০২:৪৮ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সংঘটিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান থামাতে পারেনি। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা, গুলিবর্ষণ, ড্রোন হামলা এবং ঘরবাড়ি ধ্বংসের ঘটনাগুলো ঘটেছে।
লেবাননের বিভিন্ন সূত্র থেকে যে তথ্য রিপোর্ট করা হয়েছে, তা বলছে, রাতভর দক্ষিণ লেবাননের একাধিক স্থানে ইসরায়েলি বাহিনী সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক আরো বেড়ে গেছে। দক্ষিণ লেবাননের টাইর জেলার মানসুরি শহরের কাছে একটি ইসরায়েলি ড্রোন একটি স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। তবে, হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
একই রাতে টাইর জেলার বায়্যাদা এলাকা থেকে বিউত আল-সাইয়াদের দিকে ইসরায়েলি সেনারা ভারী মেশিনগান দিয়ে গুলিবর্ষণ করে। এ কারণে ওই এলাকায় উত্তেজনা অধিকতর বেড়ে গেছে।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
লেবাননের জাতীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে যে, মারজায়ুন জেলার খিয়াম এলাকার বিরকাত আল-হাম্মামের দিকে ইসরায়েলি ট্যাংক ও সামরিক যান অগ্রসর হয়েছে। সেই সঙ্গে, খিয়াম শহরের আশপাশে ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক তৎপরতাও চলছিল।
এদিকে, মারজায়ুন জেলার কানতারা এলাকায় ইসরায়েলি সেনারা কয়েকটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে, যার ফলে একাধিক বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, বিন্ত জুবেইল জেলার ব্রাআশিত এলাকার আবাসিক পাড়াগুলো লক্ষ্য করে বেইত ইয়াহুন এলাকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই গুলিতে কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব হামলার মধ্যে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো হতাহতের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৩২১ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১২ হাজার ২০৪ জন। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের ধারাবাহিক সামরিক অভিযান এবং সীমান্ত এলাকায় বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন