ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নৌ ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী


নৌ ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, যা বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির লক্ষ্যে গঠিত।

রবিবার সকালে তিনি ঢাকা সেনানিবাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে প্রধান অতিথি হিসেবে এই উদ্বোধন করেন।

এটি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মাভাবিপ্রবি উপাচার্য

এই পদোন্নতি পর্ষদে যোগ্য কর্মকর্তাদের মধ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, কমান্ডার ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এবং বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন, উইং কমান্ডার ও স্কোয়াড্রন লিডার পদবির কর্মকর্তারা থাকবেন, যারা পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

নির্বাচনী পর্ষদ শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে এডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। র‌্যাংক ব্যাজ পরিধান করার পর প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে অভিনন্দন জানান।

এ সময়ে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি একইসঙ্গে নৌবাহিনীকে আরও আধুনিক, সক্ষম ও সময়োপযোগী বাহিনী হিসেবে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রীর মূল্যবান পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা কামনা করেন।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, সেনা ও বিমান বাহিনী প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মন্ত্রণালয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ পি.এম


মন্ত্রণালয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, মন্ত্রণালয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না এবং কাউকে অনিয়ম করতে দেয়া হবে না।

গতকাল রাতে ঢাকার মহাখালীর রাওয়া ক্লাব কনভেনশন সেন্টারের হেলমেট হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ‘বার্ষিক সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় মন্ত্রী বক্তব্যে মন্ত্রণালয়ে সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার অভিব্যক্তিও প্রকাশ করেন। অন‍ুষ্ঠানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা, সহপাঠী এবং মুক্তিযুদ্ধের সময়ের স্মৃতিচারণ করেন। সেইসাথে তিনি বিভাগের প্রয়াত শিক্ষক ও সহপাঠীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘৬৯-৭০ ব্যাচের শিক্ষার্থী হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের কারণে আমাদের শিক্ষাজীবনে ব্যাঘাত ঘটেছিল। যুদ্ধ শেষে ফিরে এসে যখন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়, তখন তৎকালীন বিভাগীয় প্রধান ড. এম এন হুদার সঙ্গে আমরা দেখা করি। দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে অংশ নেওয়ার কথা তুলে ধরে আমরা বিশেষ মূল্যায়নের অনুরোধ জানাই। পরবর্তী সময়ে স্যারদের আন্তরিক সহায়তায় আমাদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা হয়।’

শিক্ষকদের অবদান স্মরণ করতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ‘গুণী শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা ও স্নেহেই আজকে আমরা এই পর্যায়ে পৌঁছাতে পেরেছি।’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন নিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে যে গুরুদায়িত্ব দিয়েছেন, তা যেন সততার সঙ্গে পালন করতে পারি। একজন সহকর্মী ও বন্ধু হিসেবে মন্ত্রণালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রেখে দেশসেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য।’

অনুষ্ঠানে অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. ফেরদৌসী নাহার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইকোনমিক্স ডিপার্টমেন্ট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (ডিইউইডিএএ) সভাপতি সৈয়দ আলী জওহর রিজভীসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিজাবে কড়াকড়ি, তবুও রাস্তায় মাথা ঢাকছেন না ইরানি নারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ পি.এম


হিজাবে কড়াকড়ি, তবুও রাস্তায় মাথা ঢাকছেন না ইরানি নারীরা

যুদ্ধ, অর্থনৈতিক সংকট এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই আবারও ইরানে নারীদের হিজাব পরার বিষয়ে নতুন করে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। দেশটির কট্টরপন্থীরা বাধ্যতামূলক হিজাবের নিয়মকে আরও কঠোরভাবে কার্যকর করার দাবি তুলেছেন, কিন্তু অনেক নারী প্রকাশ্যে এই নিয়ম মানছেন না।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে সরকারের নজর অন্যদিকে থাকায় হিজাব ছাড়া অনেক নারীকে সরকারি অনুষ্ঠান এবং রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমেও দেখা গেছে। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হিজাবের নিয়ম কঠোরভাবে কার্যকরের দাবিও আবারও জোরালো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের বিভিন্ন শহরে হিজাবের নিয়ম না মানার অভিযোগে ক্যাফে, রেস্তোরাঁ এবং দোকান বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৯ জুলাই তেহরানে অন্তত সাতটি ক্যাফে এবং রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পূর্বাঞ্চলের দক্ষিণ খোরাসান প্রদেশেও বাধ্যতামূলক হিজাব ও সামাজিক আচরণের নিয়ম না মানার অভিযোগে ১০টি ক্যাফে বন্ধ করা হয়েছে বলে ইরানের সংবাদমাধ্যম সুত্রে জানা গেছে।

তবুও এসব পদক্ষেপের মধ্যেও তরুণীদের মধ্যে হিজাব না পরার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ছবি এবং ভিডিওতে তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে নারীদের হিজাব ছাড়া চলাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে। এমনকি অনেক তরুণী মোটরসাইকেল চালানোর সময়ও মাথায় হিজাব রাখছেন না।

মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর পরিস্থিতি বদলে যায়। ২০২২ সালে মাহসা আমিনির পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর পর ইরানে ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। পোশাকবিধি না মানার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া আন্দোলনটিকে কঠোরভাবে দমন করা হয়। তবে এরপরও নারীদের মধ্যে বাধ্যতামূলক হিজাবের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অনীহা পুরোপুরি থামেনি।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ২০২৪ সালের শেষে জানায়, বাধ্যতামূলক হিজাব আইন অমান্য করা নারী ও মেয়েদের দমনে ইরানি কর্তৃপক্ষ আরও কঠোর এবং সহিংস ব্যবস্থা নিচ্ছে। সংগঠনটির মতে, নতুন বাধ্যতামূলক হিজাব আইন নারীদের ওপর নিপীড়ন আরও বেড়েছে এবং এতে বেত্রাঘাত, কারাদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের মে মাসেও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, হিজাব পরতে অস্বীকৃতি জানানো নারী ও মেয়েদের ওপর নজরদারি, গ্রেপ্তার, আটক এবং অন্যান্য হয়রানি বাড়ানো হয়েছে। সংগঠনটি এই পরিস্থিতিকে নারীদের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল।

ইরানের কট্টরপন্থী ধর্মীয় নেতারা প্রকাশ্যে হিজাবের নিয়ম মানানোর দাবি জানাচ্ছেন। তেহরানের জুমার নামাজের ইমাম মোহাম্মদ জাভাদ হাজ আলী আকবরি অভিযোগ করেছেন, নারীদের মধ্যে ‘অশালীনতা’ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সংগঠিত প্রচেষ্টা চলছে।

হিজাব না পরার কারণে শাস্তির ঘটনাও ঘটেছে। চলতি বছর জুনে ইরানের জনপ্রিয় গায়িকা পারাস্তু আহমাদিকে ৭৪ বার বেত্রাঘাত এবং দুই বছরের জন্য দেশের বাইরে যেতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। ২০২৪ সালে প্রকাশিত একটি অনুষ্ঠান ভিডিওতে তার কাঁধ ও চুল খোলা থাকার অভিযোগে মামলাও দায়ের করা হয়েছিল।

তবে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান হিজাব নিয়ে জোর করে আইন প্রয়োগের বিরোধিতা করেছেন। তাঁর মতে, মানুষের আচরণ শুধু আইন করে পরিবর্তন করা যায় না; এটি সাংস্কৃতিক এবং বিশ্বাসের বিষয়।

উল্লেখ্য, দেশের সাবেক সংসদ সদস্য গোলামালি জাফারজাদেহ ইমানাবাদিও জানিয়েছেন, হিজাবের পরিবর্তে মূল্যস্ফীতি ও মানুষের জীবনযাত্রার সংকট মোকাবিলার দিকে সরকারের আরও মনযোগ দেওয়া উচিত।

১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর বাধ্যতামূলক হিজাব নিয়ে কঠোরতা শুরু হয়। ইরানের ইসলামী দণ্ডবিধির ৬৩৮ ধারায় জনসমক্ষে ‘ইসলামি হিজাব’ ছাড়া নারীদের উপস্থিতি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে হিজাব বলতে ঠিক কী বোঝানো হবে, তা আইনে সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়নি।

২০২৪ সালে আরও কঠোর একটি আইন অনুমোদন করা হলেও এর বাস্তবায়ন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপে স্থগিত রাখা হয়। বিষয়টি দেশটির কট্টরপন্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে। বর্তমানে সরকারও এই ব্যাপারে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সিএনএনের প্রতিবেদনে তেহরানের এক নারীর বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়েছে, শহরের রাস্তায় অনেক তরুণী এখন খোলামেলা পোশাকে চলাফেরা করছেন এবং হিজাব প্রায় দেখা যাচ্ছে না। তিনি জানান, এসব তরুণীকে আবার হিজাব পরতে বাধ্য করা সরকারের জন্য আগের মতো সহজ হবে না।

যুদ্ধ এবং অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে হিজাব নিয়ে সরকারের নতুন করে কঠোর অবস্থান কতটা কার্যকর হবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করল কানাডা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করল কানাডা

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার (২২ আগস্ট) স্থানীয় সময় অটোয়ায় তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র কানাডার ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর এর জবাবে কানাডা মার্কিন পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক বসাবে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে এসব শুল্ক কার্যকর হবে।

এক সংবাদ সম্মেলনে মার্ক কার্নি বলেন, ‘কানাডার শ্রমিক, কৃষক, পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করতে হবে। ওয়াশিংটন নতুন করে যে পরিমাণ শুল্ক বসিয়েছে, কানাডাও ঠিক সমপরিমাণ শুল্ক আরোপ করবে।’

কানাডা কোনো বাণিজ্যযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কেউ আক্রমণ করলে আপনিও যুদ্ধে জড়াতে বাধ্য হন। আমরা হামলার শিকার হয়েছি।’

শনিবার (২২ আগস্ট) মধ্যরাত থেকে কানাডার বিভিন্ন পণ্যের ওপর নতুন করে মার্কিন শুল্ক কার্যকর হয়েছে। এর আগে শুক্রবার রাতে আলোচনা স্থগিতের ঘোষণা দিয়ে কার্নি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে শেষ মুহূর্তে যেসব পরিবর্তন আনা হয়েছে, সেগুলো ‘অন্যায্য, অর্থনৈতিকভাবে অযৌক্তিক এবং যেকোনো চুক্তির নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে’।

গত জুলাই থেকে দুই দেশের কর্মকর্তারা একটি চুক্তি করার জন্য নিবিড়ভাবে আলোচনা চালিয়ে আসছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ১৯ আগস্টের মধ্যে কানাডা থেকে আমদানি করা প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের (২৮ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার) মূল্যের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন।

গত বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্প দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা চলছে। ট্রাম্প বিশ্বজুড়ে ব্যাপক হারে শুল্ক আরোপের কর্মসূচি শুরু করলে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কয়েক দশকের মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইসিসি থেকে বড় সুখবর, ইতিহাসের সেরা স্থানে বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৬ পি.এম


আইসিসি থেকে বড় সুখবর, ইতিহাসের সেরা স্থানে বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশ দলের শেষটা মোটেও সুখকর হয়নি। ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতায় ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়ে প্রথমবারের মতো দুই দিনে ইনিংস ও ৫১ রানে টেস্ট হেরেছে শান্তের দল।

তবে শেষ ম্যাচের এমন বিষণ্ণতার মধ্যেও লাল-সবুজের ক্রিকেটের জন্য এসেছে ঐতিহাসিক এক আনন্দের খবর। অস্ট্রেলিয়াকে তাদেরই মাটিতে হারিয়ে, লাল বলের ফরম্যাটে নিজেদের সর্বকালের সেরা অবস্থানে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ।

আজ (রোববার) আইসিসির পক্ষ থেকে হালনাগাদ করা সবশেষ দলীয় টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এক লাফেই তিন ধাপ এগিয়ে টেবিলের ছয় নম্বরে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।

টেস্ট ক্রিকেটের দীর্ঘ ২৬ বছরের ইতিহাসে র‌্যাঙ্কিংয়ের এত উঁচুতে আগে কখনো উঠতে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ডারউইনে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ৯ উইকেটের মহাকাব্যিক জয় এবং সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করার সুবাদে বাংলাদেশের বর্তমান রেটিং পয়েন্ট গিয়ে পৌঁছেছে ৭৮-এ। প্রথম টেস্টে অজি বধের ঐতিহাসিক প্রভাবই মূলত এই বিশাল অর্জনের পথ সহজ করে দিয়েছে।

রেটিং পয়েন্টে টাইগারদের সঙ্গে পরবর্তী তিনটি দলের ব্যবধান সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট।

বাংলাদেশের উত্থানে এক ধাপ করে যথাক্রমে সাতে শ্রীলঙ্কা (৭৬ রেটিং), আটে পাকিস্তান (৭৫ রেটিং) এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৭৪ রেটিং) নয় নম্বরে নেমে গেছে।

এদিকে টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ পাঁচে যথাক্রমে অবস্থান করছে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%