ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাব থেকে তুলে নিয়ে সাংবাদিককে মারধর


হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাব থেকে তুলে নিয়ে সাংবাদিককে মারধর

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাব থেকে একজন সাংবাদিককে তুলে নিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কাজের সংবাদ প্রকাশ করায় এই হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত হাজীগঞ্জ বাজারস্থ মাতৃমায়া আবাসিক হোটেলের মালিক মো. ফারুক হোসেন লিটন এবং স্থানীয় সন্ত্রাসীদের নাম উঠে এসেছে।

অভিযোগ রয়েছে যে তিনি স্থানীয় সন্ত্রাসীদের ভাড়া করে প্রেসক্লাব থেকে সাংবাদিককে তুলে নিয়ে মারধর করেন। আহত সাংবাদিক মহিউদ্দিন আল আজাদ, যিনি হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ নিউজ ও বাংলাদেশ খবর পত্রিকার চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি এবং সাপ্তাহিক ‘ত্রিনদী’ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক হিসাবে পরিচিত। খবর পাওয়ার পর হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম হাজীগঞ্জ বাজারস্থ হলুদ পট্টির ঘরের নিচতলা হাজী আনোয়ার মঞ্জিল থেকে সাংবাদিককে উদ্ধার করে। তারা অভিযুক্ত ফারুক হোসেন লিটন ও তার ছেলে তাওহীদ হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে হাজীগঞ্জ আনোয়ার মঞ্জিল ও মাতৃমায়া আবাসিক হোটেলের মালিক ফারুক হোসেন লিটনের বিরুদ্ধে লোকমুখে পতিতাবৃত্তি এবং চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সর্বশেষ ঘটনাতে, গত শনিবার ওই হোটেল থেকে নিখোঁজ এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবাসিক হোটেলটির কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলেও অভিযোগ রয়েছে যে হোটেলটি অমান্য করে অনৈতিক কার্যক্রম চালাচ্ছে।

আরও পড়ুন: বরিশালে গ্রাম পুলিশকে শক্তিশালী করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ

পুলিশ অভিযান চালিয়ে সেখানে অনৈতিক কাজে জড়িত এক যুবক ও এক যুবতীকে আটক করে। সংবাদ যখন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়, তখন সাংবাদিক মহিউদ্দিন আল আজাদ ওই অনৈতিক কার্যক্রমের ওপর সংবাদ প্রকাশ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ফারুক হোসেন লিটন অজ্ঞাতনামা ভাড়া করা ১০/১২ জন সন্ত্রাসীকে নিয়ে হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের অফিসে যান এবং সেখান থেকে সাংবাদিককে তুলে তার আবাসিক হোটেলে নিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনার পর সাংবাদিক মহিউদ্দিন আল আজাদকে টেনে হেঁচড়ে ও মারধর করে তুলে নেওয়ার সময়ের বিভিন্ন স্থানের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসিটিভি) ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। এ বিষয়ে সচেতন মহল এবং সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। আহত সাংবাদিক মহিউদ্দিন আল আজাদ হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর পরে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। পরে তিনি আবাসিক হোটেলের মালিক ফারুক হোসেন লিটন, তার ছেলে তাওহীদ হোসেন এবং অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানায় মামলা দেন।

এ নিয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল মান্নান নিশ্চিত করেন যে, “অভিযুক্ত ২ জনকে আটক করা হয়েছে। অন্য নামীয় আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের শনাক্ত করা হচ্ছে।”

অন্যদিকে, ইউএনও-এর নির্দেশনা অমান্য করে আবাসিক হোটেল পরিচালনার জন্য মঙ্গলবার বিকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মাতৃমায়া আবাসিক হোটেলটি সিলগালা করেন। সেই সময়ে উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিনা জাহান, হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল মান্নান এবং হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি খালেকুজ্জামান শামীম।

আরও পড়ুন: মহানগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন রাসিক প্রশাসক রিটন

এদিকে সাংবাদিক মো. মহিউদ্দিন আল আজাদকে টানাহেঁচড়া ও মারধর করে তুলে নেওয়ার সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে এ ঘটনা নিয়ে চাঁদপুর প্রেসক্লাব, স্থানীয় সচেতন মহল ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ নিন্দা জানায় এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘নতুন অধ্যায়ের’ শেষটাও রোনালদোকেই করতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ পি.এম


‘নতুন অধ্যায়ের’ শেষটাও রোনালদোকেই করতে হবে

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্যারিয়ারে চোখ বুলালে শুধুমাত্র বিশ্বকাপ ট্রফিটা ফাঁকা মনে হয়। সারা বিশ্বে রোনালদোর প্রতিভা জ্বলজ্বল করেছে, কিন্তু তার সবচেয়ে বড় আক্ষেপ সোনালি ট্রফিটাই।

শ্যামের অরণ্যে, সোনালি ট্রফির জন্য তিনি নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

অন্যথায়, ৪১ বছর বয়সী এই কিংবদন্তির ঠিকানা অন্য কোথাও হতে পারত। খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেলে তিনি কী করতে চান, সে সম্পর্কে তিনি কখনো পরিষ্কার করে বলেননি। কিন্তু যদি তিনি বুটজোড়া তুলে রাখেন, তবে স্মৃতির ঝাঁপি খুলে বসবেন পরিবারের সঙ্গে, সেটি বলা বাহুল্য।

তবে রোনালদো অন্য কোনো ধাতুতে গড়া স্মৃতি রোমন্থনের পথ বেছে নেননি। যেন আজন্ম স্বপ্নকে পূরণ করেই তিনি অবসরের পথ ধরাতে চান। এবার তার কাছে লক্ষ্য পূরণের শেষ সুযোগ রয়েছে, কারণ পূর্ববর্তী ৫ বিশ্বকাপ শুধু হতাশাই এনে দিয়েছে তার।

তবে শুরুটা ছিল দুর্দান্ত, ২০০৬ সালে তার অভিষেক বিশ্বকাপে পর্তুগাল চূড়ান্ত চারটি স্থানে ছিল। কিন্তু পরের বিশ্বকাপগুলো যত দ্রুত সম্ভব ভুলে যাওয়ার এমনই যেন অবস্থা।

বিশেষ করে কাতার বিশ্বকাপ। সেখানে মরক্কোর কাছে কোয়ার্টার ফাইনালে হারার সময় তিনি যে কান্না করেছিলেন, সেটি বহু মানুষের মনে দাগ কেটেছে।

অনেকে ধারণা করেছিলেন, হয়তো আর বিশ্বমঞ্চে তাকে দেখা যাবে না। কিন্তু আহত বাঘের মতো তিনি আরও জোরালো গর্জন নিয়ে ফিরে এসেছেন।

চার বছর পর, আরেকটি বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। তিনি শুধু নামছেন না, নতুন অধ্যায় শুরুর আহ্বান জানিয়েছেন। আজ, ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করার আগে, ৫ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তাঁর ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, ‘যতবার এই জার্সি পরি, ঠিক ততবার প্রথম দিনের মতো গর্ব, আবেগ এবং দায়িত্ববোধ অনুভব করি। আগামীকাল (আজ) নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে।’

নতুন অধ্যায়কে সফল করতে সতীর্থদের সর্বস্ব নিংড়ে দেওয়ার আহ্বান করেছেন রোনালদো। পর্তুগালের অধিনায়ক বলেছেন, ‘এই পর্যায়ে পৌঁছানোর জন্য আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। সময় এসেছে দেশে এবং বিশ্বজুড়ে থাকা আমাদের সমর্থকদের জন্য আমাদের সর্বস্ব নিংড়ে দেওয়ার। আপনারাও আমাদের মতো বিশ্বাস রাখুন।’

রোনালদোর সতীর্থরা ইতোমধ্যে এটি বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন যে, তারা এবার তার জন্যই চ্যাম্পিয়ন হতে চান। ঠিক যেমন ২০২২ বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির জন্য তাদের সতীর্থরা খেলেছিলেন। ব্রুনো ফার্নান্দেজ এবং দিয়েগো দালোতের আশা, তারা রোনালদোর জন্য বিশ্বকাপে লড়বেন। এমনটাই মনে করেন জার্মানির কিংবদন্তি স্ট্রাইকার ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানও।

মুখের কথা শুধু নয়, বরং পরিসংখ্যানও এবার পর্তুগালের পক্ষে ভালো কিছু ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই যেমন, ৬ সংখ্যাকে তারা ‘লাকি সিক্স’ বলতেই পারেন। এই সংখ্যাটিতে তাদের সাফল্য লুকিয়ে রয়েছে। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে নিজেদের সেরা সাফল্য তারা শেষ চারে পৌঁছেছিল। ইউসেবিওর সেই দলের তৃতীয় হওয়ার কথা এ মনে আছে। ৪০ বছর পর আবার সেমিফাইনাল খেলেছে পর্তুগাল, এটি ২০০৬ বিশ্বকাপে ছিল। মাঝে আরেকটি ‘৬’ ছিল, ২০১৬ সালে তারা প্রথমবার ইউরো চ্যাম্পিয়ন হয়। এবারের ২০২৬ বিশ্বকাপেও রয়েছে ওই ‘৬’ সংখ্যায়। তাই তারা এবার ভাগ্যকে হয়তো তাদের পাশে পাবে।

কঠিন সময়ে রোনালদো নিজেকে সেরা করে তুলতে জানেন। একসময় তার কট্টর প্রতিপক্ষ মেসি ৪-১ ব্যবধানে ব্যালন ডি’অর জিতে গিয়েছিল। পরবর্তীকালে ২০১৭ সালে ক্যারিয়ারের পঞ্চম ও শেষ ব্যালন ডি’অর জিতে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তিকে ছুঁয়ে ফেলেছিলেন। পরে অবশ্য নামের পাশে আরও ৩টি যোগ করে মেসির সঙ্গে ব্যবধান দ্বিগুণ করে নিয়েছেন তিনি।

ম্যাচের ময়দানে লড়াইয়ের মানসিকতা জন্মগতভাবেই রোনালদোর। বর্তমানেও আল নাসরের হয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেয়েছেন তিনি। এশিয়ার ক্লাবটির প্রতি তাঁর যোগ দেওয়ার পর থেকে দলে বড় কোনো শিরোপা এসে উঠছিল না, তবে সেই আক্ষেপ তিনি সর্বশেষ সৌদি প্রো লিগে ঘুচিয়েছেন। তাই, ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে এসে এবার বিশ্বকাপের স্বপ্ন পূরণ হবে।

মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় অকাল প্রয়াত না হলে, দিয়োগো জোতা রোনালদোর বিশ্বকাপ অভিযানে সঙ্গী হবেন। নিজেরসহ প্রয়াত সতীর্থের জন্য রোনালদো তাই শেষ বাজিটা ধরবেন। ইতিমধ্যে কোচ রবার্তো মার্তিনেজ সেই ডাক দিয়েছেন, ‘জোতা আমাদের অনুপ্রেরণা ও শক্তি। সে সব সময় চাইত যে পর্তুগাল বিশ্বকাপ জিতুক। তার অপূর্ণ স্বপ্ন এবার পূরণ করতে যাচ্ছি আমরা।’

স্বপ্ন পূরণের নেতৃত্ব অবশ্য রোনালদোকেই নিতে হবে। দীর্ঘ দুই যুগের ক্যারিয়ারে যা করে আসছেন তিনি। এবারও তা করতে হবে। তার জন্য রসদ জুগিয়ে চলেছেন মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, এবং আর্লিং হালান্ডরা। গতকাল রাতে নিজেদের ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন এমবাপ্পে এবং হালান্ড। সকালের ম্যাচে মেসি তাদের ছাপিয়ে যান এবং বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে প্রথম হ্যাটট্রিক করেন। এবার তাই রোনালদোর পালা। চ্যালেঞ্জটায় তিনি জয়ী হতে পারবেন কি না, এটি দেখতে হবে ‘সিআর সেভেন’। তার ডাক দেওয়া ‘নতুন অধ্যায়ের’ শেষটা সুন্দর করতে হবে, কিংবদন্তিকে সেজন্য মরণ কামড় দিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেনবাগে ডমুরুয়া বালিকা বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ পি.এম


সেনবাগে ডমুরুয়া বালিকা বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের দাবি

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ডমুরুয়া জেড এ চৌধুরী (জাফর আহমদ চৌধুরী) বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপ-বিদ্যালয় পরিদর্শক মহি উদ্দিন। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসী বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তন করে "বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নুল আবদিন ফারুক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়" নামকরণের জোর দাবি জানিয়ে উপস্থিত হন। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত মানববন্ধনে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষানুরাগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জাতির শ্রেষ্ট সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ জয়নুল আবদিন ফারুক শিক্ষা বিস্তার, সমাজসেবা এবং এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিদ্যালয়টির নাম তাঁর নামে নামকরণ করা উচিত। এ সময় বক্তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে নাম পরিবর্তনের দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। পরিদর্শন শেষে উপ-বিদ্যালয় পরিদর্শক মহি উদ্দিন উপস্থিতদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপনের আশ্বাস দেন। মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী তাদের দাবির প্রতি পুনরায় সমর্থন ব্যক্ত করেন। বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক বেলায়েত হোসেন জানান, ১৯৯০ সালে দাতা সদস্য মুজিবুল হক ১৮ শতাংশ এবং ক্বারী জয়নাল আবদিন ৪ শতাংশসহ মোট ২২ শতাংশ জমি দান করলে ‘ডমুরুয়া বালিকা বিদ্যালয়’ নামে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় প্রধান শিক্ষক ছিলেন আবদুল হাই। পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষকের প্রস্তাবনার ভিত্তিতে ২০১২ সালে বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তন করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ জাফর আহমদ চৌধুরীর নামে রাখা হয়।

স্থানীয়দের দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকারের পক্ষ থেকে বিতর্কিত রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নামে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম পুনর্বিবেচনার প্রেক্ষাপটে বিদ্যালয়টির নাম থেকে জাফর আহমদ চৌধুরীর নাম বাদ দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নুল আবদিন ফারুকের নামে নামকরণ করা হোক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের প্রধান রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ পি.এম


দেশের প্রধান রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি তারেক রহমান বলেছেন, রেলপথকে আরও নিরাপদ, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব করতে দেশের প্রধান প্রধান রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে দেশের সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল উন্নয়নে একাধিক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনার বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

এটি বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঘটে। এই পর্বে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিক করার লক্ষ্যে প্রধান প্রধান রুটে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন বা বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সড়ক ও রেল যোগাযোগ খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকার দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এর অংশ হিসেবে মহাসড়কগুলোতে পর্যায়ক্রমে এক্সপ্রেসওয়ে গ্রিড এবং মাল্টিমোডাল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এছাড়া সড়ক সুরক্ষিত রাখতে এবং ওভারলোড নিয়ন্ত্রণে স্মার্ট মনিটরিং ও এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করা হবে।

রাজধানী ঢাকার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বলা হয়, ঢাকার চারপাশে যানজট কমাতে রিং রোড ও রেডিয়াল রোড নেটওয়ার্ক নির্মাণের কাজ চলছে। একই সঙ্গে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে যান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ওভারপাস ও আন্ডারপাস নির্মাণের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও প্রসারে প্রধানমন্ত্রী জানান, যমুনা নদীতে দ্বিতীয় যমুনা সেতু এবং পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এলাকায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের হাতে রয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়েকে জাতীয় পরিবহন ব্যবস্থার প্রধান ভিত্তি হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০৪৫ সাল পর্যন্ত তিন ধাপে ২৪টি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের সব রেলপথকে পর্যায়ক্রমে ডুয়েলগেজে রূপান্তর করা হবে, যাতে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করা যায়। পাশাপাশি রেলের সক্ষমতা ও সেবার মান বাড়াতে আগামী বছরগুলোতে আন্তনগর ও কমিউটার ট্রেনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হবে বলেও তিনি সংসদকে জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রায় ৩০ লাখ টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে সরকার যাত্রা শুরু করেছে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫৬ পি.এম


প্রায় ৩০ লাখ টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে সরকার যাত্রা শুরু করেছে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন-এমপি বলেছেন, বর্তমান সরকার প্রায় ৩০ লাখ টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল। এর পরবর্তী সময়ে সরকারের ১২০ দিনের মধ্যে দেশের জনগণের মাঝে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডসহ অন্যান্য বিভিন্ন ভাতা প্রদান শুরু হয়েছে। তবে তিনি বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রদান কোনো রাজনৈতিক দলকে বিবেচনায় এনে হয়নি। দলমত, জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে নিরপেক্ষভাবেই মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এই কার্ডগুলো প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান ধীরে ধীরে উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে।

গতকাল বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচির আওতায় হাটহাজারী উপজেলার গুমানমর্দ্দন ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাজেট ঘোষণা করার পর একটি মহল মিছিল করেছে। কিন্তু চলতি মাসে ঘোষিত বাজেট অতীতের সমস্ত বাজেটকে পেছনে ফেলে গণমুখি বাজেটে পরিণত হয়েছে। এর ফলে দেশের জনগণ এই বাজেটের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে এনেছেন। প্রতিবার বাজেট ঘোষণার পর বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ে, অথচ এবারের বাজেটে শুধুমাত্র সিগারেট ও মদের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা কিছু মহলের মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আমাদের সরকারের একজন মন্ত্রী বিভিন্ন বাজারে গিয়ে মনিটরিং করেছেন এবং তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়েনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. মো. সফিকুল আলম, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম-বিপিএম এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহেদ আরমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন। অনুষ্ঠান শেষে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থেকে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে হাটহাজারী উপজেলার গুমানমর্দ্দন ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ১২৪ জন উপকারভোগীর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%