ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রায় ৩০ লাখ টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে সরকার যাত্রা শুরু করেছে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী


প্রায় ৩০ লাখ টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে সরকার যাত্রা শুরু করেছে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন-এমপি বলেছেন, বর্তমান সরকার প্রায় ৩০ লাখ টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল। এর পরবর্তী সময়ে সরকারের ১২০ দিনের মধ্যে দেশের জনগণের মাঝে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডসহ অন্যান্য বিভিন্ন ভাতা প্রদান শুরু হয়েছে। তবে তিনি বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রদান কোনো রাজনৈতিক দলকে বিবেচনায় এনে হয়নি। দলমত, জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে নিরপেক্ষভাবেই মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এই কার্ডগুলো প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান ধীরে ধীরে উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে।

গতকাল বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচির আওতায় হাটহাজারী উপজেলার গুমানমর্দ্দন ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাজেট ঘোষণা করার পর একটি মহল মিছিল করেছে। কিন্তু চলতি মাসে ঘোষিত বাজেট অতীতের সমস্ত বাজেটকে পেছনে ফেলে গণমুখি বাজেটে পরিণত হয়েছে। এর ফলে দেশের জনগণ এই বাজেটের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে এনেছেন। প্রতিবার বাজেট ঘোষণার পর বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ে, অথচ এবারের বাজেটে শুধুমাত্র সিগারেট ও মদের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা কিছু মহলের মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আমাদের সরকারের একজন মন্ত্রী বিভিন্ন বাজারে গিয়ে মনিটরিং করেছেন এবং তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়েনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. মো. সফিকুল আলম, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম-বিপিএম এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহেদ আরমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন। অনুষ্ঠান শেষে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থেকে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে হাটহাজারী উপজেলার গুমানমর্দ্দন ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ১২৪ জন উপকারভোগীর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করেন।

আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাক্তন ও হবু স্ত্রীকে নিয়ে একই গাড়িতে কোথায় গেলেন আমির খান?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫৮ পি.এম


প্রাক্তন ও হবু স্ত্রীকে নিয়ে একই গাড়িতে কোথায় গেলেন আমির খান?

বলিউডের পারফেকশনিস্ট আমির খান কিছুদিন আগে গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে বিয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে এবার জানা গেল, এটি শুধু গুঞ্জন নয়; এটি সত্যি হয়ে উঠতে চলেছে আমির খানের বিয়ের খবর। তিনি ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন। বিয়ে ঠিক হওয়ার পর দেখা গেছে, আমির খান তার প্রাক্তন স্ত্রী কিরণ রাও ও হবু স্ত্রী গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে একই গাড়িতে রয়েছেন।

‘লগান’-এর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কিরণ রাও ও হবু স্ত্রীকে নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন আমির খান। ছবি: সংগৃহীত

এছাড়া, প্রথম স্ত্রী রিনা দত্ত এবং দ্বিতীয় স্ত্রী কিরণ রাও—দুজনের সংগে দীর্ঘদিন ধরে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন এই অভিনেতা। তিনি বিভিন্ন সময় পারিবারিক অনুষ্ঠানেও তাদের একসঙ্গে উপস্থিত হতে দেখা যায়। এরই মধ্যে আগামী ৫ জুলাই গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’। নিজের বাসভবনে ঘরোয়া আয়োজনের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নতুন জীবনে পদার্পণ করবেন এই অভিনেতা।

সম্প্রতি ‘লগান’-এর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন আমির খান। অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন স্ত্রী কিরণ রাও, ছেলে আজাদ এবং প্রেমিকা তথা হবু স্ত্রী গৌরী স্প্র্যাট।

অনুষ্ঠান শেষে বের হওয়ার সময় দেখা যায়, প্রথমে গাড়িতে ওঠেন গৌরী স্প্র্যাট। এরপর একই গাড়িতে ওঠেন কিরণ রাও ও ছেলে আজাদ। সামনের আসনে বসেছিলেন আমির নিজে। গাড়ির কাঁচ তোলা থাকলেও হাসিমুখে উপস্থিত আলোকচিত্রীদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়তে দেখা যায় অভিনেতাকে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে আরো দেখা যাচ্ছে, পেছনের আসনে পাশাপাশি বসে গল্পে মেতে আছেন কিরণ রাও এবং গৌরী স্প্র্যাট। তাদের মাঝখানে বসে ছিল আমিরের ছেলে আজাদ। এই দৃশ্যটি নেটিজেনদের নজর কেড়েছে সবচেয়ে বেশি।

এর আগে আমির খান রীনা দত্তকে বিয়ে করেছিলেন, সেই সংসারে জুনাইদ এবং ইরা নামে দুটি সন্তান রয়েছে। পরে তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন এবং এই প্রাক্তন দম্পতির আজাদ নামে একটি ছেলে রয়েছে। আমির এবং কিরণ ২০২১ সালে তাদের বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপপ্রচারের বিস্তারের প্রেক্ষাপট ও আমাদের করণীয় শীর্ষক সেমিনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৫৯ পি.এম


অপপ্রচারের বিস্তারের প্রেক্ষাপট ও আমাদের করণীয় শীর্ষক সেমিনার

এফএনএস (মিজানুর রহমান; চাঁদপুর) : | প্রকাশ: ১৭ জুন, ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য, অপতথ্য ও অপপ্রচারের বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং করণীয় নির্ধারণে চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন ২০২৬ খ্রি.) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচারের বিস্তারের প্রেক্ষাপট এবং আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ জিয়াউর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেছেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোন ব্যক্তি বা বিষয়ে উপস্থাপিত যেকোনো তথ্য মিথ্যা হলেই তা অপতথ্যে পরিণত হয়। অনুমতি ছাড়া কারো ছবি বা ভিডিও ধারণ ও প্রচার করা উচিত নয়। এসব বিষয়ে সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। ছোটখাটো বিষয় বলে অবহেলা করলে তা বড় ধরনের সামাজিক সমস্যার কারণ হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে আমাদের শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল হতে হবে। অপতথ্য ও গুজব নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধির কাজও জোরদার করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, অপপ্রচার সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। গণতন্ত্র, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী সকলকে এ ধরনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে একযোগে কাজ করতে হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. এরশাদ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান। সেমিনারের শুরুতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নাজমুন নাহার ডকুমেন্টারির মাধ্যমে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার, এর নেতিবাচক প্রভাব এবং প্রতিরোধে করণীয় বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। পরে অনুষ্ঠিত উম্মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাসিম আহমেদ টিটো, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মুহা. মিজানুর রহমান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, জেলা তথ্য কর্মকর্তা তপন বেপারী, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী, সাংবাদিক রহিম বাদশা, গিয়াস উদ্দিন মিলন, রিয়াদ ফেরদৌস, তালহা জুবায়ের, আল ইমরান শোভন, ফারুক আহমেদ, শরীফ চৌধুরী, নাট্যকার লিটন ভূঁইয়া, সাংবাদিক শাহরিয়া পলাশ, আশিক বিন রহিম প্রমুখ। লেখক ও সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিরা। বক্তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা, তথ্য যাচাই এবং গুজব প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গৌরীপুরে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইলেক্ট্রিশিয়ানের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ হুমায়ুন কবির,গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:০১ পি.এম


গৌরীপুরে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইলেক্ট্রিশিয়ানের মৃত্যু

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় বৈদ্যুতিক খুঁটিতে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাসুদ করিম বাবু (৩০) নামে একজন ইলেক্ট্রিশিয়ানের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার ১৬ জুন দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পৌর শহরের বালুয়াপাড়া মোড়ে। নিহত মাসুদ করিম বাবু পূর্ব ভালুকা এলাকার মৃত আব্দুস সালামের বড় ছেলে ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাসুদ করিম বাবু রাতের বেলায় বৈদ্যুতিক লাইনে কাজ করার সময় অসর্তকতায় বিদ্যুতায়িত হয়ে খুঁটি থেকে নিচে পড়ে যান এবং গুরুতরভাবে আহত হন। স্থানীয়রা তৎক্ষণাত তাকে উদ্ধার করে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. লামিয়া ইসলাম জ্যুতি তার শারীরিক অবস্থা দেখে আশঙ্কাজনক মনে করে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। চিকিৎসাধীনে থাকা অবস্থায় রাত আনুমানিক ২টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে।

এদিকে, এই দুর্ঘটনার সময় সহকর্মী মো. খায়রুল মিয়া মাসুদকে খুঁটি থেকে পড়ে যেতে দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং এরপর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

গৌরীপুর পিডিবির আবাসিক প্রকৌশলী লিটন মজুমদার বলেন, "আমাদের অচিন্তপুর ফিডার ও খেলারমাঠ ফিডার বন্ধ ছিল। তবে ১১ হাজার ভোল্টের কোনো একটি লাইনে সম্ভবত লিকেজের কারণে বিদ্যুতের ফিডব্যাক হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।" মৃত মাসুদ করিম বাবু গৌরীপুর পিডিবির নিয়োগপ্রাপ্ত ইলেকট্রিশিয়ান না হওয়া সত্ত্বেও কেন তাকে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে কাজ করতে দেওয়া হয়েছিল—জানতে চাইলে তিনি বলেন, "নিহত মাসুদ করিম বাবু আমাদের স্থায়ী বা নিয়োগপ্রাপ্ত ইলেকট্রিশিয়ান ছিলেন না। তবে নিজস্ব লাইনম্যানের সংকট হলে প্রয়োজনের সময় তারা লাইনে কাজ করেন।"

গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, "এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। নিহতের মরদেহ বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।"

এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পাশাপাশি ফিডার বন্ধ থাকার পরও কীভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলো, তা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে, মাসুদ করিম বাবুর মৃত্যুর পর সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের শাস্তির দাবিতে বুধবার দুপুরে পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল শেষে গৌরীপুর থানায় অবস্থান নিয়ে বিদ্যুৎ সহকারী আবাসিক প্রকৌশলী মোঃ আল আমিনের ফাঁসি দাবি করে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করে এলাকার জনগণ।

এ বিষয়ে সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আল আমিনের সাথে কথা বলতে চাইলে তাকে ফোনে এবং অফিসে পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনবিআরের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:০২ পি.এম


এনবিআরের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর

দুই বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকার পর অবশেষে খুলতে যাচ্ছে রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ীতে অবস্থিত সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর। এখন শুধুমাত্র জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। এর আগে একটি পরীক্ষামূলক চালু হওয়ার পর এখানে ১০ ট্রিপ জাহাজ চালানো হয়েছিল। এই বন্দরের মাধ্যমে পাথর এবং কয়লা আমদানি করা হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১১টা নিয়ে নৌবন্দরটি পুর্নাঙ্গরূপে চালু করার অভিপ্রায়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগের কমিশনার ড. আ.ন.ম বজলুর রশীদ। সভায় ভার্চুয়াল বক্তব্য রাখেন বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাগণ ও ব্যবসায়ীরা।

সভায় নৌবন্দর চালুর বিষয়ে বিভিন্ন আলোচনা হয়। বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা তাদের মতামত প্রদান করেন। সবার মাঝে নৌবন্দর চালুর পক্ষে সমন্নয়ের একটি পরিবেশ ছিল। নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফজলে এলাহী বলেন, "নৌপথে দস্যুতা ও বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে আমরা কাজ করি। সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর চালু হলে সেখানে আমরা একটি থানা স্থাপন করবো। বর্তমানে আমাদের ওই উপজেলায় একটি ফাঁড়ি আছে যা থানায় রূপান্তরিত করা হবে।"

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অঞ্চল মাদক চোরাচালানের রুট হিসেবে পরিচিত। তারা আরও জানান, "আমরা এর আগে এখানকার নদী বন্দর নিয়ে আমাদের হেডকোয়ার্টারে জানিয়েছি। আমরা এই বন্দরের বিষয়ে ইতিবাচক আছি। এনবিআরের পক্ষ থেকে বলা হয়, এখানে বন্দর তৈরিতে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, এর মধ্যে মাদকও বিষয়টি রয়েছে। এর আগে সেখানে কোনো স্থাপনা ছিল না, এখন সবকিছু তৈরি হয়েছে। আমরা এখান থেকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেব।"

পাথর আমদানিকারক আমিনুল ইসলাম বলেন, "সড়কের তুলনায় নদী পথে পণ্য আনা-নেওয়া খরচ কয়েকগুণ কম। অন্য দেশ থেকে জাহাজে পাথর আনতে খরচ অনেক বেশি হয়। ভারতের মায়া বন্দর থেকে পাথর নিয়ে আসলে খরচ অর্ধেকের নিচে নেমে আসবে। এর ফলে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে এবং ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন। এই রুটে ৮০ লিটার তেলে একটি জাহাজ যাওয়া-আসা করতে পারবে।"

রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি হাসেন আলী বলেন, সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর চালু হলে রাজশাহী অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা যথেষ্ট উপকৃত হবেন। এই বন্দরের ফলে সোনামসজিদ বন্দরের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের জন্য সুফল বয়ে আসবে। সেখান থেকে আমদানি ছাড়া রফতানি করাও সম্ভব হবে। আমাদের বেশ কিছু পণ্য আমরা রফতানি করবো। এতে আমাদের কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে।

গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান বলেন, "আমি সোমবার বন্দরটি পরিদর্শন করেছি। সেখানে সড়ক প্রশস্তের কাজ চলছে। এছাড়া বন্দরের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই আছে। ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্য রাখার জন্য সড়কের পাশে বিভিন্ন জমি ভাড়া নিচ্ছেন।"

বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন জানান, "বন্দরটি চালু করতে প্রয়োজনীয় সমস্ত কিছু সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে নতুন করে স্থাপনাও তৈরি হয়েছে। বন্দরের জন্য জমি ২৫ বছরের জন্য ইজারা নেওয়া হয়েছে। পদ্মার কিছু স্থানে ড্রেজিংও করা হয়েছে যাতে করে জাহাজ চলাচল করতে পারে। এখন এনবিআর অনুমোদন দিলে এই বন্দর পুর্নাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হবে।" রাজশাহী বিভাগের কমিশনার ড. আ.ন.ম বজলুর রশীদ বলেন, "যদি বন্দরটি চালু হয়, এখানে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। এটি অপরাধও কমিয়ে আনবে। আমরা বন্দর চালুর বিষয়ে ইতিবাচক। খুব শীঘ্রই এই বন্দর চালু হবে। এর ফলে সবাই উপকৃত হবেন। এখন কেবল এনবিআরের অনুমোদনের অপেক্ষা।" এর আগে গত শুক্রবার (১৬ জুন) সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিচালনা) ও যুগ্ম সচিব মো. সাজেদুর রহমান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন। ছয় দশক আগে রাজশাহীর সুলতানগঞ্জ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের ধূলিয়ান নৌপথে বাণিজ্য চলছিল। কিন্তু ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধসহ অভ্যন্তরীণ নানা কারণে নৌপথ ও নদীবন্দর বন্ধ হয়ে যায়। সেই নৌপথে আবারও বাণিজ্য চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে দীর্ঘ ৫৯ বছর পর ২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। চালুর পর মাত্র ১০ দিন কার্যক্রম চলে। এরপর থেকে এই পোর্ট বন্ধ হয়ে যায়। পাঁচটি নৌযানে আমদানি-রফতানি হয় পাথর ও গার্মেন্টস ঝুট।

২০২৫ সালের ১ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর পরিদর্শনকালে অবকাঠামো উন্নয়ন করে দ্রুত এটি চালুর নির্দেশনা দেন। কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সুলতানগঞ্জের সঙ্গে ভারতের মুর্শিদাবাদের মায়া নৌবন্দরের দূরত্ব মাত্র ১৮ কিমি। এই নৌপথ চালু হলে ভারত থেকে সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল, পাথর, মার্বেল, খনিজ বালু ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী বাংলাদেশে আসবে। বাংলাদেশ থেকে বস্ত্র, মাছ, পাট ও পাটজাত পণ্য ছাড়াও বিভিন্ন কৃষিপণ্য ভারতে রফতানি করা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%