ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু কাল, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর


একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু কাল, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর

এ বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন ও ক্লাস শুরুর সময়কে এগিয়ে আনা হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে এবং এটি ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।

ভর্তি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন গ্রহণের পরিকল্পনা ছিল এবং ভর্তি কার্যক্রম শেষে ১২ নভেম্বর ক্লাস শুরুর কথা ছিল।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান চুক্তি: ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসংস্থান চুক্তি

কয়েক বছর ধরে এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নির্ধারিত ফি দিয়ে ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। পরে ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে শিক্ষার্থীকে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে একাদশ শ্রেণির অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে।

কারিগরি বোর্ড এবং ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদরাসায় এই সমন্বিত পদ্ধতিতেই শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সূত্রে জানা গেছে, আবেদনের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তীচ্ছু সবাইকে আবেদন করতে হবে। যারা ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছে, তাদেরও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

আরও পড়ুন: হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার শিকার প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

তবে পুনর্নিরীক্ষণের পর যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তাদের পুনরায় আবেদনের সময় দেওয়া হবে। ১০ সেপ্টেম্বর পুনর্নিরীক্ষণে ফল প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রস্তাব

শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর যাদের পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হবে তারা আবেদন করতে পারবে। এভাবে যাচাই-বাছাই শেষে ২০, ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর ভর্তির কাজ সম্পন্ন হবে। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরু হবে। তবে যারা এ সময়ে ও প্রক্রিয়ায় কোনো কলেজ-মাদরাসা পাবে না বা প্রত্যাশিত কলেজ পাবে না অথবা কোনো কারণে আবেদন করতে পারবে না, ২৩ সেপ্টেম্বরের পরপর তাদেরও ভর্তির জন্য আবেদনের সুযোগ দেওয়া হবে।

এ বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ৪ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন করেছে। এর মধ্যে ১০ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি আবেদন পড়েছে লিখিত (তত্ত্বীয়) পরীক্ষার উত্তরপত্রের জন্য। আর ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতার জন্য আবেদন পড়েছে ২ লাখ ৩১ হাজারের বেশি।

আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে ইয়াবা কারবারিদের ধরে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয় পুলিশ, থানার ক্যাশিয়ার নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন

ভর্তি ফি

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফি ও সেশন চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি, অবস্থান এবং বাংলা বা ইংরেজি ভার্সনের ওপর ভিত্তি করে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর মধ্যে সর্বোচ্চ ফি প্রযোজ্য হবে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার নন-এমপিও বা আংশিক এমপিও কলেজগুলোর জন্য।

সোমবার (২৪ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশিত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালায় এ তথ্য জানা যায়।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগের পর স্ত্রীর রহস্যময় পোস্ট

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, এ বছর আবেদন ফি বাবদ আগের বছরের ৩৩৫ টাকার বদলে ৫ টাকা বাড়িয়ে ৩৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে শিক্ষা বোর্ড।

এমপিওভুক্ত কলেজের ক্ষেত্রে ভর্তি ফি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে—ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভার্সনে ৫,০০০ টাকা, ঢাকা বাদে অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩,০০০ টাকা, জেলা পর্যায়ে ২,০০০ টাকা এবং উপজেলা ও মফস্বল এলাকায় ১,৫০০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নন-এমপিওভুক্ত কলেজের ভর্তি ফি নির্ধারিত হয়েছে—জেলা সদরে বাংলা ভার্সনে ৩,০০০ টাকা ও ইংরেজি ভার্সনে ৪,০০০ টাকা এবং উপজেলা ও মফস্বল এলাকায় বাংলা ভার্সনে ২,৫০০ টাকা ও ইংরেজি ভার্সনে ৩,০০০ টাকা।

শিক্ষার্থীর ভর্তির প্রাথমিক নিশ্চায়নের সময় শিক্ষা বোর্ড রেজিস্ট্রেশন ফি (১৪২ টাকা), ক্রীড়া ফি (৫০ টাকা), রোভার/রেঞ্জার ফি (১৫ টাকা), রেড ক্রিসেন্ট ফি (১৬ টাকা), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি (৭ টাকা), বিএনসিসি ফি (১০ টাকা, যা আগে ছিল ৫ টাকা) এবং শিক্ষককল্যাণ ও অবসরসুবিধা ভাতা ফি (১০০ টাকা)-সহ মোট ৩৪০ টাকা নেবে।

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে পরামর্শক কমিটি গঠন করেছে ইউজিসি

এ ছাড়া একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে আবেদনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা এবং শিক্ষা বোর্ডে পাঠানোর জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে রেড ক্রিসেন্ট ফি বাবদ ২৪ টাকা ও বার্ষিক ক্রীড়া মঞ্জুরি ফি বাবদ ৪০০ টাকা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, দেশব্যাপী এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে শুরু হচ্ছে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রস্তুতি।

সম্প্রতি একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রস্তাবিত খসড়া নীতিমালা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। এতে ৭ শতাংশ আসন কোটার জন্য রেখে বাকি ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত এই নীতিমালায় ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই শুধু এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচিত হবে। কোটার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে খসড়া নীতিমালায়।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে সৈয়দপুরে ময়লার স্তূপ বালু দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে

সূচি অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং ভর্তি কার্যক্রম শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়মিত ক্লাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ পরীক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গতবার এই পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এবার মোট জিপিএ ৫ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। গতবার জিপিএ ৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ও জিপিএ ৫ কমেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-পাকিস্তান-ইতালিতে এলএনজি সরবরাহ বন্ধের মেয়াদ বাড়াল কাতার এনার্জি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


বাংলাদেশ-পাকিস্তান-ইতালিতে এলএনজি সরবরাহ বন্ধের মেয়াদ বাড়াল কাতার এনার্জি

কাতার এনার্জি ইউরোপের কিছু দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি সরবরাহের ক্ষেত্রে ‘ফোর্স মেজর’ বা অনিবার্য পরিস্থিতির ঘোষণা আরও বৃদ্ধি করেছে। ব্লুমবার্গ ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা অব্যাহত থাকায় প্রতিষ্ঠানটি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে পারছে না।

 

‘ফোর্স মেজর’ হল একটি চুক্তিগত ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারি বা অন্য কোনো অনিবার্য ও অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে কোনো পক্ষ সাময়িকভাবে চুক্তির বাধ্যবাধকতা পালন থেকে অব্যাহতি পেতে পারে। ব্লুমবার্গের শুক্রবারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কাতারএনার্জি চলতি সপ্তাহে পাকিস্তানের ক্রেতাদের জানিয়েছে, এলএনজি সরবরাহের কিছু চালান বাতিলের ঘটনা অক্টোবর পর্যন্ত চলতে পারে। বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্যও ‘ফোর্স মেজর’-এর মেয়াদ সেপ্টেম্বরের পর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ইউরোপের অন্যান্য ক্রেতাদেরও একই ধরনের নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

 

এডিসন, ইতালির জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, শুক্রবার কাতারএনার্জির সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, কাতারএনার্জি ইতালিতে তাদের এলএনজি সরবরাহ স্থগিত রাখার সময় নভেম্বরের শুরুর দিকে পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এডিসন একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, কাতারএনার্জি তাদের জানিয়েছে, ইতালির অ্যাড্রিয়াটিক এলএনজি টার্মিনালে নির্ধারিত আরও পাঁচটি এলএনজি জাহাজের চালান তারা দিতে পারবে না। এর ফলে এডিসনের ক্ষেত্রে এপ্রিলের শুরু থেকে চলমান ‘ফোর্স মেজর’ এর মেয়াদ নভেম্বরের শুরুর দিকে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

 

এডিসনের হিসাব অনুযায়ী, কাতারএনার্জির সরবরাহ দিতে না পারা এলএনজি জাহাজের সংখ্যা বর্তমানে বেড়ে ২৯টিতে দাঁড়িয়েছে। তবে সরবরাহের ঘাটতি পূরণে এডিসন বিকল্প উৎস থেকে গ্যাসের ব্যবস্থা করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এর মাধ্যমে তারা গ্রাহকদের কাছে নিজেদের সরবরাহের প্রতিশ্রুতি পূরণ করার চেষ্টা করছে।

কাতার বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এলএনজি রপ্তানিকারক দেশ। দেশটির এলএনজি রপ্তানির একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিভিন্ন দেশে যায়।

 

কিন্তু সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে কাতারের এলএনজি রপ্তানিতে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা তৈরি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৪ মার্চ প্রথমবার এলএনজি সরবরাহ কার্যক্রম স্থগিত করে কাতারএনার্জি। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা করে। ‘ফোর্স মেজর’ বলতে এমন পরিস্থিতিকে বোঝায়, যেখানে কোনো প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা বিশেষ ঘটনা বা পরিস্থিতির কারণে চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহ বা অন্য কোনো দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হয় না।

হরমুজ প্রণালির সমস্যার পাশাপাশি কাতারের এলএনজি অবকাঠামোও হামলার শিকার হয়েছে। মার্চে কাতার এনার্জির রাস লাফান শিল্প এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়। এতে এলএনজি উৎপাদন ও রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত কিছু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কাতার এনার্জির প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং দেশটির জ্বালানি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সাদ শেরিদা আল-কাবি জানান, রাস লাফানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে কাতারের এলএনজি রপ্তানির সক্ষমতা ১৭ শতাংশ কমে গেছে। এর ফলে আগে থেকেই চাপের মধ্যে থাকা কাতারের এলএনজি সরবরাহ পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

জুলাইয়ে কাতারের এলএনজি বহনকারী জাহাজ ‘আল রেকাইয়াত’ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হয়। কাতার এই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করে। হামলায় জাহাজটির বাম পাশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে জাহাজটির সব নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। জাহাজে হামলার ঘটনা হরমুজ প্রণালি দিয়ে এলএনজি পরিবহনের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করে। কাতার এনার্জির সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে এশিয়া ও ইউরোপের এলএনজি ক্রেতাদের বিকল্প উৎসের দিকে যেতে হচ্ছে।

পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং ইউরোপের কিছু দেশ কাতারের এলএনজির ওপর নির্ভরশীল। কাতারএনার্জি সরবরাহে ব্যর্থ হওয়ায় এসব দেশের আমদানিকারকদের অন্য উৎস থেকে গ্যাস সংগ্রহ করতে হচ্ছে। বিশেষ করে শীতের আগে ইউরোপে গ্যাসের চাহিদা বাড়তে শুরু করলে সরবরাহ পরিস্থিতি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কাতারএনার্জির নতুন করে ‘ফোর্স মেজর’ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত থেকে বোঝা যাচ্ছে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং কাতারের এলএনজি অবকাঠামোর ওপর হামলার প্রভাব এখনও কাটেনি। ফলে এশিয়া ও ইউরোপের ক্রেতাদের জন্য কাতারের এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগতে পারে।

উল্লেখ্য যে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে তীব্র বাধার মুখে গত ৪ মার্চ প্রথম এলএনজি কার্যক্রম স্থগিত করে ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণা করেছিল কাতার এনার্জি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অ্যাপলের সিইও পদ ছাড়লেন টিম কুক, দায়িত্বে জন টার্নাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


অ্যাপলের সিইও পদ ছাড়লেন টিম কুক, দায়িত্বে জন টার্নাস

পদ ছাড়লেন টিম কুক, সোমবার ১৫ বছর ধরে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর। একই দিনে নতুন সিইও হিসেবে জন টার্নাসের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন তিনি।

 

বিদায়ের দিনে অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসকে স্মরণ করেন কুক। তিনি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের প্রশংসা করে তাদের ‘অসাধারণ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

কুক এখন অ্যাপলের নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিষ্ঠানের সিইও হিসেবে কাজ শুরু করবেন টার্নাস।

 

অ্যাপলে কুকের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৮ সালে। সেই সময়ে প্রতিষ্ঠানের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস তাকে অ্যাপলে নিয়োগ দেন। কুক প্রথমে অ্যাপলের সরবরাহব্যবস্থা দেখার দায়িত্বে ছিলেন। ২০০৫ সালে তাকে প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

 

এ দায়িত্বে থেকে তিনি অ্যাপলের পণ্য তৈরি ও সরবরাহের পুরো ব্যবস্থাকে আরো দক্ষ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই কুক অ্যাপলে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হয়ে ওঠেন।

২০১১ সালে তিনি অ্যাপলের সিইও হন। ওই সময় স্টিভ জবস দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। কুক দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পর অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারে মারা যান জবস।

 

জবসের পর অ্যাপলের নেতৃত্ব ধরে রাখার বড় দায়িত্ব কুকের ওপর পড়ে। কুকের নেতৃত্বে গত প্রায় ১৫ বছরে অ্যাপল বিশ্বের অন্যতম মূল্যবান প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সোমবার প্রতিষ্ঠানটির বাজারমূল্য ৪ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। এর মাধ্যমে কুকের নেতৃত্বে অ্যাপলের ব্যবসার ব্যাপক বিস্তারের বিষয়টি আরো স্পষ্ট হয়েছে। চাকরির শেষ দিনে কর্মীদের কাছে পাঠানো এক বার্তায় কুক স্টিভ জবসের কথা স্মরণ করেন। তিনি লেখেন, ‘স্টিভ যেভাবে একবার বলেছিলেন, আমরা মহাবিশ্বে আমাদের ছাপ রেখে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পেরেছি।’

কর্মীদের প্রশংসা করে কুক বলেন, অ্যাপলের সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান তাদের। তিনি বলেন, তার সাফল্য নিয়ে যা-ই বলা হোক না কেন, তিনি জানেন এর সবকিছুই কর্মীদের কারণে সম্ভব হয়েছে। এত অসাধারণ মানুষের সঙ্গে এর আগে তিনি কখনো কাজ করেননি বলেও উল্লেখ করেন কুক। অ্যাপলের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১ লাখ ৬৬ হাজার কর্মী রয়েছে। বিদায়ী বার্তায় কুক আরো বলেন, তিনি অ্যাপল এবং প্রতিষ্ঠানটির কর্মীদের ভালোবাসেন। তাদের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করাকে তিনি জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানের বিষয় বলে উল্লেখ করেন।

কুকের পর অ্যাপলের সিইও হচ্ছেন জন টার্নাস। ১ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই দায়িত্ব পালন করবেন। স্টিভ জবসের পর টার্নাস হবেন অ্যাপলের নেতৃত্ব দেওয়া দ্বিতীয় সিইও। টার্নাস ২০০১ সালে অ্যাপলের নকশা দলে যোগ দেন। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি অ্যাপলের হার্ডওয়্যার প্রকৌশল বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট হন। আইফোন, আইপ্যাডসহ অ্যাপলের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার পণ্য তৈরির কাজে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সিইও হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর টার্নাস খুব বেশি সময় পাবেন না নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার জন্য।

আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অ্যাপলের বার্ষিক আইফোন অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রথম ভাঁজ করা ফোন উন্মোচন করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে নতুন সিইও হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বড় একটি পণ্য উন্মোচন অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব দিতে হবে টার্নাসকে। অ্যাপলের নেতৃত্বে এই পরিবর্তন এমন এক সময়ে হলো, যখন প্রতিষ্ঠানটি বেশ কয়েকটি বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। উন্নত কম্পিউটিং চিপের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। এতে চিপ সরবরাহের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।

অ্যাপলের মতো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের জন্য সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রাখা এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতাও বেড়েছে। গুগল, মাইক্রোসফটসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এআই প্রযুক্তিতে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এই প্রতিযোগিতায় অ্যাপলকে আরো শক্ত অবস্থান তৈরি করতে হবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনেও অ্যাপলকে নানা রাজনৈতিক ও নীতিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির ‘প্রথম অবসর’ ঘোষণার পর কী বলেছিলেন রোনালদো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৬ পি.এম


মেসির ‘প্রথম অবসর’ ঘোষণার পর কী বলেছিলেন রোনালদো

উত্তর আমেরিকার মাটিতে বিশ্বকাপের খেতাব ধরে রাখার যে মিশন ছিল, সেটি লিওনেল মেসির জন্য সফলভাবে সম্পন্ন হয়নি। ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়ে আলবিসেলেস্তেদের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়ে যায়।

 

এই পরাজয়ের ম্যাচটি মেসির জাতীয় দলের পোশাকে শেষ উপস্থিতি হিসেবে চিহ্নিত হলো। বিশ্বকাপের কয়েক সপ্তাহ পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নেন, যিনি ছিলেন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক।

জাতীয় দল থেকে মেসির বিদায়ের ঘটনা এটি প্রথম নয়। ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকা ফাইনালে চিলির কাছে টাইব্রেকারে হেরে আবেগঘনভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন ২৯ বছর বয়সী মেসি।

 

পেড্রাগালে টাইব্রেকারে শট মিস করার সেই হৃদয়ভাঙা রাতে মেসির এমন সিদ্ধান্ত পুরো ফুটবলবিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। সেই সময়, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির পাশে দাঁড়িয়ে এক ঐতিহাসিক বার্তা দিয়েছিলেন পর্তুগিজ যুবরাজ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

তৎকালীন স্প্যানিশ পত্রিকা ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেসির কঠিন সিদ্ধান্তের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে রোনালদো বলেছিলেন, ‘মেসি খুব কঠিন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সবার উচিত ওর মানসিক অবস্থাটা বোঝা। ও হারতে বা ব্যর্থ হতে অভ্যস্ত নয়, এমনকি দ্বিতীয় হওয়াটাও ওর সঙ্গে যায় না।

 

কেবল একটা পেনাল্টি মিস করলেই কেউ খারাপ ফুটবলার হয়ে যায় না।’

রোনালদো তখন ভাবতে পারেননি যে মেসি পরবর্তীতে ফিরে এসে ২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা এবং ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জয় করবেন—যে বিশ্বকাপ ট্রফিটি পর্তুগিজ মহাতারকার জন্য এখনো অধরা। তবুও, প্রতিদ্বন্দ্বীর কষ্টে সমব্যাথী হয়ে সেদিন রোনালদো প্রকাশ করেছিলেন নিজের অনুভূতি, ‘মেসিকে এভাবে চোখের জলে ভেঙে পড়তে দেখাটা সত্যিই বেদনার। আমি আশা করি ও নিজের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে জাতীয় দলে ফিরবে, কারণ আর্জেন্টিনার ওকে ভীষণ প্রয়োজন।’

রোনালদোর সেই আশাবাণী সত্য প্রমাণ করে সেবার অবসর ভেঙে ফিরে এসে দেশকে এনে দিয়েছিলেন পরম কাঙ্ক্ষিত সব সোনালী ট্রফি।

 

তবে এবার ৩৯ বছর বয়সী মেসির পক্ষে আর ফেরা সম্ভব কি না, তা নিয়ে রয়েছে গভীর সংশয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যবসায়িক বিরোধে নারী উদ্যোক্তাকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৯ পি.এম


ব্যবসায়িক বিরোধে নারী উদ্যোক্তাকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

রাজবাড়ী শহরের বড় বাজারের কাপড় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নারী উদ্যোক্তা জাকিয়া সুলতানার বিরোধের প্রেক্ষিতে মারধরের ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজবাড়ী সদর থানার ওসি উত্তম কুমার ঘোষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন—আব্দুল্লাহ আল সিয়াম খান (১৯), মো. রুবেল হোসেন (১৯) এবং মো. হেলাল উদ্দিন (৩৮)।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার (৩১ আগস্ট) দিবাগত রাতে জাকিয়া সুলতানা বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

 

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জাকিয়ার প্রতিষ্ঠান ‘আস্থা পোশাক শিল্প গার্মেন্টে’-এর একজন কর্মচারী চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর বেতন ও মালামালের হিসাব নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। অভিযোগ রয়েছে, গত ২৩ আগস্ট ওই কর্মচারী কয়েকজন লোক নিয়ে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বেতন দাবি ও হুমকি দেন।

এই ঘটনার পর শনিবার (২৯ আগস্ট) বড় বাজারে জাকিয়া ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে, একজন নারী পুলিশ সদস্যের সঙ্গে থাকা জাকিয়াকে কয়েকজন যুবক লাথি ও ঘুষি মারেন।

 

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।

ওসি উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, ‘এ ঘটনায় তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%