ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিবিসির বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিতে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হবে যারা


বিবিসির বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিতে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হবে যারা

মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের লড়াই। উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিকরা মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টটি ফাইনালের মাধ্যমে ১৯ জুলাই শেষ হবে।

প্রায় দেড় মাসব্যাপী এই টুর্নামেন্ট শেষে কারা হাসবে চূড়ান্ত বিজয়ের হাসি? ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমে বিবিসির স্পোর্টস টিভি ও রেডিওতে কাজ করা বিশেষজ্ঞরা একেকজন নিজেদের দৃষ্টিকোন থেকে চ্যাম্পিয়ন বেছে নিয়েছেন। তাদের প্রত্যেকের বাছাইয়ে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড এবং স্পেনের নাম রয়েছে। ১৭ জন বিশেষজ্ঞের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯ জন ফ্রান্সের নাম বলেছেন, ইংল্যান্ডের পক্ষে ৭ জন প্রবক্তা আছেন। স্পেনের পক্ষে বাজি ধরেছেন একজন। কেউই ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, পর্তুগাল বা জার্মানির মতো দলগুলোর নাম উল্লেখ করেননি।

তাহলে কি বিশেষজ্ঞদের এই তালিকা সাধারণ? এমন ভাবনা আসা স্বাভাবিক। কিন্তু আসলে বিষয়টি তেমন নয়, মতামত জানিয়েছেন ওয়েইন রুনি, অ্যালান শিয়েরার ও অলিভার জিরুদদের মতো সাবেক ফুটবলাররা।

আরও পড়ুন: শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা শিয়েরারের বাছাই ফ্রান্স। তার যুক্তি, ‘ফ্রান্স। তবে এর সঙ্গে একটি শর্ত আছে। দলের ভেতরে কোনো দ্বন্দ্ব বা কোন্দল না থাকলে। আক্রমণভাগে তাদের যে পরিমাণ সামর্থ্য ও খেলোয়াড়ের প্রাচুর্য আছে, তাতে প্রতি ম্যাচেই দুই বা তিনজন বড় তারকাকে বাইরে থাকতে হবে। তাই শেষ পর্যন্ত বিষয়টি নির্ভর করবে, তারা সেই পরিস্থিতিকে কতটা ইতিবাচক ও সঠিকভাবে সামলাতে পারে তার ওপর।’

রুনি মনে করেন, ১৯৬৬ সালের পর এই আসর দিয়ে ইংল্যান্ড দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জিতবে। তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ড ও স্পেন ফাইনালে উঠবে, আর আশা করি শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডই শিরোপা জিতবে।’

জিরুদের মন্তব্য, ‘আমার মতে সবচেয়ে শক্তিশালী দুটি দল হলো ফ্রান্স ও স্পেন। তবে তারা কি ফাইনালে মুখোমুখি হবে, নাকি তার আগেই একে অপরের বিপক্ষে খেলবে? সেটাই বড় প্রশ্ন। তবে আমি অবশ্যই আশা করি, ফ্রান্সই শেষ পর্যন্ত জিতবে।’

বাকি ১৪ জন বিশেষজ্ঞের মধ্যে স্কট ব্রাউন, গায়েল ক্লিসি, রাকেল কোরসি, ড্যানি মারফি, পল রবিনসন, টনি পিউলিস ও ক্রিস সুটন ফ্রান্সের কথাই বলেছেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে কথা বলেছেন থমাস ফ্রাঙ্ক, জো হার্ট, স্টেফ হিউটন, মার্টিন কেওন, সু স্মিথ ও এলেন হোয়াইট। স্পেন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী মিকাহ রিচার্ডসও আছেন।

আরও পড়ুন: গোয়েন্দা তথ্যের বিষয়ে সরকারের পরিষ্কার ব্যাখ্যা চায় নেজামে ইসলাম পার্টি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে ফ্রিতে কনডম বিলাচ্ছে মেক্সিকো ও কানাডা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১১ পি.এম


বিশ্বকাপে ফ্রিতে কনডম বিলাচ্ছে মেক্সিকো ও কানাডা

দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে পর্দা উঠছে ২৩তম ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের। এর আসরকে সামনে রেখে যৌনবাহিত সংক্রমণ প্রতিরোধে বড় ধরনের স্বাস্থ্যসচেতনতা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে মেক্সিকো ও কানাডা।

বিশ্বকাপ চলাকালে দর্শনার্থীদের মধ্যে ৬০ থেকে ৭০ লাখ কনডম বিতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে মেক্সিকো। একই সময়ে কানাডাও বিশ্বকাপ-থিমভিত্তিক বিশেষ কনডম বিনামূল্যে বিতরণ করছে।

৪৮ দলের এই বিশ্বকাপ উপলক্ষে লাখো বিদেশি দর্শনার্থীর আগমন প্রত্যাশা করছে মেক্সিকো। সেই প্রেক্ষাপটে সিফিলিস, গনোরিয়া ও এইচআইভি-সহ বিভিন্ন যৌনবাহিত সংক্রমণের ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যাপক প্রতিরোধমূলক কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে। 

এর অংশ হিসেবে বিমানবন্দর, স্টেডিয়াম, বার, রেস্তোরাঁ এবং বিনোদনকেন্দ্রে কনডম ও স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্যপত্র বিতরণ করা হবে। দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিশ্বকাপ উপলক্ষে আগত সমর্থকদের মধ্যে ৬০ থেকে ৭০ লাখ কনডম বিতরণ করা হবে।

এর আগে কাতার বিশ্বকাপে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক আইনত নিষিদ্ধ হওয়ায় আয়োজকেরা যৌনস্বাস্থ্যবিষয়ক প্রচারণা প্রকাশ্যে পরিচালনা করেননি। তবে মেক্সিকোতে বিষয়টি ভিন্নভাবে দেখা হচ্ছে। 

২০২৬ বিশ্বকাপে মেক্সিকোর তিনটি ভেন্যুতে মোট ১৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। দেশটির রাজধানী মেক্সিকো সিটি, জালিস্কো এবং মনতেরেতে ৩৯ দিনব্যাপী টুর্নামেন্ট চলাকালে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগগুলোর মাধ্যমে ৪০ থেকে ৫০ লাখ কনডম বিতরণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ফেডারেল স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ আরও প্রায় ২০ লাখ কনডম বিতরণ করবে।

মেক্সিকোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বাধীন বিশ্বকাপ স্বাস্থ্য পরিচালনা কমান্ডের সদস্য রোকসানা ত্রেহো বলেন, এই উদ্যোগ শুধু কনডম বিতরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর মূল লক্ষ্য হলো নিরাপদ যৌন আচরণ, ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দেওয়া।

তিনি মেক্সিকান সংবাদপত্র এল সল দে মেক্সিকো-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আমরা বিমানবন্দর এবং দর্শনার্থীদের প্রবেশস্থলগুলোতে বিশেষ বুথ স্থাপন করছি, যেখানে মানুষ কনডমের পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক তথ্যসম্বলিত লিফলেটও পাবে। কারণ তথ্য ছাড়া কনডম দেওয়া মানে পকেটে শুধু একটি মিষ্টি তুলে দেওয়ার মতো।

রোকসানা ত্রেহো, যিনি ‘হাসপাতালস উইদাউট ইনফেকশনস’ উদ্যোগের মুখপাত্রও, জানান যে শুধু বিমানবন্দর নয়, সমর্থকেরা সাধারণত যেখানে উদ্‌যাপন করতে যান- সেসব নাইটক্লাব, বার ও রেস্তোরাঁতেও কনডম ও তথ্যপত্র বিতরণ করা হবে।

এছাড়া ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত মেক্সিকো সিটির জোকালো চত্বরে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা ফ্যান ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এও বিনামূল্যে কনডম বিতরণ করা হবে।

তিনি বলেন, যৌনমিলনের সময় কনডম ছিঁড়ে গেলে মানুষ এসব কেন্দ্রে গিয়ে পোস্ট-এক্সপোজার প্রোফাইল্যাক্সিস (পিইপি) চিকিৎসা নিতে পারবে। সময়মতো এই চিকিৎসা নিলে এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও মেক্সিকো সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মোট কত কনডম বিতরণ করবে তা ঘোষণা করেনি। তবে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত বিতরণকেন্দ্রের পাশাপাশি দেশের সব সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও কনডম বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। এসব কেন্দ্র থেকে বছরে ১ থেকে ১ কোটি ১০ লাখ কনডম বিতরণ করা হয়।

এদিকে কানাডাও নিরাপদ যৌন আচরণে উৎসাহ দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। টরন্টো পাবলিক হেলথ তাদের ‘কনডমটু’ কর্মসূচির আওতায় বিশ্বকাপ-থিমের বিশেষ কনডম এবং অন্যান্য নিরাপদ যৌনস্বাস্থ্য সামগ্রী বিনামূল্যে বিতরণ করছে।

এসব সামগ্রী টিপিএইচ পরিচালিত চারটি যৌনস্বাস্থ্য ক্লিনিকে পাওয়া যাচ্ছে। কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো নিরাপদ যৌন আচরণে উৎসাহ দেওয়া, সামাজিক সংকোচ কমানো ও মানুষকে যৌনস্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সচেতন করা।

টরন্টো পাবলিক হেলথ তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, প্রতিবার যৌনমিলনের সময় কনডম ব্যবহার করলে যৌনবাহিত ও রক্তবাহিত সংক্রমণ, এইচআইভি ও অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি কমে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনের দস্যু জোনাব বাহিনীর ৩ সদস্য আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১১ পি.এম


সুন্দরবনের দস্যু জোনাব বাহিনীর ৩ সদস্য আটক

অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের জোনাব বাহিনীর তিন সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানাধীন কালিঞ্চি স্লুইচগেইটসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন: আজিবার গাজী (৪৭), রবিউল গাজী (৪৪) এবং ফারুক হোসেন (৩৬)। তারা সবাই সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানার বাসিন্দা।

বুধবার (১০ জুন) বিকেলে, কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বর্তমান সরকারের নির্দেশনায় সুন্দরবন অঞ্চলের সক্রিয় সব বনদস্যু বাহিনী নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে 'অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন' এবং 'অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড' নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এই অভিযানের ধারাবাহিকতায় অভিযানের মাধ্যমে সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কুখ্যাত ডাকাত জোনাব বাহিনীর তিন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়।

পরে আটক ডাকাতদের তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১১টায় শ্যামনগর থানাধীন হরিণটানা খালসংলগ্ন এলাকা থেকে একটি একনলা বন্দুক ও দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হালাল সনদ অর্জনে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পাশে থাকবে ইন্দোনেশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


হালাল সনদ অর্জনে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পাশে থাকবে ইন্দোনেশিয়া

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে হালাল সনদ অর্জনের দক্ষতা উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করতে ইন্দোনেশিয়া আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও দেশটি জানিয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশনের (এসএমই) কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে, ঢাকা নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত মিস লিস্তিওওয়াতি এই আগ্রহের কথাটি জানান। এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন ও শিল্প সচিব মো. ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে, ইন্দোনেশিয়ার প্রতিনিধিরা সংবাদ দেন যে, আগামী মাসে দেশটিতে প্রথমবারের মতো একটি আন্তর্জাতিক হালাল পণ্য মেলার আয়োজন করা হবে। তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে ওই মেলাটিতে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত হালাল পণ্য ও সেবা নিয়ে অংশগ্রহণ করবেন।

তারা উল্লেখ করেন, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ হালাল বাজার হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে, হালাল শিল্পের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতার ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে।

এ সময়, বাংলাদেশের এসএমই ফাউন্ডেশন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এবং বাংলাদেশ মান নিয়ন্ত্রণ ও পরীক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিএসটিআই)-এর সঙ্গে দ্রুত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. নূরুজ্জামান এবং মো. ফিরোজ উদ্দিন, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজিম হাসান সাত্তার এবং ফারজানা খান, মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন এবং মো. আব্দুস সালাম সরদার।

এছাড়া, বৈঠকে অংশ নেন ইন্দোনেশিয়ার ইসলামী অর্থনীতি ও অর্থায়নের শরিয়াহ ব্যবসা ও উদ্যোগবিষয়ক জাতীয় কমিটির মহাপরিচালক পুতু রাহউইদিয়াসা এবং ইন্দোনেশিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (আইবিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মদ রিয়াদ আলী।

২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা এসএমই ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কর্মসূচির সুবিধাভোগী বর্তমানে প্রায় ২১ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা। এর মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, দেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান প্রায় ৩০ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশে প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৯ শতাংশই কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের আওতাভুক্ত।

শিল্প খাতের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৮৫ শতাংশ এই খাতে সৃষ্টি হয়েছে এবং এতে ৩ কোটির বেশি মানুষ কর্মরত রয়েছে।

হালাল পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে এ ধরনের সহযোগিতা বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এই প্রথম দেশের অর্থনীতির আকার ছাড়াল ৫০০ বিলিয়ন ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


এই প্রথম দেশের অর্থনীতির আকার ছাড়াল ৫০০ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রথমবারের মতো ৫০০ বিলিয়ন ডলারের একটি মাইলফলক অতিক্রম করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত আলোকপাত অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ৫০১ বিলিয়ন ডলার হিসেবে ধরা হয়েছে, যা দেশীয় মুদ্রায় ৬১ লাখ ২০ হাজার ২০৯ কোটি টাকার সমতুল্য।

আগের অর্থবছর, অর্থাৎ ২০২৪-২৫ সালে জিডিপির আকার ছিল ৫৫ লাখ ১৫ হাজার ২৬ কোটি টাকা, যা ৪৫৬ বিলিয়ন ডলারের সমান। ফলে, এক অর্থবছরের ব্যবধানে জিডিপির আকার বেড়েছে ৪৫ বিলিয়ন ডলার। এই হিসাব অনুযায়ী, অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ইতিবাচকভাবে ঘটেছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বুধবার (১০ জুন) প্রকাশিত একটি সাময়িক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে।

বিবিএস এর তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশের কিছুটা বেশি। তবে বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ে কিছু নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

কৃষি খাতে ইতিবাচক উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি অর্থবছরে কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। যা আগের বছরের ২ দশমিক ৪২ শতাংশের তুলনায় দশমিক ৩৬ শতাংশ বেশি।

তবে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির গতি কিছু বেড়ে গেছে। সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৮৬ শতাংশ, যা আগের অর্থবছর ছিল ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। এই তুলনায় চলতি অর্থবছরে দশমিক ৮৫ শতাংশ কমেছে।

সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ দাঁড়িয়েছে, যা গত বছরের ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ থেকে দশমিক ২৪ শতাংশ বেশি।

অন্যদিকে, জিডিপির সাথে বিনিয়োগের অনুপাত কমে ২৭ দশমিক ৯৩ শতাংশে নেমে এসেছে। আগের বছর এটি ছিল ২৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এর পাশাপাশি, দেশীয় সঞ্চয় কমে ২১ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং জাতীয় সঞ্চয় ২৬ দশমিক ৯৩ শতাংশে নেমে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%