বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৪৫ পি.এম
ইথিওপিয়ার উত্তরের তিগ্রে অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার আঞ্চলিক বাহিনী তিনটি বিমানবন্দরের দখল নিয়েছে। একই সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সেনাদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কয়েক মাস ধরে চলতে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা বড় ধরনের সামরিক অভিযানের সূচনা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে রয়টার্স।
যদি নতুন করে সংঘাত শুরু হয়, তবে ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত চলা তিগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ) ও ইথিওপিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধের অবসান ঘটানো শান্তিচুক্তি ভেঙে পড়তে পারে। ওই যুদ্ধে কয়েক লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। তিগ্রেতে নতুন সংঘাতের পাশাপাশি ইথিওপিয়া ও প্রতিবেশী ইরিত্রিয়ার সম্পর্কও খারাপ হতে শুরু করেছে। সুদানে চলমান গৃহযুদ্ধ এবং লোহিত সাগরে প্রবেশাধিকার নিয়ে ইরিত্রিয়ার সঙ্গে ইথিওপিয়ার বিরোধও রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবও হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে পড়ছে। ফলে তিগ্রের নতুন সংঘাত শুধুমাত্র ইথিওপিয়ার অভ্যন্তরীণ সমস্যা হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
আরো পড়ুন
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হবে মাদক-জুয়া প্রতিরোধ কমিটি
২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিগ্রেতে ভয়াবহ যুদ্ধ চলেছিল। পরে দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী প্রিটোরিয়ায় একটি চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধের অবসান ঘটে। এই চুক্তি ‘প্রিটোরিয়া চুক্তি’ নামে পরিচিত। তবে চুক্তির পরও দুই পক্ষের মধ্যে সম্পূর্ণ আস্থা গড়ে ওঠেনি। গত কয়েক মাসে পরিস্থিতি আবার খারাপ হতে শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার ও টিপিএলএফ একে অপরের বিরুদ্ধে শান্তিচুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। এ সময় টিপিএলএফের ভেতরেও বিভেদ দেখা দেয়। পরে দলের কট্টরপন্থী একটি অংশ আবার তিগ্রের বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং অন্তর্বর্তী প্রশাসনকে সরিয়ে দেয়। সর্বশেষ টিপিএলএফ ইথিওপিয়ার আরও ছয়টি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে জোট গঠন করেছে। এ জোটের মধ্যে এমন কিছু সংগঠনও রয়েছে, যারা আগের যুদ্ধে টিপিএলএফের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল।
নতুন এই জোটের উদ্দেশ্য প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা বলে জানা গেছে। তবে বুধবারের সংঘর্ষে জোটের কতজন যোদ্ধা অংশ নিয়েছেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ইথিওপিয়ায় বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। ফলে তিগ্রের সংঘাত অন্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইথিওপিয়ার কেন্দ্রীয় সরকার অভিযোগ করেছে, ইরিত্রিয়া এই জোটের সদস্যদের অর্থ ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করছে। তবে ইরিত্রিয়া এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
আরো পড়ুন
অন্যের ভূখণ্ড নয়, নিজেদের অর্থনীতি সামলান : পাকিস্তানকে ভারতের কটাক্ষ
তিগ্রেতে নতুন সংঘাতের পর ইরিত্রিয়ার ভূমিকার দিকে নজর রাখছেন পর্যবেক্ষকরা। দেশটির রাজধানী আসমারা ইথিওপিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধে জড়িত। ১৯৯৩ সালে ইথিওপিয়া থেকে স্বাধীন হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক বিভিন্ন সময় খারাপ হয়েছে। তবে ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ ক্ষমতায় আসার পর দুই দশকের শত্রুতার অবসান ঘটানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এই উদ্যোগের জন্য ২০১৯ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। কিন্তু ২০২০ সালে তিগ্রেতে যুদ্ধ শুরু হলে পরিস্থিতি আবার বদলে যায়। ওই যুদ্ধে ইরিত্রিয়ার সেনারা ইথিওপিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের বাহিনীকে সহায়তা করে।
পরে প্রিটোরিয়া চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ হলেও ইরিত্রিয়া ওই শান্তিচুক্তির পক্ষ ছিল না। যুদ্ধের পর ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার সম্পর্ক আবার খারাপ হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার আরেকটি বড় কারণ হলো সমুদ্রে প্রবেশাধিকার। ইথিওপিয়া বর্তমানে স্থলবেষ্টিত দেশ। তবে ইরিত্রিয়া স্বাধীন হওয়ার আগে ইথিওপিয়ার সমুদ্র উপকূল ছিল। ইথিওপিয়া দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে, লোহিত সাগরে সরাসরি প্রবেশাধিকার পাওয়া দেশটির নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ইরিত্রিয়ার আসাব বন্দরে প্রবেশের বিষয়টি ইথিওপিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে, ইরিত্রিয়ার আশঙ্কা, ইথিওপিয়া সামরিক শক্তি ব্যবহার করে আসাব বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এ কারণে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
আরো পড়ুন
শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ
চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ইরিত্রিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনী ও আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে ইথিওপিয়া-ইরিত্রিয়া সম্পর্কের ওপর কী প্রভাব পড়বে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টিকে কেউ কেউ ইরিত্রিয়ার কৌশলগত অবস্থান ও লোহিত সাগরের উপকূলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত মনে করছেন। একই সঙ্গে এটিকে ইথিওপিয়াকে ইরিত্রিয়ার সঙ্গে সামরিক সংঘাতে না জড়ানোর সতর্কবার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। তিগ্রেতে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে পরিস্থিতি শুধুমাত্র ইথিওপিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে আশঙ্কা করছেন কূটনীতিকেরা।
হর্ন অব আফ্রিকা এরই মধ্যে বড় ধরনের নিরাপত্তা সংকটের মধ্যে রয়েছে। প্রতিবেশী সুদানে গৃহযুদ্ধ চলছে। সোমালিয়াতেও দীর্ঘদিন ধরে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। নীল নদের পানি নিয়ে বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিরোধ বিদ্যমান। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা। এসব ঘটনার প্রভাব হর্ন অব আফ্রিকার দেশগুলোর ওপরও পড়ছে। ইথিওপিয়ার বিরুদ্ধে সুদানের আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে (আরএসএফ) সহায়তা করার অভিযোগও রয়েছে। আরএসএফ বর্তমানে সুদানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে ভয়াবহ যুদ্ধে লিপ্ত। এই যুদ্ধকে বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী চলমান সংঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইথিওপিয়া এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
আরো পড়ুন
শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ
ইথিওপিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে এই অঞ্চলে সংযুক্ত আরব আমিরাত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা অভিযোগ করেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত আরএসএফকে সহায়তা করছে। তবে আবুধাবি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে, ইরিত্রিয়ার সঙ্গে সুদানের সম্পর্ক তুলনামূলক ঘনিষ্ঠ। সাম্প্রতিক সময়ে ইরিত্রিয়া মিসরের সঙ্গেও সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ করেছে। মিসর দীর্ঘদিন ধরে ইথিওপিয়ার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধে রয়েছে।
মিসর ও সুদানের সঙ্গে ইথিওপিয়ার আরেকটি বড় বিরোধ হলো নীল নদের পানি। ইথিওপিয়া নীল নদের একটি শাখা নদীর ওপর গ্র্যান্ড ইথিওপিয়ান রেনেসাঁস ড্যাম বা জিইআরডি নির্মাণ করেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এই বাঁধকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে আদ্দিস আবাবা। অন্যদিকে, মিসর ও সুদান মনে করে, বাঁধটির পানি ব্যবস্থাপনা তাদের পানির সরবরাহে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে মিসরের জন্য নীল নদের পানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালীন পাকিস্তান ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। এই আলোচনা পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের সময় দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়েও আলোচনা করেন। ইসহাক দার আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে কূটনীতি এবং নিয়মিত যোগাযোগের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। এই খবরটি অনলাইন আল জাজিরায় প্রকাশিত হয়েছে।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রে সিবিহা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যা তীব্র উত্তেজনার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিবিহা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, দুই দেশের মধ্যে বিরোধ যাতে আরও বৃদ্ধি না পায় সেই বিষয়ে যৌথ পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উভয় নেতা বিদ্যমান যোগাযোগের পথগুলো খোলা রাখার বিষয়ে একমত হন। তাদের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের সংঘাতময় পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়।
রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহের অভিযোগে কিয়েভ ও তেহরানের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল। সম্প্রতি, কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করে তেহরান। ওই ঘটনার প্রতিবাদে ইউক্রেনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে তলব করেছিল ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উল্লেখ করেছেন, "প্রযুক্তিতে উৎকর্ষ সাধনে শিক্ষার্থীদের চীনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বর্তমান সরকার কাজে লাগাচ্ছে।"
তিনি বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘ঢাকা-চীন ডে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এই বক্তব্য প্রদান করেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, "রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়ার ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্কের ধারা অব্যাহত রেখেছেন। চীনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হওয়ার সুযোগ নেই। দিন দিন সম্পর্ক আরো জোরদার করা হবে।"
এ সময়, তিনি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি নিয়ে বিকল্প উপায় ভাবার কথা উল্লেখ করেন। সোলার প্যানেল ও প্রাকৃতিক উপায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে চীনের সহযোগিতা নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, "বাংলাদেশ ও চীন দুই দেশের বন্ধুত্ব সর্বোচ্চ উচ্চতায় অবস্থান করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের মধ্য দিয়ে সম্পর্কের নতুন যুগ শুরু হয়েছে। চীন বাংলাদেশের শিক্ষাখাতের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। উচ্চশিক্ষা গ্রহণে চীনে যেতে সব সময় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হয়।"
এ সময়, তিনি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদারের কথাও উল্লেখ করেন চীনা রাষ্ট্রদূত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে। বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করছে, যা এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
গত মাসে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়নের জন্য পর্যায়ক্রমে ডলারের দাম বৃদ্ধি এবং টাকার মান কমানোর ফলে বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার জোগান থাকা সত্ত্বেও ডলারের দাম বর্তমানে ওঠানামার মধ্যে রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, জুলাই মাসের শুরুতে আন্ত ব্যাংকে ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। পরবর্তীতে সেটি বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছিল। এরপর আবার সেটি কমে পূর্বের অবস্থানে ফিরে এসেছে। বর্তমানে ১২৩ টাকা ১৫ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—
মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার : ১২৩ টাকা ১৫ পয়সা
ইউরো : ১৪০ টাকা ১৪ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৩ টাকা ০১ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৭ টাকা ৩০ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৬৪ পয়সা
চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ৩৪ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৬ টাকা ১৮ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৮ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ২৪ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৮১ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৭৩ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৯ টাকা ৩৯ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৬০ পয়সা
*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাস আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যে ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে।
আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে সম্প্রতি ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছিল। তবে বর্তমানে সেটি কিছুটা কমে এসেছে, যা আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা স্বস্তিদায়ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাভারের পাকিজা ইউটার্ন এলাকায় একটি দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় এক পথচারী গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। তবে, নিহতের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, রাস্তা পার হওয়ার সময় পিকআপ ভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই পথচারীকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ঘটনার পর আহত ব্যক্তিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঘটনার পর পিকআপ ভ্যানের চালক গাড়িটি রেখে পালিয়ে যায়। দুর্ঘটনায় জড়িত গাড়িটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ন ১৪-৭৬৩৯।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ