানিকারকের ক্ষতি হলে সংশ্লিষ্ট এডি ব্যাংক ও দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়, এফআরএ-সংক্রান্ত সব লেনদেন এবং কাউন্টার-হেজিং কার্যক্রম নিয়মিতভাবে এডি ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগের মাধ্যমে পর্যালোচনা করতে হবে।
এ ছাড়া, ডেরিভেটিভ লেনদেন পরিচালনার জন্য প্রতিটি এডি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত নীতিমালা, কার্যপদ্ধতি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো থাকতে হবে। এর মাধ্যমে ঝুঁকি শনাক্ত, পরিমাপ, মূল্যায়ন, ব্যবস্থাপনা এবং ডেরিভেটিভ লেনদেনের কার্যকারিতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনার ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসিকে সম্মান জানাতে নিউকুয়েন প্রদেশে নির্মিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ মেসির ভাস্কর্য উদ্বোধনের পর থেকেই তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। এটি বিশাল আকৃতির একটি ভাস্কর্য যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
ভাস্কর্যটির উচ্চতা ২৬ মিটার এবং এর ওজন প্রায় ৭০ টন। ভাস্কর্যটি কাট্রাল কো শহরের জাতীয় মহাসড়ক ২২ ও ম্যানুয়েল সাভিও সড়কের সংযোগস্থলে স্থাপন করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, এটি ভারতের ২১ মিটার উঁচু মেসি ভাস্কর্যের রেকর্ডকে ভেঙে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মেসি ভাস্কর্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
এটি আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জার্সি পরিহিত মেসিকে হাঁটু গেড়ে বসা অবস্থায় প্রদর্শিত করেছে। তার দুই পায়ের মাঝখানে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি রাখা হয়েছে এবং তিনি এক হাত আকাশের দিকে নির্দেশ করছেন।
ভাস্কর্যটির নির্মাতা ভাস্কর অ্যালদো বেরোইসা জানান, শুরুতে পরিকল্পনা ছিল ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের ঐতিহাসিক মুহূর্তের আদলে মেসির হাতে ট্রফি তুলে ধরা হবে। কিন্তু প্রায় ৭০ টন ওজনের স্টিল এবং কংক্রিটের কাঠামোর ভারসাম্য ও নিরাপত্তার কারণে শেষ পর্যন্ত ট্রফিটি মাটিতে স্থানান্তরিত করা হয়।
কিন্তু এই নকশাই বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন কোণ থেকে ভাস্কর্যটি দেখা হলে সেটি অনিচ্ছাকৃতভাবে আপত্তিকর ও ইঙ্গিতপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে যা এই বিষয়কে সমর্থন করছে। বিষয়টি নিয়ে হাজার হাজার মন্তব্য, সমালোচনা এবং রসিকতা করছেন নেটিজেনরা।
একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, এই কোণ থেকে দেখলে বিষয়টি অদ্ভুত মনে হচ্ছে। অন্য একজন বলেছেন, ভাস্কর্যটির পেছনে একটি দেওয়া তৈরি করা উচিত ছিল। কিছু ব্যবহারকারী আবার মেসির নামের সঙ্গে ইংরেজি শব্দ Messy (অগোছালো) এর মিল তুলে ধরে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন।
এদিকে, ভাস্কর্যটির মুখাবয়ব নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছে। দর্শকেরা দাবি করেছেন, মুখের আদল মেসির সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। তবে এসব সমালোচনার জবাবে ভাস্কর অ্যালদো বেরোইসা বলেন, মেসির মুখের অবয়ব যতটা সম্ভব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে তিনি প্রায় তিন মাস ব্যয় করেছেন।
যদিও ভাস্কর্যটির নিয়ে বিতর্ক থেমে থাকেনি, তবে এটি ইতোমধ্যে আর্জেন্টিনার নতুন একটি দর্শনীয় স্থাপনা হিসেবে ব্যাপক আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, ইসরাইলের সঙ্গে চলমান আলোচনা কোন বিশ্বাসঘাতকতা নয় এবং লেবানন তার এক ইঞ্চি ভূখণ্ডও ইসরাইলের কাছে ছেড়ে দেবে না।
আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) লেবাননের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আউন বলেন, ‘লেবাননের যুদ্ধ ও বিদেশি প্রভাবের যুগ থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে।
অধিকাংশ লেবানিজ এই পথকে সমর্থন করেন, বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ, যারা মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাসের অধিকার রাখেন।’
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কয়েক মাসের আলোচনা শেষে গত সপ্তাহে ইসরাইল ও লেবানন একটি কাঠামোগত (ফ্রেমওয়ার্ক) চুক্তিতে সই করেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এই চুক্তি ‘দীর্ঘদিনের সংঘাত থেকে বাস্তবসম্মতভাবে বেরিয়ে আসার পথ’ তৈরি করবে।
এই চুক্তিকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়েছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে হওয়া এই ফ্রেমওয়ার্ক সমঝোতা দুই দেশের সংঘাতের অবসানের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
তবে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে। এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ মহাসচিব নাঈম কাসেম চুক্তিটিকে ‘অবৈধ ও অকার্যকর’ আখ্যা দিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতা স্মারকের শর্ত অনুযায়ী লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরাইলে সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানান।
ইসরাইলের সঙ্গে লেবানন সরকারের করা এই চুক্তি নিয়ে লেবাননে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। সমালোচকদের অভিযোগ, এই চুক্তির মাধ্যমে কার্যত ইসরাইলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে লেবানন।
এই চুক্তির মাধ্যমে দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার কিছু অংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করছেন অনেকেই।
তবে প্রেসিডেন্ট আউন এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তির ধারাগুলো লেবাননের অধিকার ও মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়; বরং এগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে সেই অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা সার্বভৌমত্বের নীতিকে সম্মান করেন, তাদের এই বিষয়ে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকেও সম্মান করা উচিত।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর চকবাজারের একটি প্লাস্টিকের কারখানায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এমদাদুল হক (২৫) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছে।
এ ঘটনা গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে ঘটে। এমদাদুলের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়।
সহকর্মীরা এমদাদুলকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় এমদাদুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালে পুলিশের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে।
এমদাদুলের সহকর্মী বিপ্লব জানান, তারা সোয়ারী ঘাট এলাকার একটি প্লাস্টিকের কারখানায় কাজ করেন। কাজের সময় মেশিন চালু করতে গিয়ে এমদাদুল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। খবর শুনে সেখান থেকে উদ্ধার করে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে। এতে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত থেকে এই হামলা চলছে। এ হামলায় এখন পর্যন্ত ৯০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি জানাচ্ছে, কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো বলেছেন, বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ওপর চালানো এই হামলাকে দেশটির ‘সবচেয়ে ভয়াবহ ও ব্যাপক হামলা’ হিসেবে তারা দেখছেন।
তিনি আরও বলেন, আহতদের মধ্যে একটি অ্যাম্বুলেন্স স্টেশনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনার পর নিহতদের স্মরণে কিয়েভে শুক্রবার শোক দিবস ঘোষণা করা হয়েছে।
যদিও অতীতে কিছু হামলায় মৃতের সংখ্যা বেশি ছিল, এবারের হামলায় রাজধানীজুড়ে সর্বাধিক সংখ্যক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে এবং শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক আঘাত হানা হয়েছে।
হামলার পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কারণে একাধিক এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরানো হয়েছে। ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছিলেন, ‘রাশিয়া বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
অন্যদিকে, মস্কো দাবি করেছে, রাশিয়ার বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর ইউক্রেনের হামলার জবাবে তারা সামরিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ‘আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য কিয়েভ সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়ানো হবে।’
এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইউক্রেন অভিযোগ করেছে, রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো জানান, হতাহতদের মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। শত্রুপক্ষ আবারও পরিকল্পিতভাবে আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়ে বেসামরিক মানুষকে হত্যা করছে।
কিয়েভ মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার সময় প্রায় সাড়ে ৫২ হাজার মানুষ (যার মধ্যে সাড়ে ৪ হাজার শিশু) নিরাপত্তার জন্য ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। এটি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সর্বোচ্চ সংখ্যা।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর একটি ছিল দক্ষিণ-পূর্ব কিয়েভের দারনিৎস্কি জেলা। সেখানে একটি বহুতল আবাসিক ভবনে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের খুঁজে বার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ