বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:৫২ পি.এম
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের প্রস্তুতি বর্তমানে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ২৭ অথবা ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রস্তুত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আকতারুজ্জামান গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরও জানান, ফল তৈরির কাজ বর্তমানে পুরোদমে চলছে এবং সঠিকভাবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হবে। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশের সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হবে।
সাধারণত, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের বিধান রয়েছে। এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২১ এপ্রিল। এর মাঝে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। অন্যদিকে, দাখিল এবং এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন হয় ২৪ মে।
চলতি বছর, এই বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এই হামলার বিরুদ্ধে পাকিস্তান 'কঠোর নিন্দা' জানিয়েছে, যা হয়েছে পূর্বঘোষিত নৌ-অবরোধের অংশ হিসেবে।
সৌদি আরবের দু'টি তেলবাহী ট্যাংকারে লোহিত সাগর দিয়ে যাওয়ার সময় হুথিদের যে হামলা হয়েছে, সেটাকে ঘিরেই পাকিস্তানের এই নিন্দা।
বুধবার সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় হামলার বিষয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের নিন্দার কথা উঠে এসেছে।
তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে লিখেছেন, "আমি লোহিত সাগরে সৌদি তেলবাহী ট্যাংকারের ওপর হুথিদের হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অগ্রহণযোগ্য, আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন, নৌচলাচলের স্বাধীনতাকে বিপন্ন করে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ণ করে।"
এছাড়া, সৌদি আরবের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা ও সমৃদ্ধির প্রতি পাকিস্তানের অবিচল সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ।
উল্লেখযোগ্য যে, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালির একটি আফ্রিকান দেশে আল-কায়েদা সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘জেএনআইএম’-এর বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন ট্রাম্প প্রশাসন।
এই তথ্যটি দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সামনে এসেছে, যেখানে বর্তমান এবং সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। খবরটি আনাদোলু এজেন্সির।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, সামরিক অভিযান চালানোর এই পদক্ষেপ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে নীতিগত দ্বিমত বিদ্যমান রয়েছে। তবে হোয়াইট হাউসের কাউন্টারটেররিজম বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর সেবাস্তিয়ান গোরকাসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই ব্যাপারে মালিতে সরাসরি মার্কিন সামরিক অভিযানের পক্ষে অবস্থান নেন।
এই সামরিক হামলার প্রস্তুতির বিষয়টি মার্কিন প্রশাসন সরাসরি স্বীকার বা অস্বীকার কোনোটিই করেনি। এরপরও, একটি মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, ওয়াশিংটন আফ্রিকান দেশগুলোকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়তে মার্কিন অস্ত্র কেনার পরামর্শ দিচ্ছে এবং ন্যাটো মিত্রদের আঞ্চলিক বাহিনীকে সাহায্য করার আহ্বান জানাচ্ছে।
একইসঙ্গে, মালির নিরাপত্তা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তীব্র সমালোচনা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, সন্ত্রাস দমনে রাশিয়া একটি অকার্যকর অংশীদার হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। যদিও পেন্টাগন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি না হলেও, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, তারা মালির সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা প্রকাশ করে।
এছাড়া উল্লেখযোগ্য যে, ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র জেএনআইএম-কে বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ১৪৩ জন জনবল নিয়োগকে কেন্দ্র করে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর, নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। তবে সরকারি নথিপত্রে দেখা যাচ্ছে যে, নিয়োগ কার্যক্রমের প্রতিটি ধাপ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের লিখিত নির্দেশনা, বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) অনুমোদন ও মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে। ফলে, বহুস্তরের অনুমোদনের ভিত্তিতে পরিচালিত একটি প্রক্রিয়ায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা কেন শুধুমাত্র মাঠপর্যায়ের একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নথিপত্র অনুযায়ী, গত ২৩ জুন ২০২৬ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় দেশের সব আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার জন্য আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। একই দিনে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) ই-জিপির পরিবর্তে অফলাইনে ডাইরেক্ট প্রোকিউরমেন্ট মেথড (ডিপিএম) অনুসরণের অনুমোদন দেয়। নির্দেশনায় ৩০ জুনের মধ্যে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বলা হয়।
পরবর্তীতে ২৪ জুন মূল্যায়ন কমিটির অনুমোদন, ২৫ জুন দরপত্র আহ্বান, ২৭ জুন মূল্যায়ন কমিটির সভা ও মূল্যায়ন প্রতিবেদন এবং ২৯ জুন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অনুমোদনের পর কেএসএফ ট্রেড লিমিটেডকে কার্যাদেশ (নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড) দেওয়া হয়। একই দিনে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে ৫ জন চালক, ৬৯ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং ৬৯ জন নিরাপত্তা প্রহরীসহ মোট ১৪৩ জন জনবল সরবরাহের দায়িত্ব পায় প্রতিষ্ঠানটি।
ইসি সচিবালয়ের পৃথক নির্দেশনায় আগে থেকেই কর্মরত আউটসোর্সিং কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ ছিল। সে অনুযায়ী ১৩৭ জন কর্মরত কর্মীর তালিকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটি ১৪৩ জনের চূড়ান্ত তালিকা জমা দিলে জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে পর্যায়ক্রমে তারা কর্মস্থলে যোগ দেন।
সম্প্রতি একটি ইউটিউবভিত্তিক প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়েছে এবং কোনো লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষা ছাড়াই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় মো. আনিছুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করে এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যক্রম শুরু করে।
তবে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথিপত্রে ঘুষের অভিযোগের সমর্থনে কোনো লিখিত প্রমাণ, ব্যাংক লেনদেনের তথ্য বা অন্য কোনো প্রত্যক্ষ তথ্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে অভিযোগ উত্থাপনকারী প্রতিবেদনে অর্থ লেনদেনের পক্ষে কোনো যাচাইযোগ্য নথিও প্রকাশ করা হয়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ এখন তদন্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে।
এ ঘটনায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। গত ২১ জুলাই জারি করা আদেশে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন ও অর্থ) ডিএম আতিকুর রহমানকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। কমিটিকে ছয় কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
২০ জুলাই জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জানায়, সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী জনস্বার্থে মো. আনিছুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিভাগীয় কার্যক্রম চলাকালে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন।
এদিকে নিয়োগপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মী ঘুষের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসে কর্মরত আউটসোর্সিং চালক ইসমাইল হোসেন বলেন, তিনি ২০১৬ সাল থেকে কর্মরত এবং চলতি বছরের জুলাইয়ে নতুন যোগদানপত্র পেয়েছেন। এ প্রক্রিয়ায় তাঁর কাছ থেকে কোনো অর্থ নেওয়া হয়নি।
বোয়ালিয়া থানা নির্বাচন অফিসের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ফারুক হোসেন জানান, তিনি ২০২৩ সালে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চাকরিতে যোগ দেন এবং অভিজ্ঞ কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতিমালা অনুযায়ী পুনরায় নিয়োগ পেয়েছেন। তাঁর কাছ থেকেও কোনো অর্থ নেওয়া হয়নি। একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন রাজপাড়া থানা নির্বাচন অফিসের পরিচ্ছন্নতাকর্মী সাব্বির হোসেন।
কেএসএফ ট্রেড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শামীম হোসাইন বলেন, নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তালিকা অনুযায়ীই আগের কর্মীদের বহাল রেখে চুক্তি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠান নিজস্বভাবে কোনো তালিকা তৈরি করেনি। তিনি ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রতিষ্ঠানের অগোচরে কেউ ব্যক্তিগতভাবে অর্থ নিয়ে থাকলে তার দায় প্রতিষ্ঠান নেবে না।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান দাবি করেন, সরকার নির্ধারিত নীতিমালা ও বিধিবিধান অনুসরণ করেই পুরো নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং কোনো অনিয়ম হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টেন্ডার জালিয়াতি, প্রতারণা ও ঘুষ দাবির অভিযোগে হবিগঞ্জ এলজিইডির দুটি কর্মকর্তাসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) হবিগঞ্জের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে মামলাটি করা হয়েছে, বাদী হলেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রিচি গ্রামের বাসিন্দা ও ঠিকাদার মো. জুবাঈদ মিয়া।
আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করে আগামী মঙ্গলবার শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন এলজিইডি হবিগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মো. রোকনুজ্জামান খান এবং দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী।
মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন, এলজিইডির আওতায় হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ইমামবাড়ী-বুরিনাও সড়কের উন্নয়ন, ইউ-ড্রেনেজ, বক্স কালভার্ট ও প্রতিরক্ষা কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে তার প্রতিষ্ঠানকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
কারসাজির মাধ্যমে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে অবৈধ সুবিধা দিয়ে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, টেন্ডার প্রক্রিয়ার সময় বাদীর কাছে ১০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছিল। তিনি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর পরিকল্পিতভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি করে তাকে কাজ থেকে বঞ্চিত করা হয় এবং অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে কার্যাদেশ দেওয়া হয়।
আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করার পর আগামী মঙ্গলবার আইনগত শুনানির দিন ধার্য করেছেন। মামলার বিষয়ে আদালতের পরবর্তী আদেশের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ