ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজধানীতে নিষিদ্ধ আ.লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৫৩ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার


রাজধানীতে নিষিদ্ধ আ.লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৫৩ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

রাজধানীতে নিষিদ্ধ আ.লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৫৩ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।রাজধানীর ভাটারা থানার এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ সংগঠনের ৫৩ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাত ৯টার সময় ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ব্লক-এম, রোড-২৮-এর একটি ভবনের দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।ভাটারা থানা সূত্রে জানানো হয়েছে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে শোকদিবস পালনের প্রস্তুতি সভা এবং ঝটিকা মিছিল সফল করার জন্য নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে সমবেত হন। তখন তারা প্ল্যাকার্ড এবং ব্যানার নিয়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন। ভাটারা থানা পুলিশের অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মোট ৫৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিএমপির সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলো নিয়মিত নজরদারি এবং অভিযান পরিচালনা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফতাবনগরে ডাকাত দলের সদস্য গুলিবিদ্ধ, দাবি ডিবির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩০ এম


আফতাবনগরে ডাকাত দলের সদস্য গুলিবিদ্ধ, দাবি ডিবির

রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন আফতাবনগরে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের গুলিতে মো. এস এম আরিফুল ইসলাম পাভেল (৩০) নামের একজন আহত হয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পাভেল ডাকাতদলের সদস্য হিসেবে চিহ্নিত।

তাকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাত আনুমানিক পৌনে ৯টার সময় আফতাবনগরের এম-ব্লকের ৫ নম্বর সেক্টরের ইস্ট অ্যান্ড হাউজিং এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

অভিযানে অংশগ্রহণকারী গুলশান ডিবির পরিদর্শক আনোয়ার জানান, ইস্ট অ্যান্ড হাউজিং এলাকায় একদল সশস্ত্র ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন গোপন খবর আসে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আমরা সেখানে রাত সাড়ে ৮টার দিকে অভিযান পরিচালনা করি। ডিবির উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত সদস্য পাভেল নিজের পিস্তল বের করে আমাদের লক্ষ্য করে গুলি করার চেষ্টা করে।

আমাদের আত্মরক্ষা ও জানমালের নিরাপত্তার জন্য আমরা পাল্টা একটি শর্টগানের গুলি ছুড়লে পাভেলের ডান পায়ের হাঁটুর নিচে গুলি লাগে। পরে আমরা তাকে আটক করি এবং তার কাছ থেকে একটি পিস্তল এবং তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করি।

তিনি আরও জানান, আহত অবস্থায় পাভেলকে উদ্ধার করে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আল্লামা সাঈদী নেই, রয়ে গেছে তাঁর কণ্ঠের স্মৃতি ও কর্ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ এম


আল্লামা সাঈদী নেই, রয়ে গেছে তাঁর কণ্ঠের স্মৃতি ও কর্ম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আল্লামা সাঈদী আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর কণ্ঠের স্মৃতি ও কাজ রয়ে গেছে। অসংখ্য মানুষের ভালোবাসাও রয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘কিছু মানুষ পৃথিবী থেকে চলে যান, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকেন অনাদিকাল ধরে। আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী রাহিমাহুল্লাহ তিনি তেমন একজন মানুষ।

আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘তাঁর চেয়ে উত্তম কথা আর কার, যে মানুষকে আল্লাহর দিকে আহ্বান করে, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত।’ (সূরা ফুসসিলাত: ৩৩)

‘অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে তিনি এই জনপদের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছেন, শহরের মঞ্চ থেকে গ্রামের ধুলোমাখা ময়দানে, একটিমাত্র আহ্বান বুকে নিয়ে, আল্লাহর দিকে ফিরে আসার আহ্বান নিয়ে, কুরআনের দিকে ডেকে ফিরেছেন। সেটি দেশের গন্ডি অতিক্রম করে বিশ্বেও তাঁর বিচরণ ছিল সমান তালে। শীতের রাতে খোলা মাঠে চাদর মুড়ি দিয়ে বসে থাকা লাখো মানুষ তাঁর কণ্ঠে কুরআনের তাফসির শুনেছেন। বহু মানুষের ধর্মীয় জীবনকে শুদ্ধ করার মোড় ঘুরে গেছে সেই আলোচনার মধ্য দিয়ে।’

‘রাসুলুল্লাহ  বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে কুরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।’ (সহিহ বুখারি)

‘আল্লামা সাঈদীর জীবনের বড় একটি অংশই কেটেছে এই কাজে, কুরআন শেখা, কুরআন শেখানো এবং কুরআনের কথা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। কুরআনের শিক্ষা ও প্রসারের জন্য তিনি নানা প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর ওয়াজের ময়দান হয়ে উঠেছিল অসংখ্য মানুষের ধর্মীয় শিক্ষার পাঠশালা।

মানুষের ভালোবাসা তাঁকে তাফসীরের ময়দান থেকে জাতীয় সংসদে নিয়ে গিয়েছিল। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি কথা বলেছেন ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে, আলিয়া ও ক্বওমি মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে, সাধারণ মানুষের নানা দাবির কথা বলেছেন। সংসদে স্পিকারের সামনে মাথা ঝুঁকিয়ে ঢোকার যে শিরকি রীতি ছিল, তা আল্লামা সাঈদীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বন্ধ হয়েছিল। যদিও তাঁর রাজনীতি ও মতাদর্শ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতে পারে; কিন্তু তাঁর বিপুল অনুসারী এবং জনসমর্থন এ দেশের ধর্মীয়-রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি অস্বীকার করার উপায় নেই।

‘যুগে-যুগে আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের ওপর যেমন জুলুমের খড়গ নেমে আসে, তেমনি আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ওপরও নেমে এসেছিল নির্মম জুলুম-নির্যাতন। আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে যাকে হাজির করা হয়েছিল, সেই সুখরঞ্জন বালি বরং আল্লামার পক্ষেই সাক্ষ্য দিতে এসেছিলেন। আর সেই সাক্ষ্যের কারণেই ফ্যাসিস্টরা তাঁকে গুম করে ফেলেছিল।’

‘আল্লামা সাঈদীর ফাঁসির রায়ের দিন দেশজুড়ে নেমে এসেছিল মানুষের ঢল। প্রিয় মানুষটির প্রতি ভালোবাসা আর তাঁর ওপর জুলুমের প্রতিবাদে অগণিত মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। সেই প্রতিবাদে শহীদ হন দেড় শতাধিক মানুষ। রাজপথ রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল, কিন্তু মানুষের হৃদয় থেকে আল্লামা সাঈদীর প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা মুছে ফেলা যায়নি। একদিন বাংলাদেশে আল্লামা সাঈদীর রায়-পরবর্তী হত্যাকাণ্ডের বিচার করার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।’

‘কারাগারের দেয়াল একজন মানুষের শরীরকে আটকে রাখতে পারে কিন্তু মানুষের ভালোবাসাকে আটকে রাখতে পারে কোন কারাগার?’

‘বছরের পর বছর তিনি কারাবন্দি থেকেছেন। কিন্তু এ দেশের অসংখ্য ঘরে সন্ধ্যাবেলা বেজেছে তাঁর কণ্ঠের ধারণ করে তৈরি তাফসিরের রেকর্ডিং; মানুষ শুনেছে, কেঁদেছে, তাঁর জন্য হাত তুলে দোয়া করেছে। প্রজন্মের পর প্রজন্মের কাছে তাঁর পরিচয় থেকে গেছে কুরআনের একজন আলোচক ও দাঈ হিসেবে।’

‘আজ আল্লামা সাঈদী আমাদের মাঝে নেই। সময়ের পালাবদলে তাঁকে বন্দি রাখা সেই ফ্যাসিস্ট শাসনেরও অবসান ঘটেছে। রয়ে গেছে শুধু তাঁর কণ্ঠের স্মৃতি, তাঁর তাফসির, তাঁর কাজ, আর অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা।

মানুষ চলে যায়, দাওয়াত থেকে যায়। কণ্ঠ থেমে যায়, রেখে যাওয়া আহ্বান থামে না।’

‘কারাগারের দরজা একজন মানুষকে বন্দি করতে পারে, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে তাঁর জায়গাকে বন্দি করতে পারে না।

কবি আল মাহমুদ লিখেছেন—

‘পৌঁছুতে চাই প্রভু তোমার সান্নিধ্যে

তোমার সিংহাসনের নীচে একটি ফুরফুরে প্রজাপতি হয়ে,

যার পাখায় আঁকা অনাদিকালের অনন্ত রহস্য।’

‘যে কণ্ঠ অর্ধশতাব্দী ধরে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডেকেছে, সে আজ নীরব হয়ে গেছে। কিন্তু কে জানে, হয়তো এই নীরবতাই প্রিয় প্রভুর কাছে পৌঁছে যাওয়া। হয়তো যে মানুষটি সারাজীবন মানুষকে ডেকেছেন প্রভুর দিকে, তিনি আজ সেই সিংহাসনের নিচে একটি ফুরফুরে প্রজাপতির মতো, যার পাখায় আঁকা আছে সেই অনন্ত রহস্য, যার কথা তিনি সারাজীবন বলে গেছেন কিন্তু কোনোদিন পুরোটা বলে শেষ করতে পারেননি।’

‘আল্লাহ তাআলা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী রাহিমাহুল্লাহ এর ভুলত্রুটি ক্ষমা করুন, তাঁর নেক আমলগুলো কবুল করুন এবং তাঁকে শাহাদাতের মর্যাদা দিয়ে জান্নাতুল ফিরদাউসের উচু মাকাম দান করুন। আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনার জমি বিরোধে সংঘর্ষ, বৃদ্ধা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৫ এম


নেত্রকোনার জমি বিরোধে সংঘর্ষ, বৃদ্ধা নিহত

নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়ায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের কারণে দুই পক্ষের সংঘর্ষে, আসিয়া খাতুন (৭০) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের সাগুলি গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

নিহত বৃদ্ধা আসিয়া খাতুন ওই গ্রামের আমজদ আলী ফকিরের স্ত্রী।

স্থানীয় ও নিহতের পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, সাগুলি গ্রামের বুরুজ আলী এবং রফিক গংদের সঙ্গে তাইজ্জ মিয়া গংদের ২১ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী বিরোধ চলছিল। এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার শালিস-বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে, তাইজ্জ মিয়া পক্ষ বিরোধপূর্ণ জমিতে দখল নেওয়ার চেষ্টা করলে, অপর পক্ষ এই দখল দিতে বাধা দেয়। এর ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন আসিয়া খাতুন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে প্রতিপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

নিহতের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর কাজ চলছে।

এলাকার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৯ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৩ এম


উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৯ জন গ্রেফতার

ঢাকা, ১৩ আগস্ট ২০২৬ : রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকা ভেতরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত ১৯ জনকে গ্রেফতার করেছিল।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের(ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার উত্তরা পশ্চিম থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের তালিকা হলো- মো. ইউসুফ (২৬), মো. খোরশেদ (২৫), মো. আরমান (২৬), মোছা. মারজান ওরফে নিপা (২২), শিরিন আক্তার (২৫), তানিয়া আক্তার (২১), মো. রাব্বি (১৯), মো. ফরহাদ (২৬), মো. সোহান রহমান (২৪), মো. হাসান (৩২), মো. মনির হোসেন (২৮), মো. খোরশেদ আলম (৪২), মো. আপন হোসেন (২০), মো. শাকিল (২৯), মো. শাকিল সরকার (২১), মো. তানভীর হাসান রিফাত (২১), মোছা. সাদিয়া (২০), সিয়াম খান (২২) ও মো. জিয়াউর রহমান (২৫)।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%