ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

গোদাগাড়ীতে অবৈধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, দুই দোকানিকে লাখ টাকা জরিমানা


গোদাগাড়ীতে অবৈধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, দুই দোকানিকে লাখ টাকা জরিমানা

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে দুটি দোকানে অভিযান পরিচালনা করে প্রশাসন অবৈধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করেছে। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুই দোকান মালিককে মোট ১ লাখ ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় মহিশালবাড়ি বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জালের মালিকদের এই জরিমানা করা হয়।

জরিমানা হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মহিশালবাড়ি গ্রামের মৃত সৈবুর আলীর ছেলে মোখলেছুর রহমান (৬০) এবং একই গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪৪)। তাদের মধ্যে রফিকুল ইসলামকে ১ লাখ টাকা এবং মোখলেছুর রহমানকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী কমিটির কার্যক্রমে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৭

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান।

তিনি জানান, বিপুল পরিমাণ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে দুজনকে মোট ১ লাখ ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা জালগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা।

ইউএনও আরও বলেন, পরবর্তী সময়ে জব্দ করা এসব ক্ষতিকর জাল সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হবে। জীববৈচিত্র্য ও দেশীয় মাছ রক্ষায় চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এআরবি

আরও পড়ুন: নাটোরে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ স্কাউটস্ নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিমালয়ে বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের শঙ্কা, ঝুঁকিতে ৩ লাখের বেশি মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ পি.এম


হিমালয়ে বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের শঙ্কা, ঝুঁকিতে ৩ লাখের বেশি মানুষ

হিমালয় অঞ্চলে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে তিন লাখেরও বেশি মানুষ। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমবাহ গলে যাওয়া, হ্রদের পানি বেড়ে যাওয়া এবং অপরিকল্পিত নির্মাণকাজের ফলে এসব এলাকায় দুর্যোগের আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে। নতুন একটি গবেষণায় এ বিষয়টি উঠে এসেছে। খবর বিবিসি বাংলা

গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, উত্তর নেপাল, দক্ষিণ-পূর্ব তিব্বত এবং ভারতের উত্তরাখণ্ডের কিছু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে বাড়ছে। ২০১৬ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এসব অঞ্চলে ভবন ও অন্যান্য অবকাঠামোর জন্য আচ্ছাদিত জমির পরিমাণ প্রায় ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর হিমবাহ-সৃষ্ট হ্রদের পানি উপচে বন্যার ঝুঁকি রয়েছে এমন এলাকায় নির্মাণের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৭৮ শতাংশ।

বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ‘সায়েন্টিফিক রিপোর্টস’-এ প্রকাশিত এই গবেষণাটি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনার পর প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকদের ধারণা, ঝুঁকিতে থাকা মানুষের সংখ্যা প্রকৃতপক্ষে আরো বেশি হতে পারে। কারণ, গবেষণায় হিমালয়ের একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল বিবেচনা করা হয়েছে; আশপাশের অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

গবেষণায় ব্রিটেন, নেপাল ও ভারতের নয়জন বিজ্ঞানী হিমালয়ের নদীগুলোর দুই পাশের ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকা এবং প্রায় এক হাজার ৩৬০টি হিমবাহ-সৃষ্ট হ্রদের আশপাশের অঞ্চল বিশ্লেষণ করেন। এতে পর্যটন অবকাঠামো, আবাসন, সড়ক ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্রুত সম্প্রসারণের চিত্র উঠে এসেছে।

নেপালের পোখরা শহর এর একটি উদাহরণ। পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরটির বিস্তার ঘটেছে। তবে শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সেতি গণ্ডকি নদীর তীরে গড়ে ওঠা পুরনো ভবনগুলো এখন বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। পোখরার মেয়র ধনরাজ আচার্য জানান, কিছু ভবন নদী থেকে মাত্র পাঁচ মিটার দূরে অবস্থিত। নতুন নিয়মে নদী থেকে আরো দূরে ভবন নির্মাণের কথা থাকলেও পুরনো স্থাপনাগুলো কোথায় সরানো হবে, সেটিই বড় চ্যালেঞ্জ।

পোখরার উত্তরে অন্নপূর্ণা ট্রেকিং এলাকায়ও নদীর তীরে বসতি ও পর্যটন স্থাপনা বেড়েছে। সাম্প্রতিক বন্যা ও ভূমিধসে এসব এলাকার বেশ কিছু বসতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় হোমস্টে ব্যবসায়ী ফুরপা শিরিং লামা জানান, সাধারণত মৌসুমে তার ২০টি কক্ষ পর্যটকে পূর্ণ থাকলেও এবার অতিথি রয়েছেন মাত্র পাঁচটি কক্ষে। তার ভাষায়, ৪০ বছরের ব্যবসায়িক জীবনে এমন দুর্যোগ আগে দেখেননি।

গবেষণার প্রধান লেখক ও লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের হিমবাহ বিশেষজ্ঞ সি স্কট ওয়াটসন বলেন, নদী উপত্যকায় জনসংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে উন্নয়ন নিয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত আগামী কয়েক দশক ধরে এসব অঞ্চলের দুর্যোগঝুঁকিকে প্রভাবিত করবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিপর্যয়ের শঙ্কা বাড়ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্ব গড়ের তুলনায় হিমালয় অঞ্চলে তাপমাত্রা প্রায় দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে হিমবাহ, তুষারাবৃত ভূমি ও সারা বছর বরফে ঢাকা অঞ্চল দ্রুত গলে যাচ্ছে। ফলে পাহাড়ের ঢাল দুর্বল হয়ে ভূমিধস, পাথরধস এবং আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

হিমবাহ গলে হ্রদের আয়তন বাড়ছে। একপর্যায়ে পানির অতিরিক্ত চাপ সামলাতে না পেরে এসব হ্রদের প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে গেলে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিতে পারে। নেপালে ১৯৪০ সাল থেকে এ ধরনের প্রায় ৩০টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এ ছাড়া উঁচু পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টিপাত বাড়ায় ভূমিধসের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

গত আগস্টে নেপালে ভয়াবহ বন্যায় এক হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয় এবং হাজারো মানুষ নিখোঁজ হন। পরে ১১ অক্টোবর বুধি গণ্ডকি নদীর বন্যায় প্রায় ২০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, পাঁচটি সেতু ভেসে যায় এবং পাঁচজন নিখোঁজ হন।

গবেষণায় নদী ও হিমবাহ-সৃষ্ট হ্রদের পানির স্তর থেকে ৫০ মিটার উচ্চতার মধ্যে থাকা ভবনগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়েছে। তবে ২৬ আগস্ট রাসুয়া জেলায় বন্যার সময় কিছু এলাকায় পানির উচ্চতা ৭০ মিটার পর্যন্ত উঠেছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। ফলে গবেষণার হিসাবের বাইরেও অনেক স্থাপনা ঝুঁকিতে থাকতে পারে।

নির্মাণবিধি প্রয়োগে দুর্বলতা

নেপালের বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও নির্মাণবিধি যথাযথভাবে প্রয়োগ না করায় ঝুঁকি বাড়ছে। নদীর তীরবর্তী নিচু জমিতে হোটেল, বাজার, সড়ক ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ে উঠছে। অনেক ক্ষেত্রে নদী থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার নিয়মও মানা হচ্ছে না।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ সংস্থা জানিয়েছে, রাসুয়া-ভোটেকোশি এলাকায় নদীর তীর থেকে ১৫ মিটারের মধ্যে বসতি স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্য নদী উপত্যকায়ও একই ধরনের বিধিনিষেধ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ভারতের উত্তরাখণ্ডেও পরিস্থিতি একই রকম। পরিবেশকর্মী অনুপ নওটিয়ালের অভিযোগ, পর্যটন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের নামে নদীতীরবর্তী নির্মাণ নিয়ন্ত্রণের নিয়ম উপেক্ষা করা হচ্ছে। তবে বন্যাপ্রবণ এলাকায় জমির ব্যবহার ও নির্মাণ নিয়ন্ত্রণে গত ১২ অক্টোবর নতুন নিয়ম অনুমোদন করেছে উত্তরাখণ্ড সরকার।

এদিকে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে বলেন, সংকট সৃষ্টিতে নেপালের ভূমিকা না থাকলেও এর চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে দেশটিকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নত আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, কঠোর নির্মাণবিধি এবং ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী ভূমি ব্যবহারের পরিকল্পনা জরুরি। তবে হিমালয়ের মতো সংবেদনশীল অঞ্চলে ঝুঁকি পুরোপুরি দূর করা সম্ভব নয়। তাই অপরিকল্পিত উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপদ এলাকায় বসতি গড়ে তোলাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতার যে বীজ রোপিত হয়েছিল, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন তার অন্যতম অগ্রপথিক। তার ভাষা আন্দোলনের আহ্বান ছিল স্বাধীনতার সূতিকাগার। তবে, জাতীয় জীবনে এই মহান ব্যক্তিত্বের অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয়নি। বক্তারা রাষ্ট্রীয়ভাবে তার মূল্যায়নের পাশাপাশি স্মৃতি সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ১৪১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে আলোচনা ও সংগীত পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানে অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নেতৃবৃন্দ, সংস্কৃতিকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অ্যাডভোকেট আবদুন নূরের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন বীরমুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বনিক।

অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন: অ্যাডভোকেট সৈয়দ মো. জামাল, অধ্যাপক মানবর্দ্ধন পাল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, জহিরুল ইসলাম চৌধুরী, ডা. অরুনাভ পোদ্দার, প্রদ্যুৎ নাগ, শামীমী সিকদার দীনা প্রমুখ।

বক্তারা উল্লেখ করেন, ‘ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেই নেতৃত্ব দেননি, বরং বাঙালির রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির পথও দেখিয়েছেন। তার জীবন ও সংগ্রামের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।’

তারা তার নামে স্মৃতিচিহ্ন, পাঠাগার ও গবেষণামূলক উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয়ভাবে জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালনের দাবি জানান।

ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সমাজকর্মী ও ভাষাসংগ্রামী। ১৯৪৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে পরিষদের অন্যতম ভাষা করার দাবি উত্থাপন করেন তিনি। তার ঐতিহাসিক প্রস্তাবের মাধ্যমে পাকিস্তান রাষ্ট্রে বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন নতুন গতি পায়। ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের আটক করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তিনি শহীদ হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, কারণ জানতে চায় সংসদীয় কমিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৩ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, কারণ জানতে চায় সংসদীয় কমিটি

সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে বারবার যান্ত্রিক ত্রুটির সুনির্দিষ্ট কারণ জানার জন্য অনুসন্ধান করেছে। জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটির সদস্যরা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থাগুলোর কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

এছাড়া, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ ও যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় অনিয়মের দায় নির্ধারণ এবং আইটি খাতের দুর্বলতার কারণে রাজস্ব ক্ষতির বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সভাপতি এবং সংসদীয় প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সাম্প্রতিক পরিচালন কার্যক্রম ও বিভিন্ন সময়ে উত্থাপিত নিরীক্ষা আপত্তি।

বৈঠকে কমিটির সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান এবং মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং দীর্ঘদিন ধরে অনিষ্পন্ন নিরীক্ষা আপত্তি দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন কমিটির সদস্যরা। তাঁরা শীর্ষ কর্মকর্তা ও পরিচালনা-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ফ্লাইটের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে বারবার যান্ত্রিক ত্রুটির কারণ অনুসন্ধান করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অতীত ও সাম্প্রতিক বিমান কেনাকাটা, খুচরা যন্ত্রাংশ সংগ্রহের বিভিন্ন চুক্তি এবং অভ্যন্তরীণ আইটি ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি খতিয়ে দেখার তাগিদ দেওয়া হয়। অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দায় নির্ধারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

কমিটি নিরীক্ষা আপত্তির বিপরীতে সরকারি কোষাগারে আদায়কৃত টাকা, অনাদায়ি টাকা এবং অনিয়ম বা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। নিষ্পত্তি হওয়া ও অনিষ্পন্ন প্রতিটি নিরীক্ষা আপত্তির বিপরীতে দাফতরিক প্রমাণসহ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

কমিটির উত্থাপিত বিষয়গুলোর ওপর বিস্তারিত লিখিত বক্তব্য, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য-উপাত্ত পরবর্তী নির্ধারিত বৈঠকে উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি সম্পদ রক্ষায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও বেবিচককে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

বৈঠকে হিসাব মহানিয়ন্ত্রক (সিজিএ), অতিরিক্ত হিসাব মহানিয়ন্ত্রক, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ জাতীয় সংসদ সচিবালয়, বেবিচক এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কূটনীতি ও সামরিক সংঘাতের জন্য প্রস্তুত ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কূটনীতি ও সামরিক সংঘাতের জন্য প্রস্তুত ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কূটনৈতিক আলোচনা কিংবা সামরিক সংঘাত—যেকোনো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে ইরান এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রস্তুত বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশগাবাতে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-কে (IRNA) দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান।

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার এবং পাকিস্তানের মাধ্যমে আলোচনার প্রক্রিয়া এবং কূটনৈতিক পরামর্শ ইতিমধ্যেই বেশ জোরদার করা হয়েছে। সংঘাত এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তেহরান ইতিমধ্যেই তাদের শর্ত এবং প্রস্তাবিত রূপরেখা পেশ করেছে।

সাক্ষাৎকারে আরাঘচি উল্লেখ করেন, "বর্তমান সংকট উত্তরণের পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক বিচক্ষণতার ওপর।"

বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ 'হরমুজ প্রণালী' পুনরায় উন্মুক্ত করে দেওয়ার বিষয়ে তেহরানের অবস্থান পরিষ্কার করেন আরাঘচি। তিনি জানান, এই কৌশলগত প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং আলোচনা শুরু হওয়া পুরোপুরি নির্ভর করছে তেহরানের দেয়া শর্তগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মেনে নেওয়ার ওপর।

হরমুজ প্রণালী প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট বার্তায় বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র আমাদের এই শর্তগুলো মেনে নিলেই কেবল হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হবে এবং নতুন করে আলোচনা শুরু হবে। অন্যথায় বর্তমান অচলাবস্থা অব্যাহত থাকবে এবং ইরান কোনো অবস্থাতেই মার্কিন চাপের মুখে নতি স্বীকার করবে না।" সূত্র: রয়টার্স।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%