০২:০৬ এম
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে কানাডা ও দক্ষিণ আফ্রিকার লড়াই শুরু থেকেই জমে উঠেছে। আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের মধ্যে দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করেছে। তবে প্রথমার্ধের শেষ দিকে এসে কোনো দলই জালের দেখা পায়নি।
শুরুর দিকে দুই দল কিছুটা সতর্ক ফুটবল খেললেও সময়ের সাথে সাথে কানাডা আক্রমণের গতি বাড়াতে শুরু করে। তারা মাঝমাঠের দখল নিয়ে বারবার দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করে। কর্নার ও প্রান্তভাগের আক্রমণ থেকে বেশ কিছু ভালো সুযোগও তৈরি হয়ে গেল।
ম্যাচের বাইশতম মিনিটে একটি দারুণ সুযোগ নষ্ট করেন কানাডার এক রক্ষণভাগের খেলোয়াড়। তিনি একেবারে অরক্ষিত অবস্থায় বল পেলেও মাথা ছোঁয়াতে না পারায় সহজ সুযোগ হাতছাড়া হয়। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণ ও গোলরক্ষক দৃঢ়তা দেখিয়ে দলকে বিপদমুক্ত রাখে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন
দক্ষিণ আফ্রিকা পাল্টা আক্রমণে একাধিকবার কানাডার রক্ষণে চাপ তৈরি করে। তারা দূরপাল্লার শট, প্রান্ত থেকে ওঠা আক্রমণ এবং কর্নার থেকে সুযোগ তৈরির চেষ্টা করে। কিন্তু কানাডার গোলরক্ষক আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সব সামলাতে সক্ষম হন।
প্রথমার্ধের শেষদিকে কানাডা সবচেয়ে বড় সুযোগটি পায়। কর্নার থেকে জোরালো মাথার আঘাতে বল প্রায় জালে ঢুকতে যাচ্ছিল। কিন্তু গোলরেখায় দাঁড়িয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার এক ডিফেন্ডার অসাধারণ দক্ষতায় বলটি ফিরিয়ে দেন। ফিরতি বল থেকেও কানাডার একটি শট গোলরক্ষকের গায়ে লেগে ফিরে আসে। দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়েরা পরপর দুই দফায় নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দলকে স্বস্তি এনে দেন।
প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে কিছুটা এগিয়ে ছিল কানাডা। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষা, গোলরক্ষকের দৃঢ়তা এবং গোলরেখায় অবিশ্বাস্য প্রতিরোধের কারণে বিরতিতে কোন দলই এগিয়ে যেতে পারেনি। ফলে প্রথমার্ধ গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: গণতন্ত্রের শর্ত ও রাজনৈতিক সংকটের গুরুত্ব: তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিতর্ক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন